The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২০ পৌষ ১৪১৯, ২০ সফর ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও জনসেবার সুযোগ দিন : প্রধানমন্ত্রী | পদ্মা দুর্নীতি: রিমান্ড শেষে মোশারফ-ফেরদৌস কারাগারে | ভারতের মাটিতে পাকিস্তানের সিরিজ জয় | সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের কাজ প্রায় শেষের পথে: সিইসি | ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন করতে আইনগত বাধা নেই: সিইসি | স্কাইপে কথোপকথন:জিয়াউদ্দিনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে ট্রাইব্যুনাল | জামায়াত নেতা তাহের ৭ দিনের রিমান্ডে | আরো দুই মামলায় মির্জা ফখরুলকে রিমান্ডের আবেদন | কুমারখালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত | মার্কিন ড্রোন হামলায় পাক জঙ্গি নেতা নিহত | হাসপাতাল ছেড়েছেন হিলারি | সাতক্ষীরায় বাস খাদে, নিহত ১ | কুষ্টিয়ায় ডাকাত সন্দেহে গণপ্রহার, নিহত ২ | সুইজারল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে ৩ জন নিহত

নির্বাচন নিয়ে ভাবনা

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

০০০

রাজনৈতিক দলগুলো সমঝোতার মাধ্যমেই সম্ভব একটি সুষ্ঠু, সুন্দর গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে

'গণতন্ত্র' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই 'গণের তন্ত্র' অর্থাত্ 'জনগণের তন্ত্র' । গণতান্ত্রিক দেশে জনগণই সকল ক্ষমতার উত্স । আর জনগণের ক্ষমতা প্রয়োগের প্রধান মাধ্যম হল জাতীয় নির্বাচন । জনগণই নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের শাসনভার ন্যস্ত করে তাদের প্রতিনিধির উপর । যেহেতু গণতন্ত্র হল দেশের সকল মানুষের তন্ত্র সেহেতু জাতীয় নির্বাচনে দেশের সকল শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। আর যদি জাতীয় নির্বাচনে দেশের সকল শ্রেণির মানুষের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সমর্থন না থাকে তাহলে বুঝতে হবে দেশে সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলসহ সকল শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ ও সমর্থন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অতীতের বাংলাদেশ ও বিশ্বরাজনীতির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, কোন দেশের বড় বিরোধীদলগুলোর অংশগ্রহণ কিংবা সমর্থন ছাড়া কোন জাতীয় নির্বাচন সফল হয়নি এবং ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। আর তাই একটি সুষ্ঠু-সুন্দর গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য সরকারকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকারি দলকে বুঝতে হবে যে বাংলাদেশের রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিরোধীদলসমূহের তথা ১৮ দলীয় জোটের অংশগ্রহণ ও সমর্থন ছাড়া কোনভাবেই জাতীয় নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই দেশ-জাতির স্বার্থে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখতে সরকারিদলকে আন্তরিক হয়ে বিরোধীদলের সাথে আলোচনায় বসতে হবে এবং তাদের ন্যায্য দাবিগুলো পূরণ করতে হবে। অপরদিকে বিরোধীদলগুলোকেও সহনশীল হয়ে সংঘাত এড়িয়ে জাতীয় স্বার্থে সমঝোতায় আসতে হবে।

আবদুল মতিন বুলবুল

বি,এ (সম্মান) ৪র্থ বর্ষ, ইংরেজি বিভাগ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

০০০

ক্ষমতার নির্বাচন পরিহার করে

ও গণমানুষের বাঁচার

নির্বাচন করা উচিত

বহির্বিশ্বে যখন সাধারণ গণমানুষের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য, শিক্ষা, বস্ত্র, বাসস্থান ও সু-চিকিত্সাকর্মে আবদ্ধ হয়ে দেশের মানুষের সেবা প্রদানে লিপ্ত। কিন্তু বাংলাদেশে তার বিপরীত পন্থা অবলোকন প্রকাশ পায়। খাদ্য, শিক্ষা, আত্মকর্মসংস্থান কর্মকাণ্ড পরিহার করে নিজ স্বার্থে ফায়দা লুটছে দেশের গণমাধ্যমের সেবক-সেবিকা ও রাজনৈতিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, ওয়ার্ড কমিশনার, কমিশনার, চেয়ারম্যান, নেতাবৃন্দ। যে দেশের রয়েছে সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামল কৃষি আবাদি জমি, নদী, খাল, বিল, শ্রমজীবী মানুষ কিন্তু বর্তমানে দেখা যায় দেশের শ্রম বিদেশে বিক্রি হয়। যে শ্রম দিয়ে দেশ উন্নয়নমূলক কাজে সহায়ক হবে সেখানে উন্নত হচ্ছে ভিনেদশি রাষ্ট্র। এর প্রধান কারণ হচ্ছে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক মন্দা, কৃষি আবাদ জমি বিলুপ্ত, শ্রমজীবী মানুষ চাহিদার তাগিদে বিদেশ ভ্রমণ। তাই সর্বপ্রথম আমাদের দেশের দিক বিবেচনা করে ক্ষমতার নির্বাচন পরিহার করে দেশ ও দলের বাঁচার জন্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাজনৈতিক প্রচারণা ও নির্বাচন করা উচিত।

মো. রাইসুল ইসলাম রানা

অনার্স ২য় বর্ষ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা।

০০০

ক্ষমতাসীন ও বিরোধী জোট আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো উচিত

সংবিধান অনুযায়ী নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নিয়মিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া সুষ্ঠু ও শক্তিশালী গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান শর্ত। যেহেতু বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ তাই এ দেশের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। এর ব্যতিক্রম কারো কাম্য হতে পারে না। আমাদের সংবিধান অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সাধারণ নির্বাচনের বিধান রয়েছে। একটি নির্বাচিত সরকার দেশের জনগণ কর্তৃক পাঁচ বছরের জন্য দেশ পরিচালনার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হন। বহুদলীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন বিষয়ে ভিন্ন মত থাকা স্বাভাবিক। তবে সব বিষয়ে সরকারের বিরোধিতা না করে যৌক্তিক ও গঠনমূলক সমালোচনা করতে হবে। দেশ ও জনগণের জন্য যা কল্যাণকর তা সবাইকে মেনে নিতে হবে। আর যা দেশ ও জনগণের জন্য ক্ষতিকর কিংবা ধ্বংসাত্মক তা অবশ্যই সকলের পরিহার করা উচিত। হরতাল-অবরোধ কখনোই দেশের জন্য কল্যাণকর নয়। এসব ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সাধারণ জনগণের জান-মালের জন্যও হুমকিস্বরূপ। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত দেশের জনগণের স্বার্থে কাজ করা। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেভাবে সহিংসতার দিকে যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে আবারো ১/১১ এর মতো অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। দেশকে অহেতুক অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেয়া ঠিক নয়। অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘাতের পথ পরিহার করে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা উচিত কোন্ পদ্ধতিতে, কার অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে দেশের সুশীল সমাজ কিংবা বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। আলোচনার মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থ হলে প্রয়োজনে গণভোটের ব্যবস্থা করতে পারেন । জনগণই সিদ্ধান্ত দিবে আগামী নির্বাচন কোন্ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।

মো. ওমর ফারুক

দর্শন বিভাগ, ৪র্থ বর্ষ, ৮ম সেমিস্টার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

০০০

নির্বাচনের আগে দু'নেত্রীকে

এক টেবিলে বসতে হবে

দু-নেত্রী তো এখন রেষারেষিতে। সময় পাড় করছে। এটা আগামীদিনের জন্য খুব ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। দু'জনই রেগে মেগে একাকার হয়ে আছে। আর নির্বাচনে জয় তো দু'জনের থেকে একজন হবেন কিন্তু চিন্তার বিষয় হলো, এটার জন্য দু'জনই তো খুব প্রতিশোধ নেয়ার জন্য ফাঁদ পেতে থাকবেন। আর পুরাতন বিচার করে করে ৫ বছর পার করে দিবেন। কিন্তু জনগণের মাঝপথে ভোগান্তি বেড়ে যায়। জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পায়। সবকিছুতেই অস্বস্তিকর অবস্থা হয়ে যায়। তাই নতুন একজন নির্বাচিত হলে তার কোনো পিছুটান থাকবে না। এবং কোনো প্রতিশোধ নেয়ার কেউ থাকবে না। জনগণের দিকেই থাকবে বলে মনে হয়। তাই নতুন একজন সংসদ নির্বাচিত হয়ে আসুক এসে জনগণের কল্যাণে সকলের জন্য কাজ করুক। ইনশাল্লা আল্লাহর রহমতে দু' নেত্রীর রেষারেষি বন্ধ হবে। দুর্নীতিও বন্ধ হবে বলে আমার মনে হয়।

মো. মোশারফ হোসেন সোহাগ,

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ২য় বর্ষ রোল-৭৩,

ষোলশহর ফরেস্ট অফিস বাঁশ বাগান, চট্টগ্রাম।

০০০

প্রার্থীদের দু'মুখোতার কারণে

জনগণ অন্ধ পথে

পা বাড়ায়

রাজনীতির জগতে নির্বাচনের দায়িত্ব থাকে জনগণের হাতে। যেখানে জনগণের সুষ্ঠু বিবেক-বুদ্ধির মাধ্যমে যোগ্য নেতাকে নির্বাচন করে তাদের উপযুক্ত সেবার জন্যে লাভ করা। কিন্তু অনেক সময় নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না। এর অনেক কারণের মধ্যে দুটি প্রধান কারণ হলো জনগণের অজ্ঞতা ও প্রার্থীদের প্রতারণা। যেখানে জনগণের হাতে পবিত্র দায়িত্বটুকু দেয়া হয় সেখানে অনেকক্ষেত্রে জনগণের অজ্ঞতার কারণে তা ব্যর্থ হয়। আবার প্রার্থীদের দু'মুখোতার কারণে জনগণ অন্ধ পথে পা বাড়ায়। অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রচারণা চালিয়ে জনগণের মূল্যবান ভোট হাতিয়ে নেয় একদল দুর্বৃত্ত। তারা সহজ-সরল জনগণের দুর্বলতার জায়গায় প্রবেশ করে তাদের উদ্দেশ্য হাছিল করে। এ হতে পারে মিথ্যা আশা দেখানো, হতে পারে অর্থের প্রবণতা, হতে পারে বা সন্ত্রাস প্রবণতা। এসব ক্ষেত্রে জনগণ লোভের মোহে যোগ্য নেতা থেকে অনেক অনেক দূরে চলে যায়। তাই আমরা এমন নির্বাচন চাই যেখানে থাকবে না জনগণের অজ্ঞতা, থাকবে না প্রার্থীদের অভিনয় অথবা জনগণের কাছে প্রার্থীদের অভিনয়ের আশ্রয়।

শামিমা জিনাত (তাসনিয়া)

একাদশ শ্রেণি, মানবিক বিভাগ

নরসিংদী মডেল কলেজ।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করতে বলেছেন খালেদা জিয়া। আপনি তার এ বক্তব্য সমর্থন করেন?
2 + 7 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ২১
ফজর৪:৫৮
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :