The Daily Ittefaq
ঢাকা, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০১৪, ১২ চৈত্র ১৪২০, ২৪ জমা.আউয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ বাংলাদেশরে মেয়েরাও হারল ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে | শিবগঞ্জে ফুল দেয়ার সময় বিস্ফোরণে নিহত ১ | শিবগঞ্জে ফুল দেয়ার সময় বিস্ফোরণে নিহত ১ | জাতীয় গ্রিডে যোগ হলো আরো ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

প্রত্যক্ষদর্শী হাজী মোরশেদের জবানীতে ২৫ মার্চ

বঙ্গবন্ধু যেভাবে গ্রেফতার হলেন

আনোয়ার কবির

২৫ মার্চ ১৯৭১। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের মধ্য দিয়ে হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। শুরু করে শতাব্দীর অন্যতম গণহত্যা। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর অপারেশন সার্চলাইটের অন্যতম লক্ষ্যস্থল ছিল ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধুর বাসভবন। সারাজাতির প্রাণকেন্দ্রে সেদিন ছিলেন শতাব্দীর মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ধানমন্ডির বাসভবন থেকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গ্রেফতার করে বঙ্গবন্ধুকে। সেদিন বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে পরিবারের সদস্যরা ব্যতীত উপস্থিত ছিলেন হাজী মোহাম্মদ গোলাম মোরশেদ। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাঁকেও গ্রেফতার করেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবনের অনেক ক্রান্তিলগ্নের ঘটনার সাক্ষী হাজী মোরশেদ। বর্তমানে তাঁর বয়স ৮৩ বছর। ইতিহাসের সাক্ষী হাজী মোরশেদের বর্তমান আসাদগেটস্থ বাসভবনে ১৯ মার্চ দুপুরে কথা হয়। ২৫ মার্চের সেই কালোরাতসহ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এবং বঙ্গবন্ধুর জীবনের অনেক অনালোকিত বিষয়গুলোকে তুলে ধরেন তিনি।

যশোরের এক ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হাজী মোরশেদ। জমিদার পরিবারের দৌহিত্র। কখনো আর্থিক কষ্টে ভুগতে হয়নি। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবা করার মানসে রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা। ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াবস্থায় পাকিস্তান আন্দোলনের সঙ্গে জড়ান তিনি। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে পরিচয় '৪০ সাল থেকে। ঘনিষ্ঠতার শুরু '৫৩ সাল থেকে। '৫৪ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেটি পোক্ত হয়।

হাজী মোরশেদ ১৯৫০-'৫২ সালে যশোর জেলা মুসলিম ছাত্রলীগের সম্পাদক, ১৯৫৩-'৫৪ সালে যশোর জেলা সর্বদলীয় ভাষা সংগ্রাম পরিষদের কনভেনার, '৫৩-'৫৮ পর্যন্ত যশোর জেলা বোর্ডের সদস্য, ১৯৫৫-'৬২ পর্যন্ত যশোর সদর মহকুমা আওয়ামী লীগের সম্পাদক, ১৯৫৩ থেকে '৬৩ পর্যন্ত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ঘনিষ্ঠ কর্মী এবং ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত আমৃত্যু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবৈতনিক সহযোগীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭২-'৭৪ পর্যন্ত ডিজাবল ফ্রিডম ফাইটার্স রিহ্যাবিলেটশন সেন্টার অব বাংলাদেশ রেড ক্রস-এর সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন।

ইতিহাসের ক্রান্তিলগ্ন ২৫ মার্চ ১৯৭১। সারাদিনভর একের পর এক লোকজন আসছেন যাচ্ছেন ধানমন্ডির ৩২নং বাড়িতে। অন্যান্য দিনের মতো সকালেই হাজী মোরশেদ বঙ্গবন্ধু ভবনে। সন্ধ্যা ৭-৮টার দিকে তিনি তাঁর কাকরাইলস্থ বাসায় রাতের খাবার খেতে ফেরেন (তাঁর বাসাটি ছিল কাকরাইলে ইত্তেফাক-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মানিক মিয়ার বাসার উল্টোদিকে)। খাওয়া-দাওয়া শেষে রাত ৯টার দিকে আবার বঙ্গবন্ধুর বাসার দিকে রওয়ানা দেন। পথিমধ্যে অনেকগুলো ব্যারিকেড ডিঙিয়ে ধানমন্ডির ৮নং ব্রিজ পার হয়ে পশ্চিম দিকে গাড়ি রাখেন। তাঁর গাড়ি নং ছিল, ঢাকা গ-১ (এই গাড়িতে চড়েই বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন। '৭০-এর পুরো নির্বাচনের সময়ও বঙ্গবন্ধু এই গাড়ি ব্যবহার করেছেন। এই গাড়িতে চড়েই বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের জেনারেল সাহেবজাদা ইয়াকুবের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন)। বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে পৌঁছাতে সময় হয়ে যায় রাত ১০টা। এরপরের ঘটনাবলি হাজী মোরশেদের ভাষ্যে এরকম—

'ধানমন্ডির ৩২ নং বাড়িতে ঢুকে দেখি খালি, কোথাও কেউ নেই। ঢুকে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বেডরুমের দরজায় দেখা। আমার দিকে তাকিয়ে মুজিব ভাই বললেন—''আমরা স্বাধীন হয়ে গেলাম। They are comming to arrest me. I have decieded to stay.'' আমাকে বললেন, তুই চলে যা। আমি বঙ্গবন্ধুর কথায় না গিয়ে থেকে যাই। তিনি তখন মৃত্যুর মুখোমুখি। বেডরুমে আমি আর মুজিব ভাই। একের পর এক ফোন আসছে। আমি ফোন ধরছি। মিসেস সিরাজুল হক, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ (আমাকে তিনি হাজী ভাই বলে ডাকেন)সহ অনেকেই ফোন করছেন। প্রত্যেকেই বলছেন, মুজিব ভাইকে পালাতে বলেন। অনেকে জানতে চান আমরা কী করব। রাতে অনেকের সাথে ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার আমীর-উল-ইসলামও এসেছিলেন। সর্বশেষ এসেছিলেন তৈয়বুর রহমান (ছাত্রলীগ নেতা, পরবর্তীকালে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরিচালক হয়েছিলেন)। তিনি বঙ্গবন্ধুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, ''মুজিব ভাই পালান, ওরা আপনাকে মেরে ফেলবে।'' বঙ্গবন্ধু ইংরেজিতে বললেন—If they do not get me they will messacar all my people and destroy the city. তৈয়বুর রহমান চোখ মুছতে মুছতে চলে গেলেন। ক্ষণে ক্ষণে ফোন আসছিলো। রাত ১২টার পরে একটি ফোন আসলো, বলল—'আমি বলদা গার্ডেন থেকে বলছি। ম্যাসেজ ট্রান্সমিটেড করা হয়ে গেছে। এখন আমরা কী করবো।' বঙ্গবন্ধুকে জানালে বললেন, 'মেশিনটি ভেঙ্গে ফেলে পালিয়ে যেতে বলো।' রাত ১.১৫ মি.-এর সময় সবকিছু আলোকিত হয়ে গেল। পরে বুঝলাম এটি ট্রেসার বুলেটের আলো। তখন আমার কানে ফোন। মুজিব ভাই নিচে নেমে এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কোন দিক থেকে গুলি আসছে? আমি উত্তর দিক দেখিয়ে দিলাম। কানে টেলিফোন থাকাবস্থায় হঠাত্ আওয়াজ হলো—হ্যান্ডস আপ, তারপরে আওয়াজ হলো—মাত মারো। আমার মাথায় এক আঘাতে আমি জ্ঞান হারালাম। পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন (তিনি তখন বঙ্গবন্ধুর পাশের বাড়িতে থাকতেন)-এর থেকে শুনেছি, আমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাকিস্তান আর্মির গাড়িতে তোলার সময় মুজিব ভাই চিত্কার করে বলেছিলেন—How dare you hit him, I want him alive. জ্ঞান ফেরার পর দেখলাম আমার মাথায় ব্যান্ডেজ। আমাকে মাটিতে উপুড় করে হাত বেঁধে বর্তমান সংসদ ভবনের উত্তর পাশে একটি রুমে শুইয়ে রাখা হয়েছে। পানি চাইলে একজন বলল—প্রস্রাব করে দেব। ফজরের আজানের আগে আগে একটি ছোট গাড়িতে করে পেছনে হাত বেঁধেই উপুড় করে ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে সিএমএইচ-এ ভর্তি করে। ১/২ দিন পরে সিএমএইচ থেকে ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে এয়ারফোর্স অর্ডন্যান্স ডিপোতে এনে অনেক বন্দির সঙ্গে বসিয়ে রাখে। সেখান থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যায়। এই ৬ মাস প্রতিদিন আমাকে উলঙ্গ করে পিটিয়ে অজ্ঞান করত আর বলত—বাতা। যে আসত সে 'মুজিবকো সেক্রেটারি' বলে পেটাত। আমার মেডিক্যাল কন্ডিশন খারাপ হয়ে যায়। ২৫ নভেম্বর সেন্ট্রাল জেল থেকে ছাড়া পাই। সে সময়ে আমার কিছু আত্মীয়-স্বজন গভর্নর মালেক-এরও আত্মীয় ছিল। তাদের চেষ্টা-তদবিরে ছাড়া পাই। ছাড়া পেয়ে সিদ্ধেশ্বরীতে বোনের বাসায় গিয়ে থাকি।'

১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলে হাজী মোরশেদ তাঁর ভাই ইলিয়াস মজিদসহ ১৭ ডিসেম্বর সকালে ধানমন্ডির ৩২ নং বঙ্গবন্ধু ভবনে যান। তখন সেখানে বন্দি বঙ্গবন্ধু পরিবার। তাঁরা সেখানে পৌঁছালেও পাকিস্তানি সেনারা তাঁদের বাড়ির ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। ভাগ্যক্রমে কোনোরকম দুর্ঘটনার হাত থেকে তাঁরা বেঁচে যান (সেখানে অবস্থানরত সেনারা সেদিনও সকালে রাস্তায় গুলি করে সাধারণ মানুষকে হত্যা ও আহত করেছিল)। সেখান থেকে হাজী মোরশেদ ও তাঁর ভাই সার্কিট হাউজে আসেন। সেখানে তখন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা অবস্থান করছিলেন। হাজী মোরশেদ তাঁদের কাছে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে উদ্ধারের আবেদন জানান। সেখানে অবস্থানরত ভারতীয় মেজর জেনারেল গঞ্জালভেস তাঁদেরসহ এয়ারপোর্টে এসে কমান্ডার মেজর তারা ও মেজর রাজার সাথে যোগাযোগ করেন। মেজরদ্বয় হাজী মোরশেদ ও তাঁর ভাইসহ ধানমন্ডি বঙ্গবন্ধু ভবনে আসেন। অফিসারেরা বঙ্গবন্ধু ভবনে অবস্থানরত পাকিস্তানি সৈনিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সৈনিকেরা তাদের আর্মস এবং অ্যামুনেশনসহ মাইক্রোবাসে করে চলে যাওয়ার শর্ত দেয়। শর্তানুযায়ী চলে যাওয়ার পরে হাজী মোরশেদের ভাই ইলিয়াস মজিদ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। তাঁদের পক্ষে সেখানে বেশিক্ষণ থাকা সম্ভব হয়নি, কারণ ভারতীয় সৈনিকেদের গাড়িতে করে তাঁদের আবার এয়ারপোর্টেই ফেরত আসতে হয়।

হাজী মোরশেদ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ নিয়েও স্মৃতিচারণ করলেন। তিনি জানান, এখন দেখি অনেকে অনেকভাবে ভুল তথ্য দিচ্ছেন। আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে যা সত্য তা-ই বলছি। ৭ মার্চ ভাষণদানের জন্য বঙ্গবন্ধুকে আমি আমার গাড়িতে করে রমনা রেসকোর্স ময়দানে নিয়ে যাই। ৩২ নং বাড়ি থেকে যখন বের হই তখন আমি গাড়ি চালাচ্ছি, আমার বাঁ পাশে বঙ্গবন্ধু। গাড়ির পেছনে গাজী গোলাম মোস্তফা ও বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মহিউদ্দিন। বঙ্গবন্ধু ভবনের গেট দিয়ে গাড়ি বের করে বাঁয়ে যেতে চাইলে বঙ্গবন্ধু বললেন, ডান দিক দিয়ে যাও। ডান দিক দিয়ে ৮নং ব্রিজ পার হয়ে ৭ নম্বর মসজিদ রোডে উঠি। যখন আবুল মনসুর আহমদ সাহেবের বাড়ি অতিক্রম করছি, আমি জিজ্ঞেস করলাম, আজ আপনি কী বলবেন? তিনি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন—'আল্লাহ আমার মুখ দিয়ে যা বলাবেন তা-ই বলবো।' আল্লাহ তাঁর মুখ দিয়ে তাঁর বক্তব্য বলিয়ে দিয়েছেন। সেটি মহাকাব্য হয়ে গেছে।

১৯৭১ সালের মার্চের উত্তাল দিনগুলো স্মরণ করেন হাজী মোরশেদ। ৬ মার্চ দুপুর দেড়টা থেকে দুটোর সময়। সেদিন প্রচণ্ড কড়া রোদ পড়েছিল। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাঁর বাসভবনে দেখা করতে আসলেন গভর্নর অ্যাডমিরাল আহসান। গভর্নর হওয়া সত্ত্বেও কোনোরকম নিরাপত্তাকর্মী না নিয়ে একাই নিজে একটি ছোট মার্সেডিজ গাড়ি ড্রাইভ করে এসেছেন। ছিলেন মাত্র ৫-১০ মি.। সেদিন শুধু বঙ্গবন্ধু, হাজী মোরশেদ ও গভর্নর অ্যাডমিরাল আহসান ছিলেন। আহসান বঙ্গবন্ধুকে বিমর্ষ হয়ে বললেন—I could not do anything.

হাজী মোরশেদ জানান, বঙ্গবন্ধু কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলে তিনি কখনো কোনো কথা জিজ্ঞেস করতেন না। কারণ, তারও রয়েছে একটি ইতিহাস। ২০ জানুয়ারি ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেদিনের স্মৃতিচারণ করে হাজী মোরশেদ বলেন—'২০ জানুয়ারি চট্টগ্রামে আজিজ ভাই (এম এ আজিজ) মারা গিয়েছিলেন। উনার দাফন অনুষ্ঠান শেষ করে রাতে আমাদের ফেরার কথা। বঙ্গবন্ধুর সিদ্ধান্ত, প্লেনে করে তাড়াতাড়ি ঢাকায় ফিরবেন। আমি ও তাজউদ্দিন বলেছিলাম, আমরা চাই প্লেনে নয়, সড়ক পথে বা ট্রেনে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ফিরে আসেন। কারণ, আমি বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন ছিলাম। প্লেনে যেকোনো স্যাবোটাজ ঘটতে পারে। সেদিন মুজিব ভাই বলেছিলেন—'তুই আমার সবচেয়ে কাছের মানুষ। আমি কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললে আর আমাকে কোনো অবস্থায় ইনফ্লুয়েন্স করার চেষ্টা করবি না।'

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়েই স্বাধীন করেছেন এই দেশকে। ইতিহাসের অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী হাজী মোরশেদ। বঙ্গবন্ধুর জীবনের ঘনিষ্ঠতাই তাঁর জীবনের সর্বোচ্চ পাওয়া।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
নির্বাচন কমিশনার মো. জাবেদ আলী বলেছেন, 'বাংলাদেশে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই।' আপনি কি তার সাথে একমত?
4 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ১৮
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৫সূর্যাস্ত - ০৫:১০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :