The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৪, ১১ মাঘ ১৪২০, ২২ রবিউল আওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ বিশ্ব ইজতেমা শুরু, তুরাগ তীরে মুসল্লিদের ঢল | ইজতেমা প্রাঙ্গণে ২ মুসল্লির মৃত‌্যু | বিএনপিকে নাকে খত দিতে হবে : আমু | দশম জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হলেন আ স ম ফিরোজ | দখলকারী শক্তি পরাভূত হবেই: খালেদা জিয়া

জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা

টেলিফোনে পাঠকের মতামত

বাংলাদেশের ইতিহাসে বিতর্কিত নির্বাচন ছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের হাঁ, না ভোট জনগণ তখনকার ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও ঐ নির্বাচনকে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল। এরশাদ সরকার পতনের পর সেই ইতিহাস সবার জানা। দশম জাতীয় নির্বাচন হয়েছে হরতাল-অবরোধ-মানুষ হত্যা, সংখালঘুদের উপর নির্যাতন আর জনগণ ও রাষ্ট্রে ধ্বংসকারীদের কঠোর অবস্থানে থাকার সময়। তখন সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ায় দশম জাতীয় নির্বাচন দেয়া ছাড়া সরকারের পক্ষে রাষ্ট্র পরিচালনা করা ছিল সংবিধানের পরিপন্থি। তাই সংবিধান রক্ষা করে জাতীয় দশম নির্বাচন ছিল রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অত্যাবশ্যক। সুতরাং ইতিহাসে কোন নির্বাচনই সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না। কারণ সরকার ও বিরোধী দল যেখানে গৃহযুদ্ধের মুখোমুখি অবস্থানে ছিল সে ক্ষেত্রে এই নির্বাচন প্রহসন নয়।

শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরু

কালাহাতী, টাঙ্গাইল

জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে পূর্বাপর আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনও সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না। যে দলই হেরেছে তারাই নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেনি। উপরন্তু কিছু বিশেষণ জুড়ে পরাজয়ের তাত্ক্ষণিক গ্লানি দূর করতে, নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে আঁতাতের গন্ধ খোঁজার চেষ্টা করেছে। এতে করে দল ও দলীয় সমর্থকদের চাঙ্গা করার একটা মেকি কৌশল নেয়া হয়েছে। এভাবেই ওয়াকিবহাল মহল কোন নির্বাচনকে সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয় হিসেবে চিহ্নিত করে আসছেন। ব্যতিক্রম হচ্ছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিছু কলাকৌশল। সর্বৈব সত্যে যে, বিগত কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বহুবিশ্লেষণে একটি ব্যতিক্রম নির্বাচন।

মুরাদ হোসেন

মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন তারই ধারাবাহিকতার একটি অঙ্গ হিসেবেই বিশেষজ্ঞগণ মনে করছেন। যদিও ঐ নির্বাচন নিয়ে বহু বিতর্ক বিরাজমান। ভোটার উপস্থিতি এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় ১৫৩ জন এমপি'র নির্বাচন নিয়ে স্যার ফজলে হাসান আবেদের মন্তব্য "এ সরকার বেআইনি নয়, আবার বৈধও নয়" প্রণিধানযোগ্য? পৃথিবীর বহু গণতান্ত্রিক দেশেও জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য নয়। খোদ আমেরিকার জাতীয় নির্বাচনেও ভোটার উপস্থিতি শতকরা ২৬ ভাগ। এ অবস্থায় আমরা আশা করব দেশ ও জাতির বৃহত্ স্বার্থে বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার প্রধান বিরোধী দল বিএনপি'র সাথে শর্তহীন আলাপ-আলোচনায় বসে রাজনৈতিক একটি সুষ্ঠু সমাধানের পথ বের করে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। কারণ যে কোন প্রকার থমথমে ভাব বড় ধরনের দুর্যোগের পূর্বাভাস—এ কথা ভুলে গেলে চলবে না।

ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

সাধারণ সম্পাদক, ঢাকাস্থ বেগমগঞ্জ পেশাজীবী সমিতি, ৫-বিসিসি রোড, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা

সকল জল্পনা-কল্পনা-মত-পথ-বাধা-বিপত্তিকে উপেক্ষা করে ক্ষমতাসীন দল শেষ পর্যন্ত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেই ফেলল। বাংলাদেশের ইতিহাসে আবারও যোগ হল এক কালো অধ্যায়ের। পুনরাবৃত্তি ঘটল ৯৬-এর। তবে ৯৬ -এর চেয়ে এ সরকার খানিকটা মজবুত, তারা ভাঙবে তো মচকাবে না পন্থি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো এ নির্বাচনে স্বীকৃতি না জানালেও এ প্রসঙ্গে সরকারের লোকেরা বলছেন, বিদেশিদের স্বীকৃতি-অস্বীকৃতিতে তাদের কিছু যায় আসে না। নির্বাচন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা সব সময়ই থাকে তবে এবারের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। এবার স্বয়ং সরকারি দলের লোকেরাই ভোট দিতে যায়নি, গেলে ভাল হত, অন্তত ২০% ভোট কালেকশন হতে পারত। কিছুদিন পূর্বে অর্থমন্ত্রী টিভির পর্দায় হাসতে হাসতে বলেছিলেন—এ ধরনের নির্বাচনে কেউ ভোট দিতে যায় না, কারণ তারা তো সব জানেনই কী হবে। তাহলে কী উনার কথাটাই সত্যি হয়ে গেল! ভোট দেয়া তো পরের কথা, আমাদের এলাকার ৮০% লোক এখনো জানে না যে, এ এলাকায় কে দাঁড়ালো কে পাস করলো কী তার নাম। এর পরও যদি তারা গণতন্ত্রের কথা বলে তবে তা হাস্যকর ছাড়া কিছুই নয়। যাই হোক এভাবে ভোটারবিহীন নির্বাচন, দিয়ে দেশ পরিচালনায় কতটুকু কল্যাণ বয়ে আনবে জানি না। তবে এমন একঘেয়েমি ও একনায়কতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি বার বার ঘটতে থাকলে দেশ মেরুদণ্ডহীন জাতিতে পরিণত হতে আর বেশি সময় নেই।

ডা. মর্জিনা আক্তার

বারিধারা পাইল্স কিউর সেন্টার,

গুলশান, ঢাকা ১২১২

প্রথমেই একটি কথা বলতে চাই—যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি হয়েছে তা অনেকের নিকট গ্রহণযোগ্য হয়নি বলে কিছু মহল থেকে মন্তব্য করা হয়েছে। কারণ হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে ভোটার সংখ্যা কম ছিল এবং কিছু রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকা। কিন্তু অনেকের কাছে তো গ্রহণযোগ্য হয়েছে। কারণ নির্বাচনের পূর্বের রাতে নির্বাচন প্রতিহত করার নামে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের দ্বারা যেভাবে সহিংস ঘটনা ঘটানো হয়েছে—এই ভয়েই তো ষাট ভাগ মানুষ নির্বাচনে ভোট দিতে যেতে পারেনি। নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হতো না যদি বুঝতাম ঐ জোট কোন ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটায়নি। কাউকে ভোটকেন্দ্রে বাধা দান করা তো দূরের কথা কেউই ভোটকেন্দ্রে যায়নি। একদলের পছন্দ হলো না তো আরেকদল বলবে আবার নির্বাচন দাও। কেন এভাবে টাকা খরচ করতে হবে? যেহেতু একটি নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সরকার গঠিত হয়েছে তাই এই নির্বাচিত সরকারকে অবশ্যই তার মেয়াদ পূর্ণ করতে হবে।

মোহাম্মদ এহিয়া

বেড়াজালি, গৌরারং, সুনামগঞ্জ

এমন নির্বাচন আমরা প্রত্যাশা করিনি। এ নির্বাচনের মাধ্যমে বিতর্কিত হলো নির্বাচন কমিশন। আওয়ামী লীগের গায়ে পড়ল কালিমা। জন্ম নিল গৃহপালিত বিরোধী দল। এ থেকে আমরা মুক্তি চাই।

ইউসুফ

শেওড়াপাড়া, ঢাকা ১২১৬

৫ জানুয়ারি ২০১৪ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ১০ম জাতীয় নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি তথা ১৮ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। নির্বাচনীয় বিধি মোতাবেক কোন প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ১৫৩ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ১৪৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকায় ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটার অধিকার প্রয়োগ করে ১৮ দলীয় জোট নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে কিছু কিছু ভোটকেন্দ্রে তাণ্ডবলীলা চালায়। ভোট বাক্স ছিনতাই করে। হিন্দুদের বাড়িঘর ভাংচুর করে আগুন দেয়। নির্বাচনের পরও তাণ্ডব অব্যাহত থাকে। নারীদের ধর্ষণ করে। নির্বাচনের পূর্বে পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা হয়। পেট্রোল বোমার হাত থেকে রেহাই পায়নি গবাদি পশু গরু, বাস, ট্রাক, সিএনজিসহ দেশের নিরীহ সাধারণ মানুষ। যারা রাজনীতি করে না।

ডা. এসএম মোশাররফ হোসেন

আলমপুর, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ

জাতীয় সংসদ গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনার কী আছে? কারণ ইতিহাসের অমোঘ বাস্তবতা অস্বীকার করবার সাধ্য কারো নেই। সত্য হলো একটি সংসদ গঠিত হয়েছে ও একটি নতুন সরকার শপথ নিয়েছে এবং তা চলমান। তাই বলতে হয় জাতীয় সংসদ প্রসঙ্গের আলোচনা-সমালোচনা যেন সরকারের কার্যকলাপের সমালোচনার অংশ—যা স্বাভাবিক এবং আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত থাকা মানেই কিন্তু সংঘাত-সহিংসতার অচলায়তন থেকে দূরে থাকা। মানুষ এখন নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত এবং ক্ষমতার রাজনীতির প্রতি তৈরি হয়েছে মানুষের চরম নির্লিপ্ততা। কিন্তু এটা কি মানুষের অসহায়ত্ব, না তার মধ্যকার ক্ষোভ-অপ্রাপ্তি, অনীহা, না যন্ত্রণা ও যান্ত্রিকতার বহিঃপ্রকাশ তা বলা কঠিন। তাই রাজনীতিবিদগণকে আত্মোপলব্ধির চেতনায় উজ্জীবিত হতে হবে আপন সত্তায়—Know thyself, live and let others live, love and be loved… এমন অনুভূতি।

অধ্যাপক মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ

বিভাগীয় প্রধান ইসলামিক স্টাডিজ,

কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ, কাপাসিয়া, গাজীপুর ১৭৩০

বাংলাদেশ সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র। গত ৫ই জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও যে কোন ধরনের সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে যেন কোনভাবেই অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি না হয়। সে জন্য সরকারকে কঠোরভাবে মোকাবেলা করতে হবে।

আবদুল মালেক মিয়া

মনিপুর, মিরপুর, ঢাকা

দশম সংসদ নির্বাচন গত ৫ জানুয়ারিতে যা হয়েছে তাকে কী বলবো তার ভাষা নেই। যেহেতু এখানে ৯ কোটি ১৯ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪ কোটি ৮০ লাখের ভোটার তাদের মতামতেই দিতে পারেনি। তাই ক্ষমতাসীন সরকারের এখন উচিত জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থে দ্রুত সব দলের অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।

মো. মনির হোসেন,

মনির বুক এন্ড সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র, মিরপুর, ঢাকা

প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৮ দলের হরতাল-অবরোধকে মোকাবেলা করে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করা উচিত ছিল।

মো. ইলিয়াস আলম সুমন

চট্টগ্রাম

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সহিংসতা, সংখ্যালঘু নির্বাচন ইত্যাদি নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ এখনও অব্যাহত রয়েছে। গত ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সহিংস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট কাজেই আমরাও প্রত্যাশী আরেকটি সুন্দর নির্বাচনের।

জাহাঙ্গীর হোসাইন

মীরেরবাগ, ঢাকা

১৯৯১ সালের পূর্বে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা থাকলেও '৯১ সালের সংসদ নির্বাচনসহ ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত সংসদ নির্বাচন জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। তাই সর্বতভাবে বলা চলে একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সূচনা জনসম্পৃক্ততার মাঝেই গড়ে উঠে এবং সেটা গড়ে ওঠেছিল ষষ্ঠ থেকে নবম নির্বাচনের মাধ্যমে। কিন্তু বিধিবাম—অতীতে সফল সংসদ নির্বাচনের সমালোচনার রেকর্ড ভঙ্গ করে বর্তমানের দশম জাতীয় সংসদ।

মো. ফখরুল ইসলাম টিপু

সেনবাগ, নোয়াখালী

আমাদের দেশে নির্বাচন কোন আমলেই সমালোচনা ব্যতীত ছিল না। নির্বাচন নিয়ে মানুষের আতংক ছিল। অবশেষে যে কোনভাবেই সমাধা হয়েছে নির্বাচন। তবে এই নির্বাচন মানুষ আজো মেনে নিতে পারেনি। এটা অবশ্যই ইতিহাস খ্যাত নির্বাচন হয়েছে।

শাহীন, ডিওএইচএস, মহাখালী

সকলের মঙ্গলের জন্য আহ্বান জানাই—ছোট বড় সকল রাজনৈতিক দল এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সকলের কাছে একটি গ্রহণযোগ্য স্থায়ী নির্বাচনের পদ্ধতি ব্যবস্থা করে মধ্যবর্তী একটি নির্বাচন দিয়ে বর্তমান অসম্পূর্ণ নির্বাচনকে দেশবাসী ও বিশ্ববাসীর কাছে সম্পূর্ণতা ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলে ধরা। এটি যত দ্রুত করা যাবে তত শীঘ্র আমাদের দেশে জন্য একটি শান্তিময় পরিবেশ ফিরে আসবে। তেমনি বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পাবে।

মোহাম্মদ লুত্ফর রহমান

এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সহিংসতা, হত্যা, খুন, গুম এমনকি বর্বরতা স্থান দখল করে নিয়েছে। জানি না বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশে আবার কবে শান্তি ফিরে আসবে? হরতাল-অবরোধ-জ্বালাও পোড়াও, পেট্রোল বোমার হোলি খেলার অবসান কবে হবে? ইতিপূর্বেও জাতীয় সংসদ নির্বাচন সমালোচিত হয়েছে। কেউ বলেছেন সূক্ষ্ম কারচুপি। কেউ বলেছেন ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং কেউ বলেছেন প্রশাসনিক কারচুপি। বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ব্যাখা করেছে। এবারের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভিন্নতর। বৃহত্ জনপ্রিয় বিরোধী দলের অংশগ্রহণ না থাকায় এবং ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে কম সংখ্যক উপস্থিত হওয়ায় সম্পূর্ণ ভোট দেশে-বিদেশে সমালোচিত হয়েছে এবং হচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ শান্তি চায়, নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনে ভোট প্রদান প্রত্যাশিত।

মন্জু খন্দকার

চুয়াডাঙ্গা

৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধী জোট তাদের অবরোধ ও জ্বালাও পোড়াও করে যে সহিংসতার পরিচয় দিয়েছে তাতে মানুষ খুব আতংকে ছিল। জানা যায়, এবার হরতাল-অবরোধের সময় ১৮ দলীয় জোট গত মার্চ মাস থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে শুধু বৃক্ষ নিধন করেছে ৬৩ হাজার ৯ শতাধিক। আর এই গাছ কাটার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৩০ বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা।

এইচ কে এম রমিজউদ্দিন

প্রশিকা, প্রধান কার্যালয়, মিরপুর, ঢাকা

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন যে কোনভাবেই হোক না কেন সাধারণ মানুষের কাছে তাতে কোন অস্বস্তি নেই। যেহেতু এদেশের জনগণ শুধু মন্দের ভালোটাই খোঁজে। নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা চলবেই। কাজেই সরকারের এখন উচিত একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেয়া।

মো. সেলিম

মহাখালী, ঢাকা

বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি প্রসহনমূলক ও পাতানো নির্বাচন। বর্তমান নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য দ্রুত সংলাপের আয়োজন করে অবিলম্বে এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে।

মোহাম্মদ আবদুল মজিদ সরদার

সভাপতি, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি)

শাহজাদপুর উপজেলা শাখা

বাংগাল পাড়া, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ

এদেশে নির্বাচন আসে, নির্বাচন যায়। ১৯৯৬ সালের বিতর্কিত নির্বাচন ও মেনে নিতে হয়েছিল। তবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবগঠিত সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ, যার অন্যতম একটি হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি উন্নতি করা। অন্যদিকে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের আয়োজন করা। তাই গণতন্ত্রের স্বার্থে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেয়া অত্যন্ত জরুরী।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরাপপুর, ঝিনাইদহ

দেশবাসী নির্বাচন নিয়ে যতই কথা বলুক। মূল কথা হচ্ছে যথাযথ ও সব দলের অংশগ্রহণের নির্বাচন দরকার। গণতন্ত্রের ধারা বজায় রাখতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের ইতিহাসে বহু নির্বাচন হয়েছে ও এর জন্য বহু সমালোচনা হয়েছে। কাজেই অসম্পূর্ণ নির্বাচনকে এখন সম্পূর্ণতা বা নির্বাচনের প্রাণ চাই।

আইরিন সুলতানা (সন্জু)

ধুপপুর, মাইজপাড়া,

চট্টগ্রাম

আমাদের দেশে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে সেদিক দিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে নির্বাচন সুসম্পন্ন হয়েছে। এ কথা সত্যি। কেননা—নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন সময়ের মধ্যে যে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের কোন ত্রুটি নেই। কিন্তু যাঁরা ব্যর্থ হয়েছেন তাঁদের দুর্বলতার জন্যই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তা ছাড়া বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সংখ্যা কম থাকলেও মূলত যে এই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে তার প্রতিফলন স্বরূপ বর্তমান বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধান সমর্থন। সুতরাং বাংলাদেশ কোন নির্বাচনই সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয় এ কথাটিও বলা সমীচীন নয়। নির্বাচনে যে বিরোধী দলই থাকুক না কেন হেরে গেলে বলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। তবে সে যাই হোক মূল কথা হলো আমাদের দেশে জনগণের মধ্যে হানাহানি, মারামারি বন্ধ করার জন্য সকলকেই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

আলহাজ্ব মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী হিবজু

হাউজিং স্ট্রেট, রাজশাহী ৬২০২

অতীতে অনেক নির্বাচন এদেশে হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনও অনেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হন। ৫ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেল ১৮ দলীয়। কিন্তু শত সহিংসতা, কুটনৈতিক চাপ সৃষ্টি চেষ্টা নানা কূটকৌশল গ্রহণ করেও শেষ পর্যন্ত ঠেকানো যায়নি। কাজেই বলা যায় নির্বাচন যা হয়েছে তাতে করে দেশের মানুষ মেনে নিয়েছে।

মো. মেজবাহ উদ্দিন সেলিম

পূর্ব ইব্রাহিমপুর,

সেওড়াপাড়া

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অসম্পূর্ণতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচনা সব আমলে ছিল ও থাকবে। পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারলাম রাজনৈতিক সহিংসতায় গত ৩ বছরে শিশুসহ মৃত্যু হয় ৫ শতাধিক এবং পঙ্গত্ববরণ বা প্রতিবন্ধিতার শিকার হয়েছে ১২ শতাধিক। ২০০১ সালে ১ অক্টোবর নির্বাচনের আগে ও পরে নির্বাচন এলেই হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয় বেশি হিন্দু সম্প্রদায়। কাজেই আমরা বলবো এ দেশে সুষ্ঠু ও শান্তিময় নির্বাচন অনুষ্ঠান হয়েছে এমন কথা বলা যাবে না।

রবিউল হুসাইন রবি, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা,

এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা

সব আমলেই নির্বাচন নিয়ে সমালোচনার বিষয় থাকে। বিগত দশম জাতীয় নির্বাচন ছিল জাতির সামনে একটি নীল নকশামূলক নির্বাচন। এটাকে কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা চাই সব দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ নির্বাচন। সরকারের কাছে সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহী উল্লাহ,

স্টুডিও ফুজিয়া, মিরপুর

গত দশম জাতীয় নির্বাচন ছিল একটি কালো অধ্যায়ের দিন বিশেষ। এটাকে কোন নির্বাচন বলবো না। তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এখন প্রয়োজন একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন।

সোহাগ,

ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা

গত ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের যে নির্বাচন হয়েছে তা হচ্ছে একটি দেখানো নির্বাচন। অবশ্য এর অনেক কারণ রয়েছে। বিরোধী দল যদি অংশগ্রহণ করতো তাহলে এরকম হতো না। এটা কোন নির্বাচন নয়; এটা দেশ ও জাতির জন্য সমিচীন হয়নি।

নাসিরউদ্দিন,

কর্ণপাড়া, সাভার

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশে নির্বাচন হয়েছে। যা দেশ ও বিদেশেও প্রশংসিত হয়েছে। বিদেশি বন্ধু মহল ও দাতা সদস্যরা বুঝতে পেরেছে দেশে নির্বাচন না হলে এ দেশে জঙ্গি ও আল কায়দার উত্থানের সম্ভাবনা ছিল।

মো. কবিবুল আজাদ কবির

সাধারণ সম্পাদক,

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা তাতী লীগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে একতরফা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও পরিতাপের বিষয়। তাই সমালোচনার ঊর্ধ্বে থেকে এখন প্রয়োজন পুনরায় নির্বাচন।

পারভীন আক্তার

হাজারীবাগ পার্ক, হাজারীবাগ, ঢাকা

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষে নেই। নবগঠিত সরকার গঠিন হয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতা, জ্বালাও পোড়াও রাজনীতি, সম্পদ বিনষ্ট, অর্থনীতি স্থবির, শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র অধ্যয়নের সময় চ্যুতি, নানা টাল-মাটাল পরিস্থিতি সাধারণ মানুষ আর দেখতে চায় না। তবে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতার জন্য প্রয়োজন আরেকটি সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন।

ফারুক আলম

মালিবাগ, ঢাকা

বিরোধী দল বিএনপিকে বাদ দিয়ে এবং ৮০ লাখ মানুষের ভোটাধিকার হরণ করে সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নির্বাচনকে আমি সমর্থন করি না। তবে আর একটি কথা হলো বিএনপি কেন নির্বাচনে যায়নি। তারা গেলে তো এরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এ নির্বাচন গণতান্ত্রিক দেশে কলংকের ধারা শুরু করেছে এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড অর্জন করে দেশ-বিদেশে সমালোচিতও হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে শাসক দলের কাছে আমার ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ জানাই।

মাসুম রানা

কাওরাইদ, শ্রীপুর,

গাজীপুর

দেশের যে কোন নির্বাচন নিয়ে দেশবাসী প্রতিযোগিতা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেতে ওঠে। তাই সঠিক কিংবা অবাস্তব সমালোচনা কম হয় না। নির্বাচন হলো একটি জাতির উত্সবের মত। দেশ স্বাধীন হবার পর সকল নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ দেশের মানুষ এখনো শতভাগ শিক্ষিত হয়নি। সুতরাং নির্বাচন নিয়ে সুফল-কুফল এখনো ভালোভাবে বুঝতে শিখেনি। অর্থের বিনিময়ে অশিক্ষিত মানুষ যা পায় তাতেই ভোট দিতে যায় ভোট কেন্দ্রে। গণতন্ত্রের ধারা অনেক শিক্ষিত মানুষ বুঝতে পারে না। কাজেই আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই প্রকৃত নির্বাচনের ধারা দেশবাসী শিখবে ও জানবে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক সহিংসতাই দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করেছে। বিশ্বের বহু দেশেই কারণে/অকারণে নির্বাচন স্থগিত থাকে এবং পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের অসম্পূর্ণ নির্বাচন সম্পূর্ণ করে দেশের অর্থনৈতিক, শিক্ষাঙ্গনে, কর্মক্ষেত্র, যানবাহন চলাচল সচল করা হোক, দেশবাসী যতই গল্প-গুজব করুক শাসক গোষ্ঠীকে সংবিধানের ধারা অনুযায়ী আলোচনা-সমালোচনার ঊর্ধ্বে থেকে সঠিক পথে চলতে হবে। নবনির্বাচিত দশম সংসদ সদস্যের উপর এই ভরসা দেশবাসীর রইল।

আশা এলিজাবেত গোমেজ,

লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা

নতুন সরকার গঠন নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা হচ্ছে। ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় নির্বাচনকে মানুষ সহজভাবে মেনে নিয়েছে। সাধারণ মানুষ বড় অসহায়। ব্যবসা-বাণিজ্য ভালো নেই। মানুষ চায় শান্তি। কাজেই অস্থিতিশীল পরিবেশ মানুষ চায় না।

মাসুম আহম্মেদ

শিকড়ের সন্ধানে, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা

বহু আলোচনা-সমালোচনা নানা নাটকীয়তা ও বহু সহিংসতার পর গত ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৪৯ জন সদস্য বিশিষ্ট একটি মন্ত্রিসভাও গঠিত হয়েছে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অসম্পূর্ণতা নিয়ে যে আলোচনা-সমালোচনা এদেশে নতুন কোন বিষয় নয়।

মো. হানিফ মিয়া

রিসোর্স ইন্ট্রিগ্রেশন সেন্টার (রিক), ধানমন্ডি, ঢাকা

গত ৫ জানুয়ারি একতরফা নির্বাচনের পর এখন সরকার গঠিত হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে সংশয় সবসময় ছিল। ১৯৭১ সালের পর থেকে এই নিয়ম চলে আসছে। কাজেই দশম জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা নতুন কোন বিষয় নয়। অভিযোগ থাকলে ১৬ কোটি মানুষের এক সংগে থাকতে হবে।

মো. মোজাহারুল ইসলাম

চেয়ারম্যান, ইডাফ, সাভার

নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। সম্প্রতি ৫ জানুয়ারি ২০১৪ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবগঠিত সরকার হয়েছে। ১৯৯৬ সালের সংসদীয় গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠা হলেও মূল বিরোধী দলের অব্যাহত সংসদ বর্জনের কারণে অকার্যকর হয়ে পড়ে। তাই সমালোচনা থাকবে, তবে সরকার যদি ভাল করে তাহলে জনগণের মনে কষ্ট থাকবে না।

হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী

কবির হাট, নোয়াখালী

দশম জাতীয় নির্বাচনকে মেনে নেয়া উচিত। অবশ্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান জন্য নিরপেক্ষ ও সব দলের অংশগ্রহণ নির্বাচন ব্যতীত বিকল্প নেই। সংসদকে কার্যকর করার তাগিদে পুনর্নির্বাচন একান্ত দরকার। এ বিষয় সরকার ও বিরোধী দলকে এগিয়ে আসতে হবে। দশম জাতীয় নির্বাচন নি:সন্দেহে একটি বিতর্কিত নির্বাচন । কাজেই সমালোচনা হবেই। তাই সকল সমালোচনার ঊর্ধ্বে থেকে আরেকটি নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে চাই আমরা।

মো. খায়রুল বাশার

কুতুববাগ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে নানা সমালোচনা হচ্ছে। তবে ৫ জানুয়ারি নির্বাচনকে অতীতে নির্বাচন নিয়ে নানা কথা থাকলেও অতীতের মানুষ ও বর্তমান প্রজন্মের মানুষ এটাকে ভালো ভাবে নিতে পারিনি। কাজেই আমরা চাই আরেকটি নির্বাচন।

নীলুফা আক্তার

টোলারবাগ, মিরপুর,

ঢাকা

দশম জাতীয় নির্বাচনের অসম্পূর্ণতা থেকেই গেছে। ভোট উত্সব ছিল না সারাদেশে। এ দেশের নির্বাচন নিয়ে সব আমলেই সংশয় থাকে। তবে আমরা চাই আরো একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বচন।

মানুফুজ্জামান,

খিলগাঁও, ঢাকা

রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে দেশের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষাসহ সবক্ষেত্রে যে স্থবিরতা বিরাজ করছে এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে তার আমরা অবসান চাই। মানুষ এখন শান্তি চায় ও স্বস্তি চায়। সেক্ষেত্রে বিকল্প নেই। কাজেই দশম জাতীয় নির্বাচন বাদ দিয়ে আরো একটি নির্বাচন প্রত্যাশী আমাদের।

শিশির

আজিমপুর, ঢাকা

দশম জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এটা সত্যিকারভাবে কোন স্বাভাবিক সময়ের নির্বাচন নয়। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশ হচ্ছে অনেক ঘটনার ইতিহাস। কাজেই এদেশের নির্বাচন নিয়ে অসম্পূর্ণতা সব সময় ছিলো।

আলমগীর

ধানমন্ডি, ঢাকা

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক পক্ষ হয়ে গেল। এখানে জনগণ অধিকার বঞ্চিত হয়েছে। তাই সব দলের অংশগ্রহণে মধ্যবর্তী একটি নির্বাচন দেয়া যেতে পারে।

কাজী মোহিত হাসান

তৃতীয় বর্ষ, কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসা শিক্ষা

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অনুষদ

বিরোধী দল নির্বাচনের আগে যা করেছে তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কি করে। এর পরও নির্বাচন যতটুকু হয়েছে তা অবশ্যই ভাল। তবে বলতে হয় জনগণের উপস্থিতি ঠিকভাবে না থাকলেও নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। এখন বিএনপি কি করে বলে নির্বাচন অবৈধ। আসলে বিএনপি প্রধান জামায়াতকে ছাড়তে পারেন না বলেই তিনি এসব কথা বলছেন। জামায়াতের প্রেমে পড়েছেন বলেই তিনি বলছেন নির্বাচন অবৈধ হয়েছে।

ফারুক আহমেদ

বাঘমারা, রাজশাহী

নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দল যত কথাই বলুক না কেন নির্বাচন ঠিকভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। এত সমালোচনা এখন কেন, তারা তো অংশগ্রহণ করলেই পারতো। তারা কেন অংশগ্রহণ করেনি? কেন তারা হরতাল, অবরোধের ডাক দিয়ে মানুষকে হত্যা করেছিল। এখন তারাই বলছে নির্বাচন অবৈধ। তাই বলতে চাই নির্বাচন ঠিক সময়েই হয়েছে এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য নির্বাচন হয়েছে।

জসিম উদ্দিন

ভালুকা বাজার, ভালুকা, ময়মনসিংহ

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া সরকারি দলের ভাষ্যমতে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল। তাই অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে বিরোধীরা সমালোচনা করেই চলেছে। আর সরকারি দলের সহযোগিরা এতে কোনরূপ কর্ণপাত করছে না। আমরা দেখলাম ১৫৩টি নির্বাচনী এলাকায় একক প্রার্থীরা বিজয়ী হলো। সে কারণে উক্ত সংসদীয় এলাকাসমূহে যারা ভোট দিতে পারেননি তাদের আহত হওয়ার যৌক্তিক কারণ আছে। দশম জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দেশের মধ্যে এবং বিদেশেও নানা সংগঠন এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রেখেছেন। তাদের মত গণতন্ত্র শক্তিশালী করার জন্য অবশ্যই সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হওয়া উচিত। সরকারের প্রতি অনুরোধ, কোন সমস্যাই সমাধানের অযোগ্য বলে আমরা মনে করি না। একটা নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের আগামী দিনগুলো স্থিতিশীল এবং উন্নয়নের ধারায় এগুবে—এই প্রত্যাশা সব মানুষের। সে কারণেই সরকারি দলের বড় বড় নেতাদের যেমন বক্তব্য ছিল নির্বাচনের পর আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় গিয়ে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে সে মোতাবেক দেশে শান্তির জন্য স্বস্তির জন্য এবং গণতন্ত্রকে সুসংহত করার জন্য সর্বদলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি নির্বাচন হলে বাংলাদেশের জনপ্রত্যাশা পূরণ হবে। এ বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক ভূমিকা দেখতে চাই।

ওয়াহিদ মুরাদ

স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অসম্পূর্ণতা রয়েছে। এটাই স্বাভাবিক। যেহেতু এই নির্বাচনে কেউ প্রকৃত অর্থে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। তাই সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন প্রত্যাশা দেশবাসীর।

মাকসুদ

লালবাগ, ঢাকা

বাংলাদেশে গত ৫ জানুয়ারি নির্বাচন নিঃসন্দেহে একতরফা নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ এটাকে নির্বাচন বলছে না। কাজেই দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য এখন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের আয়োজন করা। সুতরাং সব কিছু ত্যাগ করে একটি স্বচ্ছ ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। তাহলেই নির্বাচনের পূর্ণতা আসবে।

লাড্লা

পিলখানা, ঢাকা

দশম জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নানা আলাপ-আলোচনা, সমালোচনা হলেও নির্বাচন যথাযথ ঠিক হয়েছে। যেহেতু আমরা দেখেছি অতীতে অনেক নির্বাচনে অনেক ঘটনাই আছে। সেগুলোকে জনগণ গ্রহণ করেছে। গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে জনগণ মেনে নিয়েছে। এখন জনগণ চায় শান্তি- শৃঙ্খলা।

হোসনে আরা করিম নীলা,

এনায়েতগঞ্জ লেন, ঢাকা

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, 'এই সরকারের আয়ু এক বছরও হবে না।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
5 + 1 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
ফেব্রুয়ারী - ২৯
ফজর৫:০৫
যোহর১২:১২
আসর৪:২৩
মাগরিব৬:০৪
এশা৭:১৭
সূর্যোদয় - ৬:২১সূর্যাস্ত - ০৫:৫৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :