The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০১৪, ০৫ মাঘ ১৪২০, ১৬ রবিউল আওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ সামপ্রদায়িক সন্ত্রাস বন্ধে আইন করতে হবে: ইমরান এইচ সরকার | যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে ভবিষ্যতে আর কোনো মন্তব্য করবে না পাকিস্তান | ফেব্রুয়ারিতে উপজেলা নির্বাচন: সিইসি | নাটোরে ইউপি চেয়ারম্যান খুন | সাতক্ষীরার যৌথ বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ১

ইন্দিরা গান্ধী ও সুচিত্রা সেন

ইত্তেফাক রিপোর্ট

রোমান্টিক নায়িকা হিসাবে সুচিত্রা সেন পুরো ভারতে অতুলনীয় ছিলেন। কিন্তু ভারতজুড়ে তার 'আঁধি' ছবিটি তুলেছিল আলোচনার ঝড়। 'আঁধি' ছিল একটি পলিটিক্যাল-রোমান্টিক সিনেমা। ভারতের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর অনুকরণে পর্দায় হাজির হয়েছিলেন সুচিত্রা সেন। মূলত ছবিটির কাহিনী গড়ে উঠেছিল বিহারের রাজনীতিক তারকেশ্বরী সিনহার জীবন অবিলম্বে। দর্শকের আগ্রহ সৃষ্টির জন্যই ইন্দিরা গান্ধীর সাজ পোশাক ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু সুচিত্রা সেন তার অভিনয়েও ইন্দিরা গান্ধীর চলা, বলা ও তার ম্যানারিজমকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছিলেন গুলজার। আর প্রযোজক ছিলেন জে ওম প্রকাশ।

ছবির প্রচারণায় বলা হয়েছিল 'এসো তোমার প্রধানমন্ত্রীকে দেখে যাও' এবং 'এ গল্প ভারতের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের সেই বিখ্যাত নারী রাজনীতিবিদকে নিয়ে'। এই প্রচারণায় ভারতজুড়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। অবশ্য চলচ্চিত্রটিতে সুচিত্রা সেনের ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে শুধু সাজ পোশাকেই মিল ছিল। তত্কালীন তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক মন্ত্রী আই কে গুজরালও চলচ্চিত্রটি দেখেন। দুয়েকটি দৃশ্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে। ফলে ছবিটি মুক্তি দেয়ার ২০ সপ্তাহ পরে তা 'নিষিদ্ধ' করা হয়। ১৯৭৫ সালে চলচ্চিত্রটি যখন নির্মিত হয় তখন ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতে জরুরি অবস্থা চলছিল। ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী হেরে যাবার পর তত্কালীন ক্ষমতাসীন জনতা পার্টি ছবিটিকে মুক্তি দেয়। আর ভারতের জাতীয় টেলিভিশন 'দূরদর্শন' এ চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়। তবে আপত্তিকর দৃশ্যগুলো বাদ দিয়ে সিনেমাটি মুক্তি দেয়া হয়েছিল।

চলচ্চিত্রটির কাহিনী গড়ে উঠেছিল একজন নারী রাজনীতিবিদকে নিয়ে যার একজন হোটেল ম্যানেজার জে কে'র (সঞ্জীব কুমার) সঙ্গে প্রেম ও পরে বিয়ে হয়। নারী নেত্রীর বাবা প্রবীণ রাজনীতিবিদ, যিনি চান তার মেয়ে আরতি দেবি (সুচিত্রা সেন) রাজনীতিতে সময় দিক। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। রাজনীতির টান আরতি উপেক্ষা করতে পারে না। ফলে সংসার থেকে বিচ্যুত হন তিনি। এর দীর্ঘদিন পরে আরতি দেবির আবারো তার স্বামীর সঙ্গে দেখা হয়। তিনি তখন প্রতিষ্ঠিত একজন রাজনীতিবিদ। নিজের আসনে ভোটের প্রচারণায় আসেন তিনি। সেই শহরে তিনি যে হোটেলে ওঠেন সেই হোটেলের দায়িত্বে ছিলেন তার স্বামী। এখানে দুজনের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়, পুরনো প্রেম নতুন করে জেগে ওঠে। হোটেল কর্মকর্তার সঙ্গে আরতি দেবির সম্পর্ক নিয়ে ভোটের মাঠে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এই নিয়েই চলচ্চিত্রটির কাহিনী গড়ে উঠেছে।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
ইইউ পার্লামেন্টে বাংলাদেশ বিষয়ে পাস হওয়া এক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, 'যেসব রাজনৈতিক দল সন্ত্রাসী তত্পরতা চালাচ্ছে তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
1 + 6 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ২০
ফজর৩:৫৭
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫০
এশা৮:১২
সূর্যোদয় - ৫:২২সূর্যাস্ত - ০৬:৪৫
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :