The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ৯ ফাল্গুন ১৪১৯, ১০ রবিউস সানি ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ নূহাশ পল্লীতে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে ৯ জন আহত | ২৬ মার্চের মধ্যে জামায়াত নিষিদ্ধের প্রক্রিয়া শুরুর আলটিমেটাম: শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ | মহাসমাবেশে কর্মসূচির ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হলো শাহবাগের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি | সৈয়দ আশরাফুল রাজনৈতিক শিষ্ঠাচারবিবর্জিত কথা বলেছেন: মির্জা ফখরুল | বরিশাল-ভোলা মহাসড়কে বাস খাদে পড়ে ৫ জন নিহত | আজ মহান অমর একুশে | বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস | কিশোরগঞ্জে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষ | ঝিনাইদহের মহেশপুরে জামায়াত-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষে ১৫ জন আহত

মিডিয়ায় ভাষা

মোহাম্মদ মোর্শেদ নাসের

লেখাটা একটা গল্প দিয়েই শুরু করছি। গল্পটা এ রকম—উদীয়মান মডেল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য নিজের জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। এরপর ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তার কাছে ডাক আসে। ওই মডেল নির্ধারিত দিন সাক্ষাত্কার বোর্ডে হাজির হন। তারপর প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচলক উক্ত মডেলের কাছে জানতে চান যে, আপনি কেন জীবন বৃত্তান্ত ইংরেজিতে লিখেছেন। তখন মডেল বলেন, এখন তো সবাই এ ভাষাতেই সিভি তৈরি করেন। আর তাই আমিও ইংরেজিতে লিখলাম। এমন পরিস্থিতিতে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মডেলকে বলেন, তা হলে আমাদের দেশে যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আছে, তার দরকার কী? আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য আমাদের ইংরেজি শেখার কোনো বিকল্প নেই। তবে, আমাদের প্রতিষ্ঠানে আপনার যে কাজ, তাতে করে ইংরেজির তেমন প্রয়োজন হবে না। আপনি এবার নিজের জীবন বৃত্তান্ত বাংলা ভাষায় লিখে আনুন। কথামতো কাজ করায় উক্ত মডেলের সেই প্রতিষ্ঠানে চাকরি হয়। উপরের গল্পের মাধ্যমে আমাদের মাতৃভাষার প্রতি গভীর টান প্রকাশ পেয়েছে, যা একজন বাংলাদেশি হিসেবে যে কাউকেই আবেগাপ্লুত করবে। তবে, চাকরির ক্ষেত্রে জীবন বৃত্তান্ত সংক্রান্ত এই ঘটনাটি খানিকটা বিরলই বলা চলে। কারণ, এখন আমাদের দেশে অপ্রয়োজনেও ইংরেজি ব্যবহারের একটি প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। আবার অনেকে নিজেকে ইংরেজিতে দক্ষ প্রমাণ করতে গিয়ে নিজের মাতৃভাষার প্রতি নিদারুণ অবহেলা করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন। এটা যেমন কেউ অসচেতনতাবশত করছেন, আবার কেউ জেনে-বুঝেই এমনটি করছেন। তবে, মাতৃভাষার প্রতি অবহেলার এই প্রবণতা আমাদের ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে সবচেয়ে বেশি। অথচ, এই মাধ্যমগুলোতে ফেব্রুয়ারি মাস এলেই বাংলা ভাষা নিয়ে জয়গান শুরু হয়। প্রতিটি টিভি চ্যানেলের পর্দায় শোভা পায় আমাদের অহংকারের শহীদ মিনারের লোগো। আমাদের এখনকার অনেক টিভি অনুষ্ঠান ও এফএম রেডিওর বিভিন্ন আয়োজনে বাংলা ও ইংরেজি মিশ্রণের একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এতে করে বাংলা ভাষাকে ইংরেজি স্টাইলে তুলে ধরতে গিয়ে নিজের ভাষার অমর্যাদা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু কিছু টিভি অনুষ্ঠানের পুরো আয়োজনেই ইংরেজি আওড়ানো হয়ে থাকে। যেহেতু আমাদের চ্যানেলের প্রায় সব দর্শক বাংলা ভাষাভাষী, তাই অহেতুক ইংরেজি বলার এই প্রবণতাকে দেশের শীর্ষ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা খুব একটা স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছেন না। এ ছাড়া যারা টিভিতে সংবাদ পাঠ করছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ শুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। অনেক সময় এমনও দেখা যায়, টিভি রিপোর্টারদের কেউ কেউ অশুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ নিয়েই দিনের পর দিন সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছেন। এসব কারণে এখন অনেকের মাঝেই এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যে, বাংলা ভাষাকে যদি আমরা সঠিকভাবে নিজেদের মতো প্রকাশ করতে এবং তুলে ধরতে না পারি, তাহলে কী লাভ হলো এ ভাষার জন্য জীবন দিয়ে? দেশীয় ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে আমাদের মাতৃভাষা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টিভি নাটকে ভাষার নেতিবাচক ব্যবহারের ফলে। 'একসময় টিভি নাটক দেখে অনেকে শুদ্ধ বাংলা ভাষা শেখার চেষ্টা করতেন। এখন আর কেউ বাংলা ভাষা শেখার জন্য টিভি নাটক অনুসরণ করেন না। কেউ কেউ এমনটি মনে করেন যে, এই সময়ের একশ্রেণীর নির্মাতার টিভি নাটক দেখলে নিজের জানা সঠিক মাতৃভাষায় বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে'—বললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নাট্যকার বিপাশা হায়াত। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ড. ইনামূল হক বলেন, 'আমাদের ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বাংলা ভাষাকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলাটা আমি মেনে নিতে পারি না। যারা এ কাজের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন, তারা জানেন না যে, তারা নিজের ভাষার কতটা ক্ষতি সাধন করছেন। আমরা মঞ্চ নাটকে শুদ্ধ বাংলায় সংলাপ ব্যবহার করে থাকি। যদি আঞ্চলিক কোনো নাটক হয়, তবে সেটা ভিন্ন কথা। আমাদের টিভি নাটকে বাংলা ভাষার উচ্চারণে অশুদ্ধতা অসংলগ্নতা কখনও মেনে নেওয়া যায় না। কিছু কিছু টিভি নাটকে এখন যে ধরনের সংলাপ বা দৃশ্য দেখি, তা আমাদের ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আমাদের বাংলা ভাষা অনেক সমৃদ্ধ এবং সুললিত। এ ভাষায় আমরা আমাদের মনের চাওয়া-পাওয়া এবং বিভিন্ন অনুভূতি প্রকাশ করে থাকি। কিন্তু সেই ভাষাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার এই প্রবণতা থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে। নাটককে আমরা বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করে থাকি। নাটক হলো শ্রেণীসংগ্রামের সুতীক্ষ হাতিয়ার, প্রতিবাদের বাহন, নাটক আমাদের সকল অবক্ষয় দূর করতে শেখায়, আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধি করে। এখনকার কিছু নাটকের সংলাপ শুনে আহত হতে হয়। যেটা শিল্পমানে সমৃদ্ধ নয়, যার মধ্যে মাধুর্য নেই—সেটা কখনোই সংলাপ হতে পারে না। অনেকেই বলেন, আমরা নাটকে নিজেদের জীবনটাকে তুলে ধরছি। কিন্তু কথা হলো, আমি যেটা নই, সেই চরিত্রে কাজ করাই তো অভিনয়। অনেকে আবার সেটে গিয়ে নাটকের সংলাপ রচনা করেন। মানে 'অন দ্য স্পট' মাথায় যা আসে, তাই নাটকের সংলাপ বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। আমি মনে করি, এটা ঠিক নয়। কারণ, স্পটে তো আমরা অনেক আজেবাজে কথাও বলি। তবে কি সেটা সংলাপ হতে পারে? যেখানে গভীর ব্যঞ্জনা নেই, নেই কোনো তাত্ত্বিক ফিলোসফি, সেটা কখনও সংলাপ হতে পারে না। নাটকের সংলাপে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট, সুনিয়ন্ত্রিত কাঠামো থাকতে হবে। আমার ভাষা আজ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। এখন আমাদের উচিত বাংলা ভাষাকে আরও সমৃদ্ধ করা। আর তা না করে, যদি আমরা বাংলা ভাষা নিয়ে নিজের মতো করে নতুন কিছু প্রবর্তনের চেষ্টা করি, সেটা বোধকরি ভালো দেখায় না।' এ প্রসঙ্গে বরেণ্য নাট্যনির্মাতা সাইদুল আনাম টুটুল বলেন, 'শুধু যে নাটকেই বাংলা শব্দের উচ্চারণ অশুদ্ধ তা নয়, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অনেক সংবাদকর্মীও শুদ্ধভাবে বাংলা শব্দের উচ্চারণ করেন না। আর আমাদের টিভি নাটকে বিগত চার-পাঁচ বছর ধরে বাংলা ভাষা নিয়ে নানারকম অসঙ্গতির খেলা চলছে। এটা কি ঠিক হচ্ছে? আমাদের ছেলেমেয়েদের আমরা আসলে কী দিয়ে যাচ্ছি। বিভিন্ন দূষণের মতো এখন ভাষার সঠিক উচ্চারণেরও দূষণ চলছে। আমাদের টিভি নাটকে এক শ্রেণীর নির্মাতারা তাদের ইচ্ছেমতো বাংলা ভাষাকে ব্যবহার করছেন। এই ক্ষমতা কে দিল তাদের? এটা ভীষণ অন্যায়। পাশাপাশি আমাদের চলচ্চিত্রেও তুই-তামারি, করছি-খাইছি-গেছি, এমনকি বিভিন্ন রকম গালাগাল উচ্চারণ করতে শোনা যায়। এটা এক ধরনের অসভ্যতা। কিছুদিন আগে একটি নাটকে দেখলাম, নায়িকা নায়ককে 'হারামজাদা' বলছে। তা শুনে আমি তো অবাক! বাংলা ভাষাকে নিয়ে এই যে ছেলেখেলা, তা বন্ধ করতে হবে। যারা বাংলা ভাষাকে নিয়ে নতুন কিছু করার চেষ্টা করছেন তাদেরকে বলব, আপনাদের দরকার নেই এত আধুনিকতা দেখানোর। উচ্চারণ নিয়ে এত গবেষণা করার আপনার কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।' অভিনেত্রী তানভীন সুইটি বলেন, 'আমাদের টিভি নাটকে এখন যেসব ভাষায় সংলাপ আওড়াতে শোনা যায়, তা আমাকে হতাশ করে। এটা কী হচ্ছে আমাদের টিভি নাটকে? করছি, খাইছি, দিছি—এসব ভাষা আমরা কি সবসময় ব্যবহার করি? কিছু কিছু নাটকে আমি এমনও দেখেছি যে, অফিসের বস, ডাক্তার—এরা অফিস চলাকালীনও করছি, খাইছি, গেছি—এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন। বাস্তবে কি আমরা এমনটি করি? বাংলা ভাষাকে বিকৃতভাবে এই যে উপস্থাপন, এটা আমাদের জন্য কষ্টদায়ক। যারা আমাদের ভাষাকে নষ্ট করে দিচ্ছে, এখনই তাদের সচেতন হওয়া উচিত। আর তা না হলে আমাদের ভবিষ্যত্ প্রজন্ম বাংলা ভাষার একটা অবক্ষয়ের চর্চা শুরু করবে।' অভিনেত্রী ও পরিচালক ফাল্গুনী হামিদ বলেন, 'আমাদের টিভি নাটকে বাংলা ভাষাকে হীন-দীনভাবে উপস্থাপন করার বিষয়টি আমাকে পীড়া দেয়। নাটকের চরিত্রের দোহাই দিয়ে অশুদ্ধ বাংলা ভাষার ব্যবহার মেনে নেওয়া যায় না। বাস্তব জীবনে যা ঘটে, তার সব কিন্তু নাটকে তুলে ধরা ঠিক নয়। একজন রিকশাওয়ালার মুখে নান্দনিকতাবিরোধী শব্দ তখনই উচ্চারিত হয়, যখন সে খুব রেগে যায়। এটা বাস্তবতা। তবে, আমাদের মনে রাখতে হবে, টেলিভিশন হলো ড্রয়িংরুম মিডিয়া। ঘরে বসে কেউ এ রকম শব্দ শুনতে চায় না। এই বাস্তবতা তারা মোটেই দেখতে চায় না। নাটক আমাদের জীবনের অংশ—সেটা ঠিক আছে। নাটকের একটি মূল সংজ্ঞা হলো, নাটক 'ফটোগ্রাফিক্যাল রিপ্রেজেনটেশন অব লাইফ'। এর অর্থ নাটক জীবনের প্রতিচ্ছবি। পুরোপুরি জীবন নয়। আমি যখন ছবি তুলতে যাই, তখন নিশ্চয়ই একটু সুন্দর কাপড় পরে ছবি তুলি। তেমনি নাটকের ক্ষেত্রেও একই রকম। আমাদের চেষ্টা থাকবে, জীবনের বাস্তবতাপূর্ণ বিষয়গুলোকে একটু মার্জিত ও রুচিশীলভাবে নাটকে ফুটিয়ে তুলতে। আমার মনে হয়, নাটক লেখার ক্ষেত্রেও নাট্যকারদের আরও সচেতনতা অবলম্বন করা উচিত।' একই রকম মত প্রকাশ করে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আলী যাকের বললেন, 'সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আমরা যেকোনো মাধ্যমে যা-ই করি না কেন, সেখানে প্রমিত বাংলার ব্যবহার থাকা উচিত। আমরা যখন কোনো ভাষা উচ্চারণ করতে যাই, তখন সে ভাষার অভিধানে যেভাবে উচ্চারণ রয়েছে, সেভাবেই তা করা উচিত। যদি কেউ ঢাকার আদি ভাষায় কোনোকিছু রচনা করতে চান, তা হলে তা নিয়ে কিঞ্চিত্ গবেষণা করে লেখা উচিত। সংলাপ লিখতে গেলেও বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। ভাষার ক্ষেত্রে আমরা যদি যত্নশীল না হই, তা হলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের কাছ থেকে কী শিখবে বা আমরা কী রেখে যাচ্ছি তাদের জন্য? যারা নাটকে প্রমিত বাংলা ব্যবহার না করে খাইছি, করছি, গেছি ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকেন, আমি মনে করি, তারা প্রমিত বাংলার রপ্ত করতে অক্ষম। এ ছাড়া বাংলার সঙ্গে ইংরেজি মিশিয়ে কথা বলে অনেকে নিজের স্মার্টনেস প্রকাশ করতে চান। এটা ঠিক নয়। আমি মজা করে একটা কথা বলি, ইংরেজি কায়দায় বাংলা বললে আমেরিকার ভিসা পাওয়া যাবে না। আমরা যে ভাষার জন্য সংগ্রাম করেছি, সেই ভাষা নিয়ে ছিনিমিনি খেলাটা ঠিক নয়। আমি মনে করি, যারা বাংলা ভাষাকে নিজেদের মতো করে ব্যবহার করছেন, তারা ভুল পথেই হাঁটছেন। সাবধান হওয়ার এখনই সময়।' আলী যাকেরের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে নিজেদের দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরে নাট্যব্যক্তিত্ব আবুল হায়াত বলেন, 'দেশীয় টিভি নাটকে এখন বাংলা ভাষা নিয়ে নানারকম অসংগতি দেখতে পাই। এটা আমাকে ব্যথিত করে। এতে করে আমাদের নাটকের মান আগামীতে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? টিভি নাটক প্রাইভেট সেক্টরে আসার পর আমরা ফ্রিল্যান্স হিসেবে কাজ করছি। বিটিভিতে সেন্সর কমিটি ছিল, এখনও আছে। কাজের স্বাধীনতা পাওয়ার অর্থ এই নয় যে, আমি যা ইচ্ছে তা-ই করব। আমার কথা হচ্ছে, আমরা যদি বাংলা ভাষার উন্নয়ন করতে না পারি, তা হলে তা যেন নষ্ট না করি। যারা বাংলা ভাষাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছেন, তাদের শুধরানো প্রয়োজন। সহজে পপুলার হওয়ার জন্য অনেক কিছু করা যায়। তবে এটা ঠিক না। আগামী প্রজন্মের কথা ভেবেই বাংলা ভাষাকে আমাদের শুদ্ধভাবে ব্যবহার করা উচিত। আমরা যারা সাংস্কৃতিক কর্মী, শুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ আমাদের দায়িত্ব। আমরা জীবনঘনিষ্ঠ কাজ করব এটা স্বাভাবিক। তবে, আমাদের জীবনের অনেক বিষয় রয়েছে, যা টিভি পর্দায় দেখানো উচিত নয়।'

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের চেয়ে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা শ্রেয়—ব্রিটিশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
2 + 1 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ১৬
ফজর৫:১২
যোহর১১:৫৪
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৫
সূর্যোদয় - ৬:৩৩সূর্যাস্ত - ০৫:১২
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :