The Daily Ittefaq
ঢাকা, সোমবার ০৫ আগস্ট ২০১৩, ২১ শ্রাবণ ১৪২০ এবং ২৬ রামাযান ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ হাইকোর্টের রায় বহাল; নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না জামায়াত | আপিল করেছেন গোলাম আযম | অষ্টম মজুরি বোর্ডের সুপারিশে মন্ত্রিসভার একমত

সাফল্য ধরে রেখেছে বরিশালের অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়

লিটন বাশার, বরিশাল অফিস

জন্মলগ্ন থেকেই ক্যাডেট কলেজের সাথে পাল্ল¬া দিয়ে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়। বেসরকারি এ কলেজটি এবারো বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হারে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। প্রথম স্থানে রয়েছে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ। তবে জিপিএ-৫'র ভিত্তিতে এবারও ক্যাডেট কলেজের চেয়ে এগিয়ে আছে এ কলেজটি। এবার অমৃত লাল দে কলেজের ২৪৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ পেয়েছে। ক্যাডেট কলেজ পেয়েছে ৪৫ জন। এ নিয়ে পর পর তিন বছর দ্বিতীয় অবস্থান অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়। ধরে রেখেছে এ কলেজটি এর আগে টানা ৭ বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে মেধা তালিকার শীর্ষে অবস্থান করে। এবারে ফলাফলে এই কলেজ পেয়েছে ৭১ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট। কলেজের ৮৭০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৮০৫ জন।

১৯৯২ সালের ২২ এপ্রিল দানবীর অমৃত লাল দে' তার নিজ নামে 'কর্মই ধর্ম' শ্লোগান নিয়ে নগরীর হাসপাতাল রোডে এক একর জমির উপর এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। তত্কালীন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ ইউনুস খান কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ঐ বছরই ২৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কলেজের ক্লাস শুরু হয়। সেদিন আড়ম্ভরপূর্ণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তত্কালীন প্রেসিডেন্ট আব্দুর রহমান বিশ্বাস। সেই থেকে মেধায়, মননে ও প্রজ্ঞায় একের পর এক সাফল্য অর্জন করে যাচ্ছে কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা। যশোর শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ১৯৯৩ সালে সর্ব প্রথম কম্পিউটার বিভাগ চালু হয় এ কলেজে।

প্রতিষ্ঠার পরই যশোর শিক্ষা বোর্ডের মেধা তালিকায় স্থান করে নেয়। ২০০২ সালে বরিশাল ক্যাডেট কলেজের সাথে পাল্লা দিয়ে মেধা তালিকায় ১৭টি স্থান দখল করে সমান সমান ফলাফল ভাগাভাগি করে নেয়। ঐ বছর ক্যাডেট কলেজও মেধা তালিকায় ১৭টি স্থান পেয়েছিল। পরের বছর ২৭টি এ প্ল¬াস পেয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ ফলাফলের গৌরব অর্জন করে অমৃত লাল দে কলেজ। একের পর এক সাফল্যের কারণে দক্ষিণাঞ্চলের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আকর্ষণীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় এ কলেজটি। তাই প্রতি বছর ভর্তিযুদ্ধ লেগে থাকে। শুরু থেকেই কেবল এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের উপর নির্ভর করে মেধাবীদের এ কলেজে ভর্তির সুযোগ করে দেয়া হয় বলে জানান অধ্যক্ষ তপংকর চক্রবর্তী।

কলেজের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রয়েছে অমৃত লাল দে'র সহধর্মিণী যোগমায়া দে'র নামে বৃত্তি। পাস করার পরও বিশ্ববিদ্যালয়সহ বড় প্রতিষ্ঠানে পড়ার জন্য এ বৃত্তির টাকা পেয়ে থাকে শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত একাধিক শিক্ষার্থী জানান, তারা এখনো অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়ের মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য রক্ষিত তহবিল থেকে প্রতি বছর ২০ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন।

অমৃত লাল'র ব্যক্তিগত উদ্যোগে কলেজটি গড়ে উঠলেও ১৯৯৩ সালে তার মৃত্যুর পর কলেজটির সাফল্যে মুগ্ধ হয়ে বাড়তে থাকে সরকারি অনুদান। সরকারি খরচে এখন সেখানে ৩টি তিনতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনতলা আরো একটি প্রশাসনিক ভবন ২০০৫ সালে নির্মাণ করা হয়। কলেজের অধ্যক্ষ তপংকর চক্রবর্তী জানান, অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধির সাথে সাথে শিক্ষারও সমপ্রসারণ করা হয়েছে।

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বিজয় কৃষ্ণ দে জানান, শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং ম্যানেজিং কমিটির কঠোর নিয়ন্ত্রণ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কত দ্রুত সেরাদের সেরা করতে পারে তার অন্যতম উদাহরণ অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, 'রাজনৈতিক দল হিসাবে কর্মকাণ্ড করার কোনো অধিকার জামায়াত রাখে না।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
7 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ১৯
ফজর৫:১৫
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :