The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ২০ মাঘ ১৪২০, ০১ রবিউস সানী ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, সকাল ৮টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ | ৯ ফেব্রুয়ারির পর সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে : ইসি

[ রা জ নী তি ]

নতুন সংসদের যাত্রা এবং বর্তমান পরিস্থিতি

ড. সুলতান মাহমুদ রানা

২৯ জানুয়ারি দশম সংসদের অধিবেশন শুরু হয়েছে। নব্বই-পরবর্তী প্রতিটি সংসদেই বিএনপির অংশগ্রহণ থাকলেও এবারই প্রথম সংসদ বিএনপি ছাড়া। এ সংসদে থাকছে ভিন্ন মাত্রার একটি বিরোধী দল। ভিন্ন মাত্রা বলছি এ কারণে যে, বিরোধী দলের মধ্যে থেকেও কয়েকজন মন্ত্রিসভার সদস্য রয়েছেন। অবশ্য এবারের মন্ত্রিসভাটি গঠন এবং কাঠামোগত দিক থেকে অন্যবারের থেকে আলাদা। ইতিপূর্বেও এমন মন্ত্রিসভা গঠনের উদ্যোগ আমরা লক্ষ্য করেছি। বলা যায়, জাতীয় ঐকমত্যের সরকার গঠন করার লক্ষ্যেই এমন একটি ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হয়েছে। এর আগে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। সরকার গঠন করার পর ২৪ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে বলেছিলেন, 'জাতীয় সংসদ হবে সকল সমস্যা সমাধানের ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।' বাংলাদেশকে যত দ্রুত সম্ভব উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে তিনি জাতীয় ঐকমত্যের সরকারের রূপরেখা দিয়ে তাতে বিরোধীদলকেও যোগদানের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু দু'টি দল সাড়া দিলেও প্রধান বিরোধীদল বিএনপি এতে সাড়া দেয়নি। বরং পরবর্তীতে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে একটানা সংসদ বর্জন অব্যাহত রাখে বিএনপি। সংসদীয় গণতন্ত্রের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময়ে বিরোধীদলকে আলোচনায় ও সংসদে যোগদানের আহ্বান জানালেও বিরোধীদল সংসদে যোগদান থেকে বিরত থাকে। রাজনৈতিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার প্রতিশ্রুতবদ্ধ হলেও নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা রাজনৈতিক উন্নয়নের পথে বাধা হিসেবে কাজ করেছে। এবারের বিরোধী দল যদিও বারবার সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন। প্রকৃত অর্থে বিরোধী দলের যথাযথ ভূমিকাই তাদের নিজেদের অবস্থানকে পরিষ্কার করতে পারবে। বিশেষ করে বিরোধী দলের নিয়মিত সংসদে উপস্থিতি এবং সরকারকে যথাযথ জবাবদিহিতার মধ্যে আনয়ন করতে পারলেই সংসদীয় ব্যবস্থার কার্যকারিতা প্রস্ফুটিত হবে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সিভিল সমাজের নাগরিকরা বর্তমানের বিরোধী দলকে যে 'গৃহপালিত বিরোধী' দল বলে আখ্যায়িত করে যাচ্ছে, তা আসলেই গৃহপালিত কি না তা পরিষ্কার করে দিতে পারবে বিরোধী দল নিজেই, তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে। এ কথা সর্বজনস্বীকৃত যে, সরকারি দল ও বিরোধী দলের সহিষ্ণু সম্পর্ক গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য অপরিহার্য বিষয়। সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে ন্যূনতম বোঝাপড়াও একটি সংসদীয় ব্যবস্থাকে যথাযথ কার্যকারিতা আনয়ন করতে পারে। কারণ বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা এবং অবিরাম সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি প্রকৃতপক্ষেই একটি সংসদীয় ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে তোলে। শক্তিশালী বিরোধী দল থেকে সংসদ অকার্যকর থাকার চেয়ে দুর্বল বিরোধী দলে সংসদ কার্যকর থাকাও গণতান্ত্রিক কাঠামোতে যথাযথ এবং ন্যায্য। জাতীয় ঐকমত্যের সরকারের ভিত্তিতে যদি একটি দেশে সুশাসনের যাত্রা শুভ হয় তাহলে ইতিপূর্বে গঠিত অন্য যেকোনো সরকারের চেয়ে তা জনগণের নিকট প্রশংসার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। নব্বই-পরবর্তী রাজনৈতিক দলগুলো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো বিকাশের প্রতিশ্রুতি দিলেও প্রকৃতপক্ষে অকার্যকর দলীয় ব্যবস্থার ফলে তা বিকাশ লাভ করতে পারেনি। বিশেষত দলীয় কাঠামোতে যদি গণতন্ত্র চর্চা করতে রাজনৈতিক দলগুলো ব্যর্থ হয় তাহলে রাষ্ট্রীয় এবং শাসনতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় তা কার্যকর করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের কার্যকারিতা ও কার্যকর দলীয় ব্যবস্থা এবং এর প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ একান্ত অপরিহার্য। বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মত প্রকাশ করেছেন যে, একটি দেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন সে দেশের দলীয় ব্যবস্থার কার্যকারিতার ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। ১৯৯১ সালে সুষ্ঠু নির্বাচনের পর দেশে দলীয় ব্যবস্থার বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়। স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনের বছর-গুলোতে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে সংগঠনকে আরও সুসংহত করতে সক্ষম হয় এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তৃণমূল পর্যায়ের জনভিত্তি সংগঠন গড়ে তোলে। আওয়ামী লীগ সরকারের (১৯৯৬-২০০১) সময়ে দেশে গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে উঠলেও দলীয় কাঠামোতে গণতন্ত্রায়ন এবং গণতন্ত্রের চর্চা অনুপস্থিত থেকে যায়। ফলে রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে প্রকৃত প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায়, নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নে এবং কাঠামোয় কর্তৃত্ববাদী চর্চা প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক দলের কোনোরকম জবাবদিহিতা না থাকায় দলীয় আয়-ব্যয়, অর্থায়ন প্রক্রিয়া এবং হিসাব নিরীক্ষণ সকলের অগোচরে রয়ে যায়। সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে নির্বাচনী রাজনীতিতে মনোনয়ন বাণিজ্য, অর্থ এবং পেশীশক্তির প্রতিযোগিতা চলে। রাজনৈতিক দলের নেতারা গণতন্ত্র বিকাশের ক্ষেত্রে নিজেরাই নিজেদের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে রাজনৈতিক দলকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ রাজনৈতিক দলগুলো মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও নিজেরাই গণতন্ত্র চর্চা করে না। রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের অবস্থান এবং সরকারি ও বিরোধীদলের সহিষ্ণু সম্পর্কের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক কাঠামোর বিকাশে বিভিন্ন সময়ে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলো যেমন নিজেরা গণতন্ত্রের চর্চার সংকটে নিমজ্জিত ঠিক তেমনি দেশের জনগণের জন্য সাংবিধানিক ঐতিহ্য রক্ষার অঙ্গীকারও নেই বললেই চলে। এমনই একটি নেতিবাচক রাজনৈতিক দর্শনই বিগত দশম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন-বর্জন এবং নির্বাচন-প্রতিহত করার ঘোষণায় লক্ষ্য করা গেছে। সরকারি দলের পক্ষ থেকে সংলাপ এবং সমঝোতার নানা উদ্যোগ থাকলেও বিএনপি কৌশলগতভাবে সেগুলো ধরতে পারেনি। বহুদলীয় কাঠামোতে বিএনপির মতো বড় একটি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও স্বাভাবিকভাবে অপেক্ষাকৃত ছোট দল বিরোধী দলের রূপ নিতে পারে। তাতে সেটি গৃহপালিত হোক আর অন্য কিছুই হোক। কাজেই এ দোষটিও নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগের ঘাড়ে যাওয়ার কথা নয়। নির্বাচন কীভাবে হবে কিংবা নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে তা নিয়ে আলোচনার অনেক সুযোগ বিএনপি নষ্ট করায় বর্তমানে নির্বাচন-পরবর্তীতে সংসদীয় যাত্রা কিছুটা অস্তিত্বের সংকটে আবর্তিত। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অবস্থান দুটিই এখন ভিন্ন ফ্লেভার লাভ করেছে। বিএনপির হরতাল-অবরোধ কর্মসূচির মাধ্যমে বিগত সংসদ নির্বাচন বর্জনের অপ-সংস্কৃতিকে অনেকেই ভালোভাবে নেয়নি। বলা হচ্ছে যে, এটি বিএনপির ভুল রাজনীতি। এছাড়াও বিএনপি-জামায়াত জোটের হরতাল-অবরোধের নামে নানাবিধ সহিংস কর্মকাণ্ডের ফলে তাদের নিজেদের জনপ্রিয়তার মাত্রা যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে সাংগঠনিকভাবে নেতা-কর্মীরা অনেকটাই নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। নির্বাচন-পূর্ব বিএনপির চাঙ্গাভাব এখন আর নেই। বিশেষ করে, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন-পরবর্তীতে নেতা-কর্মীদের ক্ষমতা-ক্ষমতা ভাব এখন আর নেই। এমনকি বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট এই মুহূর্তে আতঙ্কে আছে যে, বর্তমান সরকার পাঁচ বছরই পূর্ণ করে দেয় কি না, করলেও খুব বেশি আশ্চর্যের কিছু থাকবে না।

অন্যদিকে ঐতিহ্যবাহী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের গায়ে যে কালিমা লেপন করেছে তা সহজে মোচনীয় নয়। অবশ্য সরকারের বৈধতা অর্জনের লক্ষ্য হিসেবে একটি গ্রহণযোগ্য মানের মন্ত্রিপরিষদ গঠনের চেষ্টা প্রশংসার দাবি রাখে। যদিও বিরোধী দলের মধ্য থেকেও মন্ত্রী হওয়ায় ভিন্ন মডেলের সংসদীয় যাত্রার আভাস সমালোচনার ক্ষেত্র তৈরি করেছে। তবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে কাঙ্ক্ষিত দৃশ্যমান কিছু কর্মকাণ্ডই হয়তো জনগণের নিকট সরকারের বৈধতার মাত্রা বাড়াতে পারে। যেহেতু জনগণ চায় সুশাসন। সরকারের লক্ষ্যও তাই। যদিও ইতিমধ্যেই নবগঠিত মন্ত্রিসভার একজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী তাদের কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতে কিছুটা বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছে। ধরে নেয়া যাক, ছোট-খাট দু'একটি ভুল-ভ্রান্তি বড় কোনো ভুলকে আগেই শুধরে দেবে কিংবা সাবধানের আভাস হিসেবে কাজ করবে। বিশেষ করে একজন মন্ত্রী কোমলমতি কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জনসম্মুখে ধূমপান করে আইন ভঙ্গ করে বিতর্কিত হয়েছেন। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলন করে তার ভুল স্বীকারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

পরবর্তীতে এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আরো সচেতন হতে হবে। তাছাড়া বিশেষ সংকটে পড়েছে বিএনপি। সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে বিএনপি সরকার-বিরোধী শক্ত অবস্থানে দাঁড়াতে না পেরে নেতা-কর্মীরা সাংগঠনিকভাবে ক্রমেই নিস্তেজ হয়ে পড়ছে। এখন বিএনপিকে নিজেদের রাজনীতির শক্ত অবস্থানকে ধরে রাখতে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে উপায় নেই। এমনটি ধরে নিলে খুব বেশি অমূলক হবে না যে, উভয় দলের জন্যই 'উপজেলা নির্বাচন' সাংগঠনিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। বিগত সময়ের ভুল-ভ্রান্তি দূর করার সময় এসেছে। অতএব, আমরা মনে করি, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বৈধতার সংকট মোচন এবং অস্তিত্বের মর্যাদার লড়াইয়ের পাশাপাশি সংসদীয় ব্যবস্থার কার্যকারিতায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি দল ও বিরোধী দলকে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক আচরণ প্রদর্শন করা জরুরি। সংসদে বিদ্যমান প্রতিনিধিত্বশীল দলগুলোর বাইরে থেকেও বিএনপি সরকারের কর্মকাণ্ডে গঠনমূলক নজরদারি অব্যাহত রাখতে পারে। নিজেদের দলীয় স্বার্থকেই বড় করে না দেখে জাতীয় বৃহত্ স্বার্থে ছাড় দেয়ার মানসিকতা পোষণ করতে হবে সকল রাজনৈতিক দলকে। এক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠা ও বিরোধী দলের অংশগ্রহণে জাতীয় সংসদের কার্যকারিতায় সরকারের আন্তরিক সহযোগিতারও বিকল্প নেই।

 লেখক: সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

E-mail: sultanmahmud.rana@gmail.com

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, 'সরকার বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার পরিকল্পনা করছে।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
7 + 1 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ১৭
ফজর৫:১৩
যোহর১১:৫৫
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৮
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৪সূর্যাস্ত - ০৫:১৩
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :