The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৪, ১১ মাঘ ১৪২০, ২২ রবিউল আওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ বিশ্ব ইজতেমা শুরু, তুরাগ তীরে মুসল্লিদের ঢল | ইজতেমা প্রাঙ্গণে ২ মুসল্লির মৃত‌্যু | বিএনপিকে নাকে খত দিতে হবে : আমু | দশম জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হলেন আ স ম ফিরোজ | দখলকারী শক্তি পরাভূত হবেই: খালেদা জিয়া

[ রা জ নী তি ]

সাম্প্রদায়িকতার কলঙ্ক মুক্তির পথ খোঁজা

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ

ক্ষমতার রাজনীতির পথিকরা তাদের ক্ষমতায় পৌঁছার পথ পরিচ্ছন্ন করতে যেসব অন্ধকার খুঁজে বেড়ান তার সবচেয়ে নিকৃষ্টতম বিষয়টি হচ্ছে সামপ্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো। তবে আমাদের দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য বলে হাজার বছর ধরে এদেশের মানুষ অসামপ্রদায়িক পরিবেশের মধ্যদিয়ে বেড়ে উঠেছে। আট শতক থেকে পরবর্তী প্রায় চারশ' বছর বৌদ্ধ পাল রাজারা শাসন করেছে বাংলায়। রাজা-প্রজা কারো মধ্যেই তখন সামপ্রদায়িক ভেদবুদ্ধি বাসা বাঁধেনি। বৌদ্ধ রাজারা হিন্দু ব্রাহ্মণকে মন্দির গড়ায় উদার হাতে দান করতেন। সমকালীন তাম্রশাসনে এর অনেক প্রমাণ রয়েছে। ধর্ম নির্বিশেষে প্রজারা বন্ধুর মত বসবাস করতো তখন। সেনশাসন পর্বে বিদেশী ব্রাহ্মণ সেন রাজাদের হাতে বাংলার শাসনভার চলে যায়। রাজনৈতিক স্বার্থে সেন রাজারা স্বধর্মীয় মানুষের মধ্যে বর্ণ বিভাজন সৃষ্টি করেছিলেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্যে সামপ্রদায়িকতার সংকট তৈরি হয়নি। মধ্যযুগে বিদেশি মুসলমান শাসকরা প্রায় ৬০০ বছর বাংলার রাজক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন। অসামপ্রদায়িক জীবন ব্যবস্থা গড়ায় সুলতান ও মোগল সুবেদারদের উজ্জ্বল ঐতিহ্য রয়েছে। এদেশের হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে সামপ্রদায়িক ক্ষত তৈরিতে প্রথম ভূমিকা রাখে ইংরেজ শাসকরা। ঐক্যবদ্ধ হিন্দু-মুসলমান বাঙালি যাতে বৃটিশ বিতাড়নে সক্রিয় হতে না পারে তার জন্য সুচতুরভাবে ছড়িয়ে দেয় সামপ্রদায়িকতার জীবাণু। এদেশের হিন্দু-মুসলমানের একাংশ নতুন করে আবিষ্কার করে নিজেদের। বন্ধুকে শত্রুজ্ঞান করে সহিংস সামপ্রদায়িক সংঘাতে নেমে পড়ে। পরবর্তী সময়ে নষ্ট রাজনীতির পরিচালকরা সামপ্রদায়িকতাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে মানবিকতা ক্ষত-বিক্ষত করতে থাকে। এ কারণেই অধুনা জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ যার যার প্রয়োজনে নির্দ্বিধায় সামপ্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। এরই শেষ পরিণতি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে জামায়াত, বিএনপির সামপ্রদায়িক আচরণ। এছাড়াও ক্ষেত্রবিশেষে সম্পত্তি দখলদার আওয়ামী লীগ নেতাদের ইন্ধনের কথাও শোনা যাচ্ছে।

গত ২১ জানুয়ারি সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির ব্যানারে ঢাকায় এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এখানে দেশের খ্যাতিমান নারী নেত্রীদের উপস্থিতি ছিল। তাঁরা যথার্থই বলেছেন মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলোই সামপ্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। তাঁদের মতে সামপ্রদায়িকতা রোধ করতে সরকারগুলো তেমন ভূমিকা রাখেনি। সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের ওপর হামলাকারী দুষ্কৃতকারীদের দৃশ্যমান বিচার না হওয়ায় এই অনাচার থেকে বেরুনো সম্ভব হচ্ছে না। এই সবগুলো কথাই যৌক্তিক। এসবের প্রতিবিধানে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে অবশ্যই ভূমিকা রাখতে হবে। সেইসাথে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্বকে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তে আসতে হবে নিজেদের হীনস্বার্থ সিদ্ধির জন্য এমন অনৈসলামিক ও অমানবিক আচরণ বর্জন করবেন তারা। তবে আমরা বিশ্বাস করি শুধু আইন দিয়ে সামপ্রদায়িক সংকট মোচন করা সম্ভব নয়। প্রজন্মের সামনে অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশের ছবি উন্মোচন করা প্রয়োজন। প্রয়োজন ইতিহাস ও ঐতিহ্য সচেতন করার মধ্যদিয়ে সম্ভব লক্ষ্য পূরণ করা।

ঊনিশ শতকে ঢাকায় অনেক আনন্দঘন ঈদ উত্সব পালন করতো ঢাকাবাসী। ঈদের দিন জমকালো আনন্দ মিছিল বের হতো। অবশ্য কয়েক বছর ধরে ঢাকায় ঈদ আনন্দ মিছিল হচ্ছে। ঊনিশ শতকে আর্মানিটোলা, ধূপখোলা বা রমনার মাঠে ঈদ উত্সবের অংশ হিসেবে কত্থক নাচের আয়োজন হতো। কোথাও হতো হিজড়া নাচ। ঘুড়ি ওড়ানো আর নৌকা বাইচের আয়োজন হতো। আর এসব অনুষ্ঠানে হিন্দু সমপ্রদায়ের মানুষও আনন্দ ভাগ করে নিত। আমাদের ছেলেবেলার কথা স্মরণে আনতে পারি; নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অনেক হিন্দু পরিবারের বাস ছিল। এদের উল্লেখযোগ্য অংশ বিভিন্ন পর্যায়ে ভারত চলে গেছেন। এসব বাড়িতে আমার বোনদের বান্ধবী অনেক দিদি ছিলেন। আদর-স্নেহ পেয়ে তাদেরকে দূর সম্পর্কের মনে হয়নি। সবচেয়ে বড় কথা হলো আমরা ছোটরা যেমন কর গুনে ঈদের অপেক্ষা করতাম, একইভাবে দুর্গাপূজা, লক্ষ্মীপূজা আর সরস্বতীপূজার জন্যও দিন গুনতাম। মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে প্রতিমা দেখা, ঢাকির জাদুকরী হাতে মনমাতানো ঢাকের বাদ্যে মাতোয়ারা হওয়া আর প্রসাদ খাওয়ার লোভ তো ছিলই। শুধু ঈদ নয়, মহররমের মিছিলেও ধর্ম সমপ্রদায় নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণ ছিল। ইরাক-ইরানসহ অনেক আরব দেশে শিয়া-সুন্নী মধ্যকার দ্বন্দ্ব হানাহানির পর্যায়ে চলে যায়। এদিক থেকে বাংলাদেশের বাস্তবতা ভিন্ন। আঠারো শতক থেকে ঢাকায় মহররম পালিত হচ্ছে। শিয়াদের তাজিয়া মিছিলে সুন্নী মুসলমানের অংশগ্রহণ এদেশে স্বাভাবিকই ছিল। আঠারো-ঊনিশ শতকের নথিতে দেখা যায়, একটি সাংস্কৃতিক প্রণোদনা নিয়ে হিন্দু সমপ্রদায়ের অনেকেও শরিক হতো মহররমের মিছিলে। কারবালার স্মৃতিতে দুলদুলের প্রতীক ঘোড়ার পায়ে দুধ ঢেলে মনোবাঞ্ছা করলে তা পূরণ হয় এমন বিশ্বাস ছিল সরল মানুষদের। অনেক হিন্দুও ইচ্ছে পূরণের আশায় দুলদুলের পায়ে দুধ ঢালত। মুসলমান পীরের সমাধিতে হিন্দুর যাওয়া, প্রার্থনা করা এদেশে একটি সাধারণ চিত্র। গ্রাম-গঞ্জের নানা জায়গায় এখনও ভাদ্রের শেষ বৃহস্পতিবার নদীতে কলার ভেলায় রঙিন কাগজের ঘর বানিয়ে প্রদীপ জ্বালিয়ে ভাসানো হয়। এই 'ভেলা ভাসানো' উত্সবে হিন্দু-মুসলমান দুই সমপ্রদায়েরই স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকে। সুন্দরবনের সঙ্গে জীবিকা জড়িয়ে আছে এমন মুসলমান বাওয়ালী, কাঠুরে বা জেলেরা বনের রক্ষাকর্ত্রী দেবী কল্পনায় বনবিবি আর ব্যাঘ্র দেবতা গাজীর নাম জপ করে। অন্যদিকে হিন্দু বাওয়ালী, কাঠুরে ও জেলে একই অধিকর্ত্রী দেবী হিসেবে বনদুর্গা আর ব্যাঘ্র দেবতা হিসেবে দক্ষিণ রায়ের নাম জপ করে। এসব বাস্তবতা এদেশের দীর্ঘকাল ধরে লালিত সাংস্কৃতিক সংমিশ্রণের মধ্যদিয়ে বেড়ে ওঠা সামপ্রদায়িক সমপ্রীতির কথাই প্রকাশ করছে। সমাজ ইতিহাস ও পুরাতত্ত্বের ছাত্র হিসেবে আমি আমার লেখায় বহুবার বলার চেষ্টা করেছি যে, ইতিহাস-ঐতিহ্যের বাস্তবতাই বলে দিচ্ছে এদেশে ধর্মীয় সামপ্রদায়িকতার অপছায়া খুব স্বচ্ছন্দে ডানা মেলতে পারবে না। এদেশের সাধারণ মানুষের মানসিক গড়ন সামপ্রদায়িকতার ভেদবুদ্ধিকে সমর্থন করে না। তারপরও এ সত্য মানতে হবে যে, অন্ধকারের জীব যারা ধর্মকে আধ্যাত্মিকতার গাম্ভীর্য আর সৌন্দর্যে না দেখে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুবিধা লাভে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তারা কিন্তু সামপ্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর চেষ্টা করে। অন্যদল অতটা বুঝে নয়, বরং সাংস্কৃতিক অনগ্রসরতা ও কূপমণ্ডুকতার কারণে ধার্মিক না হয়ে এক ধরনের ধর্মান্ধ হয়ে যায়। ধর্মচর্চার মধ্যদিয়ে ধর্মীয় বাণীর মর্মার্থ অনুধাবন না করে অনালোকিত এবং সীমাবদ্ধ জ্ঞানের ধর্মনেতার বয়ান শুনে ভিন্ন সমপ্রদায়ের মানুষের প্রতি ঘৃণা ছড়িয়ে দেয়। প্রথম শ্রেণীর ধর্ম-বণিকদের চেনা যায়, ফলে এদের প্রতিহত করাও সম্ভব। কিন্তু অতি ধীরে হলেও দ্বিতীয় শ্রেণীর সামপ্রদায়িক মনোভাবাপন্ন মানুষদের পক্ষে সমাজ কলুষিত করার ক্ষমতা বেশি বলে আমি মনে করি। প্রথমে তারা নিজ পরিবারকে প্রভাবিত করে, পরে প্রতিবেশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে।

ঐতিহাসিকভাবে গড়ে ওঠা সামপ্রদায়িক সমপ্রীতির এই দেশে একুশ শতকের ডিজিটাল যুগেও সামপ্রদায়িক সংকীর্ণতা প্রকাশ আমাদের ব্যথিত করে। মানুষকে সীমাবদ্ধতা অতিক্রমের চেষ্টা করতে হয় জানার জগত্ শানিত করে। আমি গবেষণার কাজে বেশ কিছুকাল কলকাতায় ছিলাম। লক্ষ্য করেছি, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ধর্ম, সমাজ ও সাহিত্যের খোঁজ আমরা যতটা রাখি ওপারের মানুষ আমাদের সম্পর্কে তেমনটা রাখতে পারেন না। এর অনেক কারণ আছে। কলকাতায় কোনো বই বা জার্নাল প্রকাশিত হলে কলেজ স্ট্রীটের দোকানে আসার আগেই বাংলাদেশের বুক স্টলে চলে আসে। কালেভদ্রে বাংলাদেশের বইয়ের দেখা মেলে কলকাতার বইয়ের দোকানে। কলকাতার সব টিভি চ্যানেল আমাদের ড্রইংরুমে। আমাদের কোনো চ্যানেল দেখার সুযোগ নেই পশ্চিমবঙ্গে। আমার এক সংস্কৃতিকর্মী ছাত্র যথার্থই মন্তব্য করেছিল, রোজা আর ঈদ নিয়ে কলকাতার কোনো টিভি চ্যানেল তেমন কোনো অনুষ্ঠান করার প্রয়োজন মনে করে না। অথচ আমাদের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া দুর্গা পূজার বোধন থেকে বিসর্জন পর্যন্ত খবরে ও অনুষ্ঠানে মাতিয়ে রাখে। অর্থাত্ এদেশের মানুষ দুই সমপ্রদায়ের অধিকার অভিন্ন ভাবতে অভ্যস্ত বলেই আমাদের মধ্যে এই স্বতস্ফূর্ততা রয়েছে। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, কলকাতার চ্যানেলে মুসলমানের উত্সবের খবর-প্রতিবেদন জায়গা করে নিতে পারছে না। এ তথ্য আমরা পেলেও আমাদের চ্যানেল ওপারের মানুষ দেখতে না পাওয়ায় পূজা নিয়ে এ দেশে যে এত আয়োজন হচ্ছে তার খোঁজ তারা পাচ্ছেন না। পেলে হয়ত কলকাতার চ্যানেলেও এর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়ত।

জামায়াতের মত সামপ্রদায়িক গোষ্ঠীগুলো গ্রাম-গঞ্জে সরল মানুষদের প্রতিনিয়ত ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করছে। তাই সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের সূত্রে অনেক সরল মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তুলতে পেরেছিল। সাঈদীর ছবি চাঁদে দেখা যাওয়ার কথাও বিশ্বাস করাতে পেরেছিল সাধারণ মানুষকে। তাই বগুড়া বা চাঁপাইনবাবগঞ্জের হাজার হাজার গ্রামবাসীকে পথে নামাতে পেরেছিল। কিন্তু এর বিপরীতে প্রকৃত ইসলামের মানবিকতার বাণী এদের সামনে উপস্থাপনের জন্য আমরা কোনো ভূমিকা নেইনি। আমাদের রাজনৈতিক, মানবাধিকার এবং সাংস্কৃতিক কর্মীরা কেউ এই মানুষদের সামনে এসে তাদের বিভ্রান্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কোনো প্রণোদনা তৈরিতে ভূমিকা রাখিনি। স্থানীয় মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য জামায়াত হেফাজতরা যে শ্রম দিয়ে থাকে প্রগতিশীল সংগঠনগুলো এর সিকিভাগ শ্রম দিয়ে এদের বিভ্রান্তমুক্ত করতে পারি না।

আমার বরাবরই মনে হয়েছে, ঐতিহাসিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সামপ্রদায়িক সমপ্রীতির পরিবেশ ধরে রাখতে পারলে এদেশের ধর্ম-বণিক রাজনীতিকদের অপতত্পরতা আর জঙ্গীবাদ কখনও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারবে না। এ জন্য অনালোকিত জনগোষ্ঠীকে আলোতে আনতে হবে আবহমান বাঙালির অসামপ্রদায়িক জীবনবোধকে সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে। বিজ্ঞানমনস্কভাবে ধর্মচর্চা এবং বাঙালির হাজার বছরের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পাঠ্যক্রমে যুক্ত করতে হবে। আর এই ঐতিহ্যের সৌন্দর্য সাধারণ্যে ছড়িয়ে দেয়ার দায়িত্ব নিতে হবে মিডিয়াকে। আলোর প্রক্ষেপণ ছাড়া কি অন্ধকার দূরীভূত হয়!

লেখক :অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, 'এই সরকারের আয়ু এক বছরও হবে না।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
9 + 2 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুন - ১৭
ফজর৩:৪৪
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৫০
এশা৮:১৫
সূর্যোদয় - ৫:১০সূর্যাস্ত - ০৬:৪৫
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :