The Daily Ittefaq
ঢাকা, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০১৪, ১২ চৈত্র ১৪২০, ২৪ জমা.আউয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ বাংলাদেশরে মেয়েরাও হারল ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে | শিবগঞ্জে ফুল দেয়ার সময় বিস্ফোরণে নিহত ১ | শিবগঞ্জে ফুল দেয়ার সময় বিস্ফোরণে নিহত ১ | জাতীয় গ্রিডে যোগ হলো আরো ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

মার্চের পঁচিশ দিন

পাকিস্তান সরকার বনাম বঙ্গবন্ধুর সরকার

সেলিনা হোসেন

১ মার্চ :প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান বেলা একটার সময় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে কোনো আলোচনা ছাড়াই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই হীন ষড়যন্ত্রে রোষে ফেটে পড়ে জনতা। মুহূর্তে ঢাকা শহর এক গভীর জনসমুদ্রে পরিণত হয়ে প্রতিবাদ, মিছিল আর শ্লোগানের শহরে রূপান্তরিত হয়। বঙ্গবন্ধু সে সময়ে হোটেল পূর্বাণীতে আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি দলের শাসনতন্ত্র সংক্রান্ত মিটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। হাজার হাজার মানুষ হোটেল পূর্বাণীর সামনে সমবেত হয়। উত্তেজিত জনতা প্রবল ঘৃণায় পাকিস্তানের পতাকা ও জিন্নাহর ছবি পুড়িয়ে ফেলে। বঙ্গবন্ধু জনতার উদ্দেশে ভাষণ দেন।

২ মার্চ :এই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে এক সভায় ছাত্ররা সমবেত হয়। সভায় আ.স.ম আব্দুর রব ও শাজাহান সিরাজের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দাবি সম্বলিত পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয় এবং বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকার রঙ ছিল সবুজ, মাঝখানে লাল সূর্য এবং তার ওপর হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র। এই দিন পাকিস্তানি সৈন্যের গুলিতে নিহত হয় তিন জন এবং আহত ষাট।

৩ মার্চ :সারা দেশে পূর্ণ হরতাল পালিত হয়। এই দিন ঢাকায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনের উদ্বোধনী দিন ছিল। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে এই দিন 'শোক দিবস' বলে উল্লেখিত হয়। পল্টন ময়দানে বিশাল জনসমুদ্রের উদ্দেশে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন।

৪ মার্চ :মিরপুর, মোহাম্মদপুরে অবাঙালিদের জনসভা হয়। তারা অহিংস অসহযোগ আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করে।

৫ মার্চ :ইয়াহিয়া খান জেনারেল ইয়াকুবকে অপসারণ করে টিক্কা খানকে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ও সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করেন।

ঢাকা শহরের সর্বত্র মিছিল এবং প্রতিবাদ-সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাজের সর্বস্তরের লোক মিছিলে অংশ নেয়।

৬ মার্চ :ইয়াহিয়া খান বেতার ভাষণে বলেন, জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ২৫ মার্চ ঢাকায় বসবে। তিনি কঠোর ভাষায় বললেন, 'পূর্ব পাকিস্তানে যা চলছে তাতে কোনো সরকারই নীরব থাকতে পারে না।' তিনি বলেন, পাকিস্তানের সংহতি ও ইসলাম রক্ষার জন্য সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করবেন।

৭ মার্চ :সারা দেশ বিদ্রোহের আগুনে পুড়ছে। বিকাল তিনটায় রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ। সর্বস্তরের মানুষের আকাঙ্ক্ষা—বঙ্গবন্ধু আজ স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেন। তিরিশ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করলেন, 'এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম— এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' তিনি আরো বললেন, 'ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল, যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেবো, এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।' বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত এই অগ্নিঝরা শপথ সেদিনের সাড়ে সাত কোটি মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেছিল।

৮ মার্চ :সকালে ঢাকা বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ প্রচার করা হয়। কথা ছিল রেসকোর্স ময়দান থেকে ৭ তারিখের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সরাসরি প্রচার করতে হবে এবং অন্যান্য স্টেশন তা রিলে করবে; কিন্তু সামরিক শাসকরা তা করতে দেয়নি। বেতার কর্মীদের চপের মুখে রেডিও বন্ধ হয়ে যাবার উপক্রম হলে ৮ তারিখে এ ভাষণ প্রচারিত হয়।

৯ মার্চ :বিচারপতি বি. এ সিদ্দিকী পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে টিক্কা খানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে অস্বীকার করেন।

পল্টনের বিশাল জনসভায় মওলানা ভাসানী বলেন, 'বাংলাদেশ আজ থেকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। বাংলাদেশ স্বাধীন হবেই— পাকিস্তান আর অখণ্ড রাখবো না।' তিনি সভায় ১৪ দফা পেশ করে জনগণকে বলেন, 'মুজিবের প্রতি আস্থা রাখুন।'

১০ মার্চ :বঙ্গবন্ধু বিবৃতি দেন : 'কোন অশান্ত এলাকা থেকে নিজ কর্মচারীদের সরিয়ে নিলেই জাতিসংঘের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। আজ আমরা গণহত্যার হুমকির মুখোমুখি। এই হুমকি এ দেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের মৌলিক অধিকার— তথা জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত সনদ লঙ্ঘনের হুমকি।'

১১ মার্চ :তাজউদ্দিন আহমদ বিবৃতির মাধ্যমে ব্যাংকসহ বিভিন্ন অফিসকে নির্দেশ দেন : 'কায়েমী স্বার্থের চক্রান্ত ব্যর্থ করুন।' 'আওয়ামী লীগের নির্দেশ চূড়ান্ত বিজয়ের জন্য অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কঠোর শৃঙ্খলা রক্ষা করিতে হইবে।'

পূর্ব পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসের দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মচারীগণ বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাদের আনুগত্য ঘোষণা করেন।

১২ মার্চ :বাঙালি সিএসপি-রা অসহযোগ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন। তারা আওয়ামী লীগের ত্রাণ তহবিলে একদিনের বেতন দানের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

১৩ মার্চ :সামরিক আইন কর্তৃপক্ষ ১১৫ নং সামরিক আইন আদেশ জারি করেন। আদেশে বলা হয়, 'যারা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরি করে তারা পনরই মার্চের মধ্যে কাজে যোগ না দিলে চাকরি যাবে।' আরো বলা হয়, যোগদানে ব্যর্থ হলে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হবে।

১৪ মার্চ :সরকারি কর্মচারীরা সামরিক আইন অমান্য করে এর বিরুদ্ধে মিছিল বের করেন। সামরিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশের জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, 'উস্কানিমূলক কার্যকলাপ বন্ধ করুন।' তিনি দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেন, 'বাঙালিদের স্বাধীনতার উদ্দীপনা কেউ দমাতে পারবে না।'

১৫ মার্চ :গণআন্দোলন পরিচালনার জন্য বঙ্গবন্ধু ৩৫টি নতুন নির্দেশ জারি করেন।

ইয়াহিয়া খানের ঢাকা আগমন। তেজগাঁ বিমানবন্দর থেকে কড়া প্রহরায় প্রেসিডেন্ট হাউসে গমন। সঙ্গে এলেন কয়েকজন জেনারেল।

১৬ মার্চ :শেখ মুজিব ও ইয়াহিয়ার আলোচনা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু। গাড়িতে কালো পতাকা ও বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট হাউসে আসেন। আলোচনায় তিনি ছিলেন একা। বৈঠক আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে।

বৈঠক-শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, 'আলোচনা আরো চলবে। এর বেশি আমার বলার নেই।'

১৭ মার্চ :শেখ মুজিব ইয়াহিয়ার দ্বিতীয় বৈঠক বসে। আলোচনা এক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বঙ্গবন্ধু জানান, 'আলোচনা চলবে'। আরো বলেন, 'দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।'

১৯ মার্চ :শেখ মুজিব-ইয়াহিয়ার তৃতীয় দিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক ৯০ মিনিটকাল স্থায়ী হয়। বঙ্গবন্ধুকে সহায়তা করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, কামরুজ্জামান, খোন্দকার মোশতাক আহমেদ ও ড. কামাল হোসেন। ইয়াহিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন বিচারপতি এ.আর কর্নেলিয়াস, লে. জে পীরজাদা ও অ্যাডভোকেট জেনারেল কর্নেল হাসান।

জয়দেবপুরে জনতা-সেনাবাহিনীতে সংঘর্ষ হয়। নিহত হন ৩ জন। আহতের সংখ্যা অনেক। বঙ্গবন্ধু বলেন, 'ওরা ভেবেছে এভাবে হত্যা করে স্তব্ধ করা যাবে। তাই যদি ভেবে থাকে তাহলে ওরা বোকার স্বর্গে বাস করছে। আমি শহীদের রক্তের সাথে বেঈমানী করতে পারবো না।'

২০ মার্চ :বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট ভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, 'আমি শুধু এইটুকু বলতে পারি যে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে।' তিনি এক ভাষণে বলেন, 'শান্তিপূর্ণ সুশৃঙ্খল নিয়মে আন্দোলন চালিয়ে যান।'

প্রেসিডেন্ট হাউজে অপারেশন সার্চলাইট অনুমোদিত হয়।

২১ মার্চ :১৩ জন প্রতিনিধিসহ ভুট্টোর ঢাকা আগমন। বিমান বন্দর থেকে হোটেল পর্যন্ত দেখতে পান কালো পতাকা ও বাংলাদেশের পতাকা।

২২ মার্চ :এইদিন সংবাদপত্রগুলো 'বাংলার স্বাধিকার' নামে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে বঙ্গবন্ধুর শুভেচ্ছা বাণী নিয়ে। তিনি লিখলেন : 'বাংলাদেশের সাত কোটি মানুষের মুক্তির জন্যে আমাদের আজকের এই সংগ্রাম। অধিকার বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে। বুলেট বেয়নেট দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে আর স্তব্ধ করা যাবে না। কেননা জনতা আজ ঐক্যবদ্ধ।'

২৩ মার্চ :২৫ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আবার স্থগিত ঘোষণা করা হয়। এই দিন দুবার মুজিব-ইয়াহিয়ার বৈঠক বসে। ভুট্টো তার প্রতিনিধিসহ পৃথকভাবে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মিলিত হন।

আজ 'পাকিস্তান দিবস', কিন্তু সর্বত্র উড়ছে কালো পতাকা ও বাংলাদেশের পতাকা। এই দিন সেনাবাহিনীর লোকেরা বাঙালি কর্মচারীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলে টেলিভিশন বন্ধ হয়ে যায়।

২৪ মার্চ :পশ্চিম পাকিস্তানের নেতৃবৃন্দ ঢাকা ত্যাগ করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু বলেন, 'ক্ষমতা হস্তান্তর সম্পর্কে আমরা মতৈক্যে পৌঁছেছি এবং আমি আশা করি প্রেসিডেন্ট এখন তা ঘোষণা করবেন।'

২৫ মার্চ :সকাল ৯টায় ভুট্টো মুজিব-ইয়াহিয়ার শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনার প্রতি অসম্মতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, 'আওয়ামী লীগ যে ধরনের স্বায়ত্তশাসন চাচ্ছে তাকে আর প্রকৃত স্বায়ত্তশাসন বলা চলে না। তাদের দাবি তো স্বায়ত্তশাসনের চাইতেও বেশি—প্রায় সার্বভৌমত্বের কাছাকাছি।'

বিকেলে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া ঢাকা ত্যাগ করেন। অথচ মুজিব-ভুট্টোর সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তার ভাষণ দেয়ার কথা ছিল সন্ধ্যা ৭টার সময়। রাত দশটা সাড়ে দশটার দিকে সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে ঢাকার রাজপথে বেরিয়ে আসে। বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন :

To the people of Bangladesh

And also of the world

Pakistan Army Forces suddenly attacked the E.P.R. Base at Peelkhana and police line at Rajarbag at G.O.C. Hrs of 26.3.71, killing lots and lots of people. Still battle is going on with the E.P.R. and police forces in the street of Dacca, people are fighting gallantly with the Enemy forces for the cause of freedom of Bangladesh. Every sector of Bangladesh is asked to resist the enemy forces at any cost in every corners of Bangladesh.

May Allah bless you and help you in your struggle for freedom.

Joy Bangla

sd/sk. Mujibur Rahman

পঁচিশের রাতের ঢাকা ও ছাব্বিশ মার্চ

পঁচিশের রাত এগারটায় যখন মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজনৈতিক আলোচনার সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে চিন্তান্বিত তখন তার সবুজ রঙের টেলিফোনটি বেজে ওঠে। টেলিফোনের অপর প্রান্তে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান। তিনি বললেন, khadim, it is tonight.

হ্যাঁ, এই সেই রাত যখন প্রচণ্ড বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল শহর, একটি আধুনিক সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষের রক্ত দিয়ে হোলির উত্সবে মেতে উঠেছিলো এবং এই রাতেই সূচিত হয়েছিলো নিরস্ত্র বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ।

এই রাত যোদ্ধা করেছিলো এ দেশের মানুষকে।

(সূত্র :একাত্তরের ঢাকা বই থেকে সংকলিত)

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
নির্বাচন কমিশনার মো. জাবেদ আলী বলেছেন, 'বাংলাদেশে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই।' আপনি কি তার সাথে একমত?
9 + 8 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ২৭
ফজর৪:০২
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৭
এশা৮:০৮
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:৪২
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :