The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার ২৭ জুলাই ২০১৪, ১২ শ্রাবণ ১৪২১, ২৮ রমজান ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ দুই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ৩ সেপ্টেম্বর | বিএনপির সাথে কোন সংলাপ হবে না : নাসিম | খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা | হামাস ২৪ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে রাজি | কুমিল্লার চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

আড্ডায় নেপথ্যলোক

সাংবাদিকদের ভিন্নমতগুলো কী বলছে চলচ্চিত্র নিয়ে? বিনোদন সম্পাদক তানভীর তারেকের পরিচালনায় এই জম্পেশ আড্ডার সঞ্চালক ছিলেন মোস্তাফিজ মিঠু। ছবি তুলেছেন সোহেল মামুন

প্রযোজক সমিতির কক্ষে সবাই বসে একটু বিশ্রাম নিলাম। আমারও একটু বসতে পেরে আরাম লাগছে। রোজায় আজকে মনে হয় একটু বেশিই কাহিল। আজ আমাদের আড্ডার অতিথি বিনোদনের কারিগর, যারা খবর তৈরি করেন, খবরের সাথে থাকেন তাদের কথায় এই চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপটটা তুলে ধরার।

আমাদের এই আড্ডায় আছেন মানবজমিনের আওলাদ হোসেন। আনন্দধারা ম্যাগাজিনের জুটন চৌধুরী। কালের কণ্ঠের দাউদ হোসেন রনি। যুগান্তরের এফ আই দীপু ও চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের নাজমুল ইসলাম রানা। তারা প্রত্যেকেই বিনোদন ও চলচ্চিত্র সাংবাদিক। আমাদের আজকের আড্ডার বিষয় চলচ্চিত্র। তাই চলচ্চিত্রে নিয়ে আড্ডা দেওয়ার জন্য এফডিসির চেয়ে ভালো জায়গা তো আর হয় না। তবে আড্ডার মূল উদ্দেশ্য চলচ্চিত্র নিয়ে এই সাংবাদিক বোদ্ধাদের মতামত পাঠকদের কাছে নিয়ে আসা। কারণ চলচ্চিত্র নিয়ে হয়তো অনেক কথাই পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে। কিন্তু যারা এই লেখাগুলো লিখছেন, তাদের বিষয়টি নিয়ে তেমন খোলামেলা ভাবে কথা বলার সুযোগ হচ্ছে না। তাই সবাই কিছুটা সময় বের করে এই আড্ডায় অংশ নিলাম।

যদিও তখন পর্যন্ত রনি ভাই ও দিপু ভাই ওই জ্যামেই বসে আছেন। তাই তাদের অনুপস্থিতেই শুরু করলাম আলাপচারিতা। তিনজনের কাছেই আমার কিছু এক কথায় উত্তরের টাইপের প্রশ্ন ছিল। সেগুলো করতে করতেই রুমে আগমন ঘটল রনি ভাইয়ের। সুন্দর একটি হলুদ পাঞ্জাবি পরে এসেছেন। রনি ভাই জাপানিজ ছবির নায়ক হলেও মন্দ হতো না। জাপানি কোনো নির্মাতা রনি ভাইকে দেখলে হয়তো এই প্রস্তাব দিয়ে বসতে পারেন। যাই হোক রনি ভাই আমাদের আড্ডায় অংশ নিলেন। দিপু ভাই তখনও জ্যামে বসে আছেন। সবার কাছেই আমার কয়েকটা প্রশ্ন ছিল। সেই প্রশ্নগুলোকে ভিত্তি করেই আবারও জমে উঠল আড্ডার আসর। আমার প্রশ্নগুলো নিয়ে তাদের মতামতগুলো সরাসরি তুলে ধরছি পাঠকদের জন্য—

আমাদের চলচ্চিত্রের সার্বিক অবস্থা কেমন ?

আওলাদ হোসেন বললেন, 'খুব খারাপ, অশনি সংকেত। প্রদীপের কোনো আলোই দেখা যাচ্ছে না। জুটন চৌধুরী একই সুর মিলিয়ে বললেন, 'চলচ্চিত্রে অবস্থা তো অনেকদিন ধরেই খারাপ। এখন আরও বেশি খারাপ। আমরা ইন্ডিয়ান ফিল্মের সাথে মিক্সড আপ করতে গিয়ে আরও গুলিয়ে ফেলছি। আর এটা যদি চলতে থাকে তাহলে এর ভবিষ্যত্ পুরো খারাপ।' দাউদ হোসেন রনির কথায়, 'আমাদের চলচ্চিত্র তিন দশক ধরে গর্ভধারণ করছে। এখন প্রসব বেদনায় ভুগছে। খুব শীঘ্রই আলোর মুখ দেখবে।'

এফ আই দীপু অনেকটা মন খারাপের হাওয়া উড়িয়ে বললেন, 'চলচ্চিত্রের অবস্থা খারাপ। এটা উত্তরণের পথে অনেক বাধা আছে।'

নাজমুল ইসলাম রানার মতে, 'এক কথায় যদি বলি তাহলে আমাদের প্রদীপে কেরোসিন দেওয়ার পরও যে জ্বলবে সেই আশাটুকুও নেই।'

চলচ্চিত্রের পরিচালক, প্রডিউসার আর শিল্পীদের সম্মানের জায়গাটা কতটুকু?

আওলাদ হোসেন, 'আমাদের এখনকার সিনেমায় সব মেধাশূন্য মানুষ। নিজেদের সম্মান সম্পর্কে নিজেরাই তারা সচেতন না।'

জুটন চৌধুরী, 'এখন সম্মান পাবে কী করে, এখনতো কেউ সম্মান দিতেই জানে না। যে সম্মান দিতে জানে না সে তো সম্মান পাবে না।'

দাউদ হোসেন রনি, 'সম্মানের বিষয়টা শুধুমাত্র চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে না। এটা সার্বজনীন। নিজের সম্মানের জায়গাটা নিজেরই তৈরি করে নিতে হয়।'

এফ আই দীপু, 'শিল্পীরা এখন নিজেই পরিচালক হয়ে গেছে। তাই তারা আর পরিচালককে দাম দিতে চায় না।'

নাজমুল ইসলাম রানা, 'একটি গল্প বলি আমি। বাপ্পির 'হানিমুন' ছবির রিলিজ উপলক্ষে জাজ মাল্টিমিডিয়ার একটি অনুষ্ঠানে বাপ্পি আর পরিচালক সাফি আসছেন। সাফি উদ্দিন বাপ্পিকে একটি কথা বললো কিন্তু বাপ্পি সেটা শুনবে না। বাপ্পি সেদিনের ছেলে সিনিয়র একজন নির্মাতাকে শাসাচ্ছে। এই হলো অবস্থা!'

শাকিব আছে, শাকিব নেই

আওলাদ হোসেন, 'শাকিব আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য একদিকে আশীর্বাদ। আরেকদিকে অভিশাপ। মান্না মারা যাবার পর শাকিব একটা বাজার পেল। আশীর্বাদটা হলো তার নিজের জন্য সে কিছু টাকা পেয়েছে। আর দশ ভাগ প্রযোজক লাভবান হয়েছে। কিন্তু নব্বই ভাগ মানুষের ক্ষতি হয়েছে।'

জুটন চৌধুরী, 'শাকিব তো এখনই নাই। তার শেষ কোন ছবিটা হিট হয়েছে—আমার মনে পড়ছে না।'

দাউদ হোসেন রনি, 'শাকিব খান যদি না থাকতো তাহলে তিনজন নায়ক পেতাম আমরা। শাকিব আছে বলেই আমরা পাইনি। তবে ছিল। কৌশলে তাদের বন্ধ করে দিয়েছে শাকিব নিজেই।'

এফ আই দীপু, 'শূন্য স্থান কখনো শূন্য থাকে না। শাকিব না থাকলে অন্য কেউ থাকতো।'

নাজমুল ইসলাম রানা, 'শাকিব না থাকলে কোনো ক্ষতি হতো না। আর শাকিব আছে বলে আহমরি কোনো লাভও হচ্ছে না। বরং শাকিবের পাশে কোনো নায়ক দাঁড়ালে তারা ফ্লপ হয়ে যাচ্ছে। শাকিব পলিটিক্স করে তার সিকোয়েন্স কেটে দেয়। এতেও শাকিবের দোষ দেখি না। কারণ নিজে বাঁচতে হলে পলিটিক্সের সুযোগ নেবেই। প্রশ্ন হলো আমরা কেন তাকে সুযোগ দিচ্ছি।'

নায়িকারা একেক ঘরে বন্দী যখন!

আওলাদ হোসেন, 'আমার মতে মৌসুমী, শাবনূর ও পূর্ণিমার সময়ের পরে আর কোনো নায়িকা-ই আসেনি। এরপর যারা আসছে চরিত্রের প্রয়োজন মেটাতে আসছে। তারা নায়িকা না। এখন আর কেউ নায়িকা দেখে ছবি দেখতে যায় না। এখন যারা কাজ করছে কারো না কারো দয়ায় কাজ করছে।'

জুটন চৌধুরী, 'আগেও এই অলিখিত প্রেমের জুটির ধারা ছিল। আগে শাবানা আপা আলমগীর বা জসিম ভাইয়ের সাথে সিডিউল বেশি দিত। রাজ্জাক ভাইকে না পারতে দিত। কিন্তু তেমন প্রকাশ্যে লোকজন জানতো না। আর এখন মিডিয়ার কারণে সবাই জানতে পারছি।'

দাউদ হোসেন রনি, 'আসলে আমাদের দেশে নায়িকানির্ভর ছবি একটা সময় হতো। কিন্তু মাঝে নাই হয়ে গেছে। 'অগ্নি' ছবি দিয়ে আবারও শুরু হলো।'

নাজমুল ইসলাম রানা, 'এটা ছিল আগে থেকেই কিন্তু প্রকাশ্যে ছিল না। এখন যেমন আমরা সবাই জানছি। যেমন অপু শাকিবের অধীনে কাজ করছে, মাহি জাজের অধীনে, বর্ষা অনন্তর। কিন্তু চাইলেও তার বের হতে পারছে না।'

এফডিসির অবস্থা

আওলাদ হোসেন, 'এফডিসি ভবিষ্যতের জাদুঘর এখানে সবাই টিকিট কেটে পরিচালক নায়ক, নায়িকাদের মুর্তি দেখতে আসবে। কারণ এফডিসিতে ডিজিটাল পদ্ধতির একটি জিনিসও পূর্ণাঙ্গ নাই। এফডিসি মৃত। এটা ভবিষ্যতে আদমজী জুট মিল হবার পথে।'

প্রায় সকলেই এই একই মত দিলেন।

চলচ্চিত্র সাংবাদিকতা নীতি হারিয়েছে, এরকম অভিযোগ যারা করেন, তাদের উদ্দেশে কী বলবেন?

আওলাদ হোসেন, 'আগে যারা চলচ্চিত্র সাংবাদিকতা করতেন তারা আরও বেশি করতেন। আমাদের অগোচরে যাদের নাম বলা হচ্ছে তারা আরও ভয়ংকর ছিলেন। আমরা এখানে পাঁচজন সাংবাদিক আছি। কারও সাথে কোনো নায়িকার প্রেম নাই। এক বরেণ্য সাংবাদিক এক নায়িকার জন্য নাম বলতে অজ্ঞান। আরেক আরাধ্য সাংবাদিক নায়িকার প্রেমে পড়ে বিয়েই করলেন না। এমন অনেক উদাহরণ আছে।'

জুটন চৌধুরী, 'এই দালালি বা চামচামি এটা কিন্তু একদিনে হয়নি। আর এটা আমরা বড়দের কাছ থেকে শিখেছি।'

দাউদ হোসেন রনি, 'দালালি শব্দটা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। কারণ সম্পর্ক ভালো হতেই পারে।'

আপনারা কেউ আর মুভি রিভিউ লেখেন না। কারণ কী?

আওলাদ হোসেন, 'এখন ছবি তো হচ্ছে না, রিভিউ কীভাবে হবে। আমাদের চলচ্চিত্রের লোকরা সমালোচনা সহ্য করতে পারে না। আর এরা তো সিনেমাই বানায় না। এখন যারা সিনেমা বানাচ্ছে তারা সমালোচনার যোগ্যই না।

এফ আই দীপু, 'আমাদের সিনেমা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড না। আর তাদেরটা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড। যার কারণে তাদের ফেস ভ্যালু আছে। এটাই মূলত কারণ।' আরও কিছু প্রশ্ন থাকলেও ইফতারির সময় ঘনিয়ে আসাতে সবারই একটু তাড়া ছিল উঠার। দিপু ভাই তখনও আসেনি। উপরে দিপু ভাইয়ের প্রশ্নোত্তরগুলো মুঠোফোনে নেওয়া। সবাই প্রযোজন সমিতির রুম থেকে বের হলাম। ফটোগ্রাফার সোহেল ভাই আবারও ফ্রেমে বন্দি করতে লাগলেন তাদের। বাইক পার্ক করেই ছবির ফ্রেমে চলে আসলেন। শেষে সবাই একটি গ্রুপ ছবি তুলে আড্ডা থেকে বিদায় নিলাম। আলাউদ্দিন ভাই আর জুটন ভাই ইতোমধ্যে লাপাত্তা। সবাই সবার কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় নায়ক অমিত হাসান খুব ভাব ধরেই হেঁটে যাচ্ছিলেন। তার হাঁটা দেখে একটু পেছন ফিরে তাকালাম কিন্তু কোনো ক্যামেরা তো দেখতে পেলাম না। কিন্তু তার হাঁটা দেখে মনে হচ্ছিল শুটিংয়ে হাঁটছেন।

সুনসান এফডিসি নিয়ে তারা বললেন, ঈদের আগে এই মৌসুমে বছর দশেক আগে হলেও ভিড়ে ঠিকমতো ছবি তুলতে পারতাম না। অথচ আজ কী হাল! সিনেমার অবস্থা যেন এখানেই দৃশ্যমান।

০০০০

আনন্দধারার সাংবাদিক

জুটন চৌধুরী

বলেন—

'আগেও এই অলিখিত প্রেমের জুটির ধারা ছিল। আগে শাবানা আপা আলমগীর বা জসিম ভাইয়ের সাথে সিডিউল বেশি দিত। রাজ্জাক ভাইকে না পারতে দিত। কিন্তু তেমন প্রকাশ্যে লোকজন জানতো না। আর এখন মিডিয়ার কারণে সবাই জানতে পারছি।'

০০০০

মৌসুমী, শাবনূর কখনো কোনো নায়কের অধীনে ছিল না।

দাউদ হোসেন রনি

কালের কণ্ঠ

০০০

শাকিবের পাশে কোনো নায়ক দাঁড়ালে তারা ফ্লপ হয়ে যাচ্ছে। শাকিব পলিটিক্স করে তার সিকোয়েন্স কেটে দেয়।

নাজমুল ইসলাম রানা, চ্যানেল ২৪

০০০

অপু শাকিবের, মাহি জাজের বর্ষা অনন্তের অধীনে

এফ আই দিপু

যুগান্তর

০০০০

'আমার মতে মৌসুমী, শাবনূর ও পূর্ণিমার সময়ের পরে আর কোনো নায়িকা-ই আসেনি। এরপর যারা আসছে চরিত্রের প্রয়োজন মেটাতে আসছে। তারা নায়িকা না। এখন আর কেউ নায়িকা দেখে ছবি দেখতে যায় না। এখন যারা কাজ করছে কারো না কারো দয়ায় কাজ করছে।'

আওলাদ হোসেন

সিনিয়র রিপোর্টার, দৈনিক মানবজমিন

০০০০০০০০০

ঘড়িতে বিকাল ৩টা ১০ মিনিট। আমি এফডিসির গেটে দাঁড়ানো। ফোন দিলাম চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের রানা ভাইকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে আসলো। দুজনেই মিলেই অন্দর মহলে প্রবেশ করলাম। সুনসান পরিবেশ এফডিসির। দীর্ঘসময় পর যারা এফডিসিতে ঢুকবেন প্রথমেই একটি ধাক্কা খাওয়ার উপক্রম হতে পারে। কোনো শোড়গোল নেই কোথাও। দেখে মনে হচ্ছে ছবির হাটে বসে বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকজন আড্ডা দিচ্ছে। আমি আর রানা ভাই হাঁটতে হাঁটতেই দেখা হলো জুটন ভাইয়ের সাথে। তিনজন জটলা পাকাতেই বাইকে করে আগমন ঘটলো আমাদের ফটোগ্রাফার সোহেল ভাইয়ের। যার পেছনে ছিল চলচ্চিত্র সাংবাদিক আলাউদ্দিন হোসেন। আলাউদ্দিন ভাইকে দেখলে আমার মনে হয় সাংবাদিক না হয়ে বাংলা ছবির খলনায়ক হলে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি একজন ভালো খলনায়ক পেত। তার চেহারার মধ্যেই সেই অসাধারণ প্রতিভা বিদ্যমান। যাই হোক আমরা পাঁচজন মিলে হাঁটতে শুরু করলাম আবার। ঝরনা পয়েন্টে এসে থামলাম। সোহেল ভাই ব্যাগ থেকে ক্যামেরা বের করলো। প্রথমেই আলাউদ্দিন ভাই সেইরকম একটা পোজ দিল। চোখে কালো রঙের সানগ্লাস। সেই পোজ দেখে আমার আবারও মনে হলো আলাউদ্দিন ভাই কেন বাংলা ছবির খলনায়ক না! এরপর একে একে জুটন ভাই, রান ভাই তাদের নিজস্ব ঢংয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন ছবি তুলতে। ছবির পর্ব শেষ করে রওনা দিলাম প্রযোজক সমিতির দিকে।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী বলেছেন, 'ভোটারবিহীন নির্বাচনে ক্ষমতায় এসে সরকার এখন অস্থিরতায় ভুগছে।' আপনিও কি তাই

মনে করেন?
7 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ১৮
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৫সূর্যাস্ত - ০৫:১০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :