The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ৯ ফাল্গুন ১৪২০, ২০ রবিউস সানী ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ নাটোরে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত ৩ | শাহ আমানতে সাড়ে ১০ কেজি সোনা আটক | একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন

ভাষা সংগ্রামী আবদুল মতিন

আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া কোনো জাতির ভাগ্য বদল হয় না

ভাষা সংগ্রামী আবদুল মতিন এক জীবন্ত কিংবদন্তির নাম। 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' এই দাবিতে জীবনবাজি রেখে রাজপথে মিছিল-মিটিং, লড়াই-সংগ্রাম করেছেন অকুতোভয় এই ভাষাসৈনিক। মাতৃভাষা রক্ষার দাবিতে পৃথিবীতে যে সকল আন্দোলন এযাবত্কালে সংগঠিত হয়েছে, তার মধ্যে বাঙালির ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলন শ্রেষ্ঠতম। যার কারণে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে মর্যাদার সাথে পালিত হচ্ছে সারা দুনিয়ায় দেশে দেশে। আর এসব কাজের যিনি উদ্যমী ভূমিকা রেখেছেন, তিনি আমাদের সকলের প্রিয় ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন। বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। কথা বলেছেন পলিয়ার ওয়াহিদ

প্রশ্ন : 'Urdu and Urdu shall be state language of pakistan' এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রথম সরাসরি 'নো নো' বলে ওঠা অগ্নিসাহসী পুরুষটি আপনি। প্রথমে আপনার সেদিনের কথা শুনতে চাই।

আবদুল মতিন : ১৯৪৮ সালে ২৪ মার্চ সমাবর্তন সভায় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহ সাহেব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশনের বক্তৃতায় যখন বলেন—'Urdu and Urdu shall be state language of pakistan' তখন আমি সাথে সাথে নো নো বলে প্রতিবাদ জানাই। এবং আমার সাথে সাথে অন্যান্য ছাত্ররাও নো নো বলে চিত্কার করে ওঠে। এবং দাঁড়িয়ে স্লোগান শুরু করি আমরা। সবাই এবার একত্রে স্লোগান শুরু করি। তখন পরিস্থিতি খারাপ দেখে জিন্নাহ সাহেব তাড়াতাড়ি বক্তৃতা শেষ করে সিকিউরিটি নিয়ে দ্রুত প্রস্থান করেন। এরপর হট্টগোলের মধ্যে মিশে আমি হল থেকে বের হলাম। আমার বন্ধুরা কেউ কেউ বাহবা দিতে শুরু করে। অনেকে আমাকে বলে, তুই তো বিপদে পড়বি। এসব ব্যাপারে তোর মাথা ঘামাতে হবে না। এগুলো রাষ্ট্রীয় ব্যাপার। তোর এত কিসের জ্বালা? তবে এ কাজটা করে আমি কী যে আনন্দিত হয়েছিলাম তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। এ কাজ আমার জীবনের এক অমূল্য সম্পদ, তা আমি বুঝতে পেরেছিলাম। আমি নিজেও নিজেকে ধন্য মনি করি যে আমি তো এই সাহসী কাজটা শুরু করেছিলাম।

প্রশ্ন : আপনাকে 'বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংগ্রাম কমিটি'র আহ্বায়ক করা হয়। সে সময়ে আপনার অভিজ্ঞতার কথা বলুন?

আবদুল মতিন : হঠাত্ করেই আমাকে 'বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংগ্রাম কমিটি'র আহ্বায়ক করা হলো। এতবড় গুরুদায়িত্ব আমি কিভাবে কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়া পরিচালনা করি? একজন আহ্বায়ককে কিভাবে কমিটি পরিচালনা করতে হয়, তাও আমি জানি না। কমিটি সদস্যদের বৈঠকে হাজির করার জন্য আমি একজন অভিজ্ঞ কর্মীর পরামর্শ চাইলাম। তিনি বললেন, কমিটি সদস্যদের বৈঠকে ডাকার জন্যে একটি নোটিশ বই করুন। সেই নোট বইয়ে কোন কোন তারিখে কোন কোন স্থানে বৈঠক হবে তার আলোচনা থাকবে। এভাবে ১৯৫০ সালে আমি দুটো সভার নোটিশ দিলাম। অর্থসংগ্রহ কার্যক্রম, প্রেসবিজ্ঞপ্তি, যারা বৈঠকে আসবে না তাদের বহিষ্কার করা এসব বিষয়। পঞ্চম বৈঠকে শুধু আমি এবং অন্য কাউকে না পেয়ে নতুন ৮ জনকে নিয়ে ৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো, ৫ এপ্রিল ১৯৫১ সালে 'পতাকা দিবস' পালন করা হবে। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫০ মার্চ পর্যন্ত বড় বড় নেতা ভাষা অন্দোলন প্রসঙ্গে আঙুলটা পর্যন্ত উত্তোলন করেনি, মিছিল মিটিং তো দূরের কথা। আমরা ছাত্ররা মিলেই গণসংযোগের মাধ্যমে টাকা-পয়সা সংগ্রহ করতাম। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে আমার তা করেছি। এভাবে পুনরায় ভাষা অন্দোলন বিকশিত হতে থাকে। তারপর আবার গণঅর্থ সংগ্রহ করে আমরা ছোট ছোট পতাকা তৈরি করে তাতে লিখি—রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই।

প্রশ্ন : 'বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি'র সাথে আর কারা কারা যুক্ত ছিলেন?

আবদুল মতিন : নবগঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদের প্রথম বৈঠক হয় ১৩ মার্চ ১৯৫১ সালে। মাকসুদ আহমদের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাবিবুর রহমান শেলী, আমি, বদিউর রহমান, মোশারফ হোসেন, আবদুল ওয়াদুদ, নূরুল আলম, ও তাজউদ্দীন আহমেদ। এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আমার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির কাছে ও সংবাদপত্রে পাঠানো হয়। পরে সালেহউদ্দিন, রুহুল আমীন চৌধুরীসহ আরো অনেকে এর সাথে যুক্ত হয়।

প্রশ্ন : আপনি কত সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন? কোন অপরাধে আপনাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়?

আবদুল মতিন : ১৯৪৫ সালে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএ পাস কোর্সে ভর্তি হই। ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতি এই তিনটি বিষয়ের শিক্ষকদের প্রত্যেকেই নামকরা পণ্ডিত ছিলেন। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের সিঁড়ির পাশে পাঁচ নম্বর রুমে থাকতাম। ১৯৪৮ সালে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি হই। তত্কালীন সরকার আমাকে সিএসপি বানিয়ে ভাষা অন্দোলন থেকে দূরে রাখতে চেয়েছিল। আমি ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে থাকতাম। সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক রাজনৈতিক নেতা থাকতেন। হঠাত্ জেলারের মাধ্যমে পুলিশ অফিসার আমাকে একটা কাগজ দেখালেন। তাতে লেখা ছিল—আই শ্যাল সার্ভ অ্যানি গভর্নমেন্ট দ্যাট কামস টু পাওয়ার মোস্ট অবিডিয়েন্টলি অ্যান্ড সাবসার্ভিয়েন্টলি।' কখনো আর কোনো আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারবো না—এই মর্মে একটা স্বাক্ষর দিতে হবে। আমি তাতে সই করিনি। আবার জেলার অফিসার এসে বললেন—এখনো সময় আছে ভালোভাবে চিন্তা করে দেখেন। প্রস্তাবে রাজি হলে বাড়ি-গাড়ি পেতাম। আমি কিন্তু সেই প্রস্তাবে সাড়া দিইনি। তখন অফিসার বললেন—আপনার মতো নির্লোভ মানুষ দেখিনি। ব্যক্তিগত জীবনে আমি এসব বিষয়ে কোনো তোয়াক্কা করিনি। এ ঘটনার দুমাস পরে আমি জেল থেকে মুক্তি পাই। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি মুসলিম লীগের অনুসারী ছিলেন। তিনি আমাকে তার অফিসে ডেকে নিলেন এবং অশালীন অশোভন আচরণ করে বললেন, এখানে পড়তে হলে তোমাকে বন্ড সই করতে হবে। আমি বললাম, আমার কোনো অপরাধ নেই, আমি কেন বন্ড সই করব। তিনি আমাকে তিন বছরের জন্য বহিষ্কার করেন ও হল ছাড়ার নির্দেশ দেন।

প্রশ্ন : পাকিস্তান হবার পর রাষ্ট্রভাষা অন্দোলনই সর্বপ্রথম এক গণঅভ্যুত্থান। এই গণঅভ্যুত্থানের সাথে আপনার সম্পর্কই ছিল অগ্রগণ্য। শুনতে চাই সেসব দিনের কিছু কথা।

আবদুল মতিন : ১৯৫২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শহরের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সমবেত হবার পর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে কর্মপরিষদের উদ্যোগে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেদিনের মিছিলটি ছিল বিশাল। সভা শেষে প্রায় পাঁচ হাজার ছাত্র-ছাত্রী এক সুদীর্ঘ মিছিলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে করতে সদরঘাট থেকে চকবাজার হয়ে সারা শহর প্রদক্ষিণ করে। সাধারণ মানুষ সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে এবং পুষ্পাঞ্জলির মাধ্যমে অভিনন্দন জানায়।

প্রশ্ন : ১৯৫২ সালে ২০ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার পক্ষে যে মতামত দিয়েছিলেন সে সম্পর্কে জানতে চাই।

আবদুল মতিন : ২০ ফেব্রুয়ারি এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে না পারলে রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার অন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়তো। 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'-এর ১১ জন মতপ্রকাশ করেছিলেন সরকার আরোপিত ১৪৪ ধারা মেনে নিয়ে নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করা। আর তার বিপরীতে মাত্র ৪ জন অলি আহাদ, গোলাম মাওলা, শামসুল আলম, এবং আমি আবদুল মতিন ১৪৪ ধারা ভঙ্গের পক্ষে মত দিই।

প্রশ্ন : ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সেই অভিজ্ঞতা জানতে চাই।

আবদুল মতিন : ২১ ফেব্রুয়ারি এক অভ্যুত্থান হলো। আমি সেদিন বক্তৃতা দিয়েছিলাম—আজ ১৪৪ ধারা ভাঙা না হলে ভাষা অন্দোলন তো বটেই, ভবিষ্যতে কোনো আন্দোলনই ১৪৪ ধারা ভেঙে এগিয়ে নেয়া যাবে না। বিক্ষুব্ধ দীর্ঘপথ পার হয়ে আন্দোলন বর্তমান পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। এখন পিছিয়ে আসার কোনো উপায় নেই। আমি সমবেত ছাত্রদের কাছে প্রশ্ন করি, আমরা কি তাহলে ১৪৪ ধারার ভয়ে পিছিয়ে যাব? জবাবে সবাই সমস্বরে উত্তেজিত কণ্ঠে উচ্চারণ করে, 'না, না।' তখন আমি বললাম, 'দশজন করে করে এক লাইনে দাঁড়িয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।' তবে এ ভাবনা শুধু আমার একার ছিল না। মোহাম্মদ তোয়াহ ও আবদুস সামাদ আজাদসহ আমরা একত্রে মিলে নিয়েছিলাম। ছাত্র-জনতার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারে? ভাষা অন্দোলন এক নতুন মাত্রা পেল। কিন্তু পুলিশ গুলি চালালে আবুল বরকত, রফিকউদ্দিন, আব্দুল জব্বার শহীদ হন। এবং অসংখ্য মানুষ আহত হয়।

প্রশ্ন : মোট কতবার আপনাকে গ্রেফতার করা হয়? এবং জীবনের কতবছর আপনাকে জেল খাটতে হয়েছে?

আবদুল মতিন : পাঁচবার আমাকে গ্রেফতার করে জেলে ঢুকানো হয়েছে। প্রথমবার গ্রেফতার করে ১৯৪৯ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিম্নবেতনভুক্ত কর্মচারীগণ ধর্মঘট করে, সেখানে আমি তাদের সমর্থনে পিকেটিং করেছিলাম। পুলিশ সচিবালয়ের গেট থেকে ধরে দুমাসের ডিটেনশন দেয়। ২য় বার ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে শান্তিনগর কমিটির মিটিং ডাকা হয়। 'সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি' পুনরুজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে আমার নামসহ বহু নেতার নামে গ্রেফতারি পরয়ানা জারি হয়। সেবার ১ বছর সাত দিন জেলে থেকে ১৪ মার্চ ১৯৫৩ সালে মুক্তিলাভ করি। তৃতীয় বার গ্রেফতার হই ঈশ্বরদীতে আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকা অবস্থায়। সেইবার সরকার আমাকে ধরিয়ে দিতে পাঁচ হাজার টাকা ঘোষণা করে। চতুর্থবার ধরা পড়ি ৫ জুন ১৯৭২ সালে নাটোর থেকে। ১৯৭৭ সালে মুক্তি পেয়ে আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হই। তারপর আবার শেষবার ধরা পড়ি এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৬ সালে। সব মিলে পাঁচবার গ্রেফতার হয়ে প্রায় দশ বছর জেল খেটেছি।

প্রশ্ন : শুনেছি, সরকার নাকি আপনাকে পুরান ঢাকায় একটা বাড়ি দিয়েছে, তাহলে এখনো এই ভাড়া বাড়িতে থাকেন কেন?

আবদুল মতিন : আমি তো আমার আদর্শ থেকে একচুলও নড়তে পারব না। সরকার আমাকে বাড়ি দিয়েছে ঠিক, কিন্তু সেটা নাকি কারা দখল করে আছে, তাদের হটিয়ে সেখানে আমাকে উঠতে হবে। কী তামাশার ব্যাপার। সেখানে লোক পাঠানো হয়েছিল, এক হিন্দু বয়স্ক মহিলা রান্নাঘর থেকে বটি বের করে বলেছে—'কারা এসেছে আমার বাড়ি দখল করতে? আসুক না আমার সামনে, খুন করে ফেলব সবগুলোকে।' ভয়ে বেচারা চলে এসে নিজের জীবন বাঁচিয়েছে আরকি। সেই মহিলার তিনকুলে কেউ নেই।

প্রশ্ন : এত ব্যস্ততা সংগ্রামের মধ্যেও আপনি অনেকগুলো বই লিখেছেন। লেখক আবদুল মতিনের সৃষ্টি হলো কিভাবে?

আবদুল মতিন : আমি যখন ভাষা আন্দোলন করলাম পরক্ষণে আমার মনে হলো, এসব বিষয় লিখে রাখা বোধ হয় খুব বেশি দরকার। একটা জাতির মুক্তির জন্য তো আগে সাংস্কৃতিক মুক্তির প্রয়োজন। আমার তা এখনো পারিনি। বিদেশি সংস্কৃতি আমাদের ঘরে বাইরে এমনভাবে জেঁকে বসেছে যে আমরা এখন সাংস্কৃতিকভাবে দেউলিয়া হতে বসেছি। এত নোংরামি দেখতে হবে জীবনে তা ভাবতে পারিনি। প্রগতি মানে বেহায়া নয়। গতি মানে অবক্ষয় নয়। নিজেদের শেকড় ভুলে গেলে সে জাতির দুর্ভাগ্য বড়োই শোচনীয়। আমাদের সাংস্কৃতিক মুক্তি দরকার। এসব ভাবনা থেকেই লেখালেখি শুরু করেছি। লিখেছি আমার জীবন নিয়ে 'জীবন নদীর বাঁকে বাঁকে।' এছাড়া আরো অনেক বই আছে আমার।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, 'উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিএনপি প্রমাণ করেছে শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
6 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ২৪
ফজর৪:০০
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১০
সূর্যোদয় - ৫:২৪সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :