The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার, ৫ জানুয়ারি ২০১৩, ২২ পৌষ ১৪১৯, ২২ সফর ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ 'যুক্তরাষ্ট্র জিএসপি সুবিধার বিষয়টি বিবেচনা করবে' | নারী শিবির সন্দেহে আটক ৭ | তাজরীনের মালিককে গ্রেফতারের দাবি | রাজধানীতে ১২টি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ | মালালাকে সম্মাননা জানাতে মার্কিন কংগ্রেসে বিল উত্থাপন | 'চুরি ও দুর্নীতির কারণেই বাড়াতে হয়েছে তেলের দাম' | দিল্লিতে গণধর্ষণ : ঘটনার বর্ণনা দিলেন মেয়েটির বন্ধু

কপাল পুড়ছে কৃষকের

আমন বোরোসহ প্রায় সব ধরনের ফসলের এবারও বাম্পার ফলন। তবে দাম কমে যাওয়ায় উত্পাদন খরচও উঠছে না অনেক ক্ষেত্রে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ফসলের ন্যায্যমূল্য দিতে কৃষকের কাছ থেকে সরকারকে সরাসরি ধান চাল কিনতে হবে

মুন্না রায়হান

মাঠে মাঠে এবারও বাম্পার ফলন। প্রায় সব ধরনের ফসলের। পরপর গত দুই বছরই দেশে উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে আমন, বোরোর। অথচ কৃষকের মুখে হাসি নেই। কারণ, ফসল বিক্রি করে লাভ তো দূরের কথা, উত্পাদন খরচই উঠছে না।

ইতিমধ্যে এর প্রভাব পড়েছে এ খাতের প্রবৃদ্ধির হারে। কারণ, উত্পাদন বাড়লেও প্রবৃদ্ধি কমছে কৃষিতে। আর কৃষিতে প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে জাতীয় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাও অর্জিত হয়নি। অর্থনীতিবিদরা অবশ্য বলেছেন, আশংকার কিছু নেই। কারণ, আমাদের উত্পাদন তো কমছে না। এখন দাম বাড়াতে হবে। কৃষক তার ফসলের নায্যমূল্য পেলেই প্রবৃদ্ধি বাড়বে। এজন্য কি করতে হবে—এমন প্রশ্নে অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, আমাদের চাল রফতানিতে যেতে হবে। তবে তা করতে হবে অনেক ভেবে-চিন্তে। গত বছর থেকেই কয়েক লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত থাকছে। সামনে বোরোর উত্পাদন যদি ভালো হয়, তাহলে রফতানির ব্যাপারে চিন্তা করতে হবে।

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, কৃষককে তার ফসলের নায্যমূল্য দিতে সরকারকে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকেই ধান-চাল কিনতে হবে। যদিও এটা খুব সহজ নয়, তারপরও এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। যেতে হবে প্রক্রিয়াজাতকরণেও। চাল থেকে বিভিন্ন খাবার তৈরি করতে হবে আমাদের। এছাড়া সরকারের খাদ্যশস্য সংগ্রহের পরিমাণ আরো বাড়াতে হবে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ফসলের উত্পাদন বাড়াতে সার, ডিজেলের দাম কমানোর পাশাপাশি নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে। ভর্তুকি বাড়িয়ে দেয় কৃষিতে। বাড়ানো হয় ঋণ বিতরণের পরিমাণও।

২০০৮-০৯ অর্থবছরে যেখানে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা, সেখানে চলতি অর্থবছরে ভর্তুকির পরিমাণ ৭ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া চলতি অর্থবছরে ১৪ হাজার ১৩০ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। যেখানে গত অর্থবছরে ছিল ১৩ হাজার ৯৪৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা। ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে ব্যাংকগুলো চার হাজার ৫৬১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছে।

আর সরকারের এসব ইতিবাচক পদক্ষেপের ফলে চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠে কৃষক। কিন্তু গত দুই বছরে ধান, পাটের দাম না পাওয়ায় সেই আগ্রহ এখন তলানিতে ঠেকেছে।

এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধিতেও। বিবিএস-এর হিসাবে ২০০৯-১০ অর্থবছরে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। ২০১০-১১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৫ শতাংশ। গত ২০১১-১২ অর্থবছরে তা ২ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এসেছে। আর এর প্রভাবে সামগ্রিকভাবে জাতীয় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১২ সালের মুদ্রানীতি বিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। জাতীয় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ থাকলেও অর্জিত হয়েছে ৬ দশমিক ৩২ শতাংশ।

কমেছে পাট চাষ

সোনালী আঁশ পাট নিয়ে যে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিল কৃষক তাতে রীতিমতো ভাটা পড়েছে। গত মৌসুমসহ তার আগের মৌসুমেও পাটের দাম ভালো পাওয়া যায়নি। গত মৌসুমে মানভেদে প্রতি মণ পাট বিক্রি হয়েছে ৯শ থেকে ১৭শ টাকা। এতে যারা ভালো মানের পাট চাষ করেছেন তাদের উত্পাদন খরচই উঠেনি। এর প্রভাব পড়েছে পাট চাষে। ২০১০-১১ অর্থবছরে দেশে ৭ লাখ ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হলেও ২০১১-১২ অর্থবছরে ৬০ হাজার হেক্টর কমে ৭ লাখ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়। এবার এখনো পাটের আবাদ পুরোপুরি শুরু হয়নি।

কৃষকরা বলছেন, গত দুই বছরে সব ধরনের কৃষি উপকরণের দাম যেভাবে বেড়েছে সে অনুপাতে বাড়েনি ফসলের দাম। অনেক সময়ই উত্পাদন খরচই উঠছে না। কৃষিপণ্যের বীমার সুবিধা চালু না হওয়ায়ও কৃষক হতাশ।

পাটের বাজার না থাকার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সংকটসহ বিভিন্ন কারণকে দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশের পাটের বড় ক্রেতা সিরিয়া, মিসর, ইরান, ইরাক ও লিবিয়া পাট ও পাটজাত পণ্যের আমদানি কমিয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে অনেক জায়গায় বাজার পুরোপুরি বন্ধ। এ অবস্থায় নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করতে না পারলে পাটের বাজারে দীর্ঘস্থায়ী মন্দা আসবে।

ইতিমধ্যে রফতানিও কমেছে আশঙ্কাজনকভাবে। ২০১০-১১ অর্থবছরে পাট রফতানি করে বাংলাদেশ আয় করেছিল ১১১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। কিন্তু গত ২০১১-১২ অর্থবছরে তা ৯৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলারে নেমে এসেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে কাঁচা পাট রফতানি হয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৬১ বেল। অথচ গত অর্থবছরে কাঁচা পাট রফতানি হয়েছিল ৬ লাখ ২৩ হাজার ৯১ বেল।

বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশন সূত্র জানিয়েছে, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে পাটের নতুন বাজার খোঁজার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু গত তিন বছরেও তা সফল হয়নি। পাওয়া যায়নি পাটের নতুন বাজার। তবে এরই মধ্যে থাইল্যান্ডে পাটের বস্তা রফতানি শুরু করেছে বাংলাদেশ। সেখানে আমাদের ১ লক্ষ টন পাটজাত পণ্যের বাজার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিজেএমসি সূত্র জানিয়েছে।

তবে দেশেই পাটের ব্যবহার বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাটের মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে আইন করা হলেও খোদ সরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানই তা মানছে না। পাশাপাশি বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানও তাদের উত্পাদিত পণ্যের মোড়কে পাট ব্যবহার করছে না। অথচ সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ পরিচালিত 'জুট অ্যান্ড বাংলাদেশ ইকোনমি' শীর্ষক সমীক্ষায় বলা হয়, পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক আইন বাস্তবায়ন করা গেলে দেশে বার্ষিক পাটের ব্যাগের চাহিদা ৯০ হাজার পিস থেকে বেড়ে ৮৪ কোটি পিসে উন্নীত হবে। এর ফলে পাটের চাহিদা বাড়বে, দামও বাড়বে। লাভবান হবে কৃষক। সূত্র জানায়, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যদি পাটপণ্য ব্যবহার করতো তাহলে দেশে উত্পাদিত পাটের অর্ধেকের বেশি এখানেই ব্যবহার হতে পারত। বর্তমানে বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশন (বিজেএমসি ) উত্পাদিত পাটের ১৬ শতাংশ ক্রয় করে। এই হিসাবে প্রায় ২০ লাখ বেল পাট ক্রয় করা হয়। পাটের মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক আইন কার্যকর হলে পাট ক্রয়ের পরিমাণ আরো বাড়বে।

এক বছর লাভ হলে পরের বছর লোকসান

আলুর বাজার এখন ভালো থাকলেও গত বছর মার খেয়েছে আলু চাষিরাও। তারপরও উত্পাদন বেড়েছে আলুর। উত্পাদন বৃদ্ধির তালিকায় আছে গম, ভুট্টা। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে ২০১১-১২ অর্থবছরে দেশে গম ও ভুট্টার উত্পাদন হয় যথাক্রমে ৯ লাখ ৯৫ হাজার টন ও ১৯ লাখ ৫৪ হাজার টন। অথচ ২০০৭-০৮ অর্থবছরে গম ও ভুট্টার উত্পাদন ছিল যথাক্রমে ৮ লাখ ৪৪ হাজার টন ও ১৩ লাখ ৪৬ হাজার টন। বেড়েছে সবজির উত্পাদন। গত ২০১১-১২ অর্থবছরে দেশে সবজি উত্পাদন হয় এক কোটি ২৬ লাখ টন, যা এর আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৫ লাখ টন বেশি। চলতি বছর সবজির বাজার কিছুটা চড়া হলেও গত বছর ছিল নিন্মমুখী। আবার বাজার ভালো থাকলেই যে চাষিরা সব সময় ভালো দাম পান তাও নয়। গত মৌসুমে চাষিরা যে টেমেটো বিক্রি করেছেন ৩ থেকে ৪ টাকা কেজি, সেই একই টমেটো রাজধানীতে বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজিতে।

লোকসান গুনতে হয়েছে আমন চাষিকে

গত প্রায় দুই বছর ধরেই ধান-চালের বাজার নিন্মমুখী। চলতি আমন মৌসুমেও কৃষককে প্রতি মণ ধানে একশ থেকে দেড়শ টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। বর্তমানে মোটা ধান ৫শ টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে ৫শ ও সরু ধান ৬শ থেকে ৬২০ টাকা মণদরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ কৃষকরা উত্পাদন বাড়িয়েই চলেছেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য মতে ২০১১-১২ অর্থবছরে চালের উত্পাদন হয়েছে ৩ কোটি ৩৮ লাখ টন, যা এর আগের অর্থবছরের তুলনায় ৩ লাখ টন বেশি। আর চালের উত্পাদন বাড়ায় গত দুই বছরেও চাল আমদানি করতে হয়নি। বরং উদ্বৃত্ত থেকেছে কয়েক লাখ টন চাল।

২০১০-১১ সালের শুমারি অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা ১৫ কোটি ২৫ লাখ। বিবিএসের হিসাবে মাথাপিছু বছরে চাল প্রয়োজন ১৫২ কেজি। এই হিসাবে বছরে চালের প্রয়োজন ২ কোটি ৩২ লাখ টন। উত্পন্ন ধান থেকে বীজ, অপচয় ও গো-খাদ্য মিলিয়ে আরো প্রয়োজন কমপক্ষে ১২ শতাংশ। যার পরিমাণ ৪ দশমিক ০৬ মিলিয়ন টন। সব মিলিয়ে দেশে চালের প্রয়োজন ২৭ দশমিক ২৪ মিলিয়ন টন। উদ্বৃত্ত থাকছে ৬ দশমিক ৫৬ মিলিয়ন টন।

এই উদ্বৃত্ত থাকার কথা বলেছেন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকও। খাদ্যমন্ত্রী ইত্তেফাককে বলেন, এই মুহূর্তে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্যে আমাদের কোন সংকট নেই। খুব ভালো অবস্থানে আছি আমরা। বর্তমানে গম আমদানি করা হলেও চাল আমদানি করা হয় না বলে তিনি জানান।

তবে যাদের ঘামে-শ্রমে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে যাচ্ছে সেই কৃষকরাই ভালো নেই। বগুড়ার ভবানীপুর এলাকার কৃষক চন্দ্র বলেন, কষ্ট করে চাষবাস করে আর লাভ হয় না। অনেক সময় খরচা উঠতেই টান পড়ে। তারপর আবার বর্গা নিয়ে জমি চাষ করতে হয়।

পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. শামসুল আলম গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, গত দুই মৌসুম থেকেই কৃষক ধান-পাটের দাম পাচ্ছেন না। কিন্তু কৃষকের উত্পাদন খরচ তো উঠে আসতে হবে। এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার কমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতে আশংকার কিছু নেই। কারণ, আমাদের উত্পাদন তো কমছে না। এখন দাম বাড়াতে হবে। এজন্য আমাদের রফতানিতে যেতে হবে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ব্যবসা ও বিপনন বিভাগের অধ্যাপক ড. শংকর কুমার রাহা গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, এটা মনে করার কোন কারণ নেই যে, কৃষক তার ফসলের নায্যমূল্য না পেলেও তারা চাষাবাদে আগ্রহ দেখাবে। কৃষকের মাথার ঘাম পেয়ে ফেলে উত্পাদিত ফসলের জন্যই আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ং-সম্পূর্ণতার দিকে যাচ্ছি। কৃষি ব্যবসা ও বিপনন বিভাগের এই অধ্যাপক বলেন, সার, ডিজেলসহ সব ধরনের কৃষি উপকরণের দাম বেড়েছে। সে তুলনায় বাড়েনি ফসলের দাম। সরকারের উচিত কৃষক যাতে তার ফসলের নায্যমূল্য পায় সেদিকে দৃষ্টি দেয়া। এছাড়া কৃষকরা সংগঠিত না। এজন্য তাদের ঠকানো হচ্ছে। তবে আমরা যদি তাদের এই দূর্বলতার সুযোগ নেই। তাহলে কিন্তু ফল ভালো হবে না। কারণ, কৃষক চাষাবাদে আগ্রহ হারালে আমাদের বিপদে পড়তে হবে।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
এবার একুশে বইমেলায় কোন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন স্টল দিতে পারবে না। বাংলা একাডেমীর এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?
2 + 6 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
মে - ২০
ফজর৩:৪৯
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৪
মাগরিব৬:৩৯
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:১৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :