The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২০ পৌষ ১৪১৯, ২০ সফর ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও জনসেবার সুযোগ দিন : প্রধানমন্ত্রী | পদ্মা দুর্নীতি: রিমান্ড শেষে মোশারফ-ফেরদৌস কারাগারে | ভারতের মাটিতে পাকিস্তানের সিরিজ জয় | সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের কাজ প্রায় শেষের পথে: সিইসি | ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন করতে আইনগত বাধা নেই: সিইসি | স্কাইপে কথোপকথন:জিয়াউদ্দিনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে ট্রাইব্যুনাল | জামায়াত নেতা তাহের ৭ দিনের রিমান্ডে | আরো দুই মামলায় মির্জা ফখরুলকে রিমান্ডের আবেদন | কুমারখালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত | মার্কিন ড্রোন হামলায় পাক জঙ্গি নেতা নিহত | হাসপাতাল ছেড়েছেন হিলারি | সাতক্ষীরায় বাস খাদে, নিহত ১ | কুষ্টিয়ায় ডাকাত সন্দেহে গণপ্রহার, নিহত ২ | সুইজারল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে ৩ জন নিহত

[ রা জ নী তি ]

সংকট নিরসনে দু'জোটকেই একমত হতে হবে

ড. মমতাজউদ্দীন পাটওয়ারী

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বিদায়ী বছরের শেষ দিন দেশের মানুষের মনের কথাটিই যেন অত্যন্ত স্পস্ট করে বলেছেন। দেশের রাজনৈতিক সমস্যা নিয়ে বিরোধীদল বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসতে আওয়ামী লীগের আগ্রহের কথা তিনি জানিয়েছেন। বিএনপি রাজি থাকলে আগামী নির্বাচন নিয়ে তাদের সঙ্গে বসতে চায় আওয়ামী লীগ একথা তিনি বলেছেন। সৈয়দ আশরাফ বেশ স্পস্ট করেই বলেছেন যে, সবাইকে নিয়েই আওয়ামী লীগ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চায়। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন যে, সংসদ এবং এর বাইরে বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় কোনো আপত্তি নেই তার দলের। আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের অনানুষ্ঠানিক কিছু কথাবার্তা হয়। বিএনপির সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা হবে।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দ্বিতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওয়ার মাত্র দু'দিন পর এমন একটি বক্তব্য দেয়ায় দেশব্যাপী ইতিবাচক একটি বার্তা যেন বয়ে গেছে। বিদায়ী বছরের শেষ বা নববর্ষের মস্তবড় রাজনৈতিক উপহার হিসেবেই এটিকে দেখার মতো বক্তব্য বলে ধরে নেয়া যায়। ৩১ ডিসেম্বরের তার পুরো বক্তব্যটি মনোযোগ দিয়ে শুনলে বোঝা যায় যে, সৈয়দ আশরাফ দেশের রাজনৈতিক সমস্যার যৌক্তিক সমাধানে তার দলের অবস্থান বেশ পরিষ্কার করেছেন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বক্তব্য প্রচারিত হওয়ার পর আমরা আশা করেছিলাম যে, বিএনপি আলোচনার দরজা খুলে দেয়ার ক্ষেত্রে উদারতার প্রকাশ ঘটাবে। বিএনপি সৈয়দ আশরাফের সম্পূর্ণ বক্তব্য গভীরভাবে শোনা ও বিচার বিশ্লেষণ করেই প্রতিক্রিয়া জানাবে বলে ধারণা করেছিলাম। কিন্তু এ পর্যন্ত যেসব বিএনপির শীর্ষ নেতা আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের আগ্রহের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তাতে অনেকেই কিছুটা দ্বিধায় পড়েছেন। বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ১ জানুয়ারি যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থারই দাবি করেছেন। তিনি একথাও দাবি করেছেন যে প্রধান উপদেষ্টাসহ সকল সদস্যকেই হতে হবে নিরপেক্ষ, নির্দলীয়। এসবই খুব ভালো কথা। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাজাবে কে? কে হবেন সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা উপদেষ্টামণ্ডলীর ১০ জন সদস্য— এমন প্রশ্নের কোনো সহজ উত্তর তার বক্তব্যে আসেনি বা তিনি দেননি। কেউ দিতে পারবেন বলে মনেও হয় না। বিচারালয়ের বিচারপতিদের আর দায়িত্ব দেয়া যাবে না— এ কথা মওদুদ সাহেবও বলেছেন, কোর্ট তো অনেক আগেই রায়ে বলে রেখেছে। দেশের মানুষও মনে করেন সাবেক প্রধান বিচারপতিদের বা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে অন্তর্ভুক্ত করে ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদে অন্তত ৫টি বিকল্প ব্যবস্থা থাকার কারণে দেশের হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোটের উপর দিয়ে বেশ প্রলয় বয়ে গিয়েছিল। ২০০৬ সালে প্রধান উপদেষ্টা পদে একজন সাবেক প্রধান বিচারপতিকে শেষ পর্যন্ত অপারগতা প্রকাশ করতে হয়েছিল, পরবর্তী বিচারপতিদের নিয়ে নানা নাটক আর রশি টানাটানি শুরু করা হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছিল বিচারপতিদের কয়েকজনকেও। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি। এখন সংবিধানে সেই বিধান নেই। তারপরও বিচারপতিদের নিয়ে টানাটানি করতে নিষেধ করা হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় নিয়ে যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে অন্যত্র কী হবে তা বলা আসলেই মহাকঠিন। কোন্ পেশা থেকে নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় মানুষদের খুঁজে আনা হবে— সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়া আদৌ সম্ভব হবে কিনা? প্রশ্ন হচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা পদে আসা নিয়ে যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশ তৈরি হয় তা দেখে এখন কোন্ পেশা থেকে কে আসতে রাজি হবেন জানি না। কেউ রাজি হলেই তার অতীত ইতিহাস খোঁড়াখুঁড়ি নিয়ে যে অবস্থা দেশে তৈরি হবে তা মোটেও সুখকর হবে বলে মনে হয় না। আসলে নির্দলীয় নিরপেক্ষ ১১ জন মানুষ খোঁজার দায়িত্বটি কে নেবেন? রাজনৈতিক দলগুলো কি সহজে কারো ব্যাপারে একমত পোষণ করবে- সেই প্রশ্নের সুরাহা হবে কিনা বলা মুশকিল। সংবিধানে একবার এটি অন্তর্ভুক্ত করার পরিণতি যদি আমরা স্মরণ না করি, ভুলে যাই তা হলে আবার নতুন করে সেই পথে পা বাড়িয়ে সমাধানের উপায় খুঁজে পাওয়া যাবে কি? দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করার কথা সবাই বলছেন, উপলব্ধিও করছেন। কিন্তু সেই সরকার করতে গিয়ে নিরপেক্ষ নির্দলীয় ১১ জন মানুষ সর্বসম্মতভাবে পাওয়া মোটেও সহজ কোনো কাজ হবে না। এ নিয়ে দেশে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য আদৌ প্রতিষ্ঠিত হবে কিনা বলা মুশকিল। ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ সালের অভিজ্ঞতাকে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করলে মনে হয় ভবিষ্যতে এ নিয়ে আর এক মস্তবড় রাজনৈতিক শূন্যতাই হয়তো তৈরি হতে পারে। যেমনটি ২০০৬ সালে তৈরি হয়েছিল। ভবিষ্যতে এ ক্ষেত্রে আমাদের সমস্যাগুলো আরো দ্রুত আরো জটিল হতে পারে। তখন সরকার কিভাবে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেবে। দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব তখন কে নেবে— এ ধরনের একটি মস্তবড় জিজ্ঞাসার মধ্যে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। তেমন পরিস্থিতিতে দেশের রাজনৈতিক সংকট গভীরতর হবে এতে কোনো সন্দেহ দেখি না। দেশে আসলে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রতি ৫ বছর পর পর নির্দলীয় নিরপেক্ষ মানুষ খোঁজার জন্য যত বড় বাতিই জ্বালানো হোক না কেন যতো ভালো মানুষই খুঁজে বের করে আনা হোক না কেন শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষ তা মেনে নেবে এমন নিশ্চয়তা কেউ দেবে না। বিষয়টি নিয়ে আরো সিরিয়াসলি ভাবা উচিত। চিন্তা-ভাবনা করা উচিত। একটি দেশকে এভাবে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়া আদৌ ঠিক হচ্ছে কিনা তা নিচক আবেগ কিংবা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা বিশ্বাস-অবিশ্বাস দিয়ে দেখলে হবে না, চলবেও না। একটি রাষ্ট্রকে নিয়ে এতোখানি ছেলে মানুষী আচরণ করতে পারে কিনা হাজারবার ভেবে দেখা উচিত। বাংলাদেশ গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এক্সপেরিমেন্টে সফল হয়নি, একই ধরনের এক্সপেরিমেন্ট পুনরায় করতে গিয়ে সফল হওয়ার কোনো কারণ দেখি না। তারপরও রাজনৈতিক দলগুলোকে অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে। সে ক্ষেত্রে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাই একমাত্র গ্যারান্টি নয়। অবাধ, সুষ্ঠুু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আরো অতীব জরুরি যথেষ্ট কাজ রয়ে গেছে। সেগুলোকে বাদ দিয়ে শুধু তত্ত্বাবধায়ক বা নির্দলীয় সরকার গঠনই যথেষ্ট নয়। নির্বাচনকালে যে সরকার ক্ষমতায় থাকুক না কেন সেই সরকারের ভূমিকা কী হবে, এর ক্ষমতা কোথায় কোথায় সীমাবদ্ধ থাকবে, কোথায় কোথায় মোটেও থাকবে না—এসব আইনি বিধান থাকতে হবে। বাংলাদেশ অতীতে তা তেমন একটা গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি। ফলে আমাদের নির্বাচন কমিশন অতীতে পরাধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের অধিক বেশি কিছু হতে পারেনি। সে কারণেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পরও নির্বাচনে ভুয়া ভোটার, ভোট জালিয়াতি, গণনায় জালিয়াতি, ফলাফল প্রকাশে নানা প্রশাসনিক কারসাজি ঠেকানো যায়নি। ২০০৯ সালে দেশে বিশেষ ব্যবস্থা ছিল, জরুরি অবস্থা ছিল, নির্বাচন কমিশন ভোটার পরিচয়পত্রসহ নানা ক্ষেত্রে বেশ সংস্কার নিয়ে মাঠে নেমেছিল। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অনেকটা ইতিবাচক হয় উঠেছিল। এখন নির্বাচন কমিশন সেই ধারাতেই অগ্রসর হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে বিচারপতি আজিজ মাহফুজ, জাকারিয়া সাহেবদের মতো কমিশন স্থান পায়নি। এটি একটি বড় অগ্রগতি। প্রশাসনসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে আরো কিভাবে ছিদ্র পথগুলো ভরাট করা দরকার—সেটি সকলকেই খুঁজে দেখতে হবে, সেভাবে ব্যবস্থাও নিতে হবে। অধিকন্তু নির্বাচনকালে সরকারের নিরপেক্ষ অবস্থানটি সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত করাটি একেবারেই অপরিহার্য।

সামগ্রিক বিষয়টি নিয়ে সরকারি দল এবং প্রধান বিরোধীদল সংসদে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বাছাই কমিটি করে দিতে পারে। উক্ত কমিটিতে সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল দলগুলোর পাঁচ বা সাতজন সদস্য থাকবেন, তারা আইন, সংবিধান এবং অন্য দেশের অভিজ্ঞতাগুলো যাচাই করে একটি প্রস্তাব সংসদে দিতে পারেন— যা নিয়ে সংসদ এবং বাইরে খোলামেলা আলোচনা হওয়া উচিত। শুধু আগামী সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয় বরং দীর্ঘমেয়াদী বাংলাদেশকে অবাধ, সুষ্ঠুু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের উপায় সম্পর্কে গভীরভাবে ভাবতে হবে। একটি বাস্তবোচিত রূপরেখা ও বিধি বিধানের উদ্যোগ নিতে হবে। সংসদকেই সেই উদ্যোগ নিতে হবে। সেখানেই আইনিসহ রাষ্ট্র, সরকার, প্রশাসন, বিধি বিধানগত দিকগুলোকে আইনে পরিণত করতে হবে। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির মতো কোনো রকম সিরিয়াস আলোচনা ছাড়া এবার যেন সংবিধানে কোনো হাত না দেয়া হয়। আমাদের সংবিধানকে এভাবে বার বার ক্ষত-বিক্ষত করার অধিকার আমাদের বোধ হয় নেই। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই নিতে হবে। তা হলেই হয়তো প্রক্রিয়াটি চালু হতে পারে। একটি ওয়ার্কিং পেপার আগে তৈরি করা হোক। সেই কাজটি সংসদে আছেন এমন বিজ্ঞ, প্রাজ্ঞ ও অভিজ্ঞ সদস্যদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত। তারা মতামত নিতে পারেন সমাজের সকল স্তরের, লেখালেখি পড়ে দেখতে পারেন। তাদের সুচিন্তিত মতামত নিয়ে সংসদ এবং বাইরে কিছুদিন আলোচনা হওয়া বাঞ্ছনীয়। এরপর সকলের কাছে অপেক্ষাকৃত গ্রহণযোগ্য কোনো বিধি বিধানাবলি বের হয়ে আসবে এমনটি আশা করা যায়। তা না করে রাজনীতির মাঠে গলাবাজি করা যেতে পারে। রাস্তায় আন্দোলনের নামে ভাংচুর-পোড়াপুড়ি প্রচুর করা যেতে পারে। হরতাল-অবরোধও করা যেতে পারে। তাতে মহত্ কোনো চিন্তা দেশ ও জনগণের কল্যাণের কোনো ব্যবস্থার জন্ম হওয়ার কোনোই সম্ভাবনা থাকবে না। এটি একমাত্র বুদ্ধিবৃত্তিক ও আইনি চর্চাতেই হতে পারে। এখনই সেই উদ্যোগ সরকার ও বিরোধী দল নেবে সেটিই আমরা আশা করবো।

লেখক: অধ্যাপক, ইতিহাসবিদ ও

রাজনৈতিক বিশ্লেষক

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করতে বলেছেন খালেদা জিয়া। আপনি তার এ বক্তব্য সমর্থন করেন?
4 + 8 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ২০
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৫সূর্যাস্ত - ০৫:১০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :