The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ০৫ জানুয়ারি ২০১৪, ২২ পৌষ ১৪২০, ০৩ রবিউল আওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল: আওয়ামী লীগ (নৌকা) ১০৩টি, জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল) ১২টি, অন্যান্য ২২টি

নির্বাচনী ফলাফল

অনলাইন ডেস্ক

আমাদের বিভিন্ন অফিস, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো এখন পর্যন্ত পাওয়া আসন ভিত্তিক ফলাফল দেয়া হলো-

ঝালকাঠি-১:

ঝালকাঠি-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে বজলুল হক হারুন পেয়েছেন ৮৮, ৪৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙল প্রতীকের নাসিরউদ্দিন পেয়েছেন ৪,৫১৩। এই আসনে মোট ভোটার ছিল এক লাখ ৫৪ হাজার ৫৭৪ জন। ভোট পড়েছে ৫৪.৪৪ শতাংশ।

মৌলভীবাজার-১:

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে ৯৪ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৯৩ টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ঘোষিত ফলাফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহাবুদ্দিন আহমদ (নৌকা) পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২০ ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৯ হাজার ৬শ ৪৯ ভোট। ১ কেন্দ্র ফলাফল স্থগিত রয়েছে।

মেহেরপুর-১:

সদর ও মুজিবনগর উপজেলা আসন থেকে আওয়ামী লীগের ফরহাদ হোসেন দোদল ৭৯হাজার ৪১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফুটবল এডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম ভোট পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৩১টি।

মৌলভীবাজার-২:

মৌলভীবাজার-২ আসনে ১২২টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে কুলাউড়া উপজেলায় ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর সভা সহ রয়েছে ৯৩টি এবং কমলগঞ্জ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে রয়েছে ২৯ টি ভোট কেন্দ্র। সবগুলি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আব্দুল মতিন (আনারস প্রতীক) পেয়েছেন ১৯,৯০৯ ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুহিবুল করিম চৌধুরী পিন্টু (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন ১৬,০৫৭ ভোট।

উপজেলা নির্বাচনী কন্ট্রোল রুম থেকে বেসরকারি ভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি রির্টানিং অফিসার মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম।

এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ২,৮১,১০৩ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৩৬,৫১৬ জন।

মেহেরপুর-২:

মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মকবুল হোসেন ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৪৬ হাজার ৮৮৯ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এম এ খালেক নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৪৮৯।

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮ হাজার ৩০২ জন।

সিরাজগঞ্জ-৫:

সিরাজগঞ্জ-৫ (চৌহালী-বেলকুচি) আসনের ১২১ টি আসনের মধ্যে ১টিতে ভোট শুন্য। বাকি ১২০টির ফলাফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল মজিদ মন্ডল নৌকা প্রতীক নিয়ে ৯২,৭৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান রতন (দোয়াত কলম প্রতক) পেয়েছেন ৪,২৪৮ ভোট। এছাড়া জাতীয় পার্টির আবু বকর সিদ্দিক (লাঙ্গন প্রতীক) পেয়েছেন ২০৪৩ ভোট।

৩ লাখ ৩ হাজার ২৭৭ ভোটের মধ্যে প্রায় ১লাখ ভোট কাস্ট হয়েছে যার শতকরা হার ৩৩ শতাংশ।

রংপুর- ৩: সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী রংপুর- ৩ (সদর) আসনে ১৯৮টি ভোটকেন্দ্রে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এইচ এম এরশাদ পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৪৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মশাল প্রতীক নিয়ে জাসদের সাব্বির আহমেদ পেয়েছেন ২৫ হাজার ৫৮৬ ভোট। দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ২৯ হাজার ৮৬৭।

রংপুর-৬:

রংপুর-৬ আসনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা (নৌকা) ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির নুর আলম (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৫৬ ভোট।

১০৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে দুটি কেন্দ্রের ফল স্থগিত রয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৬২ হাজার ৭৩৫।

গাজীপুর-৪:

গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের আওয়াম লীগ মনোনীত প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১১৭ টি কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে রিমি পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৮৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী জাতীয় পার্টির এম এম আনোয়ার হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৩৩ ভোট।

অপর প্রার্থী বিএনএফের প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৬২৬ ভোট। বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৩৩৭ ভোট।

এ আসনে ২ লাখ ২৯ হাজার ৫৪০ ভোটের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার। ভোটার উপস্থিতির হার ৫৩ শতাংশ।

মুন্সীগঞ্জ-২

মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে ১১৯টি কেন্দ্রের সব কটির ফলাফল অনুযায়ী বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৩১৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুবউদ্দিন আহম্মেদ বীরবিক্রম আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮হাজার ৪৬১। রিক্সা প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আব্দুল ওয়াদুদ পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪৯।

বগুড়া-৪:

কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনের ১০৫টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে ২২ হাজার ২০৩ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জাসদ মনোনীত প্রার্থী (মশাল) রেজাউল করিম তানসেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী নূরুল আমীন বাচ্চু (লাঙ্গল) পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪৮৯ ভোট।

নরসিংদীর-১: নরসিংদী-১ আসনে মহাজোট প্রার্থী বর্তমান এমপি লেঃ কর্ণেল(অবঃ) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হিরু বীর প্রতীক ৭৯,৭৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাপা(এরশাদ) প্রার্থী এডভোকেট মোস্তফা জামাল বেবী (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন ৪,৫৮৩ ভোট।

নরসিংদী-২:

আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি ডাঃ আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপের ছোট ভাই বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আশরাফ খান পোটন ৩৮,২১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহাজোট প্রার্থী জাসদ(ইনু) নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৭,২৩৪ ভোট।

নরসিংদী-৩:

আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবলীগের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম মোল্লা(হাঁস প্রতীক) ৫৪,৬৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহাজোট প্রার্থী বর্তমান এমপি জহিরুল হক ভূঞা মোহন নৌকা প্রতীক নিয়ে ৩১,৯৪৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন।

রাজশাহী-৩:

এ আসনে আয়েন উদ্দিন নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৮৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি) মেরাজ মোল্লা কলস প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৪৩ ভোট। এছাড়া জাতীয় পার্টির শাহাবুদ্দীন বাচ্চু লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৮১৬ ভোট।

রাজশাহী-৬: বাঘা-চারঘাট আসনে শাহরিয়ার আলম পেয়েছেন ৭০ হাজার ১১০ ভোট এবং তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দী স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগ নেতা) রায়হেনুল হক রায়হান পেয়েছেন ২১ হাজার ৪৬৩ ভোট। ভোটগণনা শেষে রাতে বেসরকারী ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

কুড়িগ্রাম-১:

কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী ভুরুঙ্গামারী) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ৭৮ হাজার ৮৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ¦ী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থি আব্দুল হাই মাষ্টার পেয়েছেন ২৯ হাজার ৩১১ ভোট।

কুমিল্লা-৪:

দেবিদ্বারে হাতী প্রতীকে রাজী মোহাম্মদ ফখরুল বে-সরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছে। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জাতীয় পার্টি সমর্থিত মহাজোট প্রার্থী ইকবাল হোসেন রাজু থেকে ৪ হাজার ২৬৭ ভোট বেশি পেয়েছেন।

এ আসনে মোট ভোটার ২ ল ৭২ হাজার ২৭২ ভোট। ফখরুল ৩২ হাজার ৮০৩, লাঙ্গল প্রতীকে ইকবাল হোসেন রাজু ২৮হাজার ৫৩৬ ও আনারস প্রতীকে রৌশন আলী মাস্টার ১৬ হাজার ৮৪১ ভোট পান।

টাঙ্গাইল-২:

rভূঞাপুর-গোপালপুর আসনে ১২১ কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ৭৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আসাদুজ্জামান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জাতীয় পার্টি (জেপি) আজিজুর রহমান তরফদার আজিজ বাঙ্গাল পেয়েছেন ৮ হাজার ১৭টি ভোট। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ১২ হাজার ৫'শ ৮২জন।

ফেনী-৩

ফেনী-৩ আসনে ১২২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১২১টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) হাজী রহিম উল্লাহ বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬১৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনোয়ারুল কবির ওরফে রিন্টু আনোয়ার পেয়েছে ১৫ হাজার ৩৪১ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৩১ হাজার ২৪৪। ভোট পড়েছে ৭৩ হাজার ২৩৩। যা মোট ভোটের ২২ দশমিক ৪২ ভাগ।

এ আসনের ২টি কেন্দ্রে একটিও ভোট পড়েনি। এই আসেন নির্বাচনে সহিংসতায় যুবদল ও ছাত্রদলের দুই নেতা নিহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছে ৫ জন। পুলিশসহ মোট আহত হয়েছে ২০ জন। ৩টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বক্স ছিনতাই হয়েছে।

নাটোর-৩

নাটোর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জুনাইদ আহমেদ (পলক) নৌকা প্রতীক নিয়ে ৯১ হাজার ৬৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির মিজানুর রহমান হাতুড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৫০ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার দুই লাখ ৪৭ হাজার ১৮০ জন। ভোট পড়েছে এক লাখ চার হাজার ৭০২টি।

খুলনা:

দাকোপ-বটিয়াঘাটা আসনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে একই দলের প্রার্থী আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান এবং খুলনা-৩ আসনে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বে-সরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

খুলনা-১:

এ আসনে ৯৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী পঞ্চানন বিশ্বাস পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৪২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডল পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৫২৫ ভোট। এছাড়া জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী সুনীল শুভ রায় পেয়েছেন ৮ হাজার ৩৮০ ভোট।

খুলনা-২:

এ আসনে ১৫৭টি ভোট কেন্দ্রে আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (জেপি) রাশিদা করিম পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৭ ভোট। খুলনা-৩

এ আসনে ১০৫টি কেন্দ্রে নৌকা প্রতীক নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯৭১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান খান খোকন পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৩৩ ভোট। অপর প্রার্থী সাহিদা বেগম পেয়েছেন মাত্র ৫১২ ভোট।

চট্টগ্রাম-১২

চট্টগ্রাম-১২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সামশুল হক চৌধুরী ১ লাখ ২৮ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (লাঙ্গল) পেয়েছেন ১০ হাজার ১৯৭ ভোট।

চট্টগ্রাম- ১৬

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। তিনি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৫৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীজাতীয় পাটির্র (জেপি-মঞ্জু) প্রার্থী অ আ ম হায়দার আলী চৌধুরী ৬ হাজার ৮৪৮ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৬৮ হাজার ৫৮৮ ভোট। যা মোট ভেটের ৫৮ দশমিক ২৮ শতাংশ।

নওগাঁ-৩

নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম কলস প্রতিক নিয়ে ৭৪ হাজার ৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৮৬৩ ভোট।

নওগাঁ-৪

নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রাথী ইমাজ উদ্দিন প্রামানিক নৌকা প্রতিক নিয়ে ৬০ হাজার ৩৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী সাইকেল প্রতিক নিয়ে জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) সমর্থিত সাইদুর রহমান বকুল। তিনি পেয়েছেন ৯ হাজার ৯৬৫ ভোট।

নওগাঁ-৫

নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে আ'লীগ মনোনিত প্রার্থী আব্দুল মালেক নৌকা প্রতিক নিয়ে ৪৪ হাজার ২৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক। তিনি পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৯০ ভোট।

উল্লেখ্য, নওগাঁর ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ইতিপূর্বে নওগাঁ-১ (সাপাহার -পোরশা-নিয়ামতপুর) আসনে আ'লীগের সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) আসনে শহীদুজ্জামান সরকার ও নওগাঁ-৬ (রানীনগর-আত্রাই) আসনে মোঃ ইসরাফিল আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

মুন্সীগঞ্জ-১:

এ আসনে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের সুকুমার রঞ্জন ঘোষ। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ১৮৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেপির প্রার্থী নুর মোহাম্মদ সাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৫৭ ভোট। মশাল প্রতীক নিয়ে জাসদ (ইনু) প্রার্থী একেএম নাসিরুজ্জামান খান পেয়েছেন ৪হাজার ১৭২ ভোট।

ময়মনসিংহ-৬:

ফুলবাড়িয়া আসনে আওয়ামীলীগের অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন ১ লাখ ৬৪ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ও নিকটতম জাসদ এর আব্দুর রহমান সরকার ৮ হাজার ২৯৪ ভোট পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ-৭:

ত্রিশাল আসনে জাপা'র প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল হান্নান ৩৬ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ও নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী ৩৩ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ-১০:

গফরগাও আসনে আওয়ামীলীগের প্রয়াত সাবেক সাংসদ আলতাফ হোসেন গোলন্দাজের পুত্র ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ও নিকটতম খেলাফত মজলিশের অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম খান ৪ হাজার ১৮৪ ভোট পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ-১১:

ভালূকা আসনে আওয়ামীলীগের সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম আমানউল্লাহ ৯১ হাজার ৩৬২ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ও নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাত ইসলাম চৌধুরী ১০ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়েছেন।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাহাবুব আরা বেগম গিনি (নৌকা) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৫১ হাজার ৭৩১টি। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী মকদুবর রহমান (আনারস) পেয়েছেন ১০ হাজার ৫৮টি ভোট। মোট ৯৬টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৮৪ টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলের উপর ভিত্তি করে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। স্থগিত ১২টি কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ৩৮ হাজার ২২৫ জন। ভোটের এই ব্যবধান নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তনে কোন প্রভাব ফেলবে না বলে মাহাবুব আরা বেগম গিনিকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। সদর উপজেলার সহকারি রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মামুনুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এছাড়া গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ৩৮টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আ'লীগের মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন (নৌকা) ৪৫ হাজার ৩৮৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জাতীয় পার্টির ডা. কর্ণেল (অব:) আব্দুল কাদের খান (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫৮ ভোট। এ আসনে স্থগিত কেন্দ্রের সংখ্যা ৪৮। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১০৯টি।

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে ৫০টি কেন্দ্রের ফলাফলে আ'লীগের ডা. ইউনুস আলী সরকার (নৌকা) ৭০ হাজার ৬২৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি (আনারস) পেয়েছেন ১২ হাজার ৭৮১ ভোট। এ আসনে স্থগিত কেন্দ্রের সংখ্যা ৮০। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৩০টি।



গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ (আনারস) ৫৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে ৫৯ হাজার ৮৬২ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী (নৌকা) পেয়েছেন ১৮ হাজার ৮০৬ ভোট। এ আসনে স্থগিত কেন্দ্রের সংখ্যা ৭২। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৩০টি।

বাগেরহাট-৪

বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী ডা. মোজাম্মেল হোসেন বেসরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি তার নিকটতম নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুর রহিম খানকে ৪০ হাজার ৪৭ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।

বেসরকারী ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগের ডা. মোজাম্মেল হোসেন (নৌকা) পেয়েছেন ৬১ হাজার ৩০৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহিম খান (আনারস) পেয়েছেন ২১ হাজার ২৬১ ভোট, অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মনিরুল হক (ঘড়ি) পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২০ ভোট এবং বিএনএফ প্রার্থী মো: সাখাওয়াত হোসেন (টেলিভিশন) পেয়েছেন ৩০৫ ভোট।

সাতক্ষীরা-১

সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী,সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কস পার্টির সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুত্ফুল্লাহ সর্বমোট ১৪৬টি ভোট কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে ৯২ হাজার ২০০ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ) এস এম মুজিবর রহমান হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬১৩ ভোট। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা লাখ ৩ লাখ ৮০ হাজার ৩৭৭ ভোটের মধ্যে ভোট কাষ্ট হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৩৪৪। বাতিল হয়েছে ৩৫৩১ ভোট। বৈধ ভোট ১ লাখ ১৫ হাজার ৮১৩ ভোট। ভোট পড়েছে ৩১.৩৮ পার্সেন্ট।

সাতক্ষীরা-২

সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী, আওয়ামী লীগের মীর মোস্তাক আহমেদ রবি সর্বমোট ১৩১ টি কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে ৩২ হাজার ৮৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী (জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ছাইফুল করিম সাবু) হরিণ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৫ হাজার ৭৮৯ ভোট।এই আসনে ভোট বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৭৫৯ টি। বৈধ ভোটার ৫০ হাজার ২৭৪ টি। ভোট পড়েছে ১৬.৫৬ পার্সেন্ট।

পাবনা-৩

পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে পুনরায় এমপি নির্বাচিত হলেন পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন। বেসরকারিভাবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনের ১৬০ টি কেন্দ্রের ফলাফলে আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৭৩ ভোট। অপর প্রার্থী গণতন্ত্রী পার্টির খায়রুল আলম কবুতর প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৩১ ভোট। এই আসনে ২ হাজার ৫০৭ ভোট বাতিল হয়েছে। অনেকটা নির্বাচনী আমেজবিহীন এই নির্বাচনে মোট ভোটারের প্রায় ৩০ ভাগের ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ঠাকুরগাঁও-১

ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও খাদ্যমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন। ১৬২ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৩ টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি ভাবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেন নৌকা মার্কা নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি ভোট পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩শ ৪৯ । তার নিকট তম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ওয়ার্কাস পার্টির এ্যাড. ইমরান আলী ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৪শ'৪৪ ।

১৯টি কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ায় কেন্দ্রটির ভোট গ্রহন স্থগিত করে সহকারী রিটানিং অফিসার। এখানে মোট ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১শ; ৭৪।

যশোরে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনী ফলাফলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা বিপুল জয় পেয়েছেন। যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে ১৭৪ ফলাফলে নৌকা প্রতীকের অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির ৯১৩১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৯৩৩৯ ভোট।

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর-বসুন্দিয়া) আসনে ১৩৩ কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীকের রনজিত রায় ৭৭৩৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ দলীয় হুইপ স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ আব্দুল ওহাব পেয়েছেন ৩৫৮৬০ ভোট।

যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে ১২২ কেন্দ্রের নির্বাচনী সহিংসতায় প্রায় অর্ধেক ৬০টি কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। অবশিষ্ট ৬২টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে নৌকা প্রতীকের অ্যাড. খান টিপু সুলতান ৩০৫৩১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বপন কুমার ভট্টাচার্য্য (চাঁদ) পেয়েছেন ১৮৩৩১ ভোট।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ৭৫ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে নৌকা প্রতীকের ইসমাত আরা সাদেক ৫৫২৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনএফ প্রার্থী প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস পেয়েছেন ১৩২৮ ভোট।

যশোর-৩ (সদর) আসনে কাজী নাবিল আহমেদ এবং যশোর-১ (শার্শা) আসনে শেখ আফিল উদ্দীন ইতিপূর্বে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারাও আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী।

সর্বশেষ আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
পরিবেশ মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, '৫ জানুয়ারি নির্বাচন পরবর্তী দুই সপ্তাহের মধ্যে চলমান সন্ত্রাস নির্মূল করা হবে।' আপনি কি মনে করেন এটা সম্ভব হবে?
5 + 1 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ২১
ফজর৪:৫৮
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :