The Daily Ittefaq
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ১৬ মাঘ ১৪১৯, ১৬ রবিউল আওয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে আগামীকাল অর্ধদিবস হরতাল | হংকং গমনেচ্ছুদের নিবন্ধন ফেব্রুয়ারিতে: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী | বিপিএল: ৩৩ রানে খুলনার হার | বিপিএল: সিলেট রয়্যালসের প্রথম হার | ডিএসই: দিন শেষে সূচক বেড়েছে ৬৪ পয়েন্ট | মেহেরপুরে সন্ত্রাসী হামলায় যুবলীগ নেতা নিহত | লাঠি নিয়ে বিক্ষোভ , ফুলবাড়িতে ঢুকতে পারেনি এশিয়া এনার্জির প্রধান | পুরান ঢাকায় অতর্কিত হামলা, দুই বাসে আগুন | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৫টি ককটেল বিস্ফোরণ | এ সরকারের ওপর প্রেতাত্মা ভর করেছে: সমাবেশে তরিকুল | জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে প্রয়োজন ঐকমত্য:হানিফ | জামায়াত-শিবির দেখলেই গণধোলাই: ১৪ দল | পদ্মা দুর্নীতি ও ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে সরকার বিব্রত: তথ্যমন্ত্রী | আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির | ধর্ষণের তথ্য পেলেই মামলা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ | বিমানে স্বাচ্ছন্দ্য ভ্রমণ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ | সাঈদীর মামলার রায় যেকোন দিন

ইটপাথরের নগর ছেড়ে প্রকৃতির কোলে

ঘুরে আসুন হবিগঞ্জ

মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল

প্রকৃতির রম্য নিকেতন বৃহত্তর সিলেটের প্রবেশদ্বার হবিগঞ্জ জেলা। সিলেট বিভাগের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অনেকটা অংশ জুড়েই রয়েছে হবিগঞ্জ। প্রকৃতি অকৃপণভাবে সাজিয়েছে এই জেলাটিকে। খোয়াই, করাঙ্গী, সুতাং, সুনাই, রত্না, ভেড়ামোহনা, কুশিয়ারা, বিবিয়ানা নদী বিধৌত এই জনপদ। এর একদিকে বিস্তীর্ণ হাওর, অপরদিকে বনজ ও প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা। পাহাড়, হাওর, নদী, চা ও রাবার বাগান, বনজসম্পদ, গ্যাসসহ অফুরন্ত প্রাকৃতিক সম্পদ, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমৃদ্ধ হবিগঞ্জে খাসিয়া, টিপরা উপজাতি এবং মনিপুরী সম্প্রদায়ের বসবাস। প্রায় আড়াইহাজার বর্গকিলোমিটার বিশিষ্ট হবিগঞ্জের উত্তরে সুনামগঞ্জ ও সিলেট, পূর্বে মৌলভীবাজার, দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও ভারতের পার্বত্য ত্রিপুরা, পশ্চিমে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও কিশোরগঞ্জ জেলা অবস্থিত।

কিভাবে যাবেনঃ রাজধানী ঢাকা থেকে হবিগঞ্জের দূরত্ব সড়ক পথে ১৭০ কিলোমিটার এবং রেল পথে ২০০ কিলোমিটার। সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে হবিগঞ্জের কাউন্টারে টিকিট কেটে দিগন্ত, অগ্রদূত, বিসমিল্লাহ বাসযোগে ৪ ঘন্টায় হবিগঞ্জ শহরে সরাসরি আসা যায়। বাস ভাড়া নন এসি জনপ্রতি ২০০ টাকা এবং এসি ২৫০ টাকা। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেন পারাবত, জয়ন্তিকা, কালনী ও উপবনযোগেও ৪ ঘন্টায় শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে আসা যায়। ভাড়া শোভন শ্রেণী ১৯৫ টাকা, এসি চেয়ার ৪৪৯ টাকা। শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে নেমে সিএনজি অটোরিক্সা নিয়ে ২০০ টাকা ভাড়ায় কিংবা রেল গেট থেকে বিরতিহীন বাসে ১৫ টাকা ভাড়া দিয়ে ৮ মাইল দূরবর্তী জেলা সদরে আসা যায়। নিজস্ব গাড়ি নিয়ে আসলে সহজেই দর্শনীয় স্থানগুলোতে যাওয়া সম্ভব হবে। সকালে সড়ক পথে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে হবিগঞ্জের প্রবেশদ্বার মাধবপুর উপজেলা সদরে পৌঁছে কুটুম বাড়ি কিংবা সেমকো রেস্টুরেন্টে নাস্তা কিংবা দুপুরের খাবার সেরে ফেলতে পারেন। এছাড়াও মহাসড়কের পাশে "হাইওয়ে ইন", "নূরজাহান" কিংবা "আলআমিন" হোটেলেও খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন। হাতে সময় থাকলে মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ম্যানেজার বাংলোর পাশে নির্মিত বুলেট আকৃতির ব্যতিক্রমধর্মী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করে আসতে পারেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এই স্মৃতিসৌধটি নির্মাণ করা হয়। ১৯৭১ সালে তেলিয়াপাড়া ম্যানেজার বাংলো ছিল এতদঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধের বীর নায়কদের পদচারণায় মুখরিত। স্মৃতিসৌধের পাশেই মনোরম লেক। স্মৃতিসৌধ দেখা শেষে পুরাতন মহাসড়ক ধরে আরো কিছু দূর এগিয়ে গেলে রঘুনন্দন পাহাড়ের অবস্থিত সাতছড়ি ফরেস্ট রেঞ্জ অফিস। এখানে রয়েছে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। ২০০৫ সালে ২৪৩ হেক্টর ভূমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই জাতীয় উদ্যানে রয়েছে ১৯৭ প্রজাতির জীব। আছে ১৪৯ প্রজাতির পাখি, ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী জীব, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ ও ৬ প্রজাতির উভচর জীব। জাতীয় উদ্যান ঘিরে আছে ৯টি চা বাগান, পাশেই রয়েছে পাম ওয়েল গাছের বাগান। বন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় স্থাপিত আগরগাছ, বাঁশ ও বেত চাষ প্রকল্প। এছাড়াও আছে সেগুন, কড়ই, আকাশি, মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সবুজ অরণ্য। সাতছড়ি এলাকায় ২৫টি টিপড়া পরিবারের বসবাস। তারা জুম চাষ করেন এবং বন বিভাগের শ্রমিক হিসাবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। যেতে পারেন পার্শ্ববর্তী শাহজিবাজার বিদ্যুত্ উত্পাদন কেন্দ্র্রে। এর পূর্ব পাশে রয়েছে ২০৪০ একর জায়গা জুড়ে স্থাপিত শাহজিবাজার রাবার চাষ প্রকল্প। দক্ষিণে রয়েছে হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ড। সেখানে ফিল্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিজ উদ্যোগে ৭ একর এলাকায় গড়ে উঠেছে নয়নাভিরাম 'ফ্রুটস ভ্যালি'। এতে বিভিন্ন জাতের ঔষধি, ফুল ও ফলের ২শ প্রজাতির গাছ, রঙ-বেরঙের পোষা পাখি রয়েছে। প্যাগোডা আকৃতির পাকা প্যাভিলিয়ন, রেস্ট হাউজ এখানকার অন্যতম আকর্ষণ। কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ফ্রুটস ভ্যালি পরিদর্শন করা যায়। মহাসড়কের পশ্চিম পাশে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ইদানিং তৈরি হচ্ছে দেশের বড় বড় শিল্প কারখানার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। শাহজীবাজার থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে উত্তর-পশ্চিম দিকে রাজিউড়া ইউনিয়নের উচাইল গ্রামে রয়েছে সুলতানী আমলে নির্মিত শংকর পাশা শাহী মসজিদ। যা সেকালের অপূর্ব স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন বহন করছে।

কোথায় থাকবেনঃ হবিগঞ্জে থাকার জন্য রয়েছে সার্কিট হাউজ, বিভিন্ন সরকারি অফিসের রেস্ট হাউজ। এছাড়াও রয়েছে বি. জামান খান ক্রস রোডে আমির চাঁন কমপ্লেক্স ভবনের ৪র্থ তলায় অবস্থিত 'হোটেল আমাদ'। এতে এসি, নন এসি, ডিলাক্স কক্ষ রয়েছে। এতে ভাড়া পড়বে ৪০০ টাকা থেকে ২৩০০ টাকা পর্যন্ত। খাবারের জন্য ভবনের ৫ম তলায় রয়েছে 'স্কাই কুইন চাইনিজ রেস্টুরেন্ট'। যোগাযোগের জন্য ফোন-০৮৩১-৬২৪১১, মোবাইল নং-০১৭৩২-৫২১১৫২। উন্নতমানের অপর হোটেলটি হচ্ছে কালী বাড়ি এলাকায় আশরাফ জাহান কমপ্লেক্সের ৪র্থ তলায় 'হোটেল সোনার তরি'। এতে এসি, নন এসিসহ বিভিন্ন শ্রেণির কক্ষ রয়েছে। ভাড়া পড়বে ৩৫০ থেকে ২০০০ টাকা। যোগাযোগ ফোন- ০৮৩১-৫২০০২, মোবাইল নং-০১৭১১-২৩৩৩৩২। এই ভবনেরই ৩য় তলায় খাবারের জন্য রয়েছে 'ফুড ভিলেজ চাইনিজ রেস্টুরেন্ট'। শহরের পুরাতন পৌরসভা সড়ক এলাকায় সুলভ মূল্যে খাবারের জন্য রয়েছে আইয়ুব আলী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, সু-স্বাদু রেস্টুরেন্ট ও নোমান রেস্তোরাঁ। কেনাকাটা করতে যেতে পারেন খাজা গার্ডেন সিটি, হবিগঞ্জ রিজেন্সী, আমির চাঁন ও আশরাফ জাহান কমপ্লেক্স মার্কেটে। মেজর জেনারেল আব্দুর রব স্মৃতি গ্রন্থাগার ও জাদুঘরটি শহরের অন্যতম দর্শনীয় স্থান।

দেখার আছে আরো অনেক কিছুঃ যেতে পারেন বাহুবল উপজেলার ফয়েজাবাদ পাহাড়ে। পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আলিয়াছড়া খাসিয়া পুঞ্জি এলাকায় রয়েছে ১২৫টি খাসিয়া পরিবারের বসবাস। নিকটবর্তী মুছাই ও বৈরাগী খাসিয়া পুঞ্জিতে রয়েছে কয়েকটি খাসিয়া পরিবার। এই উপজাতির লোকেরা খাসিয়া পান, আনারস, লেবু, গোলমরিচ চাষ করে বর্তমানে আর্থিকভাবে অনেকটা সচ্ছল। এই উপজাতিদের পুঞ্জি প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে খাসিয়া পুঞ্জিতে গিয়ে দেখতে পারেন খাসিয়াদের বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবনযাত্রার চিত্র। আলিয়াছড়া খাসিয়া পুঞ্জি বাজারে প্রায় সারা বছরই আনারস ও লেবু পাইকারি দরে বিক্রি হয়। এই এলাকায় প্রচুর কাঁঠালও উত্পাদিত হয়। এখানে রয়েছে রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড, রাবার ও চা বাগান। আলিয়াছড়া থেকে চুনারুঘাটের দিকে এগিয়ে গেলে পথে পড়বে মুরারবন্দ মাজার শরীফ। এখানে হযরত শাহজালাল (রঃ) সফর সঙ্গীদের অন্যতম হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দিন সিপাহ্সালার (রঃ) এবং হযরত কুতুবুল আউলিয়াসহ অনেক পীর আউলিয়ার মাজার। চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ও আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী মনিপুরি জনগোষ্ঠির বসবাস। এখানকার কালেঙ্গা পাহাড়ে রয়েছে কয়েকটি টিপড়া পরিবার। রোমায় রয়েছে বন্যপ্রাণী ও জীবজন্তু সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত অভয়ারণ্য। যেতে পারেন সীমান্তবর্তী এলাকা বাল্লায়। ফেরার পথে বিকল্প সড়কে চাঁনপুর চা বাগান ঘুরে আসতে পারেন। আরো যেতে পারেন হবিগঞ্জ শহরের উত্তরে ২২ কিলোমিটার দূরবর্তী উপমহাদেশের সর্ববৃহত্ গ্রাম বানিয়াচং-এ। গড়ের খাল বেষ্টিত বানিয়াচং গ্রামে রয়েছে রাজা গড়গোবিন্দের বংশধরদের প্রসাদের ধ্বংসাবশেষ, সুলতানী আমলে নির্মিত বিবির মোকাম ও পুরানবাগ মসজিদ। এছাড়াও গ্রামের মধ্যস্থলে রয়েছে রানী কমলাবতির দীঘি যা সাগর দীঘি নামেও পরিচিত। বানিয়াচং উপজেলা সদরের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রায় ১০ মাইল দূরে রয়েছে ১২০ কক্ষ বিশিষ্ট প্রাচীন বিথঙ্গল আখড়া। বর্ষাকালেই সেখানে যেতে সুবিধা। শহরের পার্শ্ববর্তী কালারডোবা নৌকাঘাট থেকে ইঞ্জিন নৌকা ভাড়া করে ১ ঘন্টায় বিথঙ্গল পৌঁছা যায়। ভাড়া পড়বে আসা-যাওয়ার জন্য ৮শ টাকা। বর্ষাকালে সারাদিনের জন্য ইঞ্জিন নৌকা ভাড়া করে বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওর এলাকা ঘুরতে পারবেন। ফেরার পথে খোয়াই ব্রিজের উত্তর পাশ দিয়ে নবীগঞ্জ যেতে পারেন। পথে পড়বে নাগুড়া। নাগুড়া থেকে ১৫ মাইল উত্তরে অবস্থিত নবীগঞ্জ উপজেলা সদরটি 'লন্ডনী উপজেলা' হিসাবে খ্যাত। এখানকার জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইংল্যান্ডে বসবাস করছেন। এ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সুরম্য ও বিলাসবহুল বাসভবনগুলো সহজেই দর্শনার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। নবীগঞ্জ থেকে পূর্ব দিকে রয়েছে দেশের অন্যতম বৃহত্ বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ড। কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গ্যাস ফিল্ড এলাকা পরিদর্শন করা যায়। বিবিয়ানা থেকে ঢাকায় যাবার পথেই রয়েছে বাহুবল উপজেলার রূপাই ছড়া রাবার বাগান। পাশেই রয়েছে বৃন্দাবন চা বাগান। মধুপুর চা বাগানের নিকটস্থ পাহাড়িয়া এলাকায় বেসরকারি উদ্যোগে নির্মাণাধীন পর্যটন কেন্দ্র দেখে আসতে পারেন। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এই পর্যটন কেন্দ্রটি অদূর ভবিষ্যতে পর্যটকদের নিকট একটি আকর্ষণীয় স্পট হিসাবে বিবেচিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সংসদ নির্বাচন হবে এই সরকারের অধীনেই। মহাজোট সরকারের এই অনড় অবস্থান গ্রহণ যৌক্তিক বলে মনে করেন?
1 + 2 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ২১
ফজর৩:৫৮
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১১
সূর্যোদয় - ৫:২৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :