The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার ২৭ জুলাই ২০১৪, ১২ শ্রাবণ ১৪২১, ২৮ রমজান ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ দুই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ৩ সেপ্টেম্বর | বিএনপির সাথে কোন সংলাপ হবে না : নাসিম | খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা | হামাস ২৪ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে রাজি | কুমিল্লার চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেসব প্রশ্ন করা হয়েছিল

ইত্তেফাক রিপোর্ট

যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে গতকাল গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকরা প্রধানমন্ত্রীকে নানা প্রশ্ন করেন। তাদের প্রশ্নগুলো হুবহু নিম্নে তুলে ধরা হলো।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রথম প্রশ্নটি করেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া। তার প্রশ্নটি ছিল 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার বক্তব্যের শেষ প্রান্তে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। আমাদের পবিত্র সংবিধানে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিরঙ্কুশভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। কয়েকদিন আগে বিএনপি মহাসচিব বলেছেন- আওয়ামী লীগের লোকেরা বলছেন-তারা পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবে। কিন্তু তারা কী '৭৫ সনের ১৪ আগস্ট ভেবেছিলেন যে, ১৫ আগস্ট হবে এবং তার কথা ধরে হান্নান শাহ বলেছে এদেশে যদি আবার ১৫ আগস্ট হয় তাহলে তার দায়-দায়িত্ব শেখ হাসিনার সরকারকে নিতে হবে। এগুলো কী বাকস্বাধীনতা? না আপনার অগণতান্ত্রিক শক্তিকে প্রভোক করে দেশে গণতন্ত্র নস্যাত্ করার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক বক্তব্য? যদি এটা বাকস্বাধীনতা না হয়, রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক বক্তব্য হয়ে থাকে, আপনার সরকার কি ব্যবস্থা নেবে? জনগণ আতঙ্কিত।'

পরের প্রশ্নটি করেন সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম। তার প্রশ্নটি ছিল 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার নাম মঞ্জুরুল ইসলাম। আপনার এই সফরে গার্লস সামিটে এবং ব্রিটিশ সরকারের সাথে আপনার এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে আমরা গণমাধ্যমের যারা কর্মী, তাদের মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কারণে যে চিত্রটি ছিল যে, বাইরের বিশ্বে বোধ হয় আপনার সরকারের ভাবমূর্তি তাদের প্রোপাগা্লার ফলে এমন পর্যায়ে গেছে যে, আমাদের হয়তো উন্নয়ন প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। আপনি সেটা নিশ্চিত করেছেন। এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ। একইসঙ্গে আমার জানবার ইচ্ছা, আপনি যে নির্বাচনের কথা বললেন, তা গণমাধ্যমে এসেছে। আমরা তো ডেভিড ক্যামেরনের কাছে যাবার সুযোগ নেই। আপনার কাছে এসেছি। ধন্যবাদ আপনাকে। সেখানে নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন। এরকম খবর এসেছে। বিএনপি বলছে এনিয়ে আপনার সরকার মিথ্যাচার করছে। এ বিষয়ে জানতে চাই। আরেকটি বিষয় নিয়ে জানতে চাই। আপনাকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা। ঈদ পরবর্তী একটি আন্দোলনের হুমকি আমাদের সামনে। অর্থনীতির পঙ্গু অবস্থা থেকে যখন সাধারণ মানুষ ঘুরে দাঁড়াবার চেষ্টা করছে, সে সময় ঈদের পর সাধারণ জনগণের জন্য আপনার কোনো স্বস্তির বাণী দেয়ার আছে কিনা। আপনাকে ধন্যবাদ।'

তৃতীয় প্রশ্নটি করেন সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ। তার প্রশ্নটি ছিল 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার নাম মোস্তফা ফিরোজ। আমি বাংলাভিশনে কাজ করি। আমি আপনার লন্ডন সফর নিয়ে প্রশ্ন করবো। তবে তার আগে আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আপনার এই সফরে একটি ব্যতিক্রমী জিনিস আমরা লক্ষ্য করেছি। সেটি হচ্ছে আপনি বিমানে নিজে যাত্রীদের সঙ্গে কথাবার্ত বলেছেন, কুশল বিনিময় করেছেন। এটা খুবই প্রশংসার দাবি রাখে। অতীতেও আমরা দেখেছি, পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে আপনি বার্ণ ইউনিটে গেছেন। আশা করি, এবার ঈদে ঘরমুখো মানুষ বাড়ি যাচ্ছে, আপনি কয়েকটি টার্মিনাল পরিদর্শনে যাবেন, যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন, শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।...আপনি আকষ্মিকভাবে রাতের বেলায় যাবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে, ব্রিটেন সফরের মধ্য দিয়ে আপনি তাগিদ অনুভব করছেন কিনা যে, সংসদের বাইরে যে প্রধান দলগুলো আছে, তাদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করা দরকার, নির্বাচন প্রশ্নে। বিএনপি বলছে ঈদের পর তারা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করবে। ঈদের পর বিএনপির আন্দোলনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাধা দেবে কিনা, অথবা সহযোগিতা করবে কিনা?'

এর পরের প্রশ্নকর্তা ছিলেন একাত্তর টেলিভিশনের মোজাম্মেল বাবু। তিনি বলেন 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে ধন্যবাদ দিতে চাই যে, আপনি আপনার সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল এবং আমাদের মত সিনিয়র এডিটরদের নিয়ে গিয়েছিলেন। আমাদের রিপোর্টিংয়ের ঝামেলা ছিল না। সো, বাংলাদেশ সম্পর্কে ব্রিটেন কী ভাবে তা আমাদের জানার সুযোগ হয়েছে। আমরা আপনাকে ধন্যবাদ দিতে চাই, আপনার মাধ্যমে আমরা গর্বিত হতে পেরেছি। গার্লস সামিটে বিদেশি যেসব সাংবাদিক ও ডেলিগেট এসেছে তারা বাংলাদেশকে পৃথিবীতে নারী উন্নয়নের রোল মডেল মনে করে। আপনাকে প্যাম্পার করার জন্য বলছি না। ব্রিটিশ সরকার আপনাকে শখ করে নিয়ে যায়নি। পৃথিবীতে নারী উন্নয়নের পথিকৃত হিসেবে আপনার নামটিই সবার আগে আসে। ডেলিগেটরা সেটা বলেছে। সেজন্যই আপনি ছিলেন সেখানকার মধ্যমণি। সকালবেলায় ব্রিটেনের পত্রিকায় দেখেছি, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে হতাশা থাকলেও তারা সামনে তাকাতে চায় এবং বলেছে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু দুঃখজনক, আমাদের নিজেদের পত্রিকায় আমরা খ্লিত রিপোর্ট করি। এটা আমার দুঃখ। আপনার কাছে প্রশ্ন, গার্লস সামিটে যারা আজ নারীদের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে, যারা নারী উন্নয়ন কর্মী, তাদের পরবর্তী সামিটটা বাংলাদেশে যেন হয়। এ ব্যাপারে আপনাদের কোনো পদক্ষেপ আছে কিনা। সেখানে আরেকটি আকর্ষণ ছিল মালালা। সে আপনার পাশে বসেছিল। মালালাও মনে করে বাংলাদেশ নারী উন্নয়নের রোল মডেল। আপনার মাধ্যমে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে রিকোয়েস্ট করতে চাই তারা মালালা ফাইন্ডেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে মালালালে বাংলাদেশে আনবে কিনা, তার শিক্ষা নিয়ে কাজ করবে করবে কিনা।'

মোজাম্মেল বাবুর প্রশ্ন শেষ হওয়ার পরপরই পরবর্তী প্রশ্নকারী সাংবাদিক মাইক নিয়ে বলেন 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, নারীরা সুযোগ কম পাচ্ছে। আমার নাম সাজু রহমান। আমি গাজী টিভিতে কাজ করি। বিএনপির এক নেতা সুদূর লন্ডনে বসে ঈদের পর আন্দোলনের পরিকল্পনা দিচ্ছেন। তার পরিকল্পনায় আন্দোলন হবে। দেশকে আবার অস্থিতিশীল করার জন্য তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা?'।

সাজু রহমানের পর প্রশ্ন করেন বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন নিউজের মাসুদুল হক। তার প্রশ্নটি ছিল 'সম্প্রতি কয়েকটি পত্রিকায় আমরা দেখেছি সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের পরিবর্তে... '৭২ এর সংবিধানের আলোকে সংবিধানে ৯৬ অনুচ্ছেদ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। আপনি বারবার বলেছেন, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াত আদালতের কাঠগড়ায়। জামায়াতের বিচারকাজ কবে নাগাদ শেষ হবে। আর এতক্ষণ যাকে নিয়ে কথা হচ্ছিল, আমরা দেখেছি সৌদিআরবে তিনি আইডিবি'র প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। যার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে, তিনি কীভাবে আইডিবি'র প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন?'

মাসুদুল হকের প্রশ্ন শেষ না হতেই এর পরের প্রশ্নকারী সাংবাদিক বলেন 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার নাম সোহেল হায়দার চৌধুরী। আমি দৈনিক মানবকণ্ঠে কাজ করি। বেশকিছুদিন ধরে আমরা একটা গুঞ্জন শুনতে পারছি যে, জামায়াতের সঙ্গে সরকারের গোপন আঁতাত হয়েছে। এব্যাপারে আপনার মতামত জানতে চাই। আপনাকে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও আওয়ামী লীগ বিটের সকল সাংবাদিকের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।'

পরবর্তী প্রশ্নকর্তা বলেন 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার নাম সাইফুল ইসলাম তালুকদার। আমি দৈনিক আমাদের সময়ের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট। আমাদের সামনে শোকের মাস, আগষ্ট মাস। ১৫ আগস্ট জাতির পিতাসহ অনেককে আমরা হারিয়েছি। আপনি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার করেছেন। কিন্তু ফাঁসির দ্লপ্রাপ্ত কয়েকজন আসামি এখনও বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে স্বরাষ্ট্র, আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তারা আর কাজ করেছে বলে মনে হয় না। আমার প্রশ্ন, এই সরকারের আমলে, এই শোকের মাসকে সামনে রেখে টাস্কফোর্সকে আবার কার্যকর করা হবে কিনা, ফাঁসির দ্লপ্রাপ্ত আসামিদের ফিরিয়ে আনার জন্য। অনুগ্রহ করে বলবেন কি?'

এরপরের প্রশ্নকারী বলেন 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার নাম মাহবুব হাসান। আমি দৈনিক যুগান্তরে কাজ করি। আমি আপনাকে অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে চাই। সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের তিনটি অর্জন হয়েছে। একটি হচ্ছে- বিদ্যুত্ উত্পাদন, মানবসম্পদ উন্নয়নে আমরা আরেক ধাপ এগিয়েছি, আরেকটি হল ভারতের সঙ্গে সমুদ্র বিজয়। এজন্য আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ দিতে চাই। আমি যেই প্রশ্নটি করতে চাই, সেটি হল- আপনি বিবিসিকে একটি সাক্ষাতকার দিয়েছেন। সেখানে আপনি অনেক কথা বলেছেন। ওখানে একটি বিষয় আপনি স্পষ্ট করেননি। সেটা হল সামনের নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে। মানে পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচন যে পদ্ধতিতে হয়েছে, সামনের নির্বাচনও কী একই পদ্ধতিতে হবে। নাকি অন্য কোনো বিকল্প চিন্তা রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাই।

শেষ প্রশ্নকারী সাংবাদিকের প্রশ্নটি ছিল 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার নাম সাইদুল ইসলাম। আমি বিবিসি বাংলা সার্ভিসে কাজ করি। গার্লস সামিটে সফলতার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। একটা বিষয় স্পষ্ট হওয়ার জন্য আপনার কাছে একটু প্রশ্ন করতে চাই। আপনি বলেছেন ১৫ বছরের নিচের মেয়েদের বাল্যবিবাহ ২০২১ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে। আবার বলেছেন, ১৫ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত মেয়েদের বিয়ের হার এক তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু একটি আইন আছে যে, ১৮ বছরের নিচে কোনো মেয়েকে বিয়ে দেয়া যাবে না। এখন আপনার এই ঘোষণার পর ওই আইনের কী হবে, এ ব্যাপারে সরকারের নীতি কী হবে, ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী বাকি দুই তৃতীয়াংশ মেয়ের কী হবে।'

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী বলেছেন, 'ভোটারবিহীন নির্বাচনে ক্ষমতায় এসে সরকার এখন অস্থিরতায় ভুগছে।' আপনিও কি তাই

মনে করেন?
4 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
সেপ্টেম্বর - ২৫
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৫
এশা৭:০৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৫০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :