The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০ মাঘ ১৪১৯, ২০ রবিউল আওয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ কাল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু | সোমবার সারাদেশে জামায়াতের বিক্ষোভ,বাধা দিলে লাগাতার হরতাল | টেস্টে সর্বনিম্ন রানের লজ্জায় পাকিস্তান | বিপিএল : বরিশালের বিপক্ষে রাজশাহীর জয় | তুরস্কে মার্কিন দূতাবাসে হামলা, নিহত ২ | সড়ক দুর্ঘটনায় মানিকগঞ্জে ৭, মহাদেবপুরে ২, ঝিকরগাছায় ১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ জন নিহত | নারায়ণগঞ্জে শিবিরের হামলায় ১২ পুলিশ আহত | বগুড়ায় পুলিশের গাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ-ভাঙচুর | বগুড়ায় জামায়াতের ডাকে হরতাল পালন | পদ্মা সেতু নিয়ে রাজনীতি করেছে বিশ্বব্যাংক: সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত | দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেয়েছে :সিরাজগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী | নিজস্ব অর্থায়নে আগামী দুই মাসের মধ্যেই পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ শুরু হবে :জানালেন অর্থমন্ত্রী

নির্বাচন নিয়ে ভাবনা

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

আমরা চাই সুষ্ঠু

ও অবাধ নির্বাচন

যে কোন মূল্যে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষুম নির্বাচন চাই। যা গণতন্ত্র রক্ষায় খুবই জরুরি। এ জন্য প্রধান বিরোধীদল বিএনপির চাওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিংবা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অন্তর্বর্তী সরকার কোন বিষয় নয়। নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে কিভাবে সেটাই এখন মুখ্য বিষয়। এ দেশে সব অবস্থায়ই অনিয়ম করাটা কঠিন কোন কাজ নয়। এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারও বিতর্কের ঊর্ধ্বে থেকেছে তা কিন্তু নয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলো কিন্তু সেখানে সূক্ষ্ম কিংবা অতিসূক্ষ্ম কারচুপি হলে লাভটা কোথায় ? অন্যদিকে এ সরকারের সময়ও অসংখ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সে সব নির্বাচন নিয়ে কারচুপির তেমন অভিযোগ কিন্তু বিরোধীদলও করতে পারেনি। দু' একটি ক্ষেত্রে করলেও তা ধোপে টিকেনি। কারচুপির মাধ্যমে মিডিয়াকে ফাঁকি দিয়ে নির্বাচনের স্বপ্ন কিন্তু এখন প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। বলতেই হয় আমাদের ইলেকট্রনিক্স এবং প্রিন্ট মিডিয়া আগের চেয়ে অনেক শক্ত অবস্থানে আছে। তাছাড়া দেশের সাধারণ জনগণ এবং সুশীল সমাজ আগের চেয়ে বেশ সচেতন। সবাই এখন বেশ সোচ্চার। সরকার কিংবা কেউ চাইলেই এরশাদ মার্কা যেনতেনভাবে লোক দেখানো নির্বাচন এখন অসম্ভব ব্যাপার। এমনকি বিশ্ব সমাজেও তা গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। তারপরও ক্ষমতায় বসা দলটি ছলে-বলে-কৌশলে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টায় মেতে উঠেছে এবং গণতান্ত্রিক রাস্তা হারিয়ে প্রায়শই ভুলপথে হাঁটতে শুরু করেছে বলেই মনে হচ্ছে। তাতে নির্বাচন নিয়ে কিছুটা সংশয় তো আছেই ? দলটি আগামী নির্বাচনে জয়ের অনিশ্চয়তার লক্ষণ আঁচ করে অগণতান্ত্রিক উপায়ে টিকে থাকার পথ খুঁজছে। অন্যদিকে ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটি যে কোন পথে ক্ষমতার স্বাদ লাভে মরিয়া হয়ে উঠেছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক কিংবা অন্তর্বর্তী সরকার নয়, তারা চায় কেবলই ক্ষমতা। কিন্তু আমরা জনগণ চাই সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন; চাই জনগণের সরকার। আর তা যেন জনগণের ভোটেই নির্বাচিত হয়। এমন নির্বাচনের অপেক্ষায়ই রইলাম।

মীর তানজীল এহসান

শিক্ষার্থী (এম বি বি এস )

শাহাবুদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ, গুলশান, ঢাকা।

নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের

মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব

বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। গণতন্ত্র চর্চার লক্ষ্যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করা সম্ভব। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারি ও বিরোধী দলের বিরোধ চলছে। নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। যার ফলে মানুষ নির্বাচনের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবে। সুষুম নির্বাচন করতে হলে সফল সংলাপের মাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন করা উচিত এবং তা সময়ের দাবি বলে মনে করি। নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে জনগণ নির্বাচনে যেন স্বাধীন ভাবে ভোট দিতে পারে, তাহলে আগামীর নির্বাচন সফল এবং সার্থক হবে।

মো.কেফায়েত উল্যাহ্

ওমর (র:) হল (২য় বর্ষ)

কুরআনিক সায়েন্স এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।

পারস্পরিক বিশ্বাস, সংলাপ, সমঝোতা

ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন-আগামী নির্বাচনের পথকে প্রশস্ত করবে

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে অবশ্যই সুষ্ঠু ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচন জরুরি। আর এই নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়েই যত সংকট আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিরাজমান। এই নির্বাচন ব্যবস্থা ঘিরে রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন কর্মসূচি দেয়া হয়। যা পরবর্তীতে দেশের সার্বিক পরস্থিতিকে সংকটাপন্ন করে তোলে। যেমন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রচলন এবং এটা বিলুপ্তির পরবর্তী অবস্থা পরিলক্ষিত হয়েছে। যা এখনো চলমান। রাজনৈতিক দলগুলোর একপক্ষীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংসদে সংখ্যা গরিষ্ঠের ক্ষমতাবলে আইন প্রণয়ন সংকটের অন্তরায়। তাই দলমতের ঊর্ধ্বে উন্নত দেশ গঠনের লক্ষ্যে সকল দলের সমন্বয়ে ও সুশীল সমাজের সাথে সংলাপ ও সমঝোতা সাপেক্ষে আগামী নির্বাচন ব্যবস্থা প্রণয়ন এবং নির্বাচন কমিশন বিধিগঠন করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত রাখতে হবে। তাহলে আগামীতে কোন সংকট ছাড়াই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব।

মো. তাইয়্যিবুর রহমান

ওমর (রা:) হল (৩য় বর্ষ), আইন বিভাগ,

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।

আলোচনার মাধ্যমে

নতুন পদ্ধতি বের করা

যেতে পারে

বর্তমান সরকারের মেয়াদ যতই ফুরিয়ে আসছে নির্বাচনের দিনক্ষণ ততই ঘনিয়ে আসছে। এবং সেই সাথে জনমানবের মনে নির্বাচনের উত্কণ্ঠা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান প্রধান দুই দল নির্বাচন সম্পর্কে যে নিজস্ব মতে অনড় তাতে নির্দিষ্ট সময়ে সব দলের অংশ গ্রহণে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না তাতে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। হয়তবা কোন এক সময়ে অবশ্যই নির্বাচন হবে তবে হয়ত কিছু তাজা প্রাণের বিনিময়ে। দুই দল যদি এইভাবে চলতে থাকে তবে জানি না এই নির্বাচনের জন্য কতজনকে জীবন উত্সর্গ করতে হবে। হয়তবা অনেককে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হবে। আমি প্রধান দুই নেত্রীর কাছে অনুরোধ করব অনুগ্রহ করে আপনারা যদি জনগণের রাজনীতি করেন তবে অবশ্যই বাংলাদেশের ভবিষ্যত্ চিন্তা করে আপনারা নিজেরাই ঠিক করুন পরবর্তী নির্বাচন কিভাবে হবে। বর্তমান নির্বাচন নিয়ে যে অবস্থা তাতে আলোচনা ছাড়া কোন বিকল্প পথ নেই। মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আর এই গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখাও আপনাদের দায়িত্ব।

মো. ইবরাহীম হোসাইন

দর্শন বিভাগ, ৩য় বর্ষ, রাজশাহী:বিশ্ববিদ্যালয়

নাগরিকের অধিকার

নির্বাচন, তাই সকলের প্রত্যাশা

নির্বাচন সুষ্ঠু ও সাবলীল হোক

গণতন্ত্র ও সুশাসন একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। আর গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করে থাকে, তাই জনগণের প্রত্যাশা যেন ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও সাবলীলভাবে সুসম্পন্ন করা হয়। ২০১৩ সালের সকল আলোচিত বিষয়ের মধ্যে অন্যতম ও প্রধান আলোচিত বিষয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। কিন্তু এ নির্বাচন নিয়ে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল। এ কথা অনস্বীকার্য যে, আমাদের দেশের বর্তমান অবস্থায় এই দুই নেত্রীর বিকল্প নেই। তাই তাদের উচিত জনগণের স্বার্থে সমঝোতার মাধ্যমে একটা সমাধান বের করা। আর আমরা তরুণ প্রজন্ম প্রত্যাশা করি, তারা যেন রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে দেশের উন্নতির পথকে ত্বরান্বিত করে।

মো. জিশান আহমেদ

মানবিক বিভাগ,

দ্বাদশ শ্রেণি, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সাংবাদিকদের জন্য পৃথক আবাসন তৈরি করা প্রয়োজন। সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
7 + 8 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ২১
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩১
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :