The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ২০ জানুয়ারি ২০১৩, ৭ মাঘ ১৪১৯, ৭ বরিউল আওয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম রায় আগামীকাল | নয় দফা দাবিতে সারাদেশের পেট্রোল পাম্পে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে | আখেরি মোতাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো এবারের বিশ্ব ইজতেমা | কক্সবাজারে জামায়াতের হরতালে গাড়ি ভাঙচুর, আটক ১৪ | পুলিশের পিপার স্প্রে বন্ধে আদালতের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট | আলজেরিয়ার গ্যাসক্ষেত্রে আরো ২৩ জিম্মির মৃত্যু | ইরান অবরোধের বিষয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভারত | ডিএসই: দিন শেষে সূচক কমেছে ৩১ পয়েন্ট | রিতুর লাশ নিয়ে মিছিল | ইবি কাল থেকে সচল: প্রক্টর-ছাত্র উপদেষ্টাকে অব্যাহতি | দূরপাল্লার বাসের ভাড়া প্রতি কিলো ১০ পয়সা করে বাড়ল | বাকৃবি ছাত্রলীগ থেকে আজাদ ও ইমন বহিষ্কার | পরোয়ানা ছাড়া মির্জা ফখরুলকে আটকের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট | প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি: মোশাররফের বিরুদ্ধে সমন | সাঈদীর মামলায় আসামিপক্ষের পুনরায় শুনানি শুরু | পদ্মাসেতু: বিশ্বব্যাংক প্যানেলকে জবাব দিয়েছে দুদক

বিমানবন্দরে মশার উপদ্রব

মশা নিধন না করেই যোগসাজশে বিল তুলে নেয় সংশ্লিষ্ট কোম্পানি

ফারাজী আজমল হোসেন

নিউজিল্যান্ডের নাগরিক রুবেন লিভারমুর। ব্যবসার কাজে আসেন ঢাকায়। তিনদিন পাঁচতারকা হোটেলে থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ঢাকা ত্যাগ করবেন। ইমিগ্রেশন সেরে থাই এয়ারওয়েজের ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করছেন। মশা জেঁকে ধরেছে তাকে। ফ্লাইট এর সময়সূচি পেছানোর কারণে চোখে মুখে তন্দ্রাভাব। খবরের কাগজ পড়ে পাশের চেয়ারে রেখেছেন। হঠাত্ করে তিনি খবরের কাগজ দিয়ে নিজের মুখে আঘাত করলেন। অন্য যাত্রীরা তার দিকে ফিরে তাকালেন। এরপর তিনি সেই খবরের কাগজ দিয়ে মুখের সামনে বাতাস করছেন। বিমানবন্দরের হিমশীতল পরিবেশে তার গরম লাগার কথা নয়। একটু পরই সবার ভুল ভাঙলো। তার সামনে উড়ছে ঢাউশ সাইজের তিন-চারটি মশা। শুধু যাত্রীদের অপেক্ষার জায়গায় নয়, গোটা বিমানবন্দর জুড়েই মশার রাজত্ব। এরকম একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মশারা দীর্ঘদিন রাজত্ব করলেও তা যেন দেখার কেউ নেই। জানা গেছে, এ খাতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আলাদা কোন বাজেট নেই। সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ খাত থেকে মশা মারার টাকা ব্যয় করা হয়ে থাকে।

জানা গেছে, রাজধানী শহরের মশা নিধনের কাজটি সিটি কর্পোরেশনের হাতে থাকলেও বিমানবন্দরে তা করে থাকে সিভিল এভিয়েশন। বাইরের একটি কোম্পানিকে এ কাজটি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, একশ্রেণীর কর্মকর্তার সাথে ভালো সম্পর্ক থাকার কারণে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি অনেক সময় কাজ না করে বিল তুলে নেয়। আর মশা নিধনের দেখভাল করার দায়িত্বে সিভিল এভিয়েশনের যারা জড়িত তারাও ঠিকমতো কাজটি করেন না।

গত বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে মশার তীব্র উত্পাত দেখা গেছে। বিমানবন্দরের বাইরে থেকে শুরু করে ভেতরে এমনকি ভিআইপি লাউঞ্জেও মশার উপদ্রব দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীদের প্রবেশ মুখে শুরু হয় উত্পাত। এরপর বহির্গমন টার্মিনাল এলাকার প্রতিটি স্থানে একই দশা। ভেতরে যাত্রীদের বসার জায়গা থেকে শুরু করে ডিউটি ফ্রি দোকান সবখানেই মশা। বিদেশগামী যাত্রীরা বিমানবন্দরে কিছু খেতে গেলেও তার জো নেই। খাবার পরিবেশেন করা হলে সেখানে মশা এবং মাছি জেঁকে ধরে। কোন কোন সময় মশাগুলো বোর্ডিং ব্রিজ পার হয়ে উড়োজাহাজে পর্যন্ত ঢুকে পড়ে। এ নিয়েও যাত্রীদের বিরক্তি চরমে উঠে।

এদিকে যেসব যাত্রী দেশের বাইরে থেকে দেশে আসেন তাদেরও মশার কারণে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। উড়োজাহাজ থেকে নামার পর লাগেজ সংগ্রহ করতে বেল্ট পর্যন্ত আসতেই মিলবে মশার দেখা। লাগেজের জন্য অপেক্ষা করতে হলেও যাত্রীদের খেতে হয় মশার কামড় ।

শুধু বিমানবন্দরের ভেতরেই নয়, বাইরেও মশার উত্পাত রয়েছে। বিমানবন্দরের আশপাশের ড্রেনগুলো দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হয় না। সেখানে মশা নিধনের জন্য স্প্রে করার কথা থাকলেও তা করা হয় না। কিন্তু এ কাজটির জন্যও সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ অর্থ ব্যয় করে থাকে।

এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) গ্রুপ ক্যাপ্টেন শফিকুল আলম ইত্তেফাককে বলেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তার কারণেই এলাকায় রানওয়ের আশপাশে জলাশয় ও কিছু ঝোপ রাখা হয়েছে। এসব জায়গা থেকে মশা বংশবিস্তার করছে। এছাড়া বিমানবন্দরের পাশেই রয়েছে টংগী শিল্পাঞ্চল। সেখানেও মশা বংশবিস্তার করছে। তিনি জানান, বিমানবন্দরে দৈনিক দুইবার করে মশা নিধনের কাজ চলে। এরপরও দ্রুত বংশবিস্তার করায় উত্পাত কমছে না।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
পুলিশের 'পিপার স্প্রে' ব্যবহার বন্ধ হওয়া জরুরি বলে মনে করেন?
8 + 6 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ৫
ফজর৫:০৬
যোহর১১:৪৯
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:২৬সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :