The Daily Ittefaq
ঢাকা, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০১৪, ১২ চৈত্র ১৪২০, ২৪ জমা.আউয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ বাংলাদেশরে মেয়েরাও হারল ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে | শিবগঞ্জে ফুল দেয়ার সময় বিস্ফোরণে নিহত ১ | শিবগঞ্জে ফুল দেয়ার সময় বিস্ফোরণে নিহত ১ | জাতীয় গ্রিডে যোগ হলো আরো ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

সশস্ত্র প্রতিরোধের রাজারবাগ

মোশতাক আহমেদ

স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রতিরোধের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে প্রথম যে বুলেটটি পাকিস্তানিদের দিকে নিক্ষিপ্ত হয়েছিল তা ছিল রাজারবাগ পুলিশেরই। পাকিস্তানি হানাদার কর্তৃক রাজারবাগ এবং ঢাকা আক্রান্ত হওয়ার সংবাদটি প্রথম রাজারবাগের ওয়্যারলেস বেইজ থেকেই সমগ্র বাংলাদেশে প্রচার করা হয়। ফলে ঢাকা আক্রান্ত হওয়ার সংবাদ জানতে পেরে বাংলাদেশের (তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান) অধিকাংশ থানা ফাঁড়ির পুলিশ তাদের অস্ত্র ও গুলি সরিয়ে ফেলতে সমর্থ হয় যেগুলো পরবর্তী সময়ে ব্যাপকহারে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছিল। যুদ্ধচলাকালে রাজারবাগের মুক্তিকামী পুলিশ সদস্যরা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে, অনেক জায়গায় সাধারণ জনগণকে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য অনুপ্রাণিত, উদ্বুদ্ধ করে এবং নিজেরাও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে।

এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ২৫ মার্চ রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্-এর দখল নিতে আসে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চ লাইট নামক পশ্চিম পাকিস্তান সরকারের নীল নকশায় পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের পুলিশ স্থাপনাগুলোর কী অবস্থা হবে সেটা বেশ স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বাঙালি পুলিশকে যে অতিগুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করতে হবে এবং পুলিশের অস্ত্রগুলো যে মুক্তিযুদ্ধের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হবে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তা পূর্বেই উপলব্ধি করেছিলেন। তাই তিনি ২৫ মার্চ তারিখে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্সহ সকল থানা-ফাঁড়ির অস্ত্রাগার জনসাধারণের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়ার নির্দেশনা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট পৌঁছে দেন। এ প্রসঙ্গে ১৯৭২-৭৫ সাল পর্যন্ত Hon. AIDE to Prime Minister হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সাথে কর্মরত জনাব হাজী গোলাম মোর্শেদ জানান, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বিকেলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে ঢাকার এসপির বাসায় গিয়ে রাজারবাগের অস্ত্র ফোর্সদের মধ্যে বিতরণ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তখন তিনি এবং এসপি জনাব মোঃ আওয়াল, যিনি আনসারের পরিচালক পদে কর্মরত ছিলেন, দুজন ঢাকার তত্কালীন এসপি জনাব ই এ চৌধুরীর বাসায় গিয়ে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা জানান।'

রাজারবাগের অস্ত্রাগার খুলে দেওয়ার নির্দেশনাটি ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের মাধ্যমেও রাজারবাগে পৌঁছায়। রাজারবাগ থেকে অস্ত্র পাওয়া যাবে এই সংবাদটি দ্রুত ঢাকা শহরে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় অনেক মানুষ রাজারবাগে অস্ত্র নেয়ার জন্য আসে। শান্তিনগরের বাসিন্দা জনাব ফজলে এলাহী বাদল, অবসরপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ছিলেন এরকমই একজন। তিনি জানান, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তারিখ রাত নটার দিকে তিনিসহ দশ পনেরো জন অস্ত্র নেয়ার জন্য রাজারবাগ গিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের কারও অস্ত্র প্রশিক্ষণ না থাকায় তাদের অস্ত্র দেওয়া হয়নি। পুলিশ জানিয়েছিল, তারা নিজেরাই যুদ্ধ করবে, অন্য সবাই যেন তাদের সহায়তা করে।

২৫ মার্চ সন্ধ্যা থেকেই রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্-এ একরকম উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আনুমানিক রাত দশটা দশ মিনিটের দিকে ওয়্যারলেস বার্তায় আসে পাকিস্তানি মিলিটারিদের ক্যান্টনমেন্ট ছাড়ার সংবাদ। ক্যান্টনমেন্ট থেকে পাকিস্তানি মিলিটারি বের হয়েছে শুনে আইজিপির বডিগার্ড হিসেবে দায়িত্বরত কনস্টবল আব্দুল আলী ছুটে গিয়ে পাগলা ঘণ্টা বাজিয়ে দেন। পাগলা ঘণ্টার শব্দ শোনার সাথে সাথে রাজারবাগের সমস্ত ফোর্স অস্ত্রাগারের দিকে ছুটে আসতে থাকে। অস্ত্রের জন্য তারা তখন একেবারে মরিয়া হয়ে ওঠে। অস্ত্রাগার তালাবদ্ধ থাকায় চাবির জন্য তারা ছুটে যায় রিজার্ভ ইন্সপেক্টর (আর আই) জনাব মফিজউদ্দিন-এর বাসায়। তাঁকে বাসায় না পেয়ে অস্ত্রাগারের সেন্ট্রির হাতে রক্ষিত অস্ত্র দিয়ে অস্ত্রাগারের তালা ভাঙার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু প্রথম চেষ্টায় না পারায় এবং গুলিতে আহত হওয়ার ঝুঁকি থাকায় শেষে শাবল দিয়ে অস্ত্রাগারের তালা ভাঙা হয়। প্রথমে সবাইকে একটি করে থ্রি নট থ্রি রাইফেল এবং বিশটি করে গুলি দেওয়া হলেও পরে আর তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ সদস্যরা যার যত খুশি, গুলি নিয়ে নেয়। তারপর অস্ত্র ও গুলি নিয়ে সকলে জড়ো হয় সালামী গার্ডের সামনে। ওইখানে ওই রাতেই জাতীয় পাতাকা উত্তোলন করা হয়। উপস্থিত সকলে তখন জাতীয় পতাকাকে স্যালুট করে দেশের প্রতি সর্বোচ্চ আনুগত্য প্রকাশ করে। তারপর ছুটে গিয়ে অবস্থান নেয় রাজারবাগের আশপাশে, সুবিধাজনক স্থানে।

একেবারে রাস্তায় পৌঁছে যাওয়া পুলিশ সদস্যরা তখন সাধারণ মানুষের সাথে রাজারবাগের চারপাশে ব্যারিকেড তৈরিতে সাহায্য করতে থাকে। রাজারবাগের চারপাশে মোট পাঁচটি ব্যারিকেড দেওয়া হয়। ফকিরাপুল মোড়ে একটি, মালিবাগ মোড়ে একটি এবং রাজারবাগের দক্ষিণ গেটের সামনে থেকে শান্তিনগর মোড় পর্যন্ত তিনটি। ব্যারিকেড দেওয়া শেষ হলে স্থানীয় জনগণ পুলিশদের আশপাশের বাড়িতে এবং ছাদের ওপর পজিশন নিতে সাহায্য করে। রাজারবাগের দক্ষিণ গেট আর শান্তিনগরের মধ্যে তখন ডন স্কুল ছিল (বর্তমানে জায়গাটি ইস্টার্ন প্লাস মার্কেট)। এই ডন স্কুলের দোতলায় এবং ছাদে অনেক পুলিশ সদস্য পজিশন নিয়েছিল।

রাত আনুমানিক সাড়ে এগারোটার দিকে মিলিটারি বহরের একটি গাড়ি শান্তিনগর প্রথম ব্যারিকেডের সামনে এসে থামে। পেছনের গাড়ির আলোতে তখন সামনের গাড়ির সৈনিকদের কার্যক্রম দেখা যাচ্ছিল। ওই মুহূর্তে একটি বাসার ভ্যান্টিলেটর দিয়ে শান্তিনগরের বাসিন্দা জনাব ফজলে এলাহী বাদল ওই ব্যারিকেডে কী ঘটেছিল তা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। তিনি স্পষ্ট দেখতে পান, একজন পাকিস্তানি সৈনিক সামনের গাড়ি থেকে নেমে আসে। তারপর ব্যারিকেডের দিকে পা বাড়াতে মুহূর্তে একটি বুলেট ছুটে গিয়ে আঘাত করে সৈনিকটিকে। সৈনিকটি সাথে সাথে মটিতে পড়ে যায়। গুলির শব্দ শুনে জনাব ফজলে এলাহী বাদল অনুধাবন করেন, গুলিটি রাজারবাগের দক্ষিণে ডন স্কুলের কোনো একটা জায়গা থেকে ছোড়া হয়েছে। মহান স্বাধীনতা অর্জনে প্রতিরোধ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ছোড়া ওটাই ছিল প্রথম বুলেট।

পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথম গুলি হওয়া মাত্র পাকিস্তানিরা স্বয়ংক্রিয় মেশিনগানের হাজার হাজার গুলি ছুড়তে শুরু করে। ওই সময় রাজারবাগ ওয়্যারলেস বেইজে বসে ছিলেন কনস্টেবল শাহজাহান। তিনি মুহূর্তেই ওয়্যারলেসে সমগ্র বাংলাদেশে মেসেজ দেন, Base for all stations of East Pakistan Police, keep listening, watch, we are already attacked by PAK Army, try to save yourself, over. রাজারবাগ থেকে প্রেরিত এই মেসেজটির সাথে সাথে সমগ্র বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী বাঙালি পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন জেলা, থানা, ফাঁড়িতে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং অনেক অস্ত্র ও গুলি সরিয়ে ফেলে। এই অস্ত্র এবং গুলি পরবর্তী সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণে এবং যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।

থ্রি নট থ্রি রাইফেল হাতে সাধারণ পুলিশ এবং অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি মিলিটারিদের মধ্যেকার যুদ্ধটা যে অসম যুদ্ধ হওয়ার কথা তা যে কেউ বুঝতে পারবে। কিন্তু ২৫ মার্চ রাতের যুদ্ধ অতটা অসম ছিল না। সশস্ত্র যুদ্ধটা রাত সাড়ে এগারোটা থেকে ভোর রাত পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল এবং দুইবার পাকিস্তানি মিলিটারি পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল।

পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথম বুলেট নিক্ষিপ্ত হওয়ার পর পাকিস্তানি মিলিটারি একেবারে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। এরকম আক্রমণের জন্য তারা প্রস্তুত ছিল না। এ সময় আত্মরক্ষার্থে তারা প্রচুর গুলি নিক্ষেপ করলেও সেগুলো ছিল এলোপাতাড়ি। অন্যদিকে সুবিধাজনক অবস্থান এবং আড়ালে থাকার কারণে পুলিশ যথেষ্ট সুবিধা পায়। তাদের গুলিগুলোর অধিকাংশই লক্ষ্যকে আঘাত করতে সমর্থ হয়। ফলে অবস্থা বেগতিক দেখে শেষ পর্যন্ত মিলিটারিরা পিছু হটে।

দ্বিতীয়বার আক্রমণে এসেও পাকিস্তানি মিলিটারি সুবিধা করতে পারছিল না। কারণ, তখন ইলেকট্রিসিটি না থাকায় সম্পূর্ণ এলাকা ছিল অন্ধকার। ফলে ছাদের ওপরে, জানালার পাশে, গাছের আড়ালে, বারান্দায়, কিংবা পুকুরের পাড়ে লুকিয়ে থাকা পুলিশ সদস্যদের তারা দেখতে পাচ্ছিল না। তাদের গুলি আগের মতোই এলোপাতাড়ি ছিল। রাত একটার পর পাকিস্তানি মিলিটারি নতুন এক পন্থা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা আকাশে ট্রেসার বুলেট এবং ম্যাগনেসিয়াম ফ্লেয়ার ছুড়তে থাকে। এই ম্যাগনেশিয়াম ফ্লেয়ার আকাশে ওঠার পর উজ্জ্বল আলোর সৃষ্টি করে এবং বেশ সময় নিয়ে ধীরে ধীরে নিচে নামতে থাকে। ফলে নিচের সবকিছু আলোকিত হয়ে যায়। আর ওই আলোতেই পাকিস্তানি মিলিটারিরা পুলিশের অবস্থান লক্ষ্য করে গুলি করতে থাকে।

তৃতীয় পর্বের যুদ্ধ শুরু হয় অতিরিক্ত মিলিটারি বহর রজারবাগে পুরাতন মিলিটারি বহরের সাথে যোগ দেওয়ার পর। এবার মিলিটারিরা রাজারবাগের দিকে ভারী গোলাবর্ষণ করতে থাকে। গোলার আঘাতে মালিবাগে এসবি অফিসের একাংশ ধ্বসে পড়ে এবং রাজারবাগের মূল হেডকোয়ার্টার্স ভবনের দোতলায় আগুন ধরে যায়। এতে রাজারবাগের রিজার্ভ অফিসের সকল দাপ্তরিক কাগজপত্র পুড়ে যায়। তারপরও রাজারবাগে প্রবেশ করতে না পেরে ক্রমাগত মর্টার সেল ও ইনসেনডিয়ারি (Incendiary) বোমার সাহায্যে পাকিস্তান মিলিটারি রাজারবাগের চারটি প্রভিনশিয়াল রিজার্ভ ফোর্সের (পিআরএফ) ব্যারাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। অবশেষে ভোর পাঁচটার দিকে পাকিস্তানি মিলিটারি রাজারবাগে প্রবেশ করতে সমর্থ হয়।

বাংলাদেশ পুলিশের অকুতোভয় ওইসকল বীর মুক্তিযোদ্ধা যাদের দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ আর অবদানে রচিত হয়েছিল স্বাধীনতার প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ, সূচিত হয়েছিল প্রথম সশস্ত্র সংগ্রাম, নিক্ষিপ্ত হয়েছিল স্বাধীনতার প্রথম বুলেট, স্বাধীনতা অর্জনে তাঁদের সেই অবদান কখনোই ভুলবার নয়; তাঁদের ওই বীরত্ব, দেশপ্রেম আর মহান আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এ দেশের লক্ষ কোটি মানুষের হূদয়ে।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
নির্বাচন কমিশনার মো. জাবেদ আলী বলেছেন, 'বাংলাদেশে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই।' আপনি কি তার সাথে একমত?
1 + 1 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুন - ২৭
ফজর৩:৪৫
যোহর১২:০২
আসর৪:৪২
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৭
সূর্যোদয় - ৫:১৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :