The Daily Ittefaq
মঙ্গলবার ২৬ আগস্ট ২০১৪, ১১ ভাদ্র ১৪২১, ২৯ শাওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তাসহ ৭ জনের কারাদণ্ড | চট্টগ্রাম নৌঘাঁটিতে যুদ্ধজাহাজে আগুন | বিজিবিকে প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রস্তাব বিএসএফের | শাস্তি কমল সাকিবের | আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর হত্যায় আটক ৩

অপ্রতুল ত্রাণ, দুর্ভোগে বানভাসি মানুষ

ইত্তেফাক ডেস্ক

দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে গত ২৪ ঘন্টায় আরো কিছু নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। অনেক স্থানে পানিতে ডুবে ফসলের বিশেষ করে আমন আবাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী, গাইবান্ধা, ফরিদপুর, সুনামগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে কয়েক লাখ পরিবার। এসব এলাকার অসংখ্য মানুষ গবাদি পশু নিয়ে বাঁধ ও উঁচুস্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার অনেকে ঘরের মধ্যে বাঁশের মাচা করে রয়েছেন। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট চললেও বন্যাদুর্গত অনেক এলাকায় গত কয়েকদিনেও ত্রাণ পৌঁছেনি। কিছু জায়গায় ত্রাণ গেলেও তা খুবই অপ্রতুল। আর দুর্গম এলাকার অধিকাংশ পানিবন্দী মানুষ রয়ে গেছেন এখনো ত্রাণ তত্পরতার বাইরে।

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, জেলায় কমপক্ষে ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ৯ উপজেলার প্রায় ৫০টি ইউনিয়নের চার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসকল এলাকার শতাধিক হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। চরাঞ্চলের অধিকাংশ ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করায় অগণিত মানুষের এখন দুর্ভোগের সীমা নেই। টিউবয়েল ডুবে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে খাবার পানির সংকট। পেটেরপীড়া, ডাইরিয়াসহ নানা অসুখ বেড়ে গেছে। সরকারিভাবে ত্রাণ তত্পরতা শুরু হলেও জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোনো ত্রাণ না পৌঁছায় সেসব অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন। তবে জেলা প্রশাসক বিল্লাল হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের পর্যায়ক্রমে ত্রাণ বিতরণ করা হবে।

ডিমলা (নীলফামারী) সংবাদদাতা জানান, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১৫ গ্রামের ১৫ সহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। এছাড়া তিস্তার ভাঙ্গনে ২০ একর অবাদী জমি বিলীন হয়ে গেছে। বন্যার কারণে খেটে খাওয়া পরিবারগুলো খাদ্য কষ্টে থাকলেও প্রয়োজনীয় ত্রাণ মিলছে না। জনপ্রতিনিধিরা জানান, গত ১০ দিনে শুধুমাত্র একবার সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নায়েমা তাবাসুম শাহ বলেন, ডিমলার ৫টি ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ২ হাজার ৫৯২টি। এদের মধ্যে মাত্র ৭৫০ জনকে ২ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, গত ১০ দিন ধরে জেলার ৯ উপজেলার ৫০টি ইউনিয়নের প্রায় দুই শতাধিক চর ও দ্বীপচর পানিতে তলিয়ে রয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন। সরেজমিনে জেলা সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের চর পার্বতীপুরের গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িঘরের ভিতর কোমড় থেকে বুক পর্যন্ত পানি। ঘরে খাবার নেই, চলছে বিশুদ্ধ পানি সংকটের পাশাপাশি গো-খাদ্যের মারাত্মক সংকট। চলছে ত্রাণের জন্য হাহাকার। স্থানীয় আছিয়া বেগম, শাহিনা খাতুন ও জমশেদ আলী জানান, বন্যার পানিতে তলিয়ে থাকলেও কেউ খোঁজ নেয়নি। সরকারিভাবে ত্রাণ দেয়া তো দূরের কথা; সামান্য শুকনো খাবার নিয়েও কেউ এগিয়ে আসেনি। জেলা প্রশাসক এবিএম আজাদ জানান, ২৫০ মেট্রিক টন চাল ও ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা বিতরণের কাজ চলছে।

ফরিদপুর প্রতিনিধি ও সদরপুর (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে সদর উপজেলার চার ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় প্রশাসন বন্যার্তদের তালিকা তৈরি করে সহযোগিতার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। এদিকে জেলার সদরপুর উপজেলায় নতুন-নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলের প্রায় ২ শতাধিক গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। গতকাল সোমবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বন্যা কবলিত এলাকার জনগণের মাঝে কোন ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছেনি।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ১০ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যায় সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সদর উপজেলার ২৭টি ইউনিয়ন প্ল¬াবিত হওয়ায় ২৩ হাজার ৯৪০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষত ফসলের ক্ষতি হয়েছে বেশি। চারটি উপজেলার এক হাজার ৯২১ হেক্টর জমির বীজতলা, রোপা আমন ও সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। বন্যা কবলিত এলাকায় জ্বালানি ও খাদ্য সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। কৃষি শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। জেলা প্রশাসক মো. এহছানে এলাহী বলেন, দুর্গতদের মধ্যে ইতিমধ্যে ১৫০ মেট্রিক টন চাল ও দুই লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তবে তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম বলে জানিয়েছেন বন্যার্তরা।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, ভাগ্যকুল পয়েন্টে পদ্মার পানি আরও তিন সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে সোমবার সকালে বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছিল। শ্রীনগর, লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার নিম্নাঞ্চলের আরও নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে জেলা সদর, গোয়ালন্দ ও পাংশা উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাইরে থাকা নদী তীরবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

বিশ্বনাথ (সিলেট) সংবাদদাতা জানান, কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণে সিলেটের বিশ্বনাথে দশটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। উপজেলার প্রায় ১৮শ' হেক্টর জমির আউশ ধান ও আমন ধানের চারা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

মদন (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা জানান, বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নদী ও হাওরের পানি বেড়ে মদন পৌরসভাসহ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে আগাম লাগানো রোপা-আমন ধান ও বীজতলা তলিয়ে গেছে। নিম্নাঞ্চলের শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। দুর্গত এলাকায় কোন ত্রাণ সামগ্রী যাচ্ছে না। থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় মানুষের দুর্গতি আরো বেড়েছে।

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার তাহিরপুর, ছাতক, দিরাই, শাল্লা, দোয়ারাবাজার, মধ্যনগর, বিশ্বম্ভরপুরসহ নিম্নাঞ্চলের বেশিরভাগ রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে গেছে। এছাড়া ৩ হাজার ২১৯ হেক্টর রোপা আমন ধান ও বীজতলাসহ আউশ ধান বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি যত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাওর এলাকার জনসাধারণের মাঝে ডাকাত আতংক ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ছাতক (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি বিপদসীমার ৩০ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলার সর্বত্র বন্যার পানি প্রবেশ করায় অর্ধশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। তলিয়ে গেছে বীজতলা ও আমন ক্ষেত। অর্ধশতাধিক গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় উপজেলা ও জেলা সদরের সঙ্গে এসব এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে কোন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়নি।

শেরপুরে নদী ভাঙ্গনে বিলীন শতাধিক বাড়িঘর

শেরপুর প্রতিনিধি জানান, ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধির ফলে শেরপুরে ভাঙ্গন তীব্রতর হয়েছে। গত ৩ দিনে নদের ভাঙ্গনে সদর উপজেলার চর পক্ষীমারী ইউনিয়নের শতাধিক বাড়িঘর বিলীন হয়ে গেছে। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকবর আলী জানান, তার ইউনিয়নের কুলুর চর বেপারী পাড়া, ভাগল গড়, চুনিয়ার চর, ডাক পাড়া, জঙ্গলদী গ্রামের শতাধিক ঘরবাড়ি ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। ভাঙ্গনকবলিত এলাকার অধিবাসীরা অনেকেই খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। এছাড়া নদে জেগে ওঠা চরের বাসিন্দারা পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকীর হোসেন ও ইউএনও আইরীন ফারজানা ভাঙ্গনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে তাত্ক্ষণিক ত্রাণ হিসেবে ৮৯টি পরিবারের মধ্যে ২০ কেজি করে চাল বিতরণ করেছেন।

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে জেলার রামগতি ও কমলনগর উপজেলার উপকূলীয় জনপদ। বর্তমানে নদী আলেকজান্ডার বাজারের অতি নিকটে চলে আসায় রামগতি উপজেলা পরিষদ ভবন, সরকারি হাসপাতাল ও আলেকজান্ডার সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীতে বিলীন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া রামগতির আলেকজান্ডার-সোনাপুর আঞ্চলিক সড়কটি ঢেউয়ের আঘাতে ভেঙ্গে যাচ্ছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে তেমন কোন তত্পরতা চোখে পড়ছে না।

সিলেট অফিস জানায়, সিলেটের ৩ উপজেলা ও সুনামগঞ্জের ৬ উপজেলা বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এই ৯ উপজেলার কম করে হলেও ৪ লাখ লোক এখন পানিবন্দী। মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে অত্যধিক বর্ষণে সৃষ্ট ঢলে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর এবং সুনামগঞ্জ জেলার ৬ উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এসব স্থানে এখন পানি থৈ-থৈ করছে। অনেক স্থানে বাড়ীঘর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছে। পরিবারগুলো গরু-বাছুর ও গৃহপালিত জন্তু নিয়ে সমস্যায় পড়েছে। স্থানে স্থানে আমন ও বীজ তলার মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।

গতকাল সকাল থেকেই সুরমার পানি ফুঁসে উঠে সুনামগঞ্জ জেলা শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ঢুকছে। জেলা কারাগারে বন্যার পানি ঢুকে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষ পানির প্রবেশ পথটি বালির বস্তা দিয়ে বন্ধ করে দেয়। জেলা প্রশাসন বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে। জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম ইত্তেফাককে জানান, বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছে। তা বিতরণ চলছে।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, 'হতাশায় নিমজ্জিত বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে মিথ্যাচার করছে।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
2 + 8 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
মে - ৩০
ফজর৩:৪৫
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৬
মাগরিব৬:৪৪
এশা৮:০৭
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :