The Daily Ittefaq
ঢাকা, মঙ্গলবার ১০ জুন ২০১৪, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২১, ১১ শাবান ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ বিদেশি বন্ধুদের সম্মাননা স্মারক হিসেবে দেয়া ক্রেস্ট নতুন করে দেবে সরকার | বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অনুসন্ধানে বাংলাদেশ সফর করুন : প্রধানমন্ত্রী | বাউল শিল্পী করিম শাহের ইন্তেকাল | মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় গার্মেন্ট পল্লী নির্মাণে বাংলাদেশ-চীন সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর | সিলেটে দেয়াল চাপায় ৩ ভাই-বোনের মৃত্যু

[ ত থ্য - প্র যু ক্তি ]

স্বপ্ন থেকে বাস্তবে:কম্পিউটার লিটারেট থেকে আউটসোর্স ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট

নজরুল ইসলাম খান

সূচনা: প্রতি বছর ৪৫ হাজার নাগরিক তথ্য ও সেবা কেন্দ্র থেকে কম্পিউটার চালনা শিখছে। এই সংখ্যা অনেক বেশি মনে হলেও মনে রাখা প্রয়োজন প্রতি বছর প্রায় ৪০ লাখ শিশু জন্মাচ্ছে। এদের সকলের কর্মসংস্থান প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমান ট্রেন্ড বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে-১৫ লাখ লোক সরকারি-আধাসরকারি চাকরিতে নিয়োজিত থাকলে এবং ৩০ বছর কর্মজীবন হলে প্রতিবছর ৫০ হাজার লোকের চাকরি দেয়া সম্ভব। পোশাক শিল্পে ৪০ লাখ লোক নিয়োজিত থাকলে এবং এদের কর্মজীবন ২০ বছর হলে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ২লাখ লোকের কর্মসংস্থান সম্ভব। অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রী মিলে সাড়ে সাত লাখ লোকের কর্মসংস্থান করা গেলেও সব মিলিয়ে ১০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান সম্ভব। এরপর বাকি ৩০ লাখ লোকের কী হবে? সকলে কি কৃষি কাজে ও মধ্যপ্রাচ্যে যাবে? গার্মেন্টস শিল্পে বর্তমানে যারা কাজ করছে তারা কি সন্তুষ্ট? ভবিষ্যতে কী গার্মেন্টস আমাদের দেশে রমরমা থাকবে? প্রশ্ন হচ্ছে গার্মেন্টস মোবাইল ইন্ডাস্ট্রী আয় বাড়ার সাথে সাথে গার্মেন্টস সেই দেশ থেকে অপেক্ষাকৃত কম আয়ের এলাকায় চলে যায়। ত্রিশের দশকে জাপানে গার্মেন্টস রমরমা থাকলেও আজ সেখানে নেই। এ সব বিষয় মাথায় রেখে আমরা একটি মডেল আবিষ্কার করেছি। এই মডেলটি 'কম্পিউটার লিটারেট থেকে আইটি ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট'। তথ্য ও সেবা কেন্দ্র ছাড়াও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থেকে যারা কম্পিউটার লিটারেট হচ্ছে তাদেরকে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণ দিয়ে ও অন্যান্য সহায়তা করে বিভিন্ন স্তরে কর্মসংস্থান করে পর্যায়ক্রমে আইটি ইন্ডাস্টিয়ালিস্টে রূপান্তর করা।

কম্পিউটার লিটারেসি: ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র ছাড়াও মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে, সাইবার ক্যাফে বা নিজ প্রচেষ্টায় কম্পিউটার লিটারেট হচ্ছে। ২০১৫ সালের মধ্যে প্রতিটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে লিটারেসী দেয়া হবে। যেটা প্রয়োজন তা দ্রুততার সাথে করা ও গুণগত মান উন্নত করা। ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র করার পর একীভূত কম্পিউটার লিটারেসি দেয়া সম্ভব হচ্ছে। ডিজিটাল ডিভাইড কমানোর সাহায্য কারছে। এই মডেলের ভিত্তির রচিত হচ্ছে ইউআইএসসিতে।

কম্পিউটার লিটারেট টু ফ্রিল্যান্সার: ইউআইএসসি হতে যে বিপুল সংখ্যক কম্পিউটার লিটারেসী পাচ্ছে এর কোন আয়মূলক ব্যবহার না থাকায় হয়তো ভাটা পড়তে পারে। আমরা তখনই কোন প্রশিক্ষণে আগ্রহী হই যখন সেই

প্রশিক্ষণের বাস্তব ব্যবহার থাকে। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ যদি আয় সঞ্চার করতে পারে তবে কম্পিউটার লিটারেসীর সার্থকতা হবে। এই আয়ের সাথে যদি ক্রমোন্নতি অর্থাত্ শেখা যায় লার্নিং তবে 'সোনায় সোহাগা'। প্রথম স্তরে আমাদের প্রথমে দুই দিনের এবং এক মাস পর ৫দিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রথমে কিভাবে আয় করা সম্ভব সে সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেয়া ও সচেতায়ন করা হয়।

দ্বিতীয় স্তরে বিশেষ দক্ষতা যেমন 'সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন' 'গ্রাফিক্স' 'ভিডিও এডিটিং' ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। ইতোমধ্যে ১৫০০০ লিটারেটকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় গিয়ে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এই প্রশিক্ষণের জন্য কোন কম্পিউটার ল্যাব বা ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করা হয় না। তাই অত্যন্ত ফ্লেক্সিবল, যে কোন সময়, যে কোন স্থানে প্রশিক্ষণ আয়োজন করা যায়। প্রশিক্ষণার্থীদের অন-লাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়। তাদেরকে কম্পিউটার, মডেমসহ আনতে বলা হয়। এতে সত্যিকারে আগ্রহী প্রার্থীদের প্রশিক্ষণে আনা সম্ভব হয়।

প্রশিক্ষক: জেলায় জেলায় গিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার মত প্রশিক্ষক পাওয়া যেতো না, তাই এই বিষয়ে একটি ডিফারেন্ট স্ট্র্যাটেজি নেয়া হয়েছে। প্রথমত দেশের বাইরে যারা পড়াশোনা করেছে বা ঢাকা বেজড: তাদেরকে খুঁজে বের করে মটিভেট করা হয়েছে। তাদেরকে বলা হয়েছে আপনারা লন্ডন, সিলিকন ভ্যালি গেছেন, কিন্তু কুড়িগ্রাম, নীলফামারী গেছেন কি-না? উত্তর না এসেছে। তখন বলা হয়েছে নিজ দেশের জন্য কিছু করা দরকার কি-না? আপনারা সার্কিট হাউসে থাকবেন, যাতায়াত ও পকেট মানি দেয়া হবে। প্রথমে কয়েকজন এরপর এই সংখ্যা বেড়েছে। এর পর প্রতি জেলায় প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত করে প্রশিক্ষক হিসেবে ঢাকা থেকে একজন ও স্থানীয় একজন ব্যবহার করা হয়েছে। এলাকার নজেল থাকায় প্রকৃত প্রশিক্ষণার্থীদের আগ্রহী করা, খুঁজে বের করা, প্রশিক্ষণে কোন সমস্যা হলে তা তাত্ক্ষণিক সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।

সপোর্ট সার্ভিস: স্বল্প সময় প্রশিক্ষণে ফ্রি-ল্যান্সিং করা কঠিন। বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই প্রশ্নের উত্তর বা সমাধানের জন্য সাপোর্ট সার্ভিস প্রয়োজন হয়। প্রথমে প্রশিক্ষকদের একটি অংশ নিয়ে ঢাকায় নির্দিষ্ট স্থান থেকে 'সাপোর্ট সার্ভিস' দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে চাহিদা আরও বেড়ে যাওয়ায় প্রতিটি জেলায় প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ৬৪টি সাপোর্ট সার্ভিস দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ফ্রিল্যান্সার টু ভার্চুয়াল এন্টারপ্রেনিউর: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের 'লার্নিং এন্ড আর্নিং' প্রোগ্রামের মাধ্যমে ১৫ হাজার ছাড়াও ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় বহুসংখ্যক ফ্রিল্যান্সার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিনের গড় আয় গত বছরের একই দিনের তুলনায় বাড়ছে। লার্নিং-আর্নিং প্রোগ্রাম যাতে অনির্দিষ্টকাল না চালাতে হয়, বরং উদ্যোক্তারা প্রশিক্ষণ দিয়ে আউট সোর্সিং এ নিয়োগ করতে পারে সে লক্ষ্যে 'ফ্রিল্যান্সার টু এন্টার-প্রেনিউর' কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। ব্যক্তি স্ব-কর্মসংস্থান থেকে ব্যবসা হিসেবে আউটসোর্সিং পেশা নেয়া এবং গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ফ্রিল্যান্সারদের মধ্য থেকে নির্বাচিতদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এখানে তিনটি বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে-

প্রথমত: ম্যানেজিরিয়াল নজেল ও স্কীল

দ্বিতীয়ত: ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ

তৃতীয়ত: হায়ার আইটি ট্রেনিং

মাত্র ১৫দিনের প্রশিক্ষণে ফ্রিল্যান্সারদের মধ্য থেকে 'এন্টারপ্রেনিউর তৈরি করা হবে। এরা একেক জন ১০-১০০ জনকে নিয়ে কাজ করবে এবং আয় ভাগাভাগি করে নেবে। আউটসোর্সিং হিসেবে টিমে কাজ করা সবচেয়ে নিরাপদ। সঠিক সময়ে নির্ভুল কাজ করে দেয়া যায়। এই কাজের জন্য কোন জমি বা ঘরের প্রয়োজন হয় না। যে যার বাড়িতে বসে অন-লাইনে নেটওয়ার্ক করে টিমে কাজ করা সম্ভব।

ল্যাপটপ/কম্পিউটার লোন: ভার্চুয়াল লোন: ভার্চুয়াল এন্টারপ্রেনিউর হিসেবে কাজ করতে হলে টিম মেম্বারদের কম্পিউটার থাকতে হবে। সকলের কম্পিউটার কেনার সামর্থ্য নাও থাকতে পারে। বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এখানেও একটি মডেল প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন মডেলটি বাস্তবায়ন করার জন্য কেউ এগিয়ে আসেনি। মডেলটি এ রকম: এনজিও মাইক্রোক্রেডিটের জন্য ঋণ দিয়ে থাকে। এর মধ্যে গরু মোটা তাজা, ছাগল পালন ইত্যাদি। ধরুন, ছাগলের জন্য লোন দিল কিন্তু যত বেশিই লোন দিক ছয় মাসে ছাগলের বড় জোর ৪টি বাচ্চা হবে। কিন্তু কম্পিউটারে লোন দিলে প্রতিদিন আয় করা সম্ভব। গরু মোটা তাজা বা ছাগল পালনের লোন দেয়ার তুলনায় বেশি নিরাপদ, বেশি আয় সম্ভব।

এন্টারপ্রেনিউর টু বিপিও ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট: পূর্ববর্তী স্তরে উদ্যোক্তা তৈরির পর এদের অনেকের আরও বড় আকারের শিল্প গড়ে তোলার ইচ্ছা ও যোগ্যতা থাকলেও পুঁজি, জমির প্রাপ্যতা, হাইস্পিড রিডানড্যান্ট ইন্টারনেট কানেকটিভিটি, রিডানড্যান্ট পাওয়ার সাপ্লাই না পাওয়ার কারণে ছোট উদ্যোক্তা পর্যায়ে পরিসমাপ্তি ঘটবে। পৃথিবী পরিবর্তনশীল, প্রতিযোগিতামূলক। তাই টিকে থাকতে হলে বিশেষ পরিবেশ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।

দুটি স্থানে এই পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে—

হাই-টেক পার্ক

আইটি ইনক্যুবেটর

কোথাও হাই-টেক পার্ক হবে। এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইনক্যুবেটর করা হবে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে এ রকম ইনক্যুবেটর করা হচ্ছে। এরপর পর্যায়ক্রমে যে সব জায়গায় হাই-টেক পার্ক থাকবে না সেখানে ইনক্যুবেটর হবে। ইনক্যুবেটরে শিক্ষার্থী বা কৃষক শিক্ষা শেষে এখানে তাদের ব্যবসা শুরু করবে অর্থাত্ সকল সুযোগ-সুবিধার কারণে সফটওয়্যার তৈরি থেকে কলসেন্টার পর্যন্ত তৈরি করতে জানবে। একটু পরিপক্বতা পেলে তারা সাধারণ পরিবেশে ব্যবসা করবে যাতে অন্যদের স্থান করে দেয়া যায়। সেই সাধারণ পরিবেশ পার্ক অন্য কোন স্থান হতে পারে। দেশের প্রতিটি বিভাগে একটি করে হাই-টেক পার্ক করার প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে ২৩২ একর জমির উপর কালিয়াকৈর এবং সিলেট হাই-টেক পার্ক ছাড়াও যশোর ও রাজশাহীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক হাই-টেক পার্কের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

উপসংহার: আমরা বাংলাদেশিরা সম বা নিম্ন আর্থ-সামাজিক অবস্থানের দেশের নাগরিকদের পাশে বসে নিজেদেরকে সংকুচিত করে রাখি। পৃথিবীতে যারা বড় উন্নত শক্তিশালী-ধনী হয়েছে তারা ছোট থেকে বিকশিত হয়েছে। আমরা কেন বড় হতে পারবো না। আমাদের যা দরকার তা হলো প্রচেষ্টা— কনফিডেন্স— ইনোভেশন ও সহায়তা। আমরা আপনাদের বড় হওয়ার ব্যাপারে সহায়তা দেয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। আমাদেরকে সেই সুযোগ দিন।

লেখক :সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
ব্যাংক জালিয়াতি রোধে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে পরিচালক নিয়োগে মানদণ্ড নির্ধারণের ওপর বিশেষ নজর দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। জালিয়াতি রোধে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে কি?
6 + 2 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
ফেব্রুয়ারী - ১৯
ফজর৫:১৩
যোহর১২:১৩
আসর৪:২০
মাগরিব৫:৫৯
এশা৭:১২
সূর্যোদয় - ৬:২৯সূর্যাস্ত - ০৫:৫৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :