The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ৯ ফাল্গুন ১৪২০, ২০ রবিউস সানী ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ নাটোরে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত ৩ | শাহ আমানতে সাড়ে ১০ কেজি সোনা আটক | একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন

একুশের গান কিছু স্মৃতি, কিছু ছবি

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই একুশের গানটি কেমন করে লিখেছি, কখন এবং কোথায় লিখেছি, কেন লিখেছি এই ধরনের নানা প্রশ্নের জবাব দিতে হয়। এসব প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে অনেকদিনই মনে হয়েছে, এ গানটি আমিতো শুধু লিখেছি, কিন্তু যাদের সাহচর্য, সহায়তা ও উত্সাহ না পেলে এ গানটি হয়তো লেখাই হয়ে উঠতো না, মন থেকে জেগে উঠেই মিলিয়ে যেতো, তাদের অবদানের কথা আমার লেখা উচিত। লিখবো লিখবো করেও লেখা হয়ে ওঠেনি। আজ তাদের কয়েকজনের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবো।

প্রথমেই যার কথা বলতে হয়, তার নাম সৈয়দ আহমদ হোসেন। তার বড় ভাই জাস্টিস মোহাম্মদ হোসেন। দু'ভাই-ই এখন প্রয়াত। ছোট ভাই আহমদ হোসেন ছিলেন আমার বন্ধু। বাম রাজনীতি এবং প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত ছিলেন। আহমদ হোসেনকে আমার বন্ধু বলার চাইতে ড. আনিসুজ্জামানের বাল্যবন্ধু বলা উচিত। আনিসুজ্জামান, কবি ও অনুবাদক নেয়ামাল বশীর (এখন তিনিও প্রয়াত) এবং আহমদ হোসেন স্কুল-জীবন থেকে সহপাঠি ও বন্ধু। নেয়ামাল বশীর পরে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমারও সহপাঠি হয়েছিলেন। আনিসুজ্জামানের মাধ্যমেই আহমদ হোসেনের সঙ্গে আমার পরিচয়। সেই পরিচয় ঘনিষ্ঠতায় পরিণত হয়েছিল।

একুশ তারিখ দুপুরে ঢাকায় তখনকার প্রাদেশিক আইন পরিষদ ভবনের (জগন্নাথ হল) সামনে গুলিবর্ষণ হয়ে গেছে। শহীদ রফিকের লাশ পড়ে আছে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউট ডোরের বারান্দায়। তার মাথার খুলি উড়ে গেছে গুলিতে। খবর পেয়ে আমরা কয়েকজন বন্ধু ছুটলাম সেই লাশ দেখতে। আমি, বর্তমানে নজরুল-বিশেষজ্ঞ ড. রফিকুল ইসলাম (তখন ছাত্র), শফিক রেহমান (বর্তমানে সাংবাদিক, তখন ছাত্র)।

শহীদ রফিকের লাশ দেখেই আমার মনে স্বতস্ফূর্তভাবে একটি কবিতার লাইন শোকাবেগে গুঞ্জরিত হলো—'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি'। শহীদের মৃতদেহের ছবি তুললেন রফিকুল ইসলাম ও শফিক রেহমান। আমার মনে বাজতে লাগলো কবিতার ওই একটি লাইন। হাসপাতালের পাশে মেডিক্যাল কলেজের ব্যারাক-হোস্টেলের সামনে (এখন যেখানে শহীদ মিনার) তখনো ছাত্র-জনতার ভিড়। অনেকেই চোখ মুছছেন। বাতাসে কাঁদানে গ্যাসের জ্বালা।

এই সময় আমার দেখা হলো আহমদ হোসেনের সঙ্গে। ছোটখাটো মানুষটি। আমার প্রায় সমবয়সী হবেন। একটা সাইকেলে চেপে তখন সারা শহর টহল দেন। আমাকে দেখে বললেন, গাফফার মিছিলে ছিলেন? বললাম, ছিলাম। গুলি শুরু হতেই মেডিক্যাল হোস্টেলের ভেতর পালিয়ে এসেছি। এখন হাসপাতালের আউট ডোরের মেঝেতে একজন শহীদের মৃতদেহ দেখে এলাম। তাকে দেখে মনে হয়েছে, আমার আপন ভাই। মনে একটা কবিতার লাইনও তৈরি হয়ে গেছে। আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি।

কবিতার লাইনটি শুনেই আহমদ হোসেন আমার হাত চেপে ধরলেন। বললেন, এই কবিতাটি এখনই লিখে ফেলুন। বললাম, রাস্তায় দাঁড়িয়ে কি কবিতা লেখা যায়? হোস্টেলে ফিরে গিয়ে লিখবো। আহমদ হোসেন বললেন, আপনি হেঁটে আরমানি টোলা পর্যন্ত যেতে কবিতাটি হারিয়ে যাবে। আপনি আমার সাইকেলটা নিন। তাড়াতাড়ি হোস্টেলে গিয়ে কবিতাটি লিখুন। জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি বাসায় ফিরবেন কি করে? তিনি সাইকেলটা আমাকে গছিয়ে দিয়ে বললেন, সে ব্যবস্থা আমি একটা করবো। আপনি তাড়াতাড়ি যান।

আমি তখন ঢাকা কলেজের ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র। কলেজ ভবন তখন পুরনো ঢাকায় সিদ্দিক বাজারে। শহরের এখানে সেখানে সরকারের রিকুইজিসন করা ভবনে ছাত্রাবাস। আমি থাকি আরমানিটোলায় বান্ধব কুটির নামের বিরাট ছাত্রাবাসে। সাইকেল চেপে সন্ধ্যার আগেই বান্ধব কুটিরে ফিরে দেখি গেটে নোটিস ঝুলছে। সরকারের নির্দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজ ও ছাত্রাবাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ওই রাতেই আমাদের ছাত্রাবাস ছেড়ে যেতে হবে।

কাপড়চোপড় গোছানোর জন্য দোতলায় নিজের রুমে গেলাম। তখন মনে হলো কবিতার কয়েকটি লাইন অন্তত লিখে রাখি। নইলে কবিতাটি মন থেকে হারিয়ে যাবে। যেমন ভাবা তেমন কাজ। টেবিল-চেয়ারে বসে কবিতাটির পাঁচ/ছয় লাইন লিখে ফেললাম। বাকিটা লেখা হলো না। মনে পড়লো, রাত্রিবাসের একটা ব্যবস্থা আগে করতে হবে। নইলে কোথায় থাকবো?

ঢাকা কলেজের তখন আরেকটি ছাত্রবাস ছিল বেগম বাজারে। নাম নুরপুর ভিলা। হোস্টেল সুপরিন্টেডেন্ট ছিলেন দর্শনশাস্ত্রের বিখ্যাত অধ্যাপক সাইদুর রহমান। তারই ছেলে শফিক রেহমান। আমার সহপাঠী থাকেন হোস্টেলের গেস্ট-হাউসের দোতলায়। ওই রাতে তার কাছে গিয়ে উঠলাম। সেখানেই কবিতাটির আরো কিছু অংশ লেখা।

পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি! আরো একটি ঐতিহাসিক দিন। সলিমুল্লাহ হলে তখন ভাষা আন্দোলনের হেড কোয়ার্টার। সেখান থেকে নির্দেশ প্রচারিত হয়েছে ২২ ফেব্রুয়ারি মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে ভাষা শহীদদের জন্য গায়েবানা নামাজ হবে। ইমামতিত্ব করবেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। জানাজ১া শেষে বিশাল শোক শোভাযাত্রা শহর পরিভ্রমণ করবে।

নূরপুর ভিলায় তখন আমাদের সহপাঠি বোরহানউদ্দীন খান জাহাঙ্গীরও থাকেন। সেই সঙ্গে আরেক সহপাঠি দাউদ খান মজলিসও বাইরে থেকে এসে জুটলেন। ঠিক হলো আমরা গায়েবানা জানাজা এবং শোক মিছিল দু'টোতেই যাব। আমরা চার বন্ধু আমি, শফিক, দাউদ এবং বোরহান নিজেদের নাম ঠিকানা কাগজে লিখে পকেটে রেখে, বুকে ব্লাক ব্যাজ এঁটে মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের দিকে রওয়ানা হলাম। পকেটে নাম ঠিকানা লিখে রাখার কারণ, যদি আমরা পুলিশ অথবা সেনাবাহিনীর গুলিতে মারা যাই, তাহলে যেন নাম পরিচয়ের অভাবে বেওয়ারিশ লাশ হয়ে না যাই।

সেই তরুণ বয়সে অতোবড় গায়েবানা জানাজার নামাজ ও শোক মিছিল তখন আর দেখিনি। সারা ঢাকা শহর যেন রমনায় মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের চত্বরে ভেঙ্গে পড়েছিল। আমাদের শোক মিছিল যখন কার্জন হলের সামনে দিয়ে অগ্রসর হয় তখন হঠাত্ পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। সেনাবাহিনী গুলি চালায়। আমি পুলিশের লাঠিতে পায়ে আঘাত পাই। আমাকে লোকজন কার্জন হলের ভেতরে টেনে নিয়ে যায়।

আহত অবস্থায় বন্ধু এবং সহপাঠি দাউদ খান মজলিস আমাকে নিয়ে যান বংশালে তার আত্মীয়ের বাসায়। সেই বাসার তেতলায় এক চিলে কোঠায় তিনি থাকতেন। সেখানে বসে একুশের কবিতাটি শেষ করার চেষ্টা করেছি। পায়ের গোড়ালির ব্যথায় সবটা হয়ে ওঠেনি। ব্যথা বাড়ার সঙ্গে শরীরে জ্বর দেখা দেয়। ফলে আমাকে চিকিত্সার জন্য ভর্তি করা হয় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক জেনারেল ওয়ার্ডে।

এইখানে হঠাত্ একদিন আহমদ হোসেন এসে হাজির। দেখলাম আমার খোঁজ-খবর রাখেন। তার সাইকেলটাও দাউদ খান মজলিসের বাসা থেকে উদ্ধার করেছেন। হাসপাতালে কিছু ফলমূল নিয়ে এসেছিলেন আমার জন্য। বললেন, তিনি একটা জরুরি কাজে আমার কাছে এসেছেন। একুশের কবিতাটি কি আমি শেষ করতে পেরেছি? বললাম, অর্ধেকের মতো লিখেছি। বাকিটা শেষ করতে পারিনি।

আহমদ হোসেন আমার হাত চেপে ধরলেন, আজই কবিতাটা শেষ করতে হবে। আমরা ভাষা আন্দোলন চালিয়ে রাখার জন্য একটা ইস্তাহার প্রকাশ করতে যাচ্ছি। এটাই হবে ভাষা আন্দোলনের প্রথম ইস্তাহার। একটা প্রেস থেকে গোপনে ছাপিয়ে বিলি করা হবে। জিজ্ঞেস করলাম আমরা বলতে আপনি কাদের বোঝাচ্ছেন? আহমদ হোসেন বললেন, গেন্ডারিয়ার জঙ্গলে আমরা গোপন সভা করি। এর প্রধান উদ্যোক্তা আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীন। আপনি তাকে চেনেন।

শুধু চেনা নয়, তার সঙ্গে ছাত্রজীবনে আমার রীতিমতো ঘনিষ্ঠতা ছিল। তিনি ও আমি দু'জনেই মুকুল ফৌজের কর্মী ছিলাম। সাম্যবাদী চিন্তায় তিনি দীক্ষিত ছিলেন। নিজে বিজ্ঞানী। ছোটদের জন্য সহজ ভাষায় বিজ্ঞান বিষয়ক অনেক বই লিখেছেন। বায়ান্নতে তিনি ছাত্র। ভাষা আন্দোলনের সম্মুখ সারির কর্মী ছিলেন। এখন তিনিও প্রয়াত। আহমদ হোসেন আমাকে ছাড়লেন না। হাসপাতালের বেডের পাশে বসে রইলেন। কাগজ-কলম এগিয়ে দিলেন। ভেবেছিলাম দাউদের বাসায় বসে কবিতাটির যতোটা লিখেছি, ওখানেই ইতি টানবো। কিন্তু আহমদ হোসেনের উত্সাহে কবিতাটি আরও বাড়িয়ে শেষ করলাম। আহমদ হোসেন কবিতাটি নিয়ে তখনই ছুটলেন বাইরে।

বের হলো একুশের গুলিবর্ষণের দু'চারদিনের মধ্যেই রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের প্রথম ইস্তাহার। দ্বিতীয় ইস্তাহারটি বের করেছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। প্রথম ইস্তাহারের অধিকাংশ লেখাই আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীনের। দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় ছিল আমার কবিতাটি। সঙ্গে আমার নামও মুদ্রিত হয়েছিল। একথা স্বীকার করতে আজ আমার কোনো দ্বিধা নেই যে, আহমদ হোসেনের চাপ না থাকলে এই কবিতাটি হয়তো যথাসময়ে লেখা শেষ হতো না, ভাষা আন্দোলনের প্রথম গোপন ইস্তাহারেও প্রকাশিত হতো না। আর ওই ইস্তাহারে কবিতাটি না বেরুলে সুরকার আব্দুল লতিফের চোখে পড়তো না। এবং তার চোখে না পড়লে কবিতা থেকে গান হয়ে সেটি পরবর্তীকালে একুশের প্রভাত ফেরিতে বছর বছর হাজার কণ্ঠে গীত হতো না। পরবর্তী ধাপে এই গানে সুর দেন একাত্তরের শহীদ সুর শিল্পী আলতাফ মাহমুদ। যে সুরটি এখন প্রচলিত এবং জনপ্রিয়।

আহমদ হোসেন প্রায় আমার বয়সী। কিন্তু দীর্ঘ আয়ু পাননি। সারা জীবন তিনি ছিলেন কর্মবীর। ছাত্রজীবনে স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন। ভাষা আন্দোলন থেকে দেশের প্রতিটি প্রগতিশীল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে ছিল তার প্রত্যক্ষ এবং সক্রিয় সংশ্রব। কর্মজীবনে ছিলেন বাংলাদেশ জাতিসংঘ সমিতির সেক্রেটারি জেনারেল। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে শুরু করে বহু সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে নেতৃস্থানীয় কর্মী ছিলেন। লন্ডনে চিকিত্সার জন্য এলেই তিনি আমার বাড়িতে আসতেন। ঢাকায় ১৯৯৩ সালে বাংলা একাডেমির এক একুশের সভায় তার সঙ্গে আমার শেষ দেখা হয়। তখন তিনি আমার হাত চেপে ধরে বলেছিলেন, গাফ্ফার, আপনার গানতো এখন সকলের কণ্ঠে কণ্ঠে। এই গান রচনায় ইতিহাস যদি লেখেন, তাহলে সেই ইতিহাসে এক কোণায় আমার নামটাও রাখবেন। আপনার কাছে আমার এই অনুরোধ রইলো।

বহুকাল আহমদ হোসেনের এই অনুরোধ রক্ষা করতে পারিনি। আজ সেই অনুরোধ রক্ষা করে প্রয়াত বন্ধুর কাছে দেনামুক্ত হলাম। এখন অন্য বন্ধুদের কথা। (শেষাংশ আগামী রবিবারে)।

[লন্ডন, ২০ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, ২০১৪]

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, 'উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিএনপি প্রমাণ করেছে শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
6 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুন - ৬
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৭
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৪৬
এশা৮:১০
সূর্যোদয় - ৫:১০সূর্যাস্ত - ০৬:৪১
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :