The Daily Ittefaq
ঢাকা, বুধবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১ ফাল্গুন ১৪১৯, ২ রবিউস সানি ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ সেমিফাইনালে চিটাগং কিংস | মহিলা বিশ্বকাপ ক্রিকেট: প্রথমবারের মতো ফাইনালে উইন্ডিজ | জামায়াতের বিষয় নিয়ে কাল ইসির বৈঠক | জাবি ভিসির পদত্যাগের সিদ্ধান্ত | আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশোধন বিল সংসদীয় কমিটিতে অনুমোদন | ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও জেলা জজকে হাইকোর্টে তলব | মতিঝিল এলাকায় জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব | মোশতাকের নির্দেশে কিছু সেনাকর্মকর্তা জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছে: এটর্নি জেনারেল | বিপ্লবী বসন্তে আগুন ঝরছে শাহবাগে | কাদের মোল্লা ও কামারুজ্জামানের প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল

বাংলাদেশে উদার গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভবিষ্যত্

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

গণতান্ত্রিক চেতনায় সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বিকল্প নেই

গণতন্ত্র বলতে আমরা বুঝে থাকি জনগণের শাসনকে। তাই গণতান্ত্রিক ভাবধারায় রাষ্ট্রে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অপরিহার্য। এটা ছাড়া জনগণ কোনভাবেই গণতন্ত্রের কথা চিন্তা করতে পারে না। তাই আজ দেশের প্রায় ১৬ কোটি মানুষের আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু হচ্ছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে, না দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে? এ বিষয় নিয়ে সরকার দলীয় মহাজোট এবং বিরোধী দলীয় জোটসহ অন্যান্য দলের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু জাতীয় সংসদ ব্যতীত রাস্তাঘাটে তথা চায়ের দোকানসহ অন্যান্য জায়গায় বহুদিন ধরে আলোচনা চলছে। এই নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ এক প্রকার ঘোলাটে অবস্থা বিরাজ করছে। এটি দেশ ও জাতির জন্য একটি মহাসংকট। এই মহাসংকট সমাধানের অন্যতম প্রধান উপায় হচ্ছে প্রধান দুই রাজনৈতিক জোটসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে সংসদে অথবা আলোচনার ভিত্তিতে একট স্থান নির্ধারণ করে সবাই মিলে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এই মহাসংকট উত্তরণের চেষ্টা করা। এ ব্যাপারে, বিশেষ করে সরকার তথা সংখ্যাগরিষ্ঠ ক্ষমতাসীন দলকে একটা বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। তা যদি না হয়, গণতন্ত্রে জনগণ যেহেতু সকল ক্ষমতার উত্স, সেহেতু গণভোটের আয়োজন করা যেতে পারে। জনগণ যদি চায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। আর জনগণ না চাইলে নয়। তাই জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে দেশ ও জাতির স্বার্থে নির্বাচনকে প্রাধান্য দিয়ে সকল দলের অংশগ্রহণে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করে বিশ্ববাসীর কাছে দেশ ও জাতির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করুন।

পরিশেষে, উপরোক্ত বিষয়ে আমার মতামত হলো:দ্বন্দ্ব- সংঘাত, সংঘর্ষ ও রক্তপাত কোন জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না বরং জাতিকে ধ্বংসের দিকে টেনে নেয়। তাই সকল দলের সাথে আলোচনা করে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করে তৃতীয় শক্তির উত্থানকে বাধাগ্রস্ত করে সাধারণ জনগণকে সুখে-শান্তিতে বসবাসের ব্যবস্থা করুন।

মো. আতাহার হোসেন

আইন বিভাগ (তৃতীয় পর্ব)

অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

পান্থপথ, ঢাকা।

গণতন্ত্রের উন্নয়ন বিকাশে বর্তমান রাজনীতির যথোপযোগী সংস্কার প্রয়োজন

দীর্ঘ নয়মাস যুদ্ধের পর অর্জিত হয় আমাদের এক অবিস্মরণীয় বিজয়। বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। উদারশীল আকাশে উত্তোলিত হয়, স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা। এই বিজয়ের পশ্চাত্পদে লেখা আছে ত্রিশলক্ষ শহীদের নাম, অকাতরে যারা জীবন দিয়েছে দেশ মাত্রিকার স্বাধীনতার জন্য। ইতিহাসের পাতায় বাঙালির এই আত্মদান শৌর্য ও সাহসের গৌরবগাথা স্বর্ণালংকারে লেখা আছে। স্বাধীনতা নিজেই একটি সাহস ও শক্তি। এই সাহস, শক্তি ও প্রত্যয় জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এটিই সত্যি। অবশ্য সামগ্রিক বিবেচনায় যে প্রত্যয় ও প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ মুক্তিসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার অনেকটাই এখানো রয়ে গেছে অপূর্ণ। আসলে স্বাধীনতার সাড়ে তিন দশক পর সে সুস্থিরতা ও দূরদর্শিতার মধ্য দিয়ে আমাদের পথপরিক্রমা অব্যাহত থাকার কথা ছিল, তা হয়নি, বারে বারে আমাদের যাত্রাপথকে ব্যাহত ও বাধাগ্রস্ত করেছে নানা সংকট ও প্রতিকূলতা। বিশেষত সন্ত্রাসকবলিত রাজনীতি এবং দুর্নীতিগ্রস্ত সীমায় নিয়ে গেছে তেমনি ধ্বংস করেছে নানা রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক দারিদ্র্যতা আমাদের জাতীয় জীবনের অন্তরায় শিক্ষার হার বাড়লেও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়নি, অন্যদিকে উন্নত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপূর্ণ বিকাশ বলতে যা বুঝায় তাও কতোখানি অর্জিত হয়েছে তা প্রশ্নসাপেক্ষ, আমি মনে করি দেশের জন্য সর্বনাশা এই রাজনীতি যথোপযোগী সংস্কারের মাধ্যমে পরিশুদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত স্বাধীনতার সুফল এবং দেশের জনগণের প্রত্যাশা অপূরণীয় থাকবে।

মনির হোসেন

টেক্সটাইল বিভাগ (৪র্থ বর্ষ)

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

সরকারি আর বিরোধী দলের ইট-পাটকেল ছোঁড়াছুঁড়ি যতদিন না থামছে, গণভোটও কোন কাজ দিবে না

সূর্যের আলো প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই হয়ে যায় ভোর। শুরু হয় একটি নতুন দিন। স্নিগ্ধ পরশের সকালটা যেন সকাল থেকে যায়। অপেক্ষার পালা নতুন কোন আতঙ্কের পত্রিকার পাতা খুলতে না খুলতেই জোড়া খুন, ধর্ষণ, রাজনীতিক দলগুলোর সংঘর্ষের কাহিনী ইত্যাদি চোখে পড়ে। এভাবেই সহিংসতা আর বর্বরতা থেমে থাকে না। মাঝখান থেকে জনসাধারণকে পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ। বড় বড় রুই-কাতলারা আমজনতার মাঝে জনশ্রুতি দিয়ে মুহূর্তেই পড়িয়ে দেয় আশা-ভরসার রঙিন চশমা, কিন্তু বাস্তবে তা শুধু মুখের বুলিই রয়ে যায়। সরকারি দলের সাথে সম্পর্কটা আর একটু নেতিবাচক করতে বিরোধীদলের হরতাল থেমে থাকে না এবং সে হরতাল থামিয়ে দেয় মূল্যবান জীবন, নষ্ট করে দেয় সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত্, পিছিয়ে যায় অনেক মূল্যবান পরীক্ষা যার শিকার আমাদের মতো শিক্ষার্থীরা। আমাদের কোন আশাই যেন অঙ্কুরে বিনষ্ট না হয় সেই ওয়াদা কোন দল দিতে পারবে?

আফরোজা শামীম (তানিয়া)

হিসাববিজ্ঞান বিভাগ (১ম বর্ষ)

পটিয়া সরকারি কলেজ, পটিয়া, চট্টগ্রাম।

দেশকে উন্নত করতে হলে উদার গণতান্ত্রিক

রাজনীতির প্রয়োজন

বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক স্বাধীন দেশ। এই কথাটি সত্য—। যদি সত্য হয় তাহলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে, অবশ্যই সুষ্ঠু ও সুন্দর প্রভাবমুক্ত একটি নির্বাচন চাই। আর তা করতে হলে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ও প্রধান বিরোধীদল ও অন্য দলগুলো এক হয়ে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন চাই। বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলোর মত, দল-মতের ঊর্ধ্বে উন্নত দেশ গঠনের লক্ষ্যে ২০১৩ সালের সংবিধান পরিবর্তনের সাপেক্ষে সকল দলের সমন্বয়ে ও সুশীল সমাজের আলাপের মাধ্যমে আগামী নির্বাচন ব্যবস্থা প্রণয়ন করা এবং কমিশনকে নিরপেক্ষ রেখে গণতান্ত্রিক নির্বাচন করা উচিত।

মো. আব্দুল আলী (সুমন)

১ম বর্ষ-সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ

ঢাকা কলেজ-ঢাকা।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপি বলেছে শাহবাগের কিছু ঘটনা ফ্যাসিবাদের প্রতিধ্বনি। দলটির বক্তব্য আপনি সমর্থন করেন?
8 + 8 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ১৮
ফজর৪:৪১
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫২
মাগরিব৫:৩৪
এশা৬:৪৫
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :