The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার, ৫ জানুয়ারি ২০১৩, ২২ পৌষ ১৪১৯, ২২ সফর ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ 'যুক্তরাষ্ট্র জিএসপি সুবিধার বিষয়টি বিবেচনা করবে' | নারী শিবির সন্দেহে আটক ৭ | তাজরীনের মালিককে গ্রেফতারের দাবি | রাজধানীতে ১২টি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ | মালালাকে সম্মাননা জানাতে মার্কিন কংগ্রেসে বিল উত্থাপন | 'চুরি ও দুর্নীতির কারণেই বাড়াতে হয়েছে তেলের দাম' | দিল্লিতে গণধর্ষণ : ঘটনার বর্ণনা দিলেন মেয়েটির বন্ধু

[ রা জ নী তি ]

চলমান রাজনীতি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ক কথকতা

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

গুনারমিরডাল তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'এশিয়ান ড্রামায়' প্রাচ্য এগালিটারিয়ানইজম বা সমতা নীতির কথা বর্ণনা করেছেন। এশিয়া বা প্রাচ্য রাষ্ট্রবিজ্ঞান চর্চায় এই সমতা নীতি অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ। কারণ সেই প্রাচীনকাল থেকে 'সাম্য মৈত্রির বন্ধন' বৈচিত্র্যের মাঝে প্রাচ্য সমাজকে মোটামুটিভাবে একক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত রেখেছে। বাংলাদেশ বলা যায় এশীয় সমাজ বা প্রাচ্যজনপদের হূদপিন্ডে: মধ্যভাগে অবস্থিত একটি সমগোত্রীয়দের দেশ। চিরকাল অনুসৃত সমতা, সমঝোতা, একতার এই দেশে কেন এত হানাহানি? কিভাবে আমরা এই অভিশাপ মুক্ত হতে পারি? এমন প্রশ্ন নিয়ে গেল সপ্তাহে (২১ ডিসেম্বর ২০১২) হয়ে গেল এক জমজমাট আলোচনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান এলামনি এসোসিয়েশন আয়োজিত এই আলোচনা বা রাউন্ড টেবিলে অংশ নিয়েছিলেন দেশের বিদগ্ধজনেরা। বিষয়টি প্রাসঙ্গিক বলেই এখানে অবতারণা।

এখানে বলে রাখা ভাল যে, রাজনীতি বিষয়ক বিদ্যা নিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন অধ্যয়ন হলেও এই বাংলাদেশে এত বছরেও এদের তরফ থেকে রাষ্ট্র বা রাজনীতি বিষয়ক তেমন কোন বাস্তবানুগ বা কার্যকর পরামর্শ, প্রস্তাবনা বা পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। অতীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমিতি বা এলামনি এসোসিয়েশনের তরফ থেকে যা হয়েছে তা নিছক গতানুগতিকতার বাইরে কিছু নয়। উল্লেখিত এলামনি এসোসিয়েশন এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমধর্মী একটি কাজ করেছেন। উপস্থিত রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা রাজনীতি নিরাসক্তভাবে রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নের কথা বলেছেন। তারা উদাহরণ দিয়ে বলেছেন অর্থনীতি সমিতি যদি অর্থনীতি পর্যালোচনা করে জাতির অর্থনৈতিক অবস্থান নির্ণয়ে সহায়তা করতে পারে তাহলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নকারীরা কেন রাজনীতির অর্থবহ পথনির্দেশনা দিতে পারবে না। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে বছরে একবার অথবা সঙ্কটকালীন সময়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমিতি বা এলামনি এসোসিএশন বিভক্ত চরম দলীয় কোন্দলে লিপ্ত জাতিকে সঠিক 'প্রেসক্রিপশন' দিতে পারে।

বলছিলাম রাষ্ট্রবিজ্ঞান এলামনি এসোসিয়েশনের কথা। অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অনেক শিক্ষার্থী। সবচেয়ে তাত্পর্যপূর্ণ বিষয়, এরা সেখানে হাজির করেছিলেন সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ কয়েকজন রাজনীতিককে। উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা জনাব তোফায়েল আহমেদ, বিএনপি'র অন্যতম শীর্ষনেতা খোন্দকার মোশাররফ হোসেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জনাব ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন, তৃতীয় মাত্রার রাজনীতির রূপকার মাহমুদুর রহমান মান্না, সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাংবাদিক এ বিএম মূসা। উপস্থিত ছিলেন এক সময়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন এমন সব আমলা, পেশাজীবী এবং অন্যরা। প্রধান দু'দলের লোকজন ছিল সম্ভবত সমানে সমান। তৃতীয় পক্ষ ধরনের আলোচনা হওয়ার সুবাদে উঠে এসেছিল নানা অপ্রিয় সত্য কথা, সংবেদনশীল বিষয়সমূহ এবং চলমান রাজনীতি সম্পর্কে সতত সত্য কথাগুলো। এখানে অকৃত্রিমভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বর্তমান সাংঘর্ষিক রাজনীতি সম্পর্কে সাধারণ তৃণমূল পর্যায়ের যথার্থ জনমত। রাজনীতিবিদরা কথা বলেছেন সবকটা জানালা খুলে। সাধারণ নাগরিকদের অকুতোভয় আবেগময় অনুভূতি প্রস্ফুটিত হয়েছে উন্মুক্ত আলোচনায়। প্রতিটি শব্দে, প্রতিটি বাক্যে প্রতিটি উচ্চারণে প্রতিফলিত হয়েছে দেশের জন্য মানুষের ভালবাসা। কোটি কোটি মানুষের জন্য শুভকামনা এবং অনাগত ভবিষ্যতের জন্য উত্কণ্ঠা।

চলমান বিষয়েরই প্রাধান্য ছিল আলোচনায়। ছিল আশা-নিরাশার কথা। চলমান সংকট নিরসন কৌশল নিয়ে একবাক্যে সবাই সংলাপকেই যথার্থ উপায় বাতলে দিলেন। পরামর্শ ছিল সংলাপের জন্য দু দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। একরকম সবাই বলছিল সংলাপের পক্ষে প্রবল জনমত তৈরি করতে হবে। দু'নেত্রীকে সংলাপ মানানোর ঔষধ আবিষ্কার করতে হবে- কেউ কেউ বলছিলেন। এ ধরনের প্রস্তাবনা অবশেষে প্রশ্ন, বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধবে কে? ইতোপূর্বে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রফিকুল হক এরকম প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কটূক্তি শুনেছেন; আমি কার খালুরে? আর আপোষহীন নেত্রীর আপোস না করার সুনাম তো রয়েছেই। একজন প্রবীণ বক্তার খেদোক্তি ৫ জন তোফায়েল অথবা ১০ জন খোন্দকার মোশারফ একত্র হয়েও কি তাদের কথা শোনাতে পারবেন? ব্যক্তিতন্ত্রে অথবা পরিবারতন্ত্রে রাষ্ট্র চলছে মন্তব্য আর এক জনের।

সংলাপের ব্যাপারে স্পষ্ট সাজেশন দিলেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বল্লেন: সংলাপের লক্ষ্য ও কৌশলের কারণে সংসদের বাইরেই সংলাপ হতে হবে। সংসদে আলোচনা-সমালোচনা হতে পারে। তিনি সরকারি দলকেই উদ্যোগ নেয়ার তাগিদ দেন। বিরোধী দলের সংসদ বর্জনেরও সমালোচনা করেন তিনি। প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা সতর্ক করে দেন যে, দেশ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। রাজনীতি দিয়ে তিনি রাজনীতি মোকাবিলার আহবান জানান। সংলাপের জন্য রাষ্ট্রপতি উদ্যোগ নিতে পারেন বলে তিনি অভিমত দেন। ক্ষীণ আশাকে দৃঢ় বিশ্বাসে রূপান্তরের কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য জনাব ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন সংলাপের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। সরকার কর্তৃক নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে সভায় উত্থিত এ রকম অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

খোন্দকার মোশাররফ হোসেন পঞ্চদশ সংশোধনীর ইতিবৃত্ত তুলে ধরেন। একটি সিনেমা হলের মালিকানার মোকদ্দমা কিভাবে রাষ্টপক্ষ নিজ স্বার্থ সুবিধার জন্য ব্যবহার করেছে তিনি তার বর্ণনা দেন। প্রদত্ত রায়ের রেকর্ড উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, আরও দ'ু টার্মের জন্য বিচারকের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য ষড়যন্ত্র করে তড়িঘড়ি করে এটা করা হয়েছে। পঞ্চদশ সংশোধনীতে কথিত সংসদ বহাল রেখে নির্বাচনের বিধান এবং পরবর্তীকালে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ৪৫ দিন আগে সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার সরকারি ঘোষণার অসামঞ্জস্য তুলে ধরে তিনি প্রস্তাব করেন ষষ্ঠদশ সংশোধনী যখন আনতেই হবে তখন এটাই হোক নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সংযোজনের সংশোধনী। খোন্দকার মোশাররফ সংলাপের ব্যর্থতার অতীত রেকর্ড মনে করিয়ে দিয়ে বলেন অতীতে বিএনপি যেমন একক উদ্যোগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রস্তাবনা সংযোজন করেছে তেমনই ক্ষমতাসীন সরকার স্ব উদ্যোগে স্বত:স্ফূর্তভাবে সংশোধনী এনে জাতির কাছে ধন্যবাদার্হ হতে পারে।

জনাব তোফায়েল আহমেদ আবেগের সাথে অতীত রোমন্থন করেন এবং খোলামেলাভাবে নিজের অভিমত তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরটি ছিল এই যে, রাজনীতি আজ আর রাজনীতিবিদদের হাতে নেই। তদ্রূপ ছাত্র রাজনীতিও ছাত্রনেতাদের হাতে নেই। অতীতে রাজনীতিক এবং ছাত্রনেতাদের সম্পর্ক ছিল সম্মানসূচক সম্ভ্রমসূচক। আজ আর তা নেই। বঙ্গবন্ধু যে চরম রাজনৈতিক বৈরি ব্যক্তিত্বের প্রতি সদাচরণ করেছেন তার উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাজনীতি থেকে সমঝোতা, সহিষ্ণুতা, সততার সংস্কৃতি বিসর্জিত হয়েছে। খোন্দকার মোশারফ উত্থাপিত রাজনৈতিক ইস্যুসমূহের জবাব দেন তিনি। সংসদীয় বিধি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোথাও তত্ত্বাবধায়ক নির্বাচন ব্যবস্থা নেই-একথা উল্লেখ করে তিনি বিরোধী দলকে নির্বাচন কমিশন শক্তিশালীকরণ এবং সংসদে এসে প্রস্তাব উত্থাপনের অনুরোধ করেন। বাকশাল সম্পর্কে উত্থাপিত অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, এটি ছিল জাতীয় ঐক্যের প্রতিফলন এবং একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা। সেনানিবাসের অনুষ্ঠানে বিরোধী নেত্রীকে সম্মান না জানানোর অভিযোগের উত্তরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিরোধী নেতাকে অভ্যর্থনা বা সম্মান জানানোর সুযোগ ও পরিবেশ ঘটেনি। খালেদা জিয়ার ভারত সফর সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর 'তেল মারতে গেছেন'- এমন সরল যুক্তি প্রসঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্কটকে দায়ী করেন এবং পাল্টা প্রশ্ন করেন যে, মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে সবাইকে চোর বলে বিরোধী নেত্রী কি শোভন আচরণ করেছেন? উপরোক্ত আলোচনায় শীর্ষ রাজনীতিকদের কয়েকজনকে অন্তত একত্রে বসার ব্যবস্থা করায় অতি উত্সাহী কেউ কেউ বলেছেন, এর মাধ্যমে সংলাপ শুরু হয়ে গেল। তবে সবাই জানে 'দিল্লি অনেক দূর'। প্রবীণ রাষ্ট্র বিজ্ঞানী প্রফেসর ড.এম নজরুল ইসলাম বলেছেন, তার সংগঠন 'সংলাপ' এর উদ্যোগ নেবে এবং সাংঘর্ষিক রাজনীতিকে স্বাভাবিক করার চিন্তাভাবনা করবে। আলোচনা অবশেষে বিরোধ নিরসনে সিভিল সোসাটির আরও এগিয়ে আসার বিষয়টি সবার কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এদিকে স্বরাষ্টমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধীদের এ দেশে থাকার অধিকার নাই। ঐ দিনই অভিযানে শিবিরের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শিবির হরতাল ডাকবে বলেছিল কিন্তু হরতাল তারা ডাকে নাই। অপরদিকে ২৬ ডিসেম্বর'১২ মহাজোট তথা ক্ষমতাসীন মহাজোটের উদ্যোগে যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে গণমিছিল বের করা হয়। সমাবেশে দফতর বিহীন মন্ত্রী বাবু সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেন, আগামী বছরের মধ্যে ১৪ যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর করা হবে। এ ধরনের বেফাস কথা বলায় মানবতাবিরোধী দ্বিতীয় ট্রাইবুনাল স্বত:প্রবৃত্ত হয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে রুল জারি করেছে। স্কাইপি আলোচনায় গত সপ্তাহও উত্তপ্ত থাকে গণমাধ্যম। বিশিষ্ট আইনজীবীদের অভিমত স্কাইপি সংলাপ বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, ন্যায়ের স্বার্থে পুনর্বিচার করতে হবে। অপরদিকে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি (ঘাদানিক) মন্তব্য করেছে আহমেদ সিরাজউদ্দিন আশোভন নীতি বিবর্জিত কাজ করেছেন। উল্টোকথা বলেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, বিচারপতি নিজামুল হকের পদত্যাগ করা ঠিক হয়নি। অবরুদ্ধ দু' ব্যক্তি : বিএনপি কার্যালয়ে যুগ্মসম্পাদক রুহুল কবীর রিজভী এবং আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলামের দ্বিতীয়বার জামিনের আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়েছে। হাইকোর্টে আবেদনের কথা জানিয়েছেন মীর্জার আইনজীবী।

সবচেয়ে উত্তাপ ছড়িয়েছে বিরোধী দলীয় নেতা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন জায়গায় গণসংযোগ। পথসভা স্টাইলের এ জনসভাগুলো মহানগরীতে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। রণকৌশলের দিক দিয়ে অভিনব এ আয়োজন শাসকদল বাধা দেবে না বলে জানিয়েছে। বিএনপি আগেই বলেছিল 'বাঁধা দিলে বাধবে লড়াই'। লড়াই ছাড়াই এ ধরনের আয়োজন জনারণ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। বিপরীতে সরকার পক্ষ বলেছে, সব আয়োজন ব্যর্থ হয়েছে।

লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ,

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
এবার একুশে বইমেলায় কোন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন স্টল দিতে পারবে না। বাংলা একাডেমীর এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?
7 + 9 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
সেপ্টেম্বর - ২৩
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৩
মাগরিব৫:৫৭
এশা৭:১০
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫২
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :