The Daily Ittefaq
ঢাকা, বুধবার, ০৮ জানুয়ারি ২০১৪, ২৫ পৌষ ১৪২০, ০৬ রবিউল আওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ অবরোধ চলবে: মির্জা ফখরুল | নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কাল | পানছড়িতে গুলিতে আওয়ামী লীগ নেতা নিহত

[ রা জ নী তি ]

চাঁপাতলার চাপা কান্না

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ

ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে এই দুঃখ আমাদের কুরে কুরে খায় গৌরবের পাহাড় চূড়ায় বিচরণ ছিল যে জাতির তাকে ভাগাড়ে ছুঁড়ে কলঙ্কিত করছে একুশ শতকের নষ্ট রাজনীতি। রাজনীতিতে ধর্মকেন্দ্রিকতা প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলার বাস্তবতা ছিল। অথচ সেই সময়গুলোতে অসামপ্রদায়িকতার সুবাতাস ছিল সাধারণ বাস্তবতা। বৌদ্ধ পাল রাজারা আট শতক থেকে প্রায় চারশ' বছরব্যাপী সমৃদ্ধ শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। অথচ হিন্দু ধর্ম সম্প্রদায় নিশ্চিন্ত আশ্রয় পেয়েছিল পাল যুগে। তাম্রশাসন সূত্রে জানা যায় অনেক ব্রাহ্মণকেই পাল রাজারা মন্দির গড়ার জন্য গ্রাম দান করতেন। পাহাড়পুর বিহারের পোড়ামাটির অলঙ্কনের অবলীলায় ঠাঁই পেয়েছে হিন্দু দেবমূর্তি। সেনশাসন যুগ কুখ্যাত ছিল ব্রাহ্মণ রাজাদের নিবর্তনমূলক দৃষ্টিভঙ্গির করণে। কিন্তু একে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার দোষে দুষ্ট বলা যাবে না। বরঞ্চ নিজেদের অন্যায় শাসনকে নিষ্কণ্টক রাখার জন্য নিজ ধর্মের ভেতরেই বর্ণবৈষম্য ছড়িয়ে দিয়ে ছিল। আর মধ্যযুগের প্রায় ছয়শ' বছরের মুসলমান শাসন ছিল সোনাফলা। বহিরাগত সুলতান ও মোগল সুবেদারগণ অসাম্প্রদায়িক শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন। মধ্যযুগের পুরো সময় হিন্দু মুসলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে বসবাস করে গেছে। বাংলায় ইসলাম প্রচারে প্রধান ভূমিকা রেখেছিলেন সুফি সাধকগণ। ধর্মীয় সংকীর্ণতা নয় মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ছিল তাদের প্রধান শিক্ষা। বাংলার দীর্ঘদিনের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে প্রথম কলঙ্কিত করেছিল রাজনৈতিক কূট উদ্দেশ্য। ইংরেজ শাসন যুগে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন যাতে দানা বাঁধতে না পারে তাই হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে সামপ্রদায়িক বিভেদের বিষবাষ্প ছড়ায় শাসক গোষ্ঠী। তা আরো প্রবল করে তোলে বিশ শতকের শুরুতে বঙ্গভঙ্গের মধ্যদিয়ে। এরপর থেকে এই ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছি আমরা। রাজনৈতিক প্রয়োজনে যখন যে যেভাবে পারছি সামপ্রদায়িক দুষ্ট চেতনা ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি। দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচারের আদিম চেহারা নিয়ে ফিরছি। তবে তা সাধারণ্যের চেতনা নয় বীভত্স রাজনৈতিক চেতনাধারীদের প্রতিহিংসা পরায়ণতার প্রকাশ। এমন কলঙ্ক আবার আমাদের স্পর্শ করলো এবার দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই। এদেশে এখন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কোথাও না কোথাও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ রাজনৈতিক হিংসার মুখে বিপন্ন হন। আমাদের বিবদমান রাজনীতিতে একটি সাধারণ ধারণা তৈরি হয়েছে যে হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় অংশ আওয়ামী লীগ সমর্থক। তাই নির্বাচনে হেরে গেলে বিএনপি জামায়াতের যত ক্ষোভ আছড়ে পড়ে হিন্দুদের উপর। তাদের জীবন ও সম্পদের ওপর আসে আঘাত। এই সমপ্রদায়ের মানুষদের ভীত সন্ত্রস্ত রাখতে চায়।

এবার নির্বাচনের পরও তার ব্যাতিক্রম ঘটলো না। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হিসেবটা ছিল অন্য রকম। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করেছে। পাশাপাশি প্রতিহত করার ডাক দিয়েছে। নিবন্ধন হারিয়ে নির্বাচন থেকে আগেই ছিটকে পড়েছে জামায়াত। কাজ করে যাচ্ছে বিএনপির সন্ত্রাসী গ্রুপ হিসেবে। শেষ পর্যন্ত কিছুটা প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারলেও বিএনপি জামায়াতের পক্ষে নির্বাচন প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি। অনেকের সাথে হিন্দু সমপ্রদায়ও তাদের নাগরিক অধিকার নিয়ে ভোট প্রয়োগ করেছেন। কিন্তু জামায়াত বিএনপির সন্ত্রাসীদের ক্ষোভের আগুন যথা নিয়মে হিন্দু সমপ্রদায়কেই পুড়িয়েছে।

নির্বাচনের দিন সন্ধ্যা থেকেই হামলা চলেছে। হামলা হয়েছে বসতবাড়ি, দোকান-পাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বাঁচতে চেয়েছে। জামায়াত শিবিরের ক্যাডাররাই সবচেয়ে বেশি তাণ্ডব চালিয়েছে। দিনাজপুরের পল্লীতে হিন্দু সমপ্রদায়ের দুই শতাধিক বাড়ি এবং প্রায় অর্ধশত দোকান ভাঙ্গচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় তাণ্ডবটি হয়েছে যশোরের অভয়নগরে। চাঁপাতলা গ্রামের মালোপাড়ায় এই বীভত্স হামলা চালায় জামায়াত শিবিরের সন্ত্রাসীরা। বসতবাড়িতে লাগিয়ে দেয়া হয় আগুন। পত্র-পত্রিকা আর টিভি প্রতিবেদন থেকে যা বুঝতে পেরেছি তাতে একাত্তরের কথাই মনে পড়েছে আমার। আমি নিজের অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে নিয়েছিলাম। হানাদার বাহিনীর গুলি বৃষ্টির মুখে আমরা শত শত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে জীবন ভয়ে পালিয়ে ছিলাম। নৌকায় ধলেশ্বরী পাড়ি দিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলাম মুন্সিগঞ্জে। স্বাধীনতার ৪২ বছর পর চাঁপাতলীর বাংলাদেশীরা জীবন বাঁচাতে ভৈরব নদী পড়ি দিয়ে ওপারে আশ্রয় নিয়েছিল। সাধারণ মানুষ তাদের আশ্রয় দিয়েছে। যেমনি করে মুন্সিগঞ্জের সাধারণ গ্রামবাসী আমাদের আশ্রয় দিয়েছিলো। আমরা একাত্তরের অক্টোবরে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের বাড়িতে এসে দেখেছিলাম পাকবাহিনীর দেয়া আগুনে সাজানো বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মালোপাড়ার মানুষেরা ফিরে এসে একই চিত্র দেখেছে। পাকবাহিনীর দোসরদের ছানাপোনারা এই নিরীহ মানুষদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। লুটপাট করে সর্বস্বান্ত করেছে। চাঁপাতলার এই অসহায় মানুষদের চাপা কান্না বিবেকবান সকল মানুষই শুনতে পারছে।

কিন্তু আমার প্রশ্ন অন্য জায়গায়। এবার খুব স্পষ্ট ছিল জামায়াত বিএনপির জিঘাংসার শিকার হবেন হিন্দু জনগোষ্ঠী। বিশেষ করে যশোহর, খুলনা, বাগেরহাটে এই নরাধমদের হামলে পড়া নতুন নয়। তাই সরকারের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক দৃষ্টি রাখার দরকার ছিল। আমরা শুনেছি। স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে যৌথ বাহিনী সক্রিয় ছিল। নির্বাচন কমিশন সেনাবাহিনীকেও দায়িত্ব দিয়েছিল। এসব সংবাদে আমরা কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়েছিলাম। কিন্তু বাস্তবে কিছু ফল ফললো না। প্রয়োজনের সময় অসহায়কে রক্ষা করতে পারলো না সরকার, নির্বাচন কমিশন, যৌথবাহিনী কেউই। টিভি স্ক্রলে দেখেছি চাঁপাতলার নির্যাতিত হিন্দু রমণী বলছেন, আক্রান্ত হয়ে পুলিশকে ফোন করেও কোনো সাড়া পাননি। ৬ জানুয়ারি একটি টেলিভিশন টকশো থেকে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হয় যশোহরের বড় পুলিশ কর্মকর্তার সাথে। তিনি যথারীতি তাদের সীমাবদ্ধতার কথা জানালেন। বললেন তাদের লোকবলের অভাবের কথা। তাহলে নির্বাচনকে ঘিরে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়াটা কি ছিল ফাঁকা বুলি? উত্তরটি নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সকলকেই দিতে হবে।

দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণে বারবার হয়েছে এদেশে। কিন্তু একে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধের চেষ্টা আমরা কখনো করিনি। একটু পেছনে তাকাই। ২০০০ সালের নভেম্বর মাসে সংবাদপত্রে একটি মর্মস্পর্শী রিপোর্ট ছাপা হয়েছিল। হাতিয়ার দ্বীপবাসিনী বিষ্ণুপ্রিয়ার কান্নার শব্দ ছড়িয়ে দিয়েছিল সারা দেশে। আর উন্মোচন করেছিল দেশ জুড়ে সংক্রমিত সরব ও নীরব সন্ত্রাসের করাল থাবার ছবি। বিবেকবান মানুষ এই রিপোর্ট পড়ে দুঃখ পেয়েছিলেন, ক্ষুব্ধও হয়েছিলেন—তবে নিশ্চয়ই বিস্মিত হননি। বিস্মিত হবেন না সন্ত্রাসের ক্রমাগত বাড়-বাড়ন্ত দেখে, সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্য দাপুটে স্বভাব দেখে, সে সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা খোদ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ তাচ্ছিল্যের সঙ্গে অকার্যকর করতে দেখে। এ কারণেই সাধারণ মানুষ একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়েও চরম হতাশায় দিনাতিপাত করে। রাষ্ট্রের সংবিধানে লেখা থাকলেও রাষ্ট্রপরিচালকগণ সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানে ব্যর্থ হন।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, প্রতিবন্ধী স্বামী আর তিন সন্তান নিয়ে পাঁচজনের সংসার বিষ্ণুপ্রিয়ার। সংসারের জোয়াল বিষ্ণুপ্রিয়ার কাঁধে। ৩ একর ৯২ শতাংশ জমি এই পরিবারের বেঁচে থাকার আশ্বাস। কিন্তু শক্তিহীন হিন্দু এই পরিবারটি এতটা জমি নিশ্চিন্তে ভোগ করে যাবে এটা বোধ হয় খুব বাড়াবাড়ি মনে হয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী টাউট মস্তানদের। তাই তারা হামলে পড়েছে।

সে সময়ের সংস্কৃতি ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন সময়ে সজাগ হয়েছিল। তবে পূর্ণ নিরাপত্তার আশ্বাস দিতে পারেনি অসহায় বিষ্ণুপ্রিয়ার পরিবারকে। আইন-আদালত করেও তেমন সুবিধা করতে পারেননি বিষ্ণুপ্রিয়া। জমি বিক্রি করে মামলার খরচ মেটানোই সার হয়েছে। অবশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত্ লাভের সুযোগ ঘটেছিল তার। প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে বিষ্ণুপ্রিয়ার জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য নির্দেশ যায়। এতে আরও ক্ষুব্ধ হয় সন্ত্রাসীরা। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের আরো অনেক নির্দেশের মতো এ নির্দেশও অকার্যকর হয়। তাই বিষ্ণুপ্রিয়ার জীবনের করুণ কাহিনী আবার জায়গা নেয় পত্রিকার পাতায়।

খোঁজ করলে এই বিষ্ণুপ্রিয়া আর তার দুঃখের উপাখ্যান শুধু হাতিয়ায় নয়—বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলেই পাওয়া যাবে। দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার নতুন কিছু নয়। রবীন্দ্রনাথ বহু আগেই 'দুই বিঘা জমি' কবিতাটি লিখেছিলেন। জমি দখলকারীদের লোভের হাত বরাবরই সক্রিয় থাকে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসনকে অনেক সময়েই এরা পকেটস্থ করতে সক্ষম হয়। দুর্বল হয় পরাস্ত। অতঃপর ঘটিবাটি নিয়ে এলাকা ছাড়তে হয়, অথবা হতে হয় দেশান্তরী। অতীতের দিকে তাকালে দেখা যাবে এই ঘটনার বিস্তর উদাহরণ থাকলেও এসব দখলদারিত্ব বা সন্ত্রাসের পিছনের রাজনৈতিক ভিত্তি তেমন সক্রিয় ছিল না। ফলে রাষ্ট্রযন্ত্রের পক্ষে অপরাধীকে শাসন করার সুযোগ ছিল। কিন্তু অধুনা সন্ত্রাসের সঙ্গে রাজনীতির শক্তি যুক্ত হওয়ায় তা প্রতিদিন মাত্রা ছাড়াচ্ছে। আর রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের ভিতর অগণতান্ত্রিক চেতনা লালন করে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে গণতন্ত্র (!)। ফলে দলীয় কর্মীদের নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহূত শাসনের লাগাম আর বড় নেতারা নিজেদের হাতে রাখতে পারছেন না। সরকারী বা বিরোধী কোন দলেরই এখন আর প্রকৃত অর্থে জনগণের ওপর নির্ভর করার মতো মনের জোর নেই। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় যাওয়া বা টিকে থাকার জন্য তারা এখন বিভিন্ন মাপের নেতাকর্মীর ওপরই আস্থা রাখে বেশি।

আমরা একই চিত্র আর দেখতে চাই না। সরকারের দুর্বলচিত্ততাও আমাদের কাম্য নয়। আমরা দৃঢ়ভাবে দাবি করছি। চাঁপাতলাসহ সকল অঞ্চলে হিন্দু পরিবারের ওপর হামলাকারীদের খুঁজে এনে যাতে আইনের হাতে সোপর্দ করা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৬ জানুয়ারি বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন তিনি এইসব সন্ত্রাসীদের নির্মূল করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আমরা এর দ্রুত বাস্তবায়ন চাই। আর চাই যে মানুষগুলো তাদের সহায় সম্বল ঘরবাড়ি হারিয়েছেন তার পরিপূর্ণ পুনর্বাসন করতে হবে। এতে যে শুধু অসহায়ের উপকার হবে তাই নয়; অত্যাচারকারীদের মুখেও চপেটাঘাত দেয়া হবে।

লেখক: অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

shahnawaz7b@gmail.com

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
ড.আবুল বারাকাত বলেছেন, 'এই নির্বাচন সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি ছাড়াই রাজনৈতিক ইস্যুতে মতৈক্য সৃষ্টির পথ তৈরি করবে।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
8 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
আগষ্ট - ২০
ফজর৪:১৬
যোহর১২:০২
আসর৪:৩৬
মাগরিব৬:৩১
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:৩৬সূর্যাস্ত - ০৬:২৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :