The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮ মাঘ ১৪১৯, ১৮ রবিউল আওয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ বরিশালের ৬ রানে জয় | সিলেটে দলীয় কোন্দলে ছাত্রদল নেতা নিহত | শর্ত পূরণ না হলে পদ্মায় অর্থ নয়: বিশ্বব্যাংক | ফেনীতে পিকেটারদের তাড়া খেয়ে সিএনজি চালক নিহত | সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলায় উদ্বিগ্ন রাশিয়া | নারায়নগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ | বগুড়ায় আগামী শনিবার জামায়াতের হরতাল আহ্বান | বিপিএল: রংপুরের বিপক্ষে সিলেটের জয় | স্কাউটদের দেশের প্রয়োজনে প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর | ডিএসই: দিন শেষে সূচক বেড়েছে ১০ পয়েন্ট | ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভয়াবহ ডাকাতি, চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দিয়ে চারজনকে হত্যা | নির্বাচন পদ্ধতি রাজনীতিবিদরাই নির্ধারণ করবেন :সিইসি | পল্টন থানার মামলায় জামিন পেয়েছেন মির্জা ফখরুল | যশোরে শিবিরের তা্লব, অসুস্থ হয়ে পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু | বগুড়ায় সংঘর্ষে ব্যবসায়ী ও শিবির নেতা নিহত | দেশব্যাপী জামায়াতের ডাকে হরতাল পালন

[ স মা জ ]

ধর্ষণ এবং গণমাধ্যমের 'এজেন্ডা সেটিং' তত্ত্ব

মুহাম্মদ যাকারিয়া

গত কয়েকদিনে পত্রিকার পাতা খুললেই চোখে পড়ে ধর্ষণের নতুন কোনো ঘটনা কিংবা পুরনো কোনো ঘটনার ফলোআপ প্রতিবেদন। ভারতে মেডিক্যাল ছাত্রীকে গণধর্ষণের আলোচিত ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশের গণমাধ্যমে ধর্ষণ নিয়ে প্রতিদিনই এক বা একাধিক প্রতিবেদন-কলাম, টকশোতে আলোচনা থাকছে। নারী নিগ্রহ নিয়ে সংবাদ-সম্পাদকীয়র এত আধিক্যের কারণে দু'টি প্রশ্নের উদ্রেক হয়। প্রথমটি হচ্ছে, ভারতের ঘটনার পর আমাদের দেশে কি নারী সহিংসতার ঘটনা বেড়ে গেছে? দ্বিতীয়টি হচ্ছে, না-কি ধর্ষণের ঘটনাগুলো এখন গণমাধ্যমে আগের তুলনায় অধিকতর গুরুত্ব পাচ্ছে? উপরোক্ত দু'টি ধারণা থেকে কোনটি যৌক্তিক— তা খুঁজতে গিয়ে গণমাধ্যমের 'এজেন্ডা সেটিং' বা 'আলোচ্যসূচি নির্ধারণ' তত্ত্বের কথা মনে পড়ে গেল। এ তত্ত্বের সারবস্তু হচ্ছে, গণমাধ্যমে যা গুরুত্ব পায়, তা-ই আমরা গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। দর্শক-শ্রোতা-পাঠকের ওপর গণমাধ্যমের প্রভাব সম্পর্কিত যেসব তত্ত্ব বহুল আলোচিত তার মধ্যে এটি একটি। 'এজেন্ডা সেটিং' তত্ত্বের পটভূমি তুলে ধরতে গিয়ে গবেষকরা বলছেন, কোনো শহরে নিয়মিত খুন হলেও সে খবর যদি গণমাধ্যমে না আসে, তবে এ খুনের ঘটনা জনগণকে খুব বেশি আলোড়িত করে না। অথচ কোনো একটি নির্দিষ্ট খুনের ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যম কয়েকদিন প্রতিবেদন প্রকাশ করলে তা জনগণের আলোচনার বিষয়বস্তু— অর্থাত্ পাবলিক এজেন্ডায় পরিণত হয়। আধুনিক সাংবাদিকতার গোড়ার দিকে ১৯৩০-এর দশকে নিউইয়র্কের 'ইভনিং পোস্ট' পত্রিকার সাংবাদিক লিংকন স্টিফেন্স প্রথম টের পান, কোনো ঘটনাকে মানুষের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে পারার ক্ষমতা গণমাধ্যমের আছে। তিনি নিজেই তার আত্মজীবনীতে এ শক্তির উপলব্ধির কথা তুলে ধরে বলেন, আমি একটি 'অপরাধ আবহ' (ক্রাইম ওয়েভ) তৈরি করি। ঘটনাটি হলো, তখন প্রতিদিনই নিউইয়র্কে ছোট ছোট সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটতো। কিন্তু এসব খবর পত্রিকায় আসতো না। একদিন লিংকন স্টিফেন্স এ ধরনেরই একটি ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেন। প্রতিবেদনটি ছাপা হওয়ার পর অপর একটি দৈনিক 'ইভনিং সান'-এর অপরাধ প্রতিবেদক জ্যাক রিসের ওপর চাপ আসে; এবং দু'একদিন পর অন্য পত্রিকার সম্পাদকরাও তাদের প্রতিবেদকদের এসব অপরাধের ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দেন। ফলে পত্রিকার পাতাজুড়ে প্রতিদিনই এসব খবর ছাপা হতে থাকে। মানুষ আতংকিত হয়ে পড়লো, চাপ পড়লো পুলিশ প্রশাসনের ওপর। তখন পুলিশ কমিশনার টেডি রুজভেল্ট ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে দেখেন, আসলে অপরাধের হার বাড়েনি; বরং পত্রিকায় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনের পরিমাণ বেড়েছে। পরে সাংবাদিক লিংকন স্টিফেন্স নিজেই স্বীকার করেন, তখন বিশেষ করে কোনো অপরাধ বাড়েনি, বেড়েছিল সন্ত্রাসের খবর ছাপার পরিমাণ। গণমাধ্যমের এ ক্ষমতাকে গবেষকরা 'এজেন্ডা সেটিং ক্ষমতা' হিসেবে অভিহিত করেছেন। আসলে গণমাধ্যমে কোনো ঘটনার সংবাদ ছাপা না হলে সে ঘটনার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়; তেমনি বিপরীতভাবে কোনো ঘটনার সংবাদ ছাপা হলে সে ঘটনার তাত্পর্য অনেকখানি বেড়ে যায়, হয়তো যতটা গুরুত্ব তার নয়।

নারী নির্যাতন ও সতীত্বহানির ঘটনা সমাজে প্রতিনিয়ত ঘটছে। অনেক সময় সম্ভ্রম হারানো নারীর 'পুনঃপুনঃ বেইজ্জতি' হওয়ার ভয়ে তার বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন এসব ঘটনা নীরবে হজম করেন। সাংবাদিক তো দূরের কথা, থানা-পুলিশ পর্যন্তও বিষয়টি গড়ায় না। আবার সাংবাদিকরা কোনোভাবে ঘটনাটি জেনে গেলেও পাশবিক নির্যাতনের শিকার নারীর ভবিষ্যত্ নিয়ে সাত-পাঁচ ভেবে ঘটনাটি যে চেপে যান না, তা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। বিশেষ করে মফস্বলে প্রতিনিয়ত এমনটা ঘটছে। পত্রিকাও এসব সংবাদ ছাপানোর ব্যাপারে একটু 'অনীহা' দেখায়। তাহলে হঠাত্ করে 'ধর্ষণ' বাংলাদেশে এতো আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হওয়ার কারণ কী। প্রকৃত বিষয় হলো, ভারতে মেডিক্যাল ছাত্রী গণধর্ষণের ঘটনাটি ভারতকে শুধু নয়— গোটা বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে। বিক্ষোভ-প্রতিবাদে এক হয়েছে গোটা ভারতবাসী। আমাদের গণমাধ্যমেও বিষয়টি ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে। মূলত এর পরপরই 'ধর্ষণ' বিষয়টি দেশে 'গণমাধ্যম এজেন্ডা' ও গণমাধ্যমের পিছু পিছু 'পাবলিক এজেন্ডা'য় পরিণত হয়। যার ধারাবাহিকতায় আমরা পত্রিকায় দেখতে পাচ্ছি, নারী নিপীড়নের একের পর এক ঘটনা। বিষয়টি এমন পর্যায়ে এসেছে যে ধর্ষণের নতুন কোনো ঘটনা, ফলোআপ, প্রতিবাদ— যাই কিছু হোক তা গণমাধ্যম তা লুফে নিচ্ছে, গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করছে। কিন্তু, বাস্তবতা হলো প্রতিনিয়ত দেশের আনাচে-কানাচে, শহরে-গ্রামে ধর্ষণ, নারী নির্যাতন-লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটছে। কিছু পরিসংখ্যানের কারণে বিষয়টি এখন দিবালোকের মত পরিষ্কার। গত চার বছরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও পুলিশ সদর দফতরের অপরাধ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের চার বছরে সারাদেশে ধর্ষণের শিকার হয় মোট ১২,৯৭১ জন। এ সময়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৬৭ হাজার ২২৯টি। বাস্তবের তুলনায় পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। তবে বিগত ২০১২ সালে নারীর প্রতি সহিংসতা চরম রূপ নেয়। মানবাধিকার সংস্থা 'অধিকার'-এর তথ্যমতে, গতবছর ৮০৫ জন ধর্ষণের শিকার হয়। এদের মধ্যে ২৯৯ জন নারী, ৪৭৩ জন মেয়ে শিশু এবং ৩৩ জনের বয়স জানা যায়নি। ওই ২৯৯ জন নারীর মধ্যে ৩১ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং ১০১ জন গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ৪৭৩ জন মেয়ে শিশুর মধ্যে ৩৯ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং ৮৪ জন গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে। পাঁচ বছর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের শিশুরা এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। রাজধানীতে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১০ বছরের শিশু রিতুকে। ১৩ জানুয়ারিতে রাজবাড়ীতে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় জামিন পাওয়া এক তরুণ ওই শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা করে! কি নির্মমতা! কি নৃশংসতা!! এভাবে শুধু সম্ভ্রম নয়— প্রাণ হারাচ্ছে বহু নারী ও শিশু।

যা হোক, ধর্ষণের মতো জঘন্য ও পাশবিক ঘটনার প্রতিবেদন গণমাধ্যমে অবশ্যই স্থান পাওয়া উচিত— যাতে নরপশুরা আইনকে ফাঁকি দিতে না পারে। কিন্তু এ ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনার প্রতিবেদন তৈরির সময় গণমাধ্যম কর্মীদের একটু সতর্ক থাকতে হবে— যাতে করে এসব বিবরণী থেকে অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিরা কোনোভাবেই প্ররোচিত না হয়। কারণ গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ ও অপরাধ-বিজ্ঞানীদের মতে, গণমাধ্যমে অপরাধের ফলাও প্রচার থেকেও অপরাধ উত্সাহিত হতে পারে। দেশে ধর্ষণের সংবাদ প্রকাশ ও তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধর্ষণের ঘটনা বাড়তে থাকায় এই নেতিবাচক আশঙ্কাটি একেবারে নাকচ করা যায় না। ২৪ জানুয়ারি মানিকগঞ্জে দিন-দুপুরে চলন্ত বাসে এক পোশাক শ্রমিক বাসচালক ও হেলপারের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। দিল্লিতে চলন্ত বাসে ধর্ষণের বিশ্বব্যাপী নিন্দনীয় ঘটনার সঙ্গে এই ঘটনার কোনো মনস্তাত্ত্বিক যোগাযোগ আছে কি না, তা-ও ভেবে দেখার বিষয়। তবে মানিকগঞ্জের ঘটনায় হান্নান নামে এক সাহসী যুবক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তরুণী ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে এবং মেয়েটিকে উদ্ধার করে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন— যা চরম নিরাশা আর অন্ধকারের মধ্যে আশার আলো জাগিয়ে রেখেছে। অন্তত পরোপকারিতার দিক দিয়ে জাতি হিসেবে আমাদেরকে এগিয়ে রেখেছে নির্ভীক যুবক হান্নান। ভারতে মেডিক্যাল ছাত্রীটি আহতাবস্থায় দীর্ঘ সময় রাস্তায় পড়ে থাকলেও কেউ উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি। একের পর এক অভাবিত ঘটনায় নারী সহিংসতা প্রতিরোধে নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-যুবক, দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যমসহ সুশীল সমাজকে ধর্ষণ প্রতিরোধে কৌশলগত উপায়ে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। ধর্ষণের অপরাধে বিচার না হওয়ার নজিরই বেশি। তাছাড়া যত ঘটনা ঘটে, তার কমই প্রকাশিত হয়, আরও কম ঘটনা আদালত পর্যন্ত গড়ায়। ধর্ষণের শিকার ব্যক্তিকেই অপরাধ প্রমাণের দায় দিয়ে রাখলে এবং বিচার-প্রক্রিয়ায় অসম্মানকর পরিস্থিতি বজায় থাকলে নির্যাতিত ব্যক্তিরা আদালতে যাবেন না। ভারতের বিক্ষোভ আমাদেরকেও রাস্তায় নামতে শিখিয়েছে। মানিকগঞ্জে, সেগুনবাগিচায় সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে ধর্ষকের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। কিন্তু নারীর জন্য ঘর ও বাহিরকে নিরাপদ করতে, নিরাপদ সমাজ ও পরিবেশ সৃষ্টি করতে সমন্বিত কর্মসূচি নিতে হবে। সাম্প্রতিক ঘটনার পর ভারতে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আরও কঠোর আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। নতুন আইনের খসড়া অনুযায়ী দেশটিতে ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে দায়ী ব্যক্তিকে রাসায়নিক প্রয়োগে খোজাকরণের প্রস্তাব করা হয়েছে। আমাদের দেশেও ধর্ষকের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন শক্তিশালী করতে হবে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় বিভিন্ন বেসরকারি উদ্যোগে জনস্বার্থে বিজ্ঞাপন তৈরি করে তা বিটিভির পাশাপাশি বেসরকারি টিভিতে প্রচার করতে পারে। বেসরকারি টিভি, রেডিও ও সংবাদপত্রের উচিত হবে 'পাবলিক সার্ভিস' হিসেবে এগুলো স্বল্পমূল্যে প্রচার করা। কারণ রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যম তার দায় এড়াতে পারে না। এছাড়া টিভি চ্যানেলগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আগে ও পরে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নারী নির্যাতন প্রতিরোধমূলক ছোট ছোট বার্তা দিতে পারে। এনজিওগুলোর উদ্যোগে বিনোদনধর্মী শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচারের ব্যবস্থা করা যায়। মসজিদে জুমার খুতবায় ইমাম-খতীবরা এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারেন। পাড়ায়-মহল্লায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাউন্সেলিংসহ নানা সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা যেতে পারে। আরেকটি বিষয় হলো, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষার প্রকট অভাব বেশ লক্ষণীয়। শিক্ষিতরা যে এ অপরাধে জড়িত হচ্ছে না, তা নয়। তাই স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পাঠ্যসূচিতে এ বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে নীতিনির্ধারকরা দৃষ্টি দিবেন বলে আশা করি।

বিবিসি এক বিশ্লেষণে বলেছে, ভারতে এখন অনেকে মনে করছেন, এধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ভারতীয়দের এখন 'আত্ম-অনুসন্ধানের' সময় এসেছে। জাতি হিসেবে আমাদেরকেও জেগে উঠতে হবে। সকলে মিলে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করতে হবে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক ঘৃণা গড়ে তুলতে হবে। এগিয়ে আসতে হবে অকুতোভয় যুবক হান্নানের মতো।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সংকটের ফয়সালা রাজপথেই হবে বলেছে বিএনপি। আপনি তাদের এ বক্তব্য যৌক্তিক মনে করেন?
8 + 9 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ৯
ফজর৩:৫১
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪৩
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১৭সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :