The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৪, ১৩ মাঘ ১৪২০, ২৪ রবিউল আওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ নাদালের স্বপ্ন ভেঙে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়ারিঙ্কা | তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরীকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগ | শাবিতে শিবির-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ, ভাংচুর | সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচার বিশেষ ক্ষমতা আইনেই: আইনমন্ত্রী | যুক্তরাষ্ট্রের শপিং মলে হামলা, নিহত ৩ | মওদুদসহ বিএনপির ৪ নেতার জামিন

[ রা জ নী তি ]

শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন

দিলীপ বড়ুয়া

বিভিন্ন প্রতিকূলতা সফলভাবে মোকাবিলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনা ৫ জানুয়ারি ২০১৪ দেশে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করে ১২ জানুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি একজন প্রাজ্ঞোচিত, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং সাহসী নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন এবং জাতিকে এক দুর্যোগময় পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করতে পেরেছেন।

কথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলনের নামে ৫ জানুয়ারির পূর্বে প্রায় দুই মাসের অধিক সময় জুড়ে বিএনপি-জামায়াত জোটের দেশব্যাপী সহিংসতা রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল। নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনোত্তর কয়েকদিন সারা দেশে বলতে গেলে শ্বেত সন্ত্রাস সৃষ্টি করা হয়েছিল। রেললাইন উপড়ানো, ট্রেন-বাসে পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে মানুষ পোড়ানো, হাজার হাজার গাছ কাটার ঘটনা ঘটিয়ে দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ভিন্নমাত্রা যোগ করা হয়েছিলো, যা ছিলো অকল্পনীয় ও নজীরবিহীন। ১৯৯৬ সালের অগ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিরুদ্ধে এ জাতীয় ভয়াবহ নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনার কোনো নজির নেই। তাছাড়া, চোরাগোপ্তা হামলায় প্রাণ হারিয়েছে সাধারণ মানুষ, বাসযাত্রী ও পথচারীসহ বিভিন্ন উপজেলায় ও ইউনিয়ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীরা। জামায়াতের ট্রেনিংপ্রাপ্ত ক্যাডাররা সহিংসতা, বোমা হামলা, নাশকতা, মানুষ ও পুলিশ হত্যা, থানা ও অফিস পোড়ানো, বৃক্ষ নিধন এবং গরু পোড়ানোর জন্য মূলত দায়ী। তারাই ভোট কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত কয়েকশ' শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বোমা হামলা এবং পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়ে ছাই করে দিয়েছিল।

গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন বর্জন করা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর অনুশীলন এবং সংস্কৃতির সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। তারপরও বাংলাদেশে বিএনপি'র মত একটি রাজনৈতিক দল, যেটি Kings পার্টি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং যাদের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া ছাড়া বিকল্প পথ নেই, তারাও এ নির্বাচন বর্জনের সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেল। বিএনপি-জামায়াত জোটের নির্বাচন বর্জন ও প্রকাশ্যভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার আসল রহস্য হচ্ছে, জামায়াতের মূল এজেন্ডা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করার লক্ষ্যে একটি অগণতান্ত্রিক অবস্থায় ক্ষমতার পালা বদলের উর্বর ভূমি সৃষ্টি করা। এ রণকৌশল নিয়ে অগ্রসরমান জামায়াত-বিএনপি বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আচরণের পরিবর্তে সন্ত্রাস এবং নাশকতামূলক কৌশলকে গুরুত্ব দিয়ে সকল ধরনের অপকর্ম ও জনস্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে থাকে।

কিন্তু রাজনৈতিকভাবে বিশ্লেষণ করলে এটা আজ স্পষ্ট যে, জামায়াত-বিএনপি'র এধরনের রাজনৈতিক অবস্থান ছিলো রাষ্ট্রের ভূমিকা, দেশের বিরাজমান সামাজিক অবস্থা এবং দক্ষিণ এশিয়াসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক অন্তর্নিহিত দ্বন্দ্বগুলোর বিচারে একটি মারাত্মক ভুল। এছাড়া ঢাকা শহরকে সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে রেল যোগাযোগ বন্ধ, অবরোধের নামে রাজপথ, নৌপথ বন্ধের মাধ্যমে সরকারকে অচল করে নির্বাচন ভণ্ডুল করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়। ঢাকা শহরকে সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার অপচেষ্টায় কিছু সময়ের জন্য সফল হলেও সামগ্রিক বিবেচনায় তা ব্যর্থ হয়েছিল।

জামায়াত-বিএনপির অবরোধের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে কিছু কিছু জ্ঞানপাপী বুদ্ধিজীবী জামায়াত-বিএনপির এ সন্ত্রাসী এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডকে ইন্ধন এবং উত্সাহ যোগায়। দশম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার পূর্বে এবং পরে যে ধরনের প্রকাশ্য সহিংসতা সংঘটিত হয়েছিল, তা তুলনামূলকভাবে জাতির জনকের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত নবজাতক সরকারের বিরুদ্ধে গণবাহিনী, সর্বহারা ও বিভিন্ন বামপন্থীদের সশস্ত্র সংগ্রামের তুলনায় অনেকটা দুর্বল ও এলাকাভিত্তিক। সে সময় গণবাহিনী, সর্বহারা ও অন্যান্য বামপন্থি দলগুলো আন্দোলনে সফল না হলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে অন্তরায় সৃষ্টি করে ১৯৭৫ সালের মর্মান্তিক ও কলঙ্কময় ঘটনার ক্ষেত্রভূমি তৈরি করেছিল। এবারও জামায়াত-বিএনপি'র ভূমিকা ও ওই ধরনের নীল নকশা থাকলেও তাদের অভ্যন্তরীণ শক্তি ছিলো অনেকটা দুর্বল এবং গণবিচ্ছিন্ন। ফলে রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সম্যক উপলব্ধি না থাকায় জামায়াত-বিএনপি'র পক্ষে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

তবে এবার তারা কিছু কিছু বিদেশি রাষ্ট্রদূতের সাথে সরাসরি সম্পর্ক রেখে তাদের বু্লপ্রিন্ট বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করার পর নাগরিক সমাজ, ট্রয়ের ঘোড়ার মত রাজনৈতিক নেতৃত্বে কিছু কিছু বিদেশি কূটনৈতিক, কিছু কিছু পত্রিকার সম্পাদক ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার জন্য উঠে-পড়ে লেগেছিলো। সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশের রাষ্ট্রদূতরা সচেতনভাবেই উপস্থিত থাকেননি বলে অবস্থা দৃষ্টে প্রতীয়মান হয়েছে। অর্থাত্ ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের তারিখ পেছানো ও রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরকার যাতে পুনরায় ক্ষমতায় আসতে না পারে এবং একটি কথিত জাতীয় সরকার তৈরির নীল নকশা বাস্তবায়ন করা যায়, সে লক্ষ্যেই দেশি-বিদেশি কুশিলবরা প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন এবং এখনো বিভিন্ন রূপে সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থান জামায়াত-শিবিরের সামাজিকভিত্তি ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে তাদের অবস্থান যথেষ্ট শক্তিশালী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার লক্ষ্যে হত্যা, ধ্বংসলীলা এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে জামায়াত একটি সন্ত্রাসী ও নাশকতামূলক সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের জামায়াত বিরোধী দৃঢ় মনোভাবের কারণে দেশবাসী বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে পবিত্র ইসলামের নামে রাজনৈতিক সংগঠন জামায়াত শিবিরের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে। তাদের জনবিচ্ছিন্নতা বেড়েছে। এখানেই হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দৃঢ়তার অন্যতম সফলতা।

৫ জানুয়ারি নির্বাচনোত্তর জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সম্পর্কে এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে সরকারকে সংকটের আবর্তে নিক্ষেপ করার লক্ষ্যে জামায়াত-বিএনপি এবং তাদের ঘরনা রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীরা আশা করলেও বর্তমান বাস্তবতায় সরকারের প্রতি বাংলাদেশের জনগণ ছাড়াও বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর মনোভাবের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনোত্তর উপস্থিতি নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্ট বিএনপিকে জামায়াত ও হেফাজতের সঙ্গ ত্যাগ করার আহবান জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট, বৃটিশ পার্লামেন্ট ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে বিতর্ক ও সিদ্ধান্ত অনেকটাই সিনক্রোনাইজড্।

অন্যদিকে বিএনপিকে জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করার কথা বলার ফলে পশ্চিমা বিশ্বের কাছে জামায়াতের আসল রূপ উন্মোচিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার আহবান করেছে। ফলে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘরে বাহিরে জামায়াত-শিবির চক্র অনেকটা বিচ্ছিন্ন ও গণবিকৃত রাজনৈতিক সংগঠন রূপে পরিগণিত হয়েছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন সম্পর্কে জামায়াতের কর্ম কৌশল খালেদার নিকট গ্রহণযোগ্য হলেও বর্তমানে রাজনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে জামায়াতকে সাথে নিয়ে মধ্যবর্তী নির্বাচন অথবা ক্ষমতায় যাবার স্বপ্ন খালেদা জিয়ার নিকট অনেকটাই আবছা আবছা হয়ে ওঠেছে। কাজেই নতুনভাবে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবস্থানকে দেশি-বিদেশিদের নিকট স্পষ্ট করতে স্বাভাবিকভাবেই বেশ কিছু সময় লাগবে। জামাতের ইস্যু নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব এ ধরনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, তা খালেদা জিয়ার নিকট বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত।

সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করলে জঙ্গীবাদের আশ্রয়দাতা, সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারী জামায়াত-শিবির চক্র বিএনপির জন্য গোদের ওপর বিষ ফোড়ার মত। বাংলাদেশে স্থিতিশীল সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের অবশ্যই ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত অথবা বিরোধী দলে অবস্থানরত রাজনৈতিক দলগুলোকে পবিত্র ইসলাম ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গীবাদ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের পরিত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে অর্থবহ আলোচনার জন্য জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করে আসতে বলেছেন। যার প্রতিধ্বনি যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমনস্, ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট এবং মার্কিন কংগ্রেসে প্রতিধ্বনিত হয়েছে। এ বিষয়গুলো বিচার বিশ্লেষণ করে নতুন বাস্তবতায় কর্মকৌশল নির্বাচনের পর আবার নতুন ইস্যুর সৃষ্টি অর্থাত্ বিএনপি Policy Preactive না হয়ে Proactive হবে বিধায় আন্দোলনের ক্ষেত্রে বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পেছনে পড়ে থাকবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বর্তমান রাজনীতির ক্রান্তিলগ্নে যেভাবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সিপাহসালার হিসেবে অগ্রসর হচ্ছেন, তাতে যে কোনো দেশপ্রেমিক ব্যক্তি উত্সাহিত হবেন এবং নতুন আলোর পথ দেখবেন। এই আলোর পথের যাত্রীদেরকে সব সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে করে অন্ধকারে পথ হারিয়ে না যায়। যে ঝুঁকি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মনে-প্রাণে 'বহুজন হিতায় এবং বহুজন সুখায়' এই চেতনা নিয়ে নৌকায় দাঁড় টেনে ঝঞ্জা বিক্ষুব্ধ রাজনৈতিক সমুদ্রে পাড়ি দিয়ে কূলে ভিড়ানোর কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন, সে ক্ষেত্রে নৌকার যাত্রীদেরকে খুবই সতর্ক থাকতে হবে, যাতে করে অদৃশ্য কোনো দমকা হাওয়া এসে নৌকাকে ডুবে দেয়ার অপচেষ্টায় মেতে না ওঠে।

দশম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে তৃতীয়বারের মতো জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রীত্বের আসন অলংকৃত করা বাঙালি জাতির জন্য খুবই উত্সাহ এবং অনুপ্রেরণার বিষয়। ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি শিল্পসমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের ও ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার অভিযাত্রা সফল করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা আজ সময়ের জরুরি দাবী।

দেশের বিবেকবান ও গণতন্ত্রমনা প্রত্যেক নাগরিকের মতো আমিও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে এর সামগ্রিক সফলতা কামনা করি। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হেনরী কিসিঞ্জারের একটি উক্তি এখানে উল্লেখ করতে চাই, "All are in infavour of rising sun, not the setting sun"। নির্বাচন-উত্তর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের প্রতি অব্যাহতভাবে বিশ্ব সম্প্রদায়য়ের সমর্থন উল্লিখিত উক্তির যথার্থতা প্রমাণ করে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছিলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দৃঢ়তায় নতুন সরকার গঠনের পর সে সংকট থেকে আমাদের উত্তরণ ঘটেছে। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে সাফল্যের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সমাজ সচেতন দেশের প্রত্যেক নাগরিক, উন্নয়নসহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রগুলো নতুন সরকারের প্রতি তাদের সহায়তার হাত প্রসারিত করবে এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আলোর পথের যাত্রি হবে- এটাই আমাদের বিশ্বাস।

লেখক :সাধারণ সম্পাদক,

বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কাটবে না। এতে অর্থনীতি দীর্ঘ মেয়াদি সংকটে পড়বে।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
9 + 2 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
সেপ্টেম্বর - ২২
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :