The Daily Ittefaq
ঢাকা, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩, ০২ পৌষ ১৪২০, ১২ সফর ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ সাতক্ষীরায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে নিহত ৫ | পেট্রোল বোমায় আহত অটোরিকশা চালকের মৃত্যু | আলোচনার মাধ্যমে সংবিধানের মধ্যে থেকে নির্বাচন : হানিফ | গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে জনগণের বিজয় হবে : ফখরুল | পরাজিত শক্তি জাতিকে বিভক্ত করতে তত্পর : তোফায়েল | আবার ৭২ ঘণ্টার অবরোধ | সিরিরায় বিমান হামলায় নিহত ২২ | চীনের জিনজিংয়াংয়ে সংঘর্ষে ২ পুলিশসহ নিহত ১৬

বিজয়ের আনন্দ ও প্রত্যাশা

মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান

'যে কাল যায় সেই কালই ভালো'—এই অতীতচিন্তায় মানুষ তার স্বদেশকে কল্পনায় স্বপ্নের দেশ, সেটা সব পেয়েছির দেশ ভাবতে ভালোবাসে। ইংল্যান্ডের লোকেরা তাদের দেশকে মেরি ইংল্যান্ড, জার্মানরা তাদের দেশকে সোনে ডয়েচলান্ট বলে। আমাদের সোনার বাংলাও এক স্বপ্নের বাংলাদেশ—যেখানে গোলাভরা ধান, মাছভরা পুকুর, গরুভরা গোয়াল থাকে। মায়ের সোনার ছেলেরা যেখানে দুধেভাতে থাকে। আর মায়ের আঁচলে বাঁধা পুরুষ চিরশিশু হয়ে থাকে। সেই স্বপ্নের বাংলাদেশের জন্য বাঙালির মন পোড়ে।

বাংলাদেশ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় পূর্ব পাকিস্তান বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি করতে পারে। অখণ্ড ভারতে থাকলে তার কোনো সম্ভাবনা ছিল না। আর সেটা ভালো করে বুঝেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলার ব্যাপারে তেমন উচ্চবাচ্য করেননি। যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা, দুই অর্থনীতির তত্ত্ব ও ছয় দফা যে অপ্রতিহত গতিতে এক দফার দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছিল, তত্কালীন পশ্চিম পাকিস্তানিরা তার ইশারা পেয়ে পূর্ব পাকিস্তান থেকে তাদের বিনিয়োগ গুটিয়ে ফেলছিল। যে পাকিস্তান সরকার পূর্ব পাকিস্তানের সব আন্দোলনকে ভারতের উসকানি বলে অভিহিত করত সেই ভারতের সক্রিয় সমর্থন ও সহায়তায় যখন স্বাধীন বাংলাদেশের উদ্ভব হলো তখন তাদের কাছে ভবিষ্যত্ বক্তার এক সান্ত্বনা ছিল, 'আমরা না আগেই বলেছিলাম'।

২.

নিজের দেশের প্রতি মানুষের মমত্ববোধ সহজাত প্রবৃত্তি। এ মায়া মাটির টান। যে মাটিতে মানুষের নাড়ি পোঁতা থাকে, সে মাটি আক্রান্ত হলে মানুষ তার সর্বশক্তি দিয়ে সে আক্রমণ ঠেকাতে অসীম সাহসের পরিচয় দেয়, মানুষ নিজের দেশ নিয়ে গর্ব করে, স্বপ্ন দেখে। স্বাধীন বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের স্বপ্ন অতি সামপ্রতিক। যেদিন বাংলার তরুণেরা আওয়াজ তুললো, 'ছয় দফা নয়, এক দফা' এবং ডাক দিল, 'বীর বাঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর'। সেই দিন থেকে গণনা করলে আমাদের তরুণদের স্বপ্নের বয়স এখনো পঞ্চাশের নিচে। এই নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আমরা কখনো-সখনো অতিরঞ্জন, আত্মতুষ্টি ও স্তাবকের পরিচয় দিয়েছি। আমরা ভুলে যাই একাত্তরে পৃথিবীতে এক বড় শুভ লগ্নে আমাদের দেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা অর্জন করে। সেই অর্জনে আমাদের মুক্তিকামী মানুষের শুভেচ্ছা, প্রতিবেশী ভারতের সাহায্য-সহায়তা এবং তত্কালীন সোভিয়েত রাশিয়ার কূটনৈতিক সমর্থনের কথা আমরা যেন ভুলে না যাই।

আমরা অপার সম্ভাবনার দেশ বলে যাকে আখ্যায়িত করি—সেই দেশে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন। আমরা দুজন রাষ্ট্রপতিকে—একজন যাঁর নামে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং আর একজন যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন—হত্যা করি। আমরা সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা জেলের ভেতর বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও তিনজন মন্ত্রীকে হত্যা করি।

আমাদের সংবিধান সম্পর্কে একটা সমালোচনা প্রায়ই শোনা যায়। এটা একটা অনূদিত কর্মকাণ্ড। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য সংবিধানের সঙ্গে সাদৃশ্য থাকলেও এর একটা বড় অহংকার এই যে, এটি আমাদের আত্মশাসনের প্রথম বাংলা দলিল। জন্মের সময় এ সংবিধানে যে নিষ্কলুষতা ছিল, কালক্রমে তা দুষ্ট হয়ে ওঠে। মূল সংবিধানে এক অনিন্দনীয় সারল্যে আমরা জরুরি অবস্থা বা নিবর্তনমূলক বিধানের কোনো বিধি রাখিনি। আদর্শের বয়ান ছিল অতিরিক্ত। অতি আদর্শের সীমাবদ্ধতায় কোনো জাতি তার ভবিষ্যেক আটকে দিতে পারে না। ৩০ বছর পর আমাদের সংবিধান রচিত হলে তার চেহারা ভিন্নই হতো। সম্পূর্ণ নতুন সংবিধান রচনার স্বর্ণসুযোগ ছিল ১৯৯০ সালে। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এবং কঠিন শ্রম পরিহার করার জন্য আমরা জোড়াতালি দিয়ে সোলে-মুহুরির মুসাবিদায় স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাই।

স্বাধীনতার আদর্শের প্রতি যে আমাদের একাগ্রতার অভাব ছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায় পরবর্তী কালে আমাদের আচরণের মধ্য থেকে। সেই যুদ্ধে কত মানুষ প্রাণ দিয়েছিল এবং কত মহিলার সম্ভ্রমহানি হয়েছিল তার কোনো হিসাব আমরা রাখিনি।



৩.

একটা সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্রের পরিধি, গুরুত্ব ও দায়িত্ব সম্পর্কে আমাদের অপরিচয় বহুদিনের। স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রাচরণ আমাদের বহুদিন অনুশীলন করতে হয়নি। ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের সাত-আট বছরের মাথায় যে পাকিস্তান নামের রাষ্ট্র অর্জিত হয়, তার পেছনে তেমন কোনো প্রস্তুতি বা অনুশীলন ছিল না। স্বাধীনতার প্রাক্কালে আমাদের মানসিক প্রস্তুতিরও তেমন কোনো অনুশীলন ছিল না। ছয় দফা থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা—সে এক বিরাট উল্লম্ফন প্রক্রিয়া। তারপর নয় মাসে বিজয় অর্জিত হয়ে আমরা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ, অর্থনীতি ও স্বাধীন দেশের অনুপযোগী এক প্রশাসন পেয়ে নানা ধরনের অব্যবস্থার সম্মুখীন হলাম।

গতকালের মুক্তিযোদ্ধাকে আমরা শত্রু বিবেচনা করলাম এবং শত্রুকে মিত্র বলে আলিঙ্গন করলাম। স্বপ্নের সংবিধান ক্ষতবিক্ষত হলো। আইনশৃঙ্খলার নামে যে কত নরহত্যা হলো, তার লেখাজোখা নেই। গত চার দশকের বহুলাংশে এ দেশ পরিচালিত হয়েছে লাগাতার আইনের লঙ্ঘনে। নির্বাসিত এবং পুনঃপুন লঙ্ঘিত আইনের শাসনের পুনর্বাসন এক দুরূহ ব্যাপার।

আমাদের নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে, বিশেষ করে ছাত্র বা যুবসমাজকে কোনো শিক্ষা দেওয়া হয় না। যুবসমাজ ও ছাত্রদের নাগরিক কর্তব্য সম্পর্কে মোদ্দা কথা কিছু সবক দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

গত চার দশকে আমাদের বহু প্রত্যাশা ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। এ দেশে ত্যাগ ও অর্জনের এত অতিরঞ্জন ও বাক্যাস্ফালন যে, ভালো কথাও বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়। আমাদের অনেক সমস্যা আমাদের সৃষ্ট নয়। স্বাধীনতার অব্যবহিত পরই ওপেকের পেট্রোলিয়ামজাত মূল্যবৃদ্ধি আমাদের অর্থনীতিকে তছনছ করে দেয়।

কৃষি ও জলসম্পদের ক্ষেত্রে সংস্কার ও ব্যবস্থাপনার উন্নতি করতে না পারলে বর্তমানের প্রায়-প্রান্তিক অবস্থা স্থায়ী হয়ে যাবে। এমন পরিস্থিতিতে ক্রমবর্ধমান বৈষম্য সমাজে অস্থিরতা বৃদ্ধি করবে। আশু সমাধানের জন্য ধর্মীয় সন্ত্রাসে অসহিষ্ণু তরুণদের আকৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। আমাদের দেশে গ্রাম ও কৃষি উভয়ই অবহেলিত। মোট বিদ্যুতের ৫০ শতাংশের ওপর কেবল ঢাকা মহানগরেই ব্যয় হয়। এর ওপর ব্যবসায়ীদের আবদার, বিপণিবিতানগুলোয় আরও কয়েক ঘণ্টা আলোর ব্যবস্থা করা হোক। আমাদের দেশে মঙ্গলকর বিধিনিষেধ কেউ মানতে চায় না।

গত চার দশকে আমাদের অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তির বহর বিরাট। সর্বস্তরে দুর্নীতির প্রসার, প্রশাসনের দক্ষতার ক্রমাবনতি, আইনশৃঙ্খলায় অরাজকতা এবং সর্বোপরি শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র-সন্ত্রাস। যে দেশে অশিক্ষিত চাষাভুষো ঘরে জায়গির রেখে শিক্ষার পিদিম জ্বালিয়ে রেখেছিল, সেখানে ছাত্র নামের সেই ব্যক্তিকে তারা বাবা-মা, অভিভাবক, প্রতিবেশী, সমাজপতি, নেতৃবৃন্দ সবাই আপদ হিসেবে পরিহার করতে চায়; কেউ স্নেহ করতে চায় না, পরামর্শ দিতে চায় না। আমাদের কণ্টকাকীর্ণ শিক্ষাঙ্গনে যুগপত্ বিস্ময়কর অরাজকতা ও স্থবিরতা বিরাজ করছে। আমাদের প্রত্যাশা, দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে যে সীমিত সংস্কার করা হয়েছে, তা সফল হোক।

প্রজাতন্ত্রের সূচনালগ্ন থেকে আমরা স্থানীয় সরকারকে অবহেলা করে আসছি। যে স্থানীয় সরকারের সফল অভিজ্ঞতায় দেশে গণতন্ত্রের ভবিষ্যত্ গড়ে উঠবে, তার সম্ভাবনা ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হচ্ছে। তৃতীয় শ্রেণীর চাতুর্য পরিহার করে আমাদের স্থানীয় সরকার সম্পর্কে দোলাচলতা থেকে মুক্ত হতে হবে।

আমরা বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে বহুদিন ধরে প্রয়োজনীয় স্বাতন্ত্র্য দান করিনি। একটি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশকে একটি স্বাধীন ম্যাজিস্ট্রেসি কীভাবে দুর্নীতিমুক্ত করতে সাহায্য করতে পারে, ইতালি তার উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। আমরা সংবিধানে একটা রাষ্ট্র পরিচিতির বিধান হিসেবে রাষ্ট্রভাষার উল্লেখ করলেও ভাষার ব্যবহার, উন্নতি ও সম্প্রসারণে দৃষ্টি দেওয়ার সময় পাইনি। ক্ষমতার লড়াইয়ে পালাবদল ঘটেছে, অবস্থার পরিবর্তন তেমন ঘটেনি। বহু প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে দেশে সর্বোচ্চ আদালতে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার সম্পন্ন হওয়ায় একটি কলঙ্কমোচন ঘটেছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে একাত্তরে মানবতাবিরোধী গুরুতর অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা ও দণ্ড প্রদানের মাধ্যমে জাতির আরও একটি কলঙ্কমোচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যায় দায়মুক্তির বিধান প্রণয়ন করে আমরা আমাদের আইন-সংহিতায় যে স্থায়ী কলঙ্ক খোদিত করেছি তা মোচনীয় নয়। তবে নাগরিকের জীবন, মর্যাদা ও অধিকার সংরক্ষণে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সেই হতাশাব্যঞ্জক কলঙ্ককে মোচনের পথে এটি হবে আমাদের এক দৃঢ় পদক্ষেপ।

দেশের প্রশাসন আমরা যেভাবে 'আমাদের লোক' দ্বারা দলীয়করণ করেছি তা যেকোনো শুভাকাঙ্ক্ষী নির্দলীয় করতে চাইলে সেই প্রশাসন উজাড় হয়ে যাবে। কথায় আছে না, ঠগ বাছতে গা উজাড়! জনপ্রশাসনে সামরিক বাহিনীর অনুপ্রবেশ সাধারণ দেশের বেসামরিক কর্মকর্তা কোনোদিন সহজভাবে গ্রহণ করে নেয়নি। তবে চিন্তাধারায় আমাদের মনে সামরিকীকরণের প্রতি একটা দুর্বলতা রয়েছে।

আমাদের দেশের কোনো প্রতিরক্ষা নীতি এখনো স্থিরিকৃত হয়নি। এ ক্ষেত্রে সরকারি যে ব্যয় হয় তাও জনসাধারণের কাছে পরিষ্কার নয়। আমাদের পররাষ্ট্রনীতিও সমন্বিতভাবে দ্বিপক্ষীয় নয়।

৪.

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা আমাদের বিচলিত করে তুলেছে। সবাই প্রত্যাশা করছে, জনমনে যে আতঙ্ক ও শঙ্কা বিরাজ করছে তার আশু সমাধান হবে। আমাদের বিজয়ের অগ্রযাত্রা বিঘ্নিত হলে আমাদের জন্য তা হবে অনাকাঙ্ক্ষিত।

স্বপ্ন ভঙ্গের কান্না, হেরে যাওয়ার কান্নার সামনে মানুষ নির্বাক সমবেদনাও জানাতে পারে না। মানুষ আশা করে যে, স্বপ্ন পূরণের কান্না দেখবে, জয়ের আনন্দের কান্না দেখবে।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. নাসিম বলেছেন, 'বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হওয়া সুখবর না হলেও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে নির্বাচন করতে হচ্ছে'। আপনিও কি তাই মনে করেন?
8 + 8 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ২০
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫১
মাগরিব৫:৩২
এশা৬:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৭
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: ittefaq.adsection@yahoo.com, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: ittefaqpressrelease@gmail.com
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :