The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২৫ মাঘ ১৪১৯, ২৫ রবিউল আওয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ জামিন পেলেন হল-মার্ক চেয়ারম্যান জেসমিন | সাগর-রুনি হত্যা: এনামুল সন্দেহে আটক ২০ জন | ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ | নির্বাচনের আগেই আন্দোলন করে নেতাদের মুক্ত করা হবে: জামায়াত | বিপিএল: খুলনাকে ৮৯ রানে হারালো চট্টগ্রাম | ময়মনসিংহে সুলতান মীর হত্যা মামলায় চারজনের ফাঁসি | শনিবার চট্টগ্রামে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল | 'দেশে নতুন ভোটার সংখ্যা ৭০ লক্ষাধিক' | 'দেশের অর্থে পদ্মা সেতু হলে চালের কেজি ১৫০ টাকা হবে' | বার্সেলোনা আসবে: সংসদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী | ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রীর নামে অ্যাকাউন্ট খুলল কে? | ফাঁসির দাবি শাহবাগ থেকে এখন সারাদেশে

বিরোধী দলীয় নেত্রী চান না স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব থাকুক

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী

ইত্তেফাক রিপোর্ট

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ওয়াশিংটন টাইমসে লেখা নিবন্ধের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি চান না বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব থাকুক। অন্য দেশের কাছে নালিশ করে এদেশকে শায়েস্তা করতে চান।

গতকাল বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে প্রথমেই প্রশ্নোত্তর পর্বে শেখ হাসিনা সংসদকে এ কথা বলেন। স্পিকার মো. আবদুল হামিদ এডভোকেট -এর সভাপতিত্বে বিরোধী দলবিহীন চলতি অধিবেশনের গতকাল ছিলো সপ্তম কার্যদিবস। মো. মুজিবুল হক চুন্নু সম্পূরক প্রশ্নে্ জানতে চান, প্রধানমন্ত্রী যখন রাশিয়ার সঙ্গে অস্ত্রসহ বেশ কয়েকটি চুক্তি করলেন তার কিছুদিন পরই বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া ওয়াশিংটন টাইমসে একটি নিবন্ধ লিখলেন। তার ওই নিবন্ধের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর রাশিয়া সফরের কোন সম্পর্ক আছে কি না?

জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকতে পারে। বিরোধী দলীয় নেত্রী চান বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হোক। তিনি জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য আমেরিকাকে আহ্বান জানিয়েছেন। নিবন্ধে তিনি বলেছেন, ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করেছে এখন যেনো সেভাবেই সহযোগিতা করে। যুদ্ধের সময় তো যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেনি। উল্টো তারা যুদ্ধের জন্য সপ্তম নৌ বিহার পাঠিয়েছিলো। সংসদ নেতা প্রশ্ন রেখে বলেন, তাহলে বিরোধী দলীয় নেত্রীর অবস্থান কি? তিনি কি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে না বিপক্ষে? আমার সন্দেহ আছে-নিবন্ধটা বিরোধী দলীয় নেত্রী নিজে পড়ে দেখেছেন কি না? জনগণের বিরুদ্ধে, দেশের বিরুদ্ধে একজন বিরোধী দলীয় নেত্রী কিভাবে লিখতে পারেন? তিনি কি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করেন না? তিনি কি চান না দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র থাকুক।

একই প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বর্ণনা করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়া বন্ধুপ্রতিমের ভূমিকা পালন করে। তারা আমাদের সহযোগিতা করেছে। এছাড়া জাতিসংঘে বাংলাদেশ বিরোধী প্রস্তাবে বারবার ভেটো দিয়েছে। আসলে রাশিয়া আমাদের দুর্দিনের বন্ধু। চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করা জরুরি। কারণ তারা জাতিসংঘের শান্তি মিশনে কাজ করে। এজন্য সেনাবাহিনীকে আধুনিক সরঞ্জামে প্রশিক্ষিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বেবী মওদুদের সম্পূরক প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার দেশের ১৫ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। এটা সম্ভব হয়েছে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নেয়ার কারণে। ১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় এসে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করি। এরপর ২০০১ সালে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর খাদ্য ঘাটতি দেখা যায়। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা খাদ্যশস্য উত্পাদনে যে নীতি অবলম্বন করেন আমরা ক্ষমতায় এসে সেই নীতি অনুসরণ করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করি। কিন্তু বিএনপির নীতিমালা ছিলো খাদ্য ঘাটতির।

আলহাজ্ব এডভোকেট মো. রহমত আলীর প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা বলেন, রাশিয়ায় কোন প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর ছিলো ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি। উভয় দেশের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে।

প্রসঙ্গ রেমিট্যান্স :এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের চার বছরে রেমিট্যান্স ছিলো ১৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বর্তমান সরকারের একই সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ হচ্ছে ৪৮ দশমিক ০৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিদ্যুত্ পরিস্থিতি :মো. শফিকুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে বিদ্যুত্ উত্পাদন ক্ষমতা আট হাজার ৫২৫ মেগাওয়াট। শীতকালীন প্রকৃত উত্পাদন চার হাজার ৪০০ থেকে চার হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। গত ৩১ জানুয়ারির রেকর্ড অনুযায়ী বিদ্যুত্ উত্পাদনের পরিমাণ ছিলো চার হাজার ৮৬২ মেগাওয়াট। তাছাড়া এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিদ্যুত্ উত্পাদনের পরিমাণ ছয় হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট।

গণকর্মচারীদের আর্থিক সহায়তা :বেগম নূর আফরোজ আলীর প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, চাকরিরত অবস্থায় দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করলে অতীতে ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়া হতো। বর্তমানে এই অংক পাঁচ লাখ টাকা করা হয়েছে। আর আহত হলে দুই লাখ টাকা অনুদান প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর বাইরে যৌথবীমার দাবি, ধারাবাহিক মাসিক কল্যাণ ভাতা, প্রশিক্ষণ, চিকিত্সা সহায়তা, সন্তানদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান উল্লেখযোগ্য।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিষয়ভিত্তিক টিভি চ্যানেল কেউ স্থাপন করতে চাহিলে সরকার বিবেচনা করবে—তথ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য আপনি সমর্থন করেন কি?
9 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ১
ফজর৫:০৪
যোহর১১:৪৮
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:২৪সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :