The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০ মাঘ ১৪১৯, ২০ রবিউল আওয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ কাল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু | সোমবার সারাদেশে জামায়াতের বিক্ষোভ,বাধা দিলে লাগাতার হরতাল | টেস্টে সর্বনিম্ন রানের লজ্জায় পাকিস্তান | বিপিএল : বরিশালের বিপক্ষে রাজশাহীর জয় | তুরস্কে মার্কিন দূতাবাসে হামলা, নিহত ২ | সড়ক দুর্ঘটনায় মানিকগঞ্জে ৭, মহাদেবপুরে ২, ঝিকরগাছায় ১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ জন নিহত | নারায়ণগঞ্জে শিবিরের হামলায় ১২ পুলিশ আহত | বগুড়ায় পুলিশের গাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ-ভাঙচুর | বগুড়ায় জামায়াতের ডাকে হরতাল পালন | পদ্মা সেতু নিয়ে রাজনীতি করেছে বিশ্বব্যাংক: সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত | দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেয়েছে :সিরাজগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী | নিজস্ব অর্থায়নে আগামী দুই মাসের মধ্যেই পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ শুরু হবে :জানালেন অর্থমন্ত্রী

[ রা জ নী তি ]

মহাজোট সরকারের ব্যর্থতা ও বিরোধী দলের আন্দোলন কর্মসূচি

ড. শামসুল আলম

নব্বই দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত তিন জোটের রূপরেখার আলোকে যৌথ কর্মসূচি ও আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদ সরকারের পতন হয়। এরপর ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনোত্তর সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের দ্বিতীয় পর্যায়ের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৯১ হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সংসদীয় রাজনীতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে নিয়মতান্ত্রিক সাধারণ নির্বাচন এবং নির্বাচিত সরকারের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া। এ সময়ে নির্দলীয় অন্তর্বর্তীকালীন বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু ২০০৬-২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যর্থতা এবং পরবর্তীতে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসন সংসদীয় গণতন্ত্রের নিরবচ্ছিন্ন পথ চলাকে বিঘ্নিত করে। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট প্রায় তিন-চতুর্থাংশের অধিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ৬ জানুয়ারি ২০০৯ সালে সরকার গঠন করে। "ভোট ও ভাতের অধিকার, দারিদ্র্য বিমোচনের হাতিয়ার" শীর্ষক দিনবদলের সনদ মানুষকে স্বপ্ন দেখালেও সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের চার বছর (৬ জানুয়ারি, ২০১৩) পূর্তিতে তা ক্রমেই ধূসর হয়ে উঠেছে। সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও বিগত চার বছরের সরকারের কর্মকাণ্ডের মধ্যে যে বিস্তর ফারাক লক্ষ্য করা যায় তা গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক। গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনপূর্ব রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের নিকট একটি নির্বাচনী ইশতেহার বা প্রতিশ্রুতি প্রদান করে এবং নির্বাচনে জয়ী হলে সেই ইশতেহার পূরণে সচেষ্ট হয়। সরকারের এ পথ চলায় বিরোধী দল ছায়া সরকারের দায়িত্ব পালন করে এবং সরকারের ভুল- ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে সরকারকে যেমন সঠিক পথে চলতে সাহায্য করে, তেমনি রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে জনমত গঠনের মাধ্যমে পরবর্তী নির্বাচনে নিজেদের জয় সুনিশ্চিতের চেষ্টা করে। আলোচ্য প্রবন্ধে মহাজোট সরকারের ক্ষমতার চতুর্থ বছরের সরকারের কার্যক্রম ও বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির পর্যালোচনার চেষ্টা করা হয়েছে।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার শেরাটন হোটেলে (বর্তমান রূপসী বাংলা) বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দলের পক্ষে ২৪ পৃষ্ঠার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। নির্বাচনী ইশতেহারে মূলত পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেয়া হয়-দ্রব্যমূল্য মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা; দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ; বিদ্যুত্ উত্পাদন বৃদ্ধি ও সাশ্রয়ী জ্বালানি; দারিদ্র্য বিমোচন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা। এই পাঁচ প্রতিশ্রুতির আওতায় নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগ সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লাই ভারী। সরকারের অল্প-বিস্তর সাফল্য ম্লান হয়ে গেছে মন্ত্রীদের দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে। বিশেষ করে এ সরকারের মেয়াদের চতুর্থ বছর জুড়ে সারাদেশে আলোচিত ছিল সিরিজ কেলেঙ্কারি, গুম, খুনসহ মানবাধিকার বিঘ্নের ঘটনা। পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতি, নিম্নমুখী শেয়ারবাজার, হলমার্ক, ডেসটিনিসহ আর্থিক ও ব্যাংকিং খাতে সরকারের দুর্নীতির প্রকাশ্য চিত্র ফুটে ওঠে। সোনালী ব্যাংকসহ অন্যান্য সরকারি ব্যাংকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সরকারের উপদেষ্টা ও সমর্থকরা দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ায় সরকারের আর্থিক খাতে সুশাসনের অনুপস্থিতি পরস্ফুিটিত হয়। বর্তমান মহাজোট সরকারের এ সমস্ত ব্যর্থতার জন্য দেশের অধিকাংশ মানুষ অর্থমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অসফল বলে মত দিয়েছেন।

প্রশাসনিক ক্ষেত্রে রেল কেলেঙ্কারি, যোগাযোগ খাতে অব্যবস্থাপনা ও রাজনীতিকীকরণ সরকারের রাজনৈতিক দুর্নীতির চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বিশেষ করে পদ্মা সেতু, রেল ও সোনালী ব্যাংকের আর্থিক দুর্নীতির ঘটনায় সরকারের দু'জন মন্ত্রী ও একজন উপদেষ্টার দায়িত্ব হতে অব্যাহতি রাজনৈতিক দুর্নীতির বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠে। সরকারের ক্ষমতার মধ্য সময়ে মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের দুর্নীতির যে চিত্র প্রকাশ পেয়েছে, সরকারের মেয়াদ শেষে দুর্নীতি ও আর্থিক লুটপাটের আরো ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ পেতে পারে বলে বিশ্লেষকগণ মনে করেন। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অগ্রাধিকারের ২ নং ধারায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে হয়েছে তার ঠিক উল্টো। হলমার্ক দুর্নীতিতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে এবং রেল ও পদ্মা সেতু দুর্নীতিতে দু'জন মন্ত্রীকে দুদক কর্তৃক সত্যতার সনদ প্রদানে দুদকের রাজনৈতিক পরাধীনতার চরম বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যায়।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী, পোশাক শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম, সৌদি কূটনীতিক খালাফ আল আলী হত্যাসহ বেশ কয়টি গুম ও খুনের ঘটনায় সরকারের আইনের শাসন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভঙ্গুর চিত্র ফুটে ওঠে। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের কোনো কূলকিনারা না হওয়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকাও হয়েছে প্রশ্নবিদ্ধ। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সরকারের এ ব্যর্থতার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেছেন।

অবশ্য নারীনীতি ও শিক্ষানীতি প্রণয়ন, বিদ্যুত্ খাতে উত্পাদন বৃদ্ধি, কৃষি ও শিক্ষা খাতে অগ্রগতি, সমুদ্রসীমা প্রশ্নে বিজয়ে সরকারের সাফল্য থাকলেও বছরের শেষ প্রান্তে এসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন বিচারপতির স্কাইপ কথোপকথন ট্রাইব্যুনালের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের ব্যর্থতা লক্ষ্য করা যায় এবং সর্বশেষ পথচারী বিশ্বজিেক সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ কর্তৃক প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার মধ্য দিয়ে সরকারের অল্প- বিস্তর সাফল্য ম্লান হয়ে যায়। সমপ্রতি প্রধান চারটি দৈনিক পত্রিকার জনমত সমীক্ষায় দেখা যায়, মহাজোট সরকারের বিভিন্ন গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য মহাজোট সরকারের ধস নেমেছে। অন্যদিকে বিরোধী দল তথা বিএনপি'র জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে ভালো করার চেষ্টা লক্ষ্য করা গেলেও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগুন ধরিয়ে দেয়া, আন্দোলনকারী শিক্ষকদের ওপর হামলা ও এসিড নিক্ষেপ, টেন্ডারবাজি, হত্যা, খুন ও ধর্ষণের ঘটনা জাতিকে কলঙ্কিত করেছে। মন্ত্রী পর্যায় থেকে ছাত্রলীগের এ সকল অবৈধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সমর্থন সরকারের চরম দলীয় লেজুড়বৃত্তি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনৈতিক সংস্কৃতির চিত্র প্রকাশ পায়।

সরকারের এ ধরনের ব্যর্থতা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, দুর্নীতি, অপশাসন ও বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারবিরোধী জনসম্পৃক্ত বিভিন্ন আন্দোলনের এজেন্ডা আসলেও বিরোধী দল এ সকল ইস্যুকে কেন্দ্র করে যেমন জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারেনি, তেমনি এসব ইস্যুতে সরকার বিরোধী জনগণের ক্ষোভকে জনসমর্থনেও পুরোপুরি এখনো রূপান্তর করতে পারেনি। তবে বিরোধী দলের ডাকা রোডমার্চ কর্মসূচি, মানবপ্রাচীর, জেলায় জেলায় জনসভা, একযোগে সারাদেশে জনসংযোগের মত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিগুলোতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা লক্ষ্য করা যায়।

বিগত বছরের প্রথম প্রান্তে সাংবিধানিক বিভিন্ন ইস্যুতে, বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে বিরোধী দলের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকলেও আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকার প্রশ্নে সুনির্দিষ্ট ইস্যুভিত্তিক সরকারের ব্যর্থতাকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের অব্যাহত কার্যকর ধারাবাহিক কর্মসূচি লক্ষ্য করা যায়নি। এম ইলিয়াস আলী, শ্রমিক নেতা আমিনুল গুমের ঘটনা, সৌদি কূটনৈতিক হত্যা, চিকিত্সক নিতাই চন্দ্র হত্যা, হাতিরপুলে জনশক্তি অফিসে তরুণী হত্যা, জাতীয় সংসদের এমপি হোস্টেলে তরুণী হত্যা কিংবা ডেসটিনি, শেয়ারবাজার, ইউনি পে টু কিংবা ফেলানী হত্যার মত ব্যাপক জনসম্পৃক্ত, স্পর্শকাতর ও মানবিক ইস্যুগুলোকে কেন্দ্র করে বিরোধী দল জাতীয় সংসদে তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে যেমন সচেষ্ট হয়নি, তেমনি রাজপথে এসব ইস্যুতে ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে সরকারবিরোধী আন্দোলন পুরোপুরি জোরদার করতে পারেনি। এর কারণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিরোধী দলের প্রতি বর্তমান মহাজোট সরকারের চরম অসহিষ্ণু মনোভাব ও দমন-পীড়ন নীতি, আন্দোলনকারী প্রধান নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় হয়রানি, গুম ও গ্রেফতারের কারণে আন্দোলন কর্মসূচিগুলো গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়নি। তবে বর্তমানে বিরোধী দলের আন্দোলনের কারণেই একমাত্র আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য সকল দলের মধ্যে নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। বিষয়টি বিরোধী দলের আন্দোলনের সাফল্য হিসেবে বলা যেতে পারে।

বিরোধী মতের প্রতি সরকারের অসহিষ্ণু মনোভাব প্রকট থেকে প্রকটতর হয়েছে বিগত বছরে। রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের কথা বলে ক্ষমতায় এলেও মহাজোট সরকারের কাজে, শাসক দলের আচরণ ও বক্তৃতা-বিবৃতিতে এর কোন প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়নি। সরকারের সমালোচনা ও বিরোধী মতকে সরকার মনে-প্রাণে মেনে নিতে পারেনি- সরকার দলীয় যেসব সাংসদ জাতীয় সংসদে সরকারের সমালোচনা করেছেন তাঁদেরকে মন্ত্রী পরিষদে অন্তর্ভুক্ত করে সমালোচনার কণ্ঠ রুদ্ধ করা হয়েছে। তেমনি যে সকল বিরোধীদলীয় সদস্য রাজপথে সরকারের সমালোচনায় সোচ্চার হয়েছেন তাদেরকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করে কারারুদ্ধ করা হয়েছে। বিষয়টি এরকম দাঁড়িয়েছে যে, সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললেই গন্তব্য মন্ত্রী পরিষদ, না হয় কারাগার। এটি কখনই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও সুশাসন বিনির্মাণে সহায়ক নয়। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় সরকারি দলকে যেমন বিরোধী মত প্রকাশ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সহিষ্ণুতার পরিচয় দিতে হবে, তেমনি বিরোধী দলকে সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতি ও অপশাসন সম্পর্কে জনগণের মনোভাবকে একত্রীকরণের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। এক্ষেত্রে কেবলমাত্র বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরাসরি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে রাজপথে নামলে বিরোধী দলের সরকারবিরোধী আন্দোলন আরও বেগবান হবে, যা থেকে গণঅভ্যুত্থানের আশংকাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।

লেখক:অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

E-mail: [email protected]

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সাংবাদিকদের জন্য পৃথক আবাসন তৈরি করা প্রয়োজন। সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
1 + 5 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ২২
ফজর৩:৫৮
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১১
সূর্যোদয় - ৫:২৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :