The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০১৪, ০৫ মাঘ ১৪২০, ১৬ রবিউল আওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ সামপ্রদায়িক সন্ত্রাস বন্ধে আইন করতে হবে: ইমরান এইচ সরকার | যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে ভবিষ্যতে আর কোনো মন্তব্য করবে না পাকিস্তান | ফেব্রুয়ারিতে উপজেলা নির্বাচন: সিইসি | নাটোরে ইউপি চেয়ারম্যান খুন | সাতক্ষীরার যৌথ বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ১

ডাবল সেঞ্চুরির দ্বিগুণ গল্প

স্যার ডন ব্র্যাডম্যান একাই টেস্ট ক্রিকেটে ১২টা ডাবল সেঞ্চুরি করে গেছেন।

বুঝতেই পারছেন, ডাবল সেঞ্চুরি ব্যাপারটা টেস্ট ক্রিকেটেই কতোটা ডালভাত ব্যাপার। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ডালভাত তো দূরে থাক, সোনার হরিণ বললেও কম বলা হয়। টেস্ট ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ডাবল সেঞ্চুরি মাত্র একটা। আর প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটেও সবমিলিয়ে সে সংখ্যায় ১৪টি! ফলে বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর ডাবল সেঞ্চুরি যে একটা আলোচ্য এখনও আছে, তাতে সন্দেহ নেই। সেই আলোচনাটার সূত্রপাত বাংলাদেশে করেছিলেন হাবিবুল বাশার। ২০০১ সালে তিনিই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। আর সর্বশেষ এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন সামসুর রহমান। এর মাঝে যারা যারা এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, তার মধ্যে অন্তত তিন জনের কথা বিশেষ ভাবে মনে রাখতে হবে—রকিবুল হাসান, নাজিমউদ্দিন ও মার্শাল আইয়ুব। রকিবুল হাসান বাংলাদেশের প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরির মালিক এবং নাজিমউদ্দিন ও মার্শাল দুটি করে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। ডাবল সেঞ্চুরির তালিকায় চোখ বোলালে দেখতে পাবেন, ২০০১ সালে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি হওয়ার পরের বছরই বাংলাদেশ দেখেছে আরও তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি। এরপর আবার দুই বছর কোনো ডাবল সেঞ্চুরি হয়নি। পরে ২০০৫ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত প্রতি বছর একটি করে ডাবল সেঞ্চুরি পাওয়া গেছে। আবার দুই বছর বিরতি দিয়ে প্রতিবছরই কমপক্ষে একটা করে ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছে। গত বছর দেখা গেছে আবার তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি। আর এ বছর শুরুই হয়েছে ডাবল সেঞ্চুরি দিয়ে। ভেন্যুর হিসাবে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে সবচেয়ে বেশি, চারটি ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছে। এরপরই চট্টগ্রামে হয়েছে তিনটি। এমনকি যশোর, ময়মনসিংহ, ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ, বঙ্গন্ধু স্টেডিয়াম, বিকেএসপিতেও ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছে। কিন্তু বিস্ময়কর ব্যাপার হল, বাংলাদেশের হোম অব ক্রিকেট মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে এখনও পর্যন্ত কোনো ডাবল সেঞ্চুরি করতে পারেননি বাংলাদেশের কেউ। এই অপেক্ষাটা ঘোচানোর পালা কি আসছে? লিখেছেন দেবব্রত মুখোপাধ্যায়

রকিবুল হাসান: এ এক অন্য উচ্চতা

৩১৩; ফতুল্লাহ, ২১ মার্চ, ২০০৭

রকিবুল হাসান বাংলাদেশের ক্রিকেটে নিজেকে কোথায় নিয়ে যেতে পারবেন, সেটা সময় বলবে। তবে আর কিছু না করলেও সারা জীবন বাংলাদেশ তাকে মনে রাখবে। কারণ তিনিই বাংলাদেশের প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র ত্রিপল সেঞ্চুরিয়ান।

আশরাফুল দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলে চলে গেলেন বিশ্বকাপ খেলতে। আর সেই বিশ্বকাপ চলা অবস্থায়ই ফতুল্লায় বরিশালের হয়ে চট্টগ্রামের বিপক্ষে ৩১৩ রানের ইনিংস খেলে দেশের ইতিহাসই বদলে দিলেন।

০০

মিনহাজুল আবেদীন: ওয়ান ম্যান শো

২১০; ময়মনসিংহ, ২৪ জানুয়ারি, ২০০২

বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানদের সংক্ষিপ্ততম তালিকাতেও বিশেষজ্ঞরা তার নাম রাখেন। এমন একজন ব্যাটসম্যানের নামের সঙ্গে একটা বড় ইনিংস থাকাটা খুব জরুরী। সেটাই ক্যারিয়ারের শেষ দিকে এসে পেয়েছিলেন মিনহাজুল।

ময়মনসিংহে ঢাকার বিপক্ষে সেই ম্যাচটা আসলে 'নান্নু' ডাক নামের এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যানের একার ম্যাচ ছিল বললেও কম বলা হয়। প্রথম ইনিংসে ২১০ রানের এই ইনিংস খেলার পাশাপাশি দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ছিলেন ১১০ রান করে।

০০

নাজিমউদ্দিন: ডাবল-ডাবল

২০৪; চট্টগ্রাম, ১৭ ডিসেম্বর, ২০০৫

২০৫; বগুড়া, ৫ জানুয়ারি, ২০১০

জাতীয় দলের হয়ে এখনও পর্যন্ত নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। কিন্তু নাফীস ইকবালদের প্রজন্মের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মনে করা হয় চট্টগ্রামের এই নাজিমউদ্দিনকে। সেটা কেন মনে করা হয়, তা প্রথম শ্রেণীর রেকর্ড দেখলেই বুঝতে পারবেন। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে দু'বার ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন।

২০০৫ সালে সিলেটের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে করেন প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। এর পাঁচ বছর পরে এসে বগুড়ায় ঢাকার বিপক্ষে পেলেন নিজের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি।

০০

ফরহাদ হোসেন: অবশেষে ডাবল

২১৬; চট্টগ্রাম, ১ নভেম্বর, ২০১১

ফরহাদ বড় ইনিংস খেলতে পারেন, সে প্রমাণ এর আগেও রেখেছেন। এর আগেই ১৮৬ রানের ইনিংস খেলেছেন। এবার চট্টগ্রামের বিপক্ষে চট্টগ্রামেই এই ম্যাচে নিজেকে ছাড়িয়ে গেলেন। প্রায় ৯ ঘন্টার এই ইনিংস খেলে রাজশাহীর বড় জয়ও নিশ্চিত করে দিলেন অনেকটাই।

০০

হাসানুজ্জামান: ম্যাচ বাঁচানো ইনিংস

২০০; ধানমন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়াম ১৩ ডিসেম্বর, ২০০২

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে 'ঝড়ু' ডাক নামের হাসানুজ্জামান খুবই প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় ছিলেন। খুলনা ও বাংলাদেশ বিমানের হয়ে খেলা এই ব্যাটসম্যান জাতীয় দলেও খেলেছেন; তবে সেই সময় আন্তর্জাতিক খেলার সুযোগ হয়নি। হাসানুজ্জামানের এই আফসোস ঘুচিয়ে দিতে পারে ডাবল সেঞ্চুরিয়ানদের এই তালিকায় তার উপস্থিতি। চট্টগ্রামের বিপক্ষে ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠে সেই ম্যাচটা বাঁচানো কার্যত খুলনার পক্ষে অসম্ভব ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে বাকিরা যেভাবে ভেঙে পড়েছিলেন, তাতে চট্টগ্রাম জয়ের আশা করতেই পারতো। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বর্তমান ক্রিকেট কর্মকর্তা, সেই হাসানুজ্জামান।

০০

মুশফিকুর রহিম: এবার আন্তর্জাতিক

২০০; গল, ৮ মার্চ, ২০১৩

মুশফিকের ডাবল সেঞ্চুরিটাকে শুধু বাংলাদেশের আরেকটি প্রথম শ্রেণীর ডাবল সেঞ্চুরি হিসেবে দেখে থাকলে বিরাট ভুল। এটাই হল বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। এই গত বছর মার্চ মাসে গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পেতে পেতে আশরাফুল ডাবল সেঞ্চুরি মিস করার পর পর মুশফিক সে ইতিহাস নিজের করে নিলেন।

০০

সামসুর রহমান: সর্বশেষ, তবে...

২৬৭; বিকেএসপি, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৪

'শুভ'র ডাবল সেঞ্চুরিটাই আমাদের এই স্মৃতিচারণের কারণ। বাংলাদেশের হয়ে এখনও পর্যন্ত সর্বশেষ ডাবল সেঞ্চুরিয়ান সামসুর রহমান। এক দিনেই ডাবল সেঞ্চুরি করে ফেলা শুভ পরদিন ট্রিপল করে ফেলবেন, এমন আশা ছিল। কিন্তু বিকেএসপিতে মধ্যাঞ্চলের হয়ে করা এই ডাবল সেঞ্চুরিকে সে পর্যন্ত আর টেনে নিতে পারেননি শুভ।

০০

খালেদ মাসুদ: রান উত্সবের নেতা

২০১; বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০০২

তখনও জাতীয় ক্রিকেট লিগে এমন অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেনি রাজশাহী। বরং সেটা ছিল ঢাকা—খুলনার যুগ। সেই যুগেই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সেই ম্যাচে খুলনাকে আক্ষরিক্ষ অর্থেই গুঁড়িয়ে দিয়েছিল খালেদ মাসুদের দল। আর নেতৃত্বে ছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি করে 'পাইলট' নিজেই।

খুলনাকে ইনিংসে ম্যাচ হারানোর পথে মাসুদ প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজের এক হাজার রান পূরণ করেন। তার আগেই নিজের আগের সেরা ইনিংস ১০৫-কে পার করে আসেন। আর শেষ পর্যন্ত নাম লেখান বাংলাদেশের এলিট ক্লাবে।

০০

হাবিবুল বাশার: ইতিহাসের শুরু

২২৪; যশোর, ২৯ জানুয়ারি, ২০০১

ঘরোয়া ক্রিকেটে হাবিবুল বাশার মানেই 'খুলনার ছেলে'। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সফল এই অধিনায়ক কয়েকটা মৌসুম বিমান ও বরিশালের হয়ে খুলনার বিপক্ষেও খেলেছেন এবং খুলনার বিপক্ষেই করেছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাস শুরু করা সেই ইনিংসটি! এই তথ্য জেনে নতুনরা অবাক হতে পারেন। কিন্তু খোদ হাবিবুল বাশার অবাক হয়ে গেলেন এই খবরটা শুনে যে—তিনিই বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান।

২০০১ সালের সে মৌসুমটা বাংলাদেশ বিমানের হয়ে হাবিবুলের খুব ভালো যাচ্ছিল না। একটা বড় ইনিংস খেলার জন্য হাবিবুল খুব ব্যস্ত ছিলেন বলে নিজেই স্মৃতিচারণ করছিলেন। অবশেষে যশোরে খুলনার বিপক্ষে ৩৭৮ বলের এই ইনিংস খেলে ফেললেন।

০০

মোহাম্মদ আশরাফুল: ক্যারিয়ার বাঁচানো ইনিংস

২৬৩; চট্টগ্রাম, ২৩ নভেম্বর, ২০০৬

সম্ভবত বাংলাদেশের ইতিহাসে ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত ইনিংস এটি। আশরাফুল বাদ পড়েছিলেন ২০০৭ বিশ্বকাপের দল থেকে। সেই বাদ পড়ার রেশ কাটতে না কাটতে চট্টগ্রামে গিয়ে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ঢাকার হয়ে খেলে ফেললেন ২৬৭ রানের এই ইনিংস; তখনকার দেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। আর এই এক ইনিংস আশরাফুলকে আবার বিশ্বকাপ দলে ঢুকিয়ে দিল। ফল তো মনে আছেই?

০০

মার্শাল আইয়ুব: ব্যাক টু ব্যাক

২০৯; বগুড়া, ২২ অক্টোবর ২০১২

২৮৯; বগুড়া, ৯ জানুয়ারি, ২০১৩

লোকে ডাবল সেঞ্চুরি পায় না; আর মার্শাল পাওয়া শুরু করে পরপর দুটো ডাবল সেঞ্চুরি করে ফেললেন। না, নিজের পরপর দু ম্যাচে নয়। তবে বাংলাদেশের পর পর দুটি ডাবল সেঞ্চুরি এই মার্শালেরই। প্রথমটি করলেন ঢাকা মেট্রোর হয়ে চট্টগ্রামের বিপক্ষে, বগুড়ায়। পরের বছর একই ভেন্যুতে মধ্যাঞ্চলের হয়ে ট্রিপল সেঞ্চুরির ১১ রান আগে থেমে গিয়েছিলেন।

মেহরাব জুনিয়র: রান উত্সবের সঙ্গী

২১৮; বগুড়া, ৯ জানুয়ারি, ২০১৩

বগুড়ায় মধ্যাঞ্চল বনাম পূর্বাঞ্চল সেই ম্যাচে মার্শালের ২৮৯ রানের পাশে অনেক কিছুই স্মৃতি থেকে হারিয়ে যায়। কিন্তু মার্শালের সঙ্গী মেহরাব জুনিয়রও রেকর্ড গড়া পার্টনারশিপ করার পথে নিজের ডাবল সেঞ্চুরি করে ফেলেছিলেন। ছয় বছর আগে আশরাফুলের সঙ্গে মিলে মার্শাল দেশের সর্বোচ্চ রানের জুটির যে রেকর্ড করেছিলেন, সেটাকেই ভেঙে মার্শাল ও মেহরাব ৪৭২ রান যোগ করলেন পঞ্চম উইকেটে।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
ইইউ পার্লামেন্টে বাংলাদেশ বিষয়ে পাস হওয়া এক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, 'যেসব রাজনৈতিক দল সন্ত্রাসী তত্পরতা চালাচ্ছে তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
8 + 9 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ২৬
ফজর৪:৪৫
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৭
মাগরিব৫:২৭
এশা৬:৪০
সূর্যোদয় - ৬:০১সূর্যাস্ত - ০৫:২২
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :