The Daily Ittefaq
শুক্রবার ১৫ আগস্ট ২০১৪, ৩১ শ্রাবণ ১৪২১, ১৮ শাওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ শাহ আমানতে যাত্রীর ফ্লাস্ক থেকে ৪০ লাখ টাকার সোনা উদ্ধার | ধর্ষণের ঘটনা ভারতের জন্য লজ্জার: মোদি | শোক দিবসে সারাদেশে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা | লঞ্চ পিনাক-৬ এর মালিকের ছেলে ওমর ফারুকও গ্রেফতার

তারাদের ভাবনায়বঙ্গবন্ধু

আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী। তার ৪০তম শাহাদাত বার্ষিকীতে তাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন আমাদের শোবিজ অঙ্গনের তারকারা। তারা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বলেছেন নিজেদের আবেগ আর অনুভূতির জায়গা থেকে। শোবিজ তারকাদের সেইসব কথা অনুলিখন করেছেন অভি মঈনুদ্দীন

পারভীন সুলতানা দিতি

বঙ্গবন্ধু মানেই হচ্ছে আমার চোখে বিরাট এক ইতিহাস। যে ইতিহাস শুরু করলে শেষ করতে অনেক সময় লেগে যাবে। আমার ভীষণ সৌভাগ্য যে আমি তাকে বেশ কয়েকবার খুব কাছে থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলাম। নারায়ণগঞ্জের সোনার গাঁতে আমার জন্ম। আমার দাদিকে বঙ্গবন্ধু মা বলে ডাকতেন। আমার দাদিও বঙ্গবন্ধুকে নিজের আপন ছেলেই মনে করতেন। আমাদের সোনার গাঁতে বঙ্গবন্ধু একবার এসেছিলেন আমার দাদিকে দেখতে। বঙ্গবন্ধু যখন আমাদের বাড়িতে আসার পরিকল্পনা করেছিলেন তখন অনেকেই বাধা দিয়েছিলেন আমার দাদির কাছে আসার। কিন্তু বঙ্গবন্ধু যেহেতু আমার দাদিকে মা বলতেন তাই তিনি কারো কোনো কথা শুনেননি। তিনি আমার দাদিকে দেখতে এসেছিলেন সোনার গাঁতেই। সেইসময়ই আমি খুব কাছে থেকে বঙ্গবন্ধুকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলাম। তখন আমি খুব ছোট। কিন্তু আজও সেই ছোট্টবেলায় দেখা বঙ্গবন্ধুকে আবছা মনে পড়ে। আমার দাদিকে বঙ্গবভনে যাওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু নিজের হাতে লিখে একটি পাস দিয়েছিলেন। সেই পাস আমার দাদি বেশ যত্ন করেই রেখেছিলেন। যখনই দাদি বঙ্গভবনে যেতেন তখন বঙ্গবন্ধু খবর পেয়ে নিজে এসে প্রবশেদ্বার থেকে আমার দাদিকে বুকে জড়িয়ে ভেতরে নিয়ে যেতেন। আমার মাও বঙ্গবন্ধুকে ভীষণ শ্রদ্ধা করতেন। আসলে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমাদের পরিবারের আবেগ, ভালোবাসা ভীষণভাবে জড়িত। আমাদের পরিবারে তার অবস্থান অনেক অনেক উঁচুতে। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর আমার দাদির মাঝে অনেক হাহাকার দেখেছি, আমার মায়ের মাঝেও দেখেছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। তার জন্য তিনি সবসময়ই দোয়া করতেন। আমি মনে করি যতদিন এই বাংলাদেশ আছে ততদিনই বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবেন তার অবদানের জন্য।

ফেরদৌস

আমরা যে সোনার বাংলা পেয়েছি সেই সোনার বাংলা, সেই স্বপ্নের দেশ বঙ্গবন্ধুরই হাতে বোনা। তারই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এদেশ স্বাধীন হয়ে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ হিসেবে ঠাঁই লাভ করে নেয়। বঙ্গবন্ধুর কারণেই কিন্তু বাংলাদেশ, এই বিষয়টা দেখছি আমি অনেকেই মানতে চান না। কিন্তু আমি মনে করি দেশ স্বাধীন হওয়ার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুই হচ্ছেন সেই ব্যক্তিত্ব যিনি ছাড়া সোনার বাংলাকে স্বাধীন করা সম্ভব ছিল না। এটা দলমত নির্বিশেষে সবারই স্বীকার করা উচিত। বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার জন্য যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই স্বপ্ন তার তখনই পূরণ হবে যখন আমরা সবাই তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশকে উন্নত করতে পারব। আমি মনে করি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সম্মান জানাতে হলে আমাদের প্রত্যেকের যার যার অবস্থান থেকে দেশপ্রেম আরও বাড়ানো উচিত। তাহলেই দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা বাড়বে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা সত্যিই পাবো আমরা। বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির জনক। এটাকে অস্বীকার করার কোনোই উপায় নেই। আমরা যার যার অবস্থান থেকে বিষয়টিকে মেনে নিয়ে দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য কাজ করলেই কিন্তু আমাদের দেশ উন্নত হবে। বঙ্গবন্ধু কিন্তু আমাদের দেশের মানুষের সুখের জন্য শান্তির জন্য তিনি নিজেই কষ্ট করেছিলেন। তার সেই কষ্টকে বৃথা যেতে দেওয়া যায় না। বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে সুখ আর শান্তি নিশ্চিত হলেই আমি মনে করি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা, সত্যিকারের সোনার বাংলাই হবে।

শহীদুজ্জামান সেলিম

বঙ্গবন্ধুকে দেখার সৌভাগ্য অন্য অনেকের মতো আমারও হয়নি। তবে আজ শুধু এতটুকুই বলব বঙ্গবন্ধু ছাড়া এই দেশটা কল্পনা করা যায় না। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক যে দেশটির জন্ম হয়েছে তার পুরো কৃতিত্ব আমাদের সবার প্রিয় বঙ্গবন্ধুর।

মাহফুজ আহমেদ

১৯৭৫ সাল। আমি তখন প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র। স্কুলে সবাই ক্লাস করছি আমরা যে যার মতো। হঠাত্ স্কুলে ঘণ্টা পড়ল। স্কুল ছুটি হলো। কিন্তু কেন হঠাত্ স্কুল ছুটি হলো? জানলাম বঙ্গবন্ধু মারা গেছেন। তার মৃত্যুর এইটুকু স্মৃতি আমার মনে আছে। বঙ্গবন্ধুকে দেখিনি আমি। কিন্তু তার সবচেয়ে বড় যে বিষয়টা আমাকে খুব আকৃষ্ট করে তা হলো তার ভাষণ কিংবা বক্তৃতা। আমি তারমতো করে এত চমত্কারভাবে বাংলাদেশের আর কোনো রাজনীতিবিদকে বক্তৃতা দিতে দেখিওনি, শুনিওনি। আমেরিকাতে রাষ্ট্রপ্রধানকে মিডিয়ার সামনে বক্তৃতা দিতে গেলে রিহার্সেল করার প্রথা প্রচলিত আছে। কোথায়, কিভাবে রাষ্ট্রপ্রধান বক্তৃতা দিবেন, কোথায় থামবেন, থেমে আবার কোথা থেকে শুরু করবেন তারও রিহার্সেল করেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু এমনই একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন, ব্যক্তিত্ব ছিলেন যে তার ভাষণ শুনলে মনে হতো যে তার প্রতিটি ভাষণই হয়তো দীর্ঘ সময় ধরে রিহার্সেল করা বা কোনো একজন লেখক লিখে দিয়েছেন। কিন্তু তা নয়। তিনি তাত্ক্ষণিকভাবে তার ভরাট কণ্ঠ দিয়ে এত চমত্কারভাবে বক্তৃতা দিতে পারতেন যে সবাই মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে তার কথা শুনতেন। আমাদের দেশে এখন এমন অনেক রাজনীতিবিদ আছেন যারা বক্তৃতা দিতে গেলে আঞ্চলিকতা চলে আসে। আমার মনে হয় সেইসব রাজনীতিবিদদের আর্কাইভ থেকে বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা নিয়ে বক্তৃতা চর্চা করা উচিত। কারণ বঙ্গবন্ধু আমাদের বাংলা ভাষাতেই কথা বলতেন। কিন্তু তার কথার মধ্যে কিংবা বক্তৃতার মধ্যে এত স্মার্টনেস ছিল যা অনুসরণ করা উচিত আমাদের এই সময়ের রাজনীতিবিদদের। এদেশে এখন অনেক রাজনীতিবিদ আছেন যারা মিডিয়াতে সাক্ষাত্কার দিয়ে ধন্য মনে করেন। অথচ বঙ্গবন্ধু এমনই একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি মিডিয়াকে ডমিনেট করতে জানতেন। আর তাতে মিডিয়া বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাত্কার নিয়ে নিজেরা ধন্য হতো।

তারিন

একজন বাঙালি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতি আমার যথেষ্ট শ্রদ্ধা রয়েছে। শুধু বঙ্গবন্ধুর প্রতিই নয়, দেশকে স্বাধীন করতে গিয়ে, বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে গিয়ে যেসকল নেতা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার মনের গভীর থেকে শ্রদ্ধা রয়েছে। তারা একটি স্বাধীন দেশ আমাদের উপহার দিয়েছিলেন বিধায় আজ আমরা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছি। ১৯৭১ সালে এই দেশের যে পরিস্থিতি ছিল, যে কষ্ট সহ্য করে, অত্যাচার সহ্য করে তারা দেশকে স্বাধীন করেছেন তা নিশ্চয়ই এই জাতি মনে রাখবে প্রজন্মের পর প্রজন্মান্তরে। আমার জন্ম দেশ স্বাধীন হওয়ার পর। তাই বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জেনেছি আমি বই পড়ে, টিভি দেখে, নাটক-সিনেমা দেখে কিংবা বিভিন্ন জনের কাছ থেকে। বঙ্গবন্ধুর কথা জেনে শিহরিত হয়েছি আমি। বুঝেছি, সবাই নেতা হতে পারেন না। সবাইকে একত্রিত করে যুদ্ধের আহ্বান জানিয়ে দেশকে স্বাধীন করার মতো একজনই ছিলেন, তিনি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু।

মীর সাব্বির

বঙ্গবন্ধুকে আমি চোখে দেখিনি। তবে যতটুকু জেনেছি ছোটবেলায় পাঠ্য বইয়ে, বড় হয়ে নানা ধরনের বইয়ে, বিভিন্ন ধরনের মানুষের সঙ্গে কথা বলে কিংবা কোনো নাটক সিনেমার মাধ্যমে। জেনেছি তিনি ছিলেন একজন হূদয়বান মানুষ, একজন সাহসী মানুষ, একজন নিবেদিত মানুষ। সর্বোপরি বলা যায় একজন ভালো মানুষের যেসব গুণাবলি থাকা প্রয়োজন তার সবই ছিল বঙ্গবন্ধুর। একজন বজ্রকণ্ঠের মানুষ ছিলেন আমাদের প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু। তিনি ছিলেন আমাদের দেশের সত্যিকারের নেতা। পৃথিবীতে রবীন্দ্রনাথ কিংবা নজরুলের যেমন একবারই জন্ম হয়েছে, ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধুর মতো নেতার একবারই জন্ম হয়েছে। তার আদর্শকে সম্মান জানিয়েই আমি মনে করি রাজনীতিবিদদের রাজনীতি করা উচিত, দেশকে পরিচালনা করা উচিত।

মৌটুসী বিশ্বাস

আমাদের দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নানা সময় নানাভাবে বিকৃত হয়েছে। কিন্তু আমি বিভিন্ন বই পড়ে গবেষণা করে জানতে পারি বঙ্গবন্ধুই হচ্ছেন সেই নেতা যিনি দেশকে স্বাধীন করার চেতনাটা সবার মাঝে সৃষ্টি করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর মতো একজন নেতা ছিলেন বলেই আমরা স্বাধীন হতে পেরেছিলাম। তা না হলে কোনোভাবেই তা সম্ভব ছিল না। কিন্তু বঙ্গবন্ধু আমাদের দেশটাকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যে নকশা তিনি করেছিলেন সেই নকশা অনুযায়ী আমাদের দেশটা এগিয়ে যেতে পারেনি। যদি বঙ্গবন্ধুর নকশা অনুযায়ী দেশটা এগিয়ে চলত তাহলে হয়তো বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়েও আমরা আজ অনেক উন্নত থাকতাম। একটি সমৃদ্ধ দেশ পেতাম আমরা। আসলে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর আকস্মিক মৃত্যুর পরই আমরা আমাদের সোনার বাংলাদেশকে এক এক করে হারিয়ে ফেলেছি। আজ যে বাংলাদেশ, এই বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেননি বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে যে স্থানে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তার সেই স্বপ্ন পূরণেই আমাদের সবার একাত্ম হয়ে কাজ করা উচিত। তবেই হয়তো সত্যিকারের সোনার বাংলা হয়ে উঠবে আমাদের সবার প্রিয় এই দেশ।

মাহি

ছোটবেলা থেকেই জেনে আসছি আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু। দেশ স্বাধীনের অনেক অনেক বছর পর আমার জন্ম। তাই বঙ্গবন্ধুকে দেখার সৌভাগ্য আমার না হলেও নানা ভাবে তার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছি আমি। আমাদের দেশের একজন আপাদমস্তক নেতা ছিলেন তিনি। একজন নেতা বলতে সাধারণত যা বোঝায় তার কী এমন বৈশিষ্ট্য ছিল না বঙ্গবন্ধুর মধ্যে তা খুঁজে বের করাই যেন কঠিন। বঙ্গবন্ধুর আজ শাহাদাত বার্ষিকী। ছোটবেলায় তার শাহাদাত বার্ষিকীতে স্কুলে নানা অনুষ্ঠান হতো। সেই অনুষ্ঠানে অনেক সময় বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনেছি অনেকবার। সেই ভাষণে তিনি আমাদের দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। আমি খুব ছোট মানুষ, মিডিয়াতে আমার কাজের বয়স মাত্র দুই বছর। কিন্তু আমরা ছোটবেলায় যে সোনার বাংলার কথা শুনেছিলাম এখন আমরা যে বাংলাদেশে বাস করছি এটা কি সত্যিই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা! আমি জানি না। তবে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিজের কাজের প্রতি যত্নবান হতে। তবে হয়তো আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা পাবো। আমাদের দেশ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর স্বাধীনতা লাভ করেছে কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই। তার নেতৃত্বে লাখো লাখো মানুষ শহীদ হয়েছেন। শহীদদের সেই রক্ততো বৃথা যেতে দেওয়া যায় না। তাই আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর 'স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ' গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবারই প্রচেষ্টা থাকা উচিত। সেটা মন্ত্রী পর্যায় থেকে একজন সাধারণ মানুষ পর্যন্ত।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, 'জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে টিআইবি'র বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
5 + 8 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ২৪
ফজর৪:০০
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১০
সূর্যোদয় - ৫:২৪সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :