The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০ মাঘ ১৪১৯, ২০ রবিউল আওয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ কাল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু | সোমবার সারাদেশে জামায়াতের বিক্ষোভ,বাধা দিলে লাগাতার হরতাল | টেস্টে সর্বনিম্ন রানের লজ্জায় পাকিস্তান | বিপিএল : বরিশালের বিপক্ষে রাজশাহীর জয় | তুরস্কে মার্কিন দূতাবাসে হামলা, নিহত ২ | সড়ক দুর্ঘটনায় মানিকগঞ্জে ৭, মহাদেবপুরে ২, ঝিকরগাছায় ১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ জন নিহত | নারায়ণগঞ্জে শিবিরের হামলায় ১২ পুলিশ আহত | বগুড়ায় পুলিশের গাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ-ভাঙচুর | বগুড়ায় জামায়াতের ডাকে হরতাল পালন | পদ্মা সেতু নিয়ে রাজনীতি করেছে বিশ্বব্যাংক: সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত | দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেয়েছে :সিরাজগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী | নিজস্ব অর্থায়নে আগামী দুই মাসের মধ্যেই পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ শুরু হবে :জানালেন অর্থমন্ত্রী

মাতৃভাষার সমৃদ্ধির জন্য অনুবাদ জরুরি :প্রধানমন্ত্রী

বাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করতে বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় গ্রন্থসমূহ অন্যান্য ভাষায় এবং একইভাবে অন্যান্য ভাষার জনপ্রিয় গ্রন্থগুলো বাংলায় অনুবাদ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'একশ্রেণীর মানুষের মধ্যে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে, আমরা যদি অন্য ভাষাকে গুরুত্ব দেই তাহলে বাংলা ভাষা ধ্বংস হয়ে যাবে। সেটা ঠিক নয়, বরং বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থসমূহ অন্যান্য ভাষায় এবং একইভাবে অন্যান্য ভাষার গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলো বাংলায় অনুবাদের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি নেয়া হলে বাংলা আরো সমৃদ্ধ হবে।

প্রধানমন্ত্রী গতকাল শুক্রবার বাংলা একাডেমী চত্বরে অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, আমাদের সাহিত্যিকগণ ও জনগণ দ্বিধাদ্বন্দ্বে না ভুগে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভাষা শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিলে আমি খুশি হবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম দাফতরিক ভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমি আশা করছি, বাংলাকে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ে আমরা সক্ষম হবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করছে। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহায়তায় আমরা বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি আদায় করতে সক্ষম হয়েছি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের মাতৃভাষার জন্য জাতিসংঘের স্বীকৃতি আদায়েও আমরা সক্ষম হবো বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংস্কৃতিমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

বাংলা একাডেমীর সভাপতি ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ইউপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন আহমেদ প্রকাশকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ধর্মের প্রধান ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ এবং আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি- গানটি পরিবেশন করা হয়। এছাড়া, মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিকাশে বাংলা একাডেমীর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, বাংলা একাডেমীর কার্যক্রম জোরদার করার একটি আইনী কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, জাতীয় গ্রন্থ নীতি প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি কমিটিও গঠন করা হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, একুশে বাঙালি জনগণের প্রেরণার একটি উত্স। মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটি জাতির বীরত্ব ও ত্যাগের কাহিনী। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য অনুপ্রাণিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐতিহ্যগতভাবেই বাঙ্গালি প্রগতিশীল। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধর্ম, শ্রেণী ও গোত্রের সমন্বয়েই এই জাতি গঠিত, যা আমাদের গর্ব। সমাজের সর্বস্তরে বাংলা সাহিত্যের চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, অশুভ শক্তি, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদকে উত্সাহিত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের প্রধান লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠন করা। যা হবে, একইসাথে শান্তিপূর্ণ, সৃষ্টিশীল, ধর্ম নিরপেক্ষ এবং ডিজিটাল একটি দেশ, যার জন্য ১৯৭১ সালে জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে।

প্রধানমন্ত্রী একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজনের জন্য বাংলা একাডেমীকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, এই মেলা আমাদের সমকালীন সাহিত্য ও জ্ঞানের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ তৈরি করেছে।

নবীন লেখকদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, এই মেলা তাদের শিক্ষা এবং সৃষ্টিশীলতা ও মেধা বিকাশের একটি কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্ধিত পরিসরে একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজনের জন্য শিখা চিরন্তনের পাশে সেহরাওয়ার্দী উদ্যানে তা স্থানান্তরের প্রস্তাব সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করবে।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সাংবাদিকদের জন্য পৃথক আবাসন তৈরি করা প্রয়োজন। সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
9 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ২১
ফজর৩:৫৮
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১১
সূর্যোদয় - ৫:২৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :