The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৪, ১১ মাঘ ১৪২০, ২২ রবিউল আওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ বিশ্ব ইজতেমা শুরু, তুরাগ তীরে মুসল্লিদের ঢল | ইজতেমা প্রাঙ্গণে ২ মুসল্লির মৃত‌্যু | বিএনপিকে নাকে খত দিতে হবে : আমু | দশম জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হলেন আ স ম ফিরোজ | দখলকারী শক্তি পরাভূত হবেই: খালেদা জিয়া

ইসলামে দা'ওয়া ইলাল্লাহ এবং দা'ঈ ইলাল্লাহ

প্রফেসর ড. হাসানুজ্জামান চৌধুরী 

আল কুরআনে দীনের দিকে সাধারণভাবে আমজনতাকে এবং আরেক স্থানে সমগ্র বিশ্ব মানবতাকে দা'ওয়ার কর্মসূচির আওতায় আনতে নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন।

দা'ওয়ার জন্য এই সর্বস্তরে, সকল পরিসরে, ঘরে-বাইরে, স্বজনে-প্রতিবেশি পরিমণ্ডলে, লোক সমাজে ও বিশ্ব সমাজে সর্বজনীন নির্দেশ প্রদান দ্বারা একে কেবল একটা দা'ওয়াতী দল ও দা'ওয়াতী জামা'আতের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে 'উম্মাহ' শব্দ প্রয়োগ দ্বারা এর আওতায় দা'ঈ হিসেবে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সংগঠনগত শক্তি ছাড়িয়ে সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে এক ঐক্যবদ্ধ 'আনসারুল্লাহ'-এর কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে।

দা'ওয়ার দিগন্ত ঃ কুরআনে :আল কুরআনুল করীম এবং রসূলুল্লাহ (স.) এর সুন্নাহ-হাদীস ইসলামের প্রচলিত দা'ওয়ার ভিত্তিমূল। ইসলামী শরীয়াহর আকর এ দু'টি উত্স। আল কুরআনে আল্লাহ বলেছেন :'ওয়ামান আহসানু কাওলাম মীম্মান দা'আ ইলাল্লাহি ওয়া আমিলা সালিহাওঁ ওয়া কালা ইন্নানি মিনাল মুসলিমীন'। এর অর্থ হচ্ছে ঃ 'তার চেয়ে কে উত্তম কথা বলে যে আমলে সালিহ করে, আল্লাহর প্রতি মানুষকে আহ্বান করে এবং বলে আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত'। উপরোক্ত আয়াতে আল্লাহর রিজামন্দির জন্য, তাঁর দিকে, তওহীদ অভিমুখে, ইসলামের জন্য, হকের দিকে আহ্বান করা তথা দা'ওয়াকে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল কাওল বা কথা বলে জানিয়ে দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ জাল্লাহ শাহ্নু। এজন্যে মুসলিম উম্মাহর প্রতিটি মানুষের কাছে দীনের দিকে দা'ওয়ার গুরুত্ব সর্বাধিক। ঈমান, আখলাক, ইল্ম ও আমলে সালিহ-এর সঙ্গে প্রকৃত দা'ওয়ার মেহনত যুক্ত হলে দা'ঈ ইলাল্লাহ সহ মুসলিম, মু'মিন, আত্ তৈয়্যব, মুখলিস, সাবিরীন, জাকিরীন, শাকিরীন, আবরার, কালবুস সালীম, নাফ্সুল মুত্মাইন্না, আসহাবুল মাইমানাহ ইত্যাদি সব মাকামই অর্জন করা যায় আল্লাহর অপার রহমতে। যাহোক, আল কুরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরো বলেন ঃ 'কুনতুম খাইরা উম্মাতীন উখিরজাত লিন্নাসি তা'অমুরুনা বিল মারুফি ওয়াতান হাওনা আনিল মুনকারি ওয়া তুউমিনুনা বিল্লাহি'। অর্থ হচ্ছে ঃ 'তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মাহ, মানবজাতির জন্য তোমাদের আবির্ভাব হয়েছে; তোমরা সত্কাজের আদেশ দান কর, অসত্ কাজে নিষেধ কর এবং আল্লাহে ঈমান রাখ'। দেখা যাচ্ছে, আল্লাহ জানাচ্ছেন যে, মুসলিম উম্মাহ খায়ির এক উম্মাহ। কেননা, তাদের আবির্ভাবই হয়েছে নিজেদের ঈমানী, আখলাকী, ইল্মী, আমলী, সমষ্টিক দীনী জীবনবোধ ও চরিত্র বৈশিষ্ট্যসহ দা'ওয়ার মাধ্যমে সমগ্র মানবজাতির কল্যাণের জন্য। আল কুরআনে আল্লাহ অন্যত্র বলেন ঃ 'ওয়াল তাকুম মিনকুম উম্মাতুই ইয়াদউনা ইলাল খাইরি ওয়া ইয়ামুরুনা বিল মারুফি ওয়া ইয়ানহাওনা আনিল মুনকারি; ওয়া উলাইকা হুমুল মুফলিহুন'। এর অর্থ হচ্ছে ঃ 'তোমাদের মধ্যে এমন একটি উম্মাহ (তওহীদে বিশ্বাসী বৃহত্তম একক দল) হোক যারা কল্যাণের দিকে দা'ওয়াত দেবে এবং সত্কাজের নির্দেশ দেবে ও অসত্ কাজে নিষেধ করবে; এরাই সফলকাম'। এখানে সংগঠিতভাবে মুসলিম উম্মাহকে দীনের দা'ওয়া দিতে বলা হয়েছে এবং সাফল্য এটার মধ্যেই নিহিত বলে জানানো হয়েছে। কুরআনে অন্যত্র আল্লাহ নির্দেশ দেন ঃ 'ইয়া আইয়্যুহাল্লাযিনা আমানুত্ তাকুল্লাহা হাক্কা তুকাতিহি ওয়ালা তামুতুন্না ইল্লা ওয়া আনতুম মুসলিমুন। ওয়াতাসিমু বিহাবিলল্লাহি জামিয়াওঁ ওয়ালা তাফার্রাকু'। এর অর্থ হচ্ছে ঃ 'হে মু'মিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথার্থভাবে ভয় কর এবং তোমরা মুসলিম না হয়ে কোনো অবস্থায় মরো না। 'তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জু (কুরআন ও ইসলাম) দৃঢ়ভাবে ধর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না'। এভাবে ঈমানদারগণকে মুসলিম হতে নির্দেশ দিয়ে তাদেরকে আল্লাহর রজ্জু তথা কুরআন ও ইসলাম ধরে রাখার কথা বলে তার পরেই সংগঠিতভাবে দীনের দা'ওয়ার কাজ চালাতে বলা হয়েছে সফলকাম হবার জন্য এই ক্ষণস্থায়ী যমিনে ও অনন্ত আখিরাতে। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য কোনোই সুযোগ নেই শ্রেণী, গোত্র, বর্ণ, মীথ ও বংশ গরিমা, অঞ্চল ও জাতি পরিচয়ে যাওয়ার। যুদ্ধমান রাজনৈতিক দল-বিভক্তিতে গিয়ে পরস্পর হানাহানির সামান্যতম সুযোগ নেই। মুসলিম উম্মাহ নেতৃ ও পরিবার পূজা কোনো অবস্থাতেই মেনে নিতে পারে না। কমিশন এজেন্ট, ত্বরানেওয়ালা বা গাইরুল্লাহ — কাউকেই কোনো অবস্থাতেই মানা যাবে না। কেননা এর সঙ্গে স্পষ্টতম মাত্রায় শির্ক যুক্ত। বিভিন্ন ইজম বা কৃত্রিম ভাবাদর্শ, পুঁজিবাদী পণ্য রতি, উপদলীয় কোন্দল, আবিষ্কৃত সংকীর্ণ স্বার্থের-ঈর্ষার-অনুসূয়ার দ্বন্দ্বে লিপ্ত হওয়ার কোনো অবকাশ নেই মুসলিম উম্মাহর জন্য। মুসলিমদেরকে নানারূপী ধর্মীয় ফিরকায় বিভক্ত হতে আল কুরআনে পরিষ্কার ভাষায় নিষেধ করেছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এবং এদেরকে দীনে ফিরকা ও বিভক্তি আনা এবং উম্মাহর সদস্যদের ঐক্য নষ্ট করার জন্য চরম পরিণতি ও আযাব ভোগ করতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন। মুসলিম উম্মাহ তাই এক ও একক সত্তা। এটা বিভাজিত হতে পারে না। মুসলিম উম্মাহ 'হাব্লুল্লাহ' বা আল্লাহর রশি তথা কুরআন ও ইসলামকে আঁকড়ে রেখে, রসূলুল্লাহ সঃ এর সুন্নাহকে সঙ্গে নিয়ে সমগ্র বিশ্বে তওহীদ অনুসারীদের সীসা ঢালা ঐক্য গড়ে যিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ-এর দা'ওয়ার মাধ্যমে বিশ্ব মানব ভ্রাতৃত্ব গড়ে তুলবে, এটাই আল্লাহর ইচ্ছা ও নির্দেশ। যাহোক, এরপর আল কুরআনে আরেক স্থানে আল্লাহ নির্দেশ দিচ্ছেন যে ঃ 'আন আকীমুদ্ দীনা ওয়ালা তাতাফার্রুকু ফিইহি। এই আয়াতাংশের অর্থ হচ্ছে ঃ 'দীন (ইসলাম) কায়েম কর এবং বিচ্ছিন্ন হয়ো না'। কার্যত আল্লাহর এই পরিষ্কার নির্দেশ না মেনে কি স্বদেশে, কি বিশ্ব পরিমণ্ডলে মুসলিমরা দীন কায়েমের কর্মসূচি ছেড়ে কাফির-মুশরিকদের পদলেহন করছে, তাদের কুফির কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য উম্মাদ হয়ে উঠেছে। এ কারণেই তাদের মধ্যে রাজনৈতিক সংকীর্ণ স্বার্থযুক্ত বিভক্তি দেখা দিয়েছে। পরস্পর অভ্যন্তরীণ লড়াই চলছে। উম্মাহর মৌলিক স্বার্থ ছেড়ে বোধহীনভাবে নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পরস্পর বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে। এজন্যই এর পরপরই আল্লাহ দীনের অনুসারী মুসলিমদের পারস্পরিক বিদ্বেষবশত মতভেদ ঘটাতে নিষেধ করেছেন খুব শক্তভাবে শাসিয়ে দিয়ে এবং দীনের দিকে আহ্বান করে তাতেই দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত থাকতে বলেছেন। আল্লাহ আরো বলেছেন, যেভাবে কুরআনে আদেশ করা হয়েছে সেভাবে চলতে এবং কোনো অবস্থাতেই সামান্যতম মাত্রায় হলেও কাফিরদের খেয়াল-খুশি অনুযায়ী চলতে না করে দিয়েছেন। বাতিল ও হকের দ্বন্দ্বে হকের পক্ষে থাকা এবং কুফর ও ইসলামের দ্বন্দ্বে ইসলামের পক্ষে স্পষ্ট, দৃঢ় অবস্থান নিয়ে দা'ওয়া ও দু'আর মাধ্যমে দীন প্রতিষ্ঠার নিরন্তর মুজাহাদা চালাতে নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ। আল কুরআনে আরেক সূরায় দা'ওয়ার ব্যাপারে আল্লাহ নির্দেশ দেন ঃ 'উদ্উ ইলা সাবিলি রাব্বিকা বিল হিক্মাতি ওয়াল মাওয়িযাতিল হাসানাতি ওয়া জাদিলহুম বিল্লাতি হিয়া আহসানু; ইন্না রাব্বাকা হুয়া আঅ্লামু বিমান দাল্লা আন সাবিলিহি ওয়া হুয়া আঅ্লামু বিল মুহতাদীন'। এই উদ্ধৃত আয়াতের অর্থ হচ্ছে ঃ 'তুমি মানুষকে তোমার রবের পথে দা'ওয়া কর হিক্মত ও সদুপদেশ দ্বারা এবং ওদের সঙ্গে তর্ক কর উত্তম পন্থায়। তোমার রব, তাঁর পথ ছেড়ে কে বিপথগামী হয়, সে সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত এবং কারা সত্পথে আছে তাও তিনি সম্পূর্ণ অবহিত'। এক্ষেত্রে দা'ওয়ার জন্য হিক্মা, সদুপদেশ এবং উত্তম পন্থায় তর্ককে কাজে লাগাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং দা'ওয়াকে রবের দিকে আহ্বান বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। দা'ওয়ার কার্যক্রম এর সকল যথার্থ বৈশিষ্ট্য ও নিরবচ্ছিন্ন মুজাহাদাসহ চালিয়ে যাওয়াটাই আসলে দীনের আওয়াজ বুলন্দ করা এবং এর আকীমের জন্য ফলপ্রসূ জরুরত। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আল কুরআনে দা'ওয়ার কাজে ব্যাপৃত থেকে নিজেকে এবং নিজের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচানোর নির্দেশ দিয়েছেন ঃ 'ইয়া আইয়্যুহাল্লাযীনা আমানু কুউ আনফুসাকুম ওয়া আহিলকুম নারাওঁ ওয়া কুউদু হান্নাসু ওয়াল হিজারাতু'। এর অর্থ হচ্ছে ঃ 'হে মু'মিনগণ! তোমরা নিজেদেরকে ও নিজেদের পরিবার-পরিজনকে রক্ষা কর সে আগুন থেকে, যার লাকিড় বা জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর'। আরেক সূরায় আল্লাহ নির্দেশ দেন ঃ 'ওয়া মুর আহ্লাকা বিস্ সালাওয়াতি ওয়াসতাবির আলাইহা'। অর্থাত্ 'তোমার পরিবার-পরিজনকে সালাতের আদেশ দাও এবং তাতে দৃঢ় থাক'। অন্য এক সূরায় আল্লাহ নির্দেশ দেন ঃ 'ওয়া আনিযর আশিরাতাকাল আক্রাবিইন'। এর অর্থ হচ্ছে ঃ 'তোমার নিকট আত্মীয়-স্বজনকে সতর্ক করে দাও'। এ দু'টি নির্দেশ দেশ, কাল, অঞ্চল, রাষ্ট্র, সমাজ, শ্রেণী, গোত্র, ভাষা, পেশা, অবস্থান নির্বিশেষে সকল মুসলিম-মুসলিমা, মু'মিন-মু'মিনার জন্য, যাবতীয় জেষ্ঠ্য-কনিষ্ঠ সম্পর্ক অতিক্রম করে সর্বাস্থায় ফরয-ই-আইন। বরং এখান থেকেই দীনের দিকে পথ চলা। চেষ্টা থাকতে হবে সহীহ্ নিয়তে ইখলাসসহ চূড়ান্তভাবে মুযাহাদা চালানোর। হিদায়াতের মালিক শুধু এবং একমাত্র আল্লাহ। এভাবে ইসলামে নিজেকে, পরিবারবর্গকে, আত্মীয়-স্বজনকে দা'ওয়ার মাধ্যমে সঠিক পথে রাখার চেষ্টা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অতি প্রাথমিক, অতীব প্রয়োজন চিহ্নিত করে। এরপর গাফিল মুসলিমদেরকে, কাফির-মুশরিক-কায্যাবদেরকে যথাক্রমে ইস্লা ও দা'ওয়া দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আল কুরআনে বহু সংখ্যক স্থানে। একযোগে কুরআনের হক, হুদা, রহমা, বুশরা, সালাম ও আমানসহ একদিকে আখিরাতে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ এবং অন্যদিকে জাহান্নামে কঠিন ও চিরস্থায়ী আযাবের দুঃসংবাদ দিয়ে ভয় দেখাতে বলা হয়েছে। এরপর আল কুরআনে দীনের দিকে সাধারণভাবে আমজনতাকে এবং আরেক স্থানে সমগ্র বিশ্ব মানবতাকে দা'ওয়ার কর্মসূচির আওতায় আনতে নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন।

দা'ওয়ার জন্য এই সর্বস্তরে, সকল পরিসরে, ঘরে-বাইরে, স্বজনে-প্রতিবেশি পরিমণ্ডলে, লোক সমাজে ও বিশ্ব সমাজে সর্বজনীন নির্দেশ প্রদান দ্বারা একে কেবল একটা দা'ওয়াতী দল ও দা'ওয়াতী জামা'আতের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে 'উম্মাহ' শব্দ প্রয়োগ দ্বারা এর আওতায় দা'ঈ হিসেবে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সংগঠনগত শক্তি ছাড়িয়ে সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে এক ঐক্যবদ্ধ 'আনসারুল্লাহ'-এর কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে। (চলবে)

লেখক :অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাবি

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, 'এই সরকারের আয়ু এক বছরও হবে না।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
4 + 2 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
আগষ্ট - ৩
ফজর৪:০৬
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪২
মাগরিব৬:৪৩
এশা৮:০৩
সূর্যোদয় - ৫:২৯সূর্যাস্ত - ০৬:৩৮
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :