The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০১৪, ০৫ মাঘ ১৪২০, ১৬ রবিউল আওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ সামপ্রদায়িক সন্ত্রাস বন্ধে আইন করতে হবে: ইমরান এইচ সরকার | যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে ভবিষ্যতে আর কোনো মন্তব্য করবে না পাকিস্তান | ফেব্রুয়ারিতে উপজেলা নির্বাচন: সিইসি | নাটোরে ইউপি চেয়ারম্যান খুন | সাতক্ষীরার যৌথ বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ১

অর্থনৈতিক ক্ষতি ও সন্ত্রাসের রাজনীতি

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

অনুকূল পরিবেশ

চাই, তবেই অর্থনীতি

সমৃদ্ধ হবে

যে কোন দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সন্ত্রাসের রাজনীতি একঘরে বসবাস করতে পারে না। অর্থনৈতিক উন্নয়ন একটি প্রক্রিয়া যা দীর্ঘমেয়াদে পূর্ণতা লাভ করে। যে প্রক্রিয়ায় কোন অর্থনীতিতে দীর্ঘকালব্যাপী প্রকৃত জাতীয় আয়, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, উত্পাদন ও জীবনযাত্রার মান অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে যাকে আমরা চিহ্নিত করি অর্থনৈতিক উন্নয়ন হিসাবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যে কোন দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত। আর সন্ত্রাসের রাজনীতির অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ব্যাহত করে। রাজনৈতিক হানাহানি, ঘন ঘন হরতাল, নদীপথ, রেলপথ, শ্রমিক আন্দোলনের নামে কল-কারখানাসহ ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়ার আবির্ভাব ঘটায় সন্ত্রাসের রাজনীতি। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হয়। এই সন্ত্রাসী রাজনীতি মানসম্পদকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করছে। চীন, মালয়েশিয়া, কোরিয়ার মতো দেশগুলো অতি দ্রুততার সাথে অনুকূল পরিবেশে উন্নতি করছে। যে দেশ যত অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে সে দেশ তত দ্রুত উন্নয়ন লাভ করবে। পৃথিবীতে একটি সময় ছিল যাকে বলা হয় "জুরাসিক যুগ"। জুরাসিক যুগে ডাইনোসরদের রাজত্ব ছিল। অতিকায় প্রাণীগুলোর দোর্দণ্ড দাপটে অন্য কোন প্রাণী মাথা তুলে দাঁড়াতে সাহস পেত না। আজ মনে হয়, "সন্ত্রাস রাজনীতির যুগ"- দোর্দণ্ড দাপটের ফলে সাধারণ জনগণ মাথা তুলে দাঁড়াতে সাহস পাচ্ছে না। সর্বোপরি আজ আমরা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধতা চাই এবং অনুকূল পরিবেশের কাম্যতা চাই। তবেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।

মো:সুজাক্কির হোসাইন সিদ্দিকী

অর্থনীতি, ৩য় বর্ষ,

মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ।

দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিতে হলে সন্ত্রাসের রাজনীতি

পরিহার করতে হবে

বাংলাদেশ এখনো একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে আমরা পেয়েছিলাম একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। স্বাধীনতার ৪৩ বছরে আমরা যতটুকু এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল ততটুকু আমরা পারিনি। এর কারণ আমাদের দেশের অপরাজনীতির কারণে ততটুকু পিছায়। এই অপরাজনীতি আমাদের বন্ধ করতে হবে, আজকে দেশে যেভাবে সংখ্যা ও সহিংসতা, হানাহানি হচ্ছে, তাতে কোন শুভ লক্ষণ হচ্ছে না, এই সহিংসতা যদি আমরা বন্ধ করতে না পারি তা হলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত বেশি হবে, সহিংসতা চলতে থাকলে হয়তো অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই অর্থনীতি কর্মকাণ্ড সচল রাখতে হলে সন্ত্রাসের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। মনে রাখতে হবে ব্যক্তির চাইতে দল বড় এবং দলের চাইতে দেশ বড়। তাই আমরা কোন ব্যক্তি বা দলের বিসর্জন না দিয়ে দেশের কথা ভাবতে হবে।

মো: ইলিয়াছ আলম সুমন

বিএ সাউথ সন্দ্বীপ কলেজ।

সন্ত্রাসের রাজনীতি বন্ধ করতে পারলেই অর্থনীতির উন্নয়ন ঘটবে

স্বাধীনতার পর থেকে অনেক আন্দোলন হয়েছে। আমরা দেখেছিলাম ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং এরশাদের স্বৈরশাসন থেকে রেহাই পাবার জন্য এদেশের মানুষ এক সাথে আন্দোলন করেছিল আর সেই সব আন্দোলন ছিলো। গণমানুষের শাসন এবং শোষণ থেকে মুক্তির আন্দোলন। যার ফলে দেশের জনসাধারণ এক হয়ে আন্দোলন করেছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো ১৯৯৬ সালের পর থেকে এই পর্যন্ত যেসব আন্দোলন হয়েছিল তা ব্যক্তি স্বার্থ এবং ক্ষমতার লোভ। আর এই সব আন্দোলনে জনসাধারণের বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। আর তাই ব্যক্তি স্বার্থ রাজনীতিবিদরা জনসম্পৃক্ততা না পেয়ে যুবক, ছাত্র এবং শিশুদের ব্যবহার করে আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। যার ফলে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কর্মকাণ্ডের পথে পথে আমাদের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতি করেছে। আর আমাদের দেশে আন্দোলনের নামে যেসব সন্ত্রাসী কার্যকলাপ হচ্ছে তা বন্ধ করতে হলে দেশের রাজনীতিবিদরা হাতে হাত এবং কাঁদে কাঁদ রেখে দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে এক হয়ে কাজ করতে পারলে এইসব সন্ত্রাসী আন্দোলন বন্ধ করা যাবে।

আবদুল মোতালেব

তৃতীয় বর্ষ,

বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

সমঝোতা হলেই

সন্ত্রাসের রাজনীতি

থাকবে না

আমাদের দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য হরতাল, অবরোধ, জ্বালাও-পোড়াও লেগেই আছে। ফলে দেশের অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই জন্য দরকার রাজনৈতিক সমঝোতা। আন্তরিকভাবে সর্বদল মিলিত হয়ে সমঝোতা করতে হবে। রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া তা থেকে উত্তরণের সম্ভাবনা ক্ষীণ। রাজনীতিতে সন্ত্রাসীদের স্থান দেয়া ঠিক নয়। ক্ষমতার জন্যই পেশীশক্তি ব্যবহূত হয়। যা কোনক্রমেই কাম্য নয়। তাতে রাজনীতি কলুষিত হয়। পরিশেষে, এই কথাই বলা যায় রাজনীতিবিদদের আন্তরিকভাবে সমঝোতা করতে হবে। সমঝোতা হলেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থাকবে না। তাতেই অর্থনীতি, রাজনীতিসহ সর্বক্ষেত্রেই স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করবে। অর্থনীতি ও রাজনীতির উন্নতি হবে।

রকিবুল হাসান চোকদার

এম,এ প্রথম বর্ষ

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

সদরঘাট, ঢাকা।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
ইইউ পার্লামেন্টে বাংলাদেশ বিষয়ে পাস হওয়া এক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, 'যেসব রাজনৈতিক দল সন্ত্রাসী তত্পরতা চালাচ্ছে তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
5 + 5 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ১
ফজর৫:০৪
যোহর১১:৪৮
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:২৪সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :