The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৩, ২৮ আশ্বিন ১৪২০, ০৭ জেলহজ্জ, ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ ড্র হল বাংলাদেশ- নিউজিল্যান্ড প্রথম টেস্ট ম্যাচ | আগামীকাল পবিত্র হজ্ব | আন্দোলন দমাতে 'টর্চার স্কোয়াড' গঠন করছে সরকার: বিএনপি | ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন দুই নেত্রী | ২৫৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে বাংলাদেশ | হ্যাটট্রিক করলেন সোহাগ গাজী | যুক্তরাজ্যকে ইরানের সাথে নতুন করে সম্পর্ক না করার আহ্বান ইসরাইলের | ঘূর্ণিঝড় পাইলিনে নিহত ৭

প্রশাসনের কি ক্ষমতাসীনদেরআজ্ঞাবহ হওয়া উচিত

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

প্রশাসনের ক্ষমতাসীনদের আজ্ঞাবহ হওয়া

উচিত নয়

বায়ুর সমুদ্রে ডুবে থেকেও যেমন আমরা এর উপস্থিতি অনুধাবন করতে পারছি না, বিশাল জনগোষ্ঠির বিরাট একটা অংশ হওয়া সত্ত্বেও আমরা তরুণরা যেমন আমাদের শক্তি, চেতনা সম্পর্কে জ্ঞাত নই, ঠিক তেমনি দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রশাসন তাদের ক্ষমতা সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞাত নয় সেটাই প্রায় সময় তাদের কর্মকাণ্ডে পরিলক্ষিত হয়। প্রশাসনের নিজস্ব অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যই তাদেরকে ক্ষমতাসীনদের আজ্ঞাবহ হওয়া উচিত নয়। বলা যায় ক্ষমতাসীনদের তুলনায় প্রশাসন স্থায়ী, তাহলে স্থায়ী শক্তি তাদের ক্ষমতাকে কেন অস্থায়ী ক্ষমতাসীনদের হাতে বিসর্জন দিবে? যদি প্রশাসন তাই করে যা ক্ষমতাসীন দল চায় তাহলে অদূর ভবিষ্যতে বাজপাখির গল্পের মতই হবে। "একটি বাজপাখির ডিম ভুলক্রমে হাঁসের ডিমের সাথে রয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তা থেকে ডিম ফুটে বাচ্চা হয়। সেই বাচ্চা হাঁসের বাচ্চার সঙ্গেই বড় হয়। কিন্তু সে বাজপাখিই থেকে যায়। তা সত্ত্বেও বাজপাখিটি হাঁসের আচরণই করতে থাকে। একদিন এক বড় বাজপাখি সেটা দেখে বিস্মিত হল যে তাদের স্বজাতি হাঁসের সাথে। সে যে আসলেই বাজপাখি সেটা অন্য পাখিটি বোঝাল, তারপরও সে মানতে নারাজ, তাই তাকে একদিন একটি পাহাড় থেকে ফেলে দেয়া হল এবং যা ঘটার কথা ছিল তাই ঘটল, হাঁসরূপী বাজপাখিটি উড়তে শুরু করল।" তাই আমার মতে 'প্রশাসনের ক্ষমতাসীনদের আজ্ঞাবহ হওয়া উচিত নয়। সেটা ভুল করেও নয়, কারণ সেটা তাদের অস্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।

আল মামুন

ইইই, ছাত্র আইইবি

০০০০০

প্রশাসনের ক্ষমতাসীনদের হুমকি-ধামকিতে প্রণোদিত হয়ে কোন প্রকার স্বেচ্ছারিতা দেখানো উচিত নয়

রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয় নির্ধারণের মাপকাঠি হবে আইন। আইনের সর্বোচ্চ প্রাধান্য বা কর্তৃত্ব হলো আইনের শাসন। একটি সমাজে বা দেশে আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে কখনও প্রশাসনের ক্ষমতাসীনদের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করা উচিত নয়। প্রশাসনের প্রতিটি সেক্টরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে রাখা উচিত, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য, দেশের মানুষকে নিরাপদে বসবাস তথা দেশের সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলেন, সেই শপথের ধারা অব্যাহত রেখে এবং সোনার বাংলাদেশের মাটি ও মানুষকে বাঁচাতে, এদেশের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কথা স্মরণ করে আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা উচিত। ক্ষমতাসীনদের হুমকি-ধামকিতে বা তাদের কথায় প্রণোদিত হয়ে কোন প্রকার স্বেচ্ছাচারিতা দেখানো উচিত নয়। রাষ্ট্র কেবল সংবিধিবদ্ধ আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। কারণ প্রশাসনের একটি শক্তিশালী রূপ আছে। তাই বলতে চাই- সেই রূপকে বিসর্জন দিয়ে যখন যেই দল ক্ষমতায় আসবে সে দলের পোশাক পরে প্রশাসনের প্রকৃত রূপ বিকৃতি করা উচিত নয়।

মো. সানাউল্লাহ

আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

০০০০০

প্রশাসন ক্ষমতাসীনদের আজ্ঞাবহ হলে দেশের শান্তি নষ্ট হয়

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বমানচিত্রে স্থান করে নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। স্বাধীনাতার পর এদেশের নিরীহ মানুষেরা মনে করেছিল যে, এবার বুঝি আলোর মুখ দেখতে পেলাম কারণ তাঁরা ভেবেছিল যে, স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনভাবে তাঁদের স্বাভাবিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে। কিন্তু হলো তার বিপরীত! কেননা স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেলে প্রশাসনে ক্ষমতাসীনদের লেজুড়বৃত্তি করার প্রবণতা সৃষ্টি হয়। প্রশাসনের এই লেজুড়বৃত্তি শুরু হয় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় থেকে। পরবর্তী সময়ে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসেল তত্কালীন প্রশাসন তখনকার বিরোধীদল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উপর অসহনীয় গ্রেফতার-নির্যাতন করতে থাকে। অতঃপর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অনেকে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের উপর প্রশাসন যেন বিমাতাসুলভ আচরণ করতে থাকে যা এখনো পর্যন্ত বিদ্যমান! এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে প্রশাসনের কি বিরোধী দলের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করা ঠিক? পাশা-পাশি আরো প্রশ্ন রাখছি যে, প্রশাসনের কি ক্ষমতাসীনদের আজ্ঞাবহ হওয়া উচিত? জানি না আপনি কী বলবেন? তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস প্রশাসনের ক্ষমতাসীনদের আজ্ঞাবহ হওয়া উচিত নয় কারণ প্রশাসন ক্ষমতাসীনদের আজ্ঞাবহ হলে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা নষ্ট হয় এবং দেশের ভেতর সৃষ্টি হয় রক্তপাতের মতো গ্রহণযোগ্য নয় এমন ঘটনা।

তারেক রহমান

স্নাতক, সম্মান (বাংলা)

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর, বাংলাদেশ

০০০০০

সমঝোতা না হলে

ফের ওয়ান ইলেভেন অনিবার্য

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যদি কোন রাজনৈতিক সমঝোতা না হয় তা হলে ১/১১'র চাটুকারদের মত বাংলাদেশে আরও যেসব চাটুকার আছে তারা আবার ক্ষমতা দখল করবে। তাই নির্বাচন প্রশ্নে প্রধান দুই দলকে একটি সমঝোতায় আসতে হবে। বর্তমান সময়ে প্রধান বিরোধী দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে অবস্থান নিলেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সরকারি দল বলছে সংবিধান থেকে এক চুলও নড়ব না, অন্যদিকে বিরোধী দল বলছে নড়তে বাধ্য করা হবে। এখানে স্পষ্ট যে আগামী জাতীয় নির্বাচন ইস্যুতে সরকার ও বিরোধী দল পরস্পর বিপরীত পথে হাঁটছে। তাই সরকার ও বিরোধী দলের কাছে আমরা আশা করি আপনারা একটি সমঝোতার পথে আসুন। না হলে দেশে আবারও ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টি হতে পারে, যা দেশ ও জাতির জন্য অন্ধকার।

মো. ইলিয়াছ আলম সুমন

বিএ প্রথম বর্ষ

সাউথ সন্দ্বীপ কলেজ, সন্দ্বীপ

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন- '২৫ অক্টোবরের পর ঢাকায় বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।' আপনি কি তাই মনে করেন?
1 + 9 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জানুয়ারী - ২০
ফজর৫:২৩
যোহর১২:১০
আসর৪:০১
মাগরিব৫:৪০
এশা৬:৫৬
সূর্যোদয় - ৬:৪২সূর্যাস্ত - ০৫:৩৫
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :