The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৩, ২৮ আশ্বিন ১৪২০, ০৭ জেলহজ্জ, ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ ড্র হল বাংলাদেশ- নিউজিল্যান্ড প্রথম টেস্ট ম্যাচ | আগামীকাল পবিত্র হজ্ব | আন্দোলন দমাতে 'টর্চার স্কোয়াড' গঠন করছে সরকার: বিএনপি | ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন দুই নেত্রী | ২৫৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে বাংলাদেশ | হ্যাটট্রিক করলেন সোহাগ গাজী | যুক্তরাজ্যকে ইরানের সাথে নতুন করে সম্পর্ক না করার আহ্বান ইসরাইলের | ঘূর্ণিঝড় পাইলিনে নিহত ৭

ইসরাফিল কি তার শিঙা ফুঁকানোর দায়িত্ববিএনপি নেতাদের দিয়েছেন?

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

চারদিকে শুধু প্রশ্ন ২৫ অক্টোবরের পর কী হবে? বিএনপি'র নেতানেত্রীদের বক্তব্য শুনে মনে হয় মহাপ্রলয় আসন্ন। তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মানা না হলে ২৫ অক্টোবরের পর—অর্থাত্ ঈদ-উল আজহার পর তারা এমন আন্দোলন শুরু করবেন যা হবে মহাপ্রলয়ের সমতুল্য। মহাপ্রলয়ের শিঙাটি ফুঁকবেন ইসরাফিল ফেরেশতা। কিন্তু বাংলাদেশে মনে হয় এই দায়িত্বটি নিয়েছেন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। কয়েকদিন আগে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী কুড়িদিন পর (তখন ২৫ অক্টোবর আসতে ২০ দিন বাকি ছিল) আওয়ামী লীগ সরকার আর ক্ষমতায় থাকবে না।

আমি এই নিবন্ধটি লিখছি ১২ অক্টোবর শনিবার তারিখে। আজ থেকে ২৫ অক্টোবরের বাকি আর তেরো দিন। মির্জা ফখরুলের গণনা অনুযায়ী বাংলাদেশে রাজনৈতিক মহাপ্রলয় ঘটতে আর বাকি আছে মাত্র তেরো দিন। এই তেরো দিন পর বিএনপির (সঙ্গে জামায়াত ও হেফাজত) নির্দেশে মেঘনা পদ্মা যমুনা গর্জে উঠবে, আওয়ামী লীগের রাজত্ব শেষ! শেখ হাসিনা পলাতক, নিখোঁজ, না বন্দী?

এমন একটা সিনারিও বাংলাদেশে ঘটতে পারে, ঘটনোর জন্য মির্জা ফখরুলেরা ইসরাফিলের শিঙা হাতে অপেক্ষা করছেন এমন শঙ্কা এখন দেশের অনেক মানুষের মনেই। ফলে চারদিকেই ঈদের ছুটিতে গৃহগামী মানুষের মুখে একটাই প্রশ্ন, ২৫ অক্টোবরের পর কী হবে? বিএনপি কি জামায়াতের সঙ্গে মিলে এই প্রলয় ঘটাতে পারবে?

আমাকে যারা প্রশ্নটি করেছেন বা করছেন তাদের বলেছি, ফলেন পরিচিয়তে। ২৫ অক্টোবরের পরই জানা যাবে, যতো গর্জন হচ্ছে, ততো বর্ষণ হবে কিনা? তবে এই ব্যাপারে বিএনপি'র প্রস্তুতি থাক বা না থাক, তাদের উসকানি দান ও সাহস জোগানোর জন্য নিরপেক্ষতার মুখোশধারী একটি বাংলা দৈনিক আজকাল সদা তত্পর। সম্প্রতি সময় বুঝে, বিএনপির এই তর্জন গর্জনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশে নির্বাচন হলে কী ফল দাঁড়াবে তার একটি জনমত জরিপ দৈনিকটি করেছে। উদ্দেশ্য বিএনপি-শিবিরে এই বলে উত্সাহ জোগানো যে, দেশের মানুষ তোমাদের সমর্থন জানাতে উন্মুখ হয়ে আছে।

ঢাকায় যেমন এই 'নিরপেক্ষ' বাংলা দৈনিক এবং তার তওবা সম্পাদক, ভারতের মুম্বাইতে তেমনি একটি বহুল প্রচারিত হিন্দি (সঙ্গে ইংরেজি সংস্করণও) দৈনিক আছে, যার সম্পাদক 'সঙ্ঘবাবা' নামে পরিচিত। পত্রিকাটির আসল মালিকানা রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্গের। কিন্তু বাইরে পত্রিকাটি নিরপেক্ষ ও নির্ভীক। দিল্লিতে বিজেপি'র গত সরকারের আমলে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে বিজেপি'র বিশাল জয় অনিবার্য বলে 'ইন্ডিয়া শাইনিং' নামে বিশাল নির্বাচন প্রচার অভিযান যখন চলছে এবং লালকৃষ্ণ আদভানী-ই যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, তার নিশ্চয়তা ঘোষণা করা হচ্ছে, তখন মুম্বাইয়ের এই বহুল প্রচারিত দৈনিকটি দিল্লি ও কলকাতার আরো দু'টি 'নিরপেক্ষ' ইংরেজি ও বাংলা দৈনিকের সঙ্গে মিলে একটি নির্বাচনী জনমত সমীক্ষা চালায়।

সমীক্ষার ফল বলা হয়েছিল অধিকাংশ রাজ্যে বিজেপি বিপুলভাবে কংগ্রেস ও অন্যান্য দলের চাইতে এগিয়ে। ভারতের মুসলমানদের ভোট পাওয়ার জন্য আদভানী পাকিস্তানের করাচীতে গিয়ে জিন্নার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাকে অসাম্প্রদায়িক নেতা বলে সম্মান দেখান। ভারতের কোনো কোনো বিগ মিডিয়া আদভানীকে নেহেরুর সঙ্গে তুলনা করে দিল্লিতে দ্বিতীয় নেহেরু ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছেন বলে দেশের মানুষকে সুনিশ্চিতভাবে জানিয়ে দেয়।

পরে জানা যায়, এই জনমত সমীক্ষাটি ছিল সম্পূর্ণ প্রতারণাপূর্ণ। মানুষকে ধোঁকা দেওয়া এবং বিজেপি'কে ভোট দিতে প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার জন্য সাজানো জনমত সমীক্ষা। সাম্প্রতি ব্রিটেনেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত জনমত সমীক্ষা সম্পর্কে সাধারণ মানুষ সতর্ক হয়ে উঠেছে। জনমত সমীক্ষার নামে বহু ভুই ফোঁড় সংস্থা এখন গড়ে উঠেছে। আগে জনমত সমীক্ষা ছিল কোনো কোনো বিষয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের অভিমত আগেভাগেই জানার একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ পদ্ধতি। বর্তমানে এটি একশ্রেণীর অসাধু সংস্থা ও মিডিয়ার দ্বারা বারবার অপব্যবহারের জন্য অনেক দেশেই জনসাধারণের আস্থা ও বিশ্বাস হারিয়েছে।

আজকাল দেশে বিদেশে এমন বহু সংস্থা ও মিডিয়া আছে, যারা কোনো রাজনৈতিক দল বা অন্য কোনো সংগঠনের দ্বারা কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে বিপুল অর্থের বিনিময়ে তাদের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তাদের পছন্দসই সমীক্ষার ফল প্রকাশ করেন। নিজেদের স্বার্থ ও উদ্দেশ্য পূরণের জন্য এই সমীক্ষাকে ব্যবহার করা হয়। ফলে আজকাল ইউরোপ-আমেরিকায় প্রকৃত নিরপেক্ষ মিডিয়া এবং কিছু ব্রান্ডনেমের পোলসংস্থা ছাড়া অন্য কোনো জনমত সমীক্ষার ফল কেউ আমলে নেন না।

সম্প্রতি ঢাকার একটি বাংলা দৈনিকে আগামী নির্বাচনে ভোটদাতাদের ভোটদানের প্যাটার্ন ও আওয়ামী লীগের চাইতে বিএনপি'র বিরাটভাবে এগিয়ে যাওয়া সম্পর্কে যে জনমত সমীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে, তা যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক তা পত্রিকাটির নিরপেক্ষতার ছদ্মাবরণ সত্ত্বেও বুঝা যায়। হতে পারে এই মুহূর্তে ওপিনিয়ন পোলে আওয়ামী লীগের চাইতে বিএনপি কিছুটা এগিয়ে আছে। কিন্তু এই ওপিনিয়ন কি স্ট্যাটিক, না ভেরিয়েব্ল্? অধুনা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে জনমত পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই বিষয়টির উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং তদনুযায়ী সমীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়।

ভারতে গত বিজেপি সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যসিদ্ধির জন্য নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী জনমতের ফল সাজানোর দরুন জনমতে কংগ্রেসের চাইতে বিজেপি অনেক এগিয়ে আছে দেখানো সত্ত্বেও ওই নির্বাচনে কংগ্রেস জিতেছে, বিজেপির ভরাডুবি হয়েছে, ভারতে এক সময় নির্বাচন প্রচারণায় বিজেপি ও বিজেপি সমর্থক মিডিয়া যে চালাকি খাটিয়েছিল, বাংলাদেশে বর্তমানে বিএনপি, বিএনপির সমর্থক ও ছদ্ম সমর্থক মিডিয়াগুলো সেই একই চালাকি খাটাতে চাচ্ছে। ঢাকার 'নিরপেক্ষ' বাংলা দৈনিকটির সাম্প্রতিক ওপিনিয়ন পোল এর ব্যতিক্রম নয়। বিএনপির নির্বাচন প্রচার অভিযান এবং তার সময় ও কৌশলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য এই সমীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

নদীতে প্রবল জলস্ফীতি বা জলোচ্ছ্বাসের সময় জলের প্রকৃত গভীরতা মাপতে নেই। তাতে স্বাভাবিক স্থিতি এলেই তা মাপতে হয়। তেমনি কোনো কারণে জনমতে প্রবল উচ্ছ্বাস দেখা দিলে তাকে স্ট্যাটিক জনমত বলে চালিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যসিদ্ধির চেষ্টা করা যায়, উদ্দেশ্য সফল করা যায় না। হেফাজতি অভ্যুত্থান এবং তা দমনের পর পরই পাঁচ পাঁচটি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠান ছিলো আওয়ামী লীগ সরকারের বিরাট ভুল সিদ্ধান্ত। এই সময় বিএনপি-জামায়াতের প্রবল মিথ্যা প্রচারণার জন্য জনমতে আওয়ামী লীগ-বিরোধী অসন্তোষের একটা উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছিল। এটা স্থায়ী হয়নি। জলোচ্ছ্বাসের মতো এই জনউচ্ছ্বাসও এখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে আরও কিছু সময় লাগবে।

আওয়ামী লীগ যদি সময়কে কাজে লাগিয়ে ঠিকমতো ঘর গোছাতে পারে, তাহলে বর্তমানের কৃত্রিম জনমত উচ্ছ্বাস স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে দেরি হবে না। তাতেই আওয়ামী লীগ নির্বাচনে জয়ী হবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই। তবে ভোটদাতাদের সমর্থন লাভের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ পিছিয়ে থাকার প্রশ্ন না থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধটা হবে হয়তো হাড্ডাহাড্ডি। 'নিরপেক্ষ' বাংলা দৈনিকটির পছন্দ অনুযায়ী নির্বাচনের ফল পাওয়া যাবে, অর্থাত্ বিএনপি জয়ী হবে এখনই তার পূর্বাভাস দেওয়া আহাম্মকি।

আগেই বলেছি, আজকাল জনমত সমীক্ষায় জনমতের স্টেটিক ও ভেরিয়েবল দিকটির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ঢাকায় বাংলা দৈনিকের জনমত সমীক্ষায় তার উপর গুরুত্বতো দেওয়া হয়ইনি, তার উপর এমনভাবে পছন্দমতো প্রশ্ন সাজানো হয়েছে, যাতে পছন্দমতো উত্তর পাওয়া যায়। এই জনমত সমীক্ষার ফলটি আমার হাতে একটু দেরিতে পৌঁছেছে। ফলে এর শুভঙ্করির ফাঁকির দিকটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সময় ও সুযোগ এখানে পাচ্ছি না। ঈদের ছুটির পর এই চালাকির জনমত সমীক্ষা নিয়ে আলোচনার ইচ্ছা রইলো।

এবার ২৫ অক্টোবরের পর বিএনপি ঘোষিত মহাপ্রলয়ের কথায় আসি। এ বছর মে মাসের ৫ তারিখে হেফাজতি অভ্যুত্থানের আগে বিএনপি নেত্রী বেগম জিয়া স্বয়ং আওয়ামী লীগ সরকারকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনাকে এই ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দেশ ছেড়ে পালাতে হবে বলেছিলেন। হেফাজতি শিবির থেকে কেউ কেউ ঘোষণা করেছিলেন, ৫ মে'র পর মওলানা শফী হবেন দেশের প্রেসিডেন্ট। বলা হয়েছিল তারেক রহমান কুড়ি দিনের মধ্যে দেশে ফিরছেন।

তারপর বহু ৪৮ ঘন্টা পার হয়ে গেছে। বুড়িগঙ্গায় বহু জোয়ার-ভাটা হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতারা ক্ষমতায়। কেউ দেশ ছেড়ে পালাননি। মওলানা শফী দেশের প্রেসিডেন্ট হননি। বরং তার তেঁতুল তত্ত্বের জন্য দেশ-বিদেশে হাসির খোরাকে পরিণত হয়েছেন। তারেক রহমান এখনো বিদেশে। দেশে ফিরে আসার সাহস দেখাতে পারেননি।

২৫ অক্টোবরের পরের মহা-অভ্যুত্থানের ঘোষণা যিনি সবচাইতে বেশি সরবে দিয়েছেন, সেই ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এখন রোগাক্রান্ত। শুনেছি, চিকিত্সার জন্য তাকে লন্ডনে আসতে হবে অথবা ইতিমধ্যেই এসেছেন। আমি তার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করি। কিন্তু ২৫ অক্টোবরের পরই তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন অথবা দেশে ফিরতে পারবেন তা মনে হয় না। ফলে আন্দোলনে একজন সেনাপতি অনুপস্থিত থাকবেন। বাকি সেনাপতিদের মধ্যে খোরশেদ আনোয়ার আন্দোলনের সময় আত্মগোপনে পারদর্শী। মির্জা ফখরুল দ্রুত কারাবরণ করেন।

তাহলে শুধু দলের নেত্রী থাকবেন ময়দানে। বিএনপি'র অনুপস্থিতিতে ফাঁকা মাঠে নামবে জামায়াত ও শিবির। তারা আগের মতো চোরাগোপ্তা হামলা চালাবে। গাড়ি ঘোড়ায় অগ্নিসংযোগ করবে। দু'-চারজন নিরীহ পথচারী অথবা পুলিশ হত্যা করবে। এর বেশি কিছু করার ক্ষমতা ও জনসমর্থন কোনোটাই তাদের নেই। গত কয়েক মাস যাবত্ বিভিন্ন শহরে সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে এবং বহু কর্মী গ্রেফতার হয়ে যাওয়ায় ফলে জামায়াতের ব্যাপক সন্ত্রাস সৃষ্টির ক্ষমতাও এখন কম। সম্ভবতঃ অক্টোবরের মহাপ্রলয়ে ব্যবহার করার জন্য তারা মাদ্রাসার ভেতর যে গোলাবারুদ তৈরি করেছিল তাতেও আগেভাগেই বিস্ফোরণ ঘটে সব প্রস্তুতি ব্যর্থ। সুতরাং ২৫ অক্টোবরের পর কেবল শিঙা ফুঁকালেই হবে না, মহাপ্রলয়টা ঘটাবে কারা?

বেগম খালেদা জিয়ার জনসভায় বিশাল জনতার ভিড় হয়। সভায় নাটকীয় ভঙ্গিতে তার গর্জন শুনতে অনেকেই পছন্দ করেন। কিন্তু তার ডাকে সরকারের পতন ঘটানোর জন্য তারা রাজপথে নামবে কি? তিনি তো বহুবার দেশের মানুষকে পথে নামার ডাক দিয়েছেন। কেউ শুনেছে কি? এবারেও শুনবে তার নিশ্চয়তা কোথায়? মির্জা ফখরুল ইসরাফিলের মহাপ্রলয়ের শিঙা হাতে জনসভায় দাঁড়াতে পারেন। শিঙা বাজানোর হুমকিও দিতে পারবেন। তাতে আগের মতো কিছু সন্ত্রাস, ভাংচুর ছাড়া আর কিছু হবে কি?

আওয়ামী লীগও একবার এই নাটক করেছিলো। বিএনপি'র গত সরকারের আমলে একবার আওয়ামী লীগের তত্কালীন সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দিয়েছিলেন, সে বছর ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বিএনপি সরকারের পতন ঘটবে। বিএনপি সরকারের পতন ঘটেনি বরং আওয়ামী লীগ লোক হাসিয়েছিল। মনে হয়, বিএনপি এখন আওয়ামী লীগের সেই নাটক নিজেরাই পুনরাভিনয় করতে চাচ্ছে। পরিণতি ভিন্ন হবে কি?

লন্ডন ১২ অক্টোবর, শনিবার, ২০১৩

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন- '২৫ অক্টোবরের পর ঢাকায় বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।' আপনি কি তাই মনে করেন?
4 + 6 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ২১
ফজর৩:৫৮
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১১
সূর্যোদয় - ৫:২৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :