The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ১ ফাল্গুন ১৪২০, ১২ রবিউস সানী ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ মানিকগঞ্জে বাসে ধর্ষণ : চালক-সহকারীর যাবজ্জীবন | লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা | বাতিল হওয়া সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৪ মার্চ | কোপা দেল রে'র ফাইনালে বার্সেলোনা

'২০৪১ সালের মধ্যে ধনী দেশের তালিকায় থাকবে বাংলাদেশ'

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, '২০৪১ সালের মধ্যে বিশ্বের ধনী দেশের তালিকায় থাকবে বাংলাদেশ। আর ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।' বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে নতুন লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ও অনুশীলনের মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে বিজ্ঞানমনষ্কতা ও সচেতনতা সৃষ্টির জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, 'যারা সুনির্দিষ্ট গবেষণায় নিযুক্ত, তাদের অবসরের বয়সসীমা শিথিল করার সিদ্ধান্ত সরকারের রয়েছে।'

আজ বৃহস্পতিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পে বিশেষ অনুদান, ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ এবং এনএসটি ফেলোশিপের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, 'বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বিপুল জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে পারলেই উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।'

উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সম্পদের সীমাবদ্ধতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে গবেষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বিভিন্ন খাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অর্থ বরাদ্দ দিতে হয়। এর পরও দেশের সাধারণ নাগরিকদের দেয়া করের টাকায় গবেষণা খাতে অনুদান ও ফেলোশিপ দিচ্ছে সরকার। এ সহায়তা আমাদের ইপ্সিত লক্ষ্য অর্জনে যাতে সহায়ক হয়, সে বিষয়ে গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ শ্রম ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে।'

উল্লেখ্য, মানব ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পিছিয়ে-পড়া দেশগুলোকেই জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাভুক্ত করেছে। দারিদ্র্য (মাথা-পিছু আয়), মানবোন্নয়ন (পুষ্টি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সাক্ষরতার হার বিবেচনায়) এবং অর্থনৈতিক সামর্থ্য—এই তিনটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে ১০ বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা হালনাগাদ করা হয়। বর্তমানে আরো ৪৮টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশও এ তালিকায় রয়েছে। এই তালিকা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার গত বছর আগস্টে একটি 'কর্মপরিকল্পনা' অনুমোদন করেছে। অর্থনীতির বিচারে 'ধনী' দেশের কোনো তালিকা না থাকলে যে সব দেশ আগেই শিল্পায়নে উত্কর্ষ পেয়েছে এবং যাদের অর্থনীতির বেশির ভাগের জোগান দেয় সেবা খাত, সে সব দেশকেই বলা হয় 'উন্নত রাষ্ট্র'।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করতে চাই যে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত গবেষণা উন্নয়নে আমাদের জাতির পিতা সদ্য স্বাধীন দেশে যেভাবে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন, সে পথ অনুসরণ করে আমাদের সরকারও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত গবেষণা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় আর্থিক অনুদানসহ সকল প্রকার সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করা হবে।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সুনাম অর্জন করেছেন এবং সুখ্যাতি নিয়ে কাজ করছেন, যা বিশ্বে আমাদেরকে বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। গবেষণা দেশের জন্য এক নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে।'

যারা সুনির্দিষ্ট গবেষণায় নিয়োজিত, তাদের বয়স-সীমা শিথিল করার ইঙ্গিত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা চাই, বয়স যাতে গবেষকদের জন্য কোনো বাধা হতে না পারে। তবে আমরা এটা গণহারে করতে চাই না। যারা সুনির্দিষ্ট গবেষণায় নিয়োজিত আছেন, তাদের জন্য আমরা বিশেষ ব্যবস্থা করতে চাই।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'সর্বস্তরে বিজ্ঞানশিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষাসূচি চালু করে বিশ্বমানের আধুনিক মানুষ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছি, যাতে কুসংস্কারাচ্ছন্নতা, অপপ্রচার ও গুজব-নির্ভরতা এবং সব ধরনের অন্ধত্ব ও গোঁড়ামি থেকে মুক্ত হয়ে প্রাণশক্তিতে পরিপূর্ণ জীবন-যাপনের পথ উন্মুক্ত হয়। এক শ্রেণির সুযোগসন্ধানী বিজ্ঞানশিক্ষা থেকে দূরে রেখে সাধারণ মানুষকে যেভাবে তাদের ক্রীড়ানক বানিয়ে রেখেছিল, এখন থেকে তা আর সম্ভব হবে না।'

শিক্ষানবিশ গবেষকদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, '১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যাপক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়। প্রযুক্তি বিভেদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ায় অনন্য অগ্রগতি ইতিমধ্যে সাধিত হয়েছে। ২০২১ সালের অনেক আগেই ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সকল উদ্যোগ সম্পন্ন হয়েছে। মহাকাশে বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উেক্ষপণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যথাযথ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা থাকায় বিভিন্ন গবেষণাকর্মের ওপর আন্তর্জাতিক জার্নালে ৪৪০টি এবং দেশীয় জার্নালে ৩৭৪টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশ পরমাণুশক্তি কমিশনের ১৪টি পরমাণু চিকিত্সা কেন্দ্রে ১০ লাখের অধিক রোগীকে চিকিত্সা সেবা প্রদান করা হয়েছে, যা থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আয় সম্ভব হয়েছে। প্রায় ২৮ হাজার খাদ্যদ্রব্যের নমুনায় তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পরীক্ষা করে ৩৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। এক হাজার ১৪০ জনকে পরমাণু-বিষয়ক উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারে পারমাণবিক শক্তি সংক্রান্ত একটি তথ্যকেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে রাশিয়ার সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণকে পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র সম্পর্কে সচেতন ও নিরাপত্তার ব্যাপারে আশ্বস্ত করা হবে।'

'সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে' উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'উভয় দেশ পারমাণবিক বিদ্যুত্ সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় করবে। বাংলাদেশ-মরক্কো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতা চুক্তিও আওয়ামী লীগের বিগত সরকারের সময়ে স্বাক্ষর হয়েছে। আমাদের বিজ্ঞানীরা তোষা ও দেশি পাটের জীনতত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন। এ ছাড়া, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে মহাকাশ বিজ্ঞান গ্যালারি স্থাপন এবং ২৯টি বিজ্ঞান বিষয়ক প্রদর্শনী বস্তু সংগৃহীত হয়েছে এবং তরুণ বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মেধা বিকাশের লক্ষ্যে ১৬৯টি বিজ্ঞান ক্লাবকে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হয়েছে।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা ১৯৯৬—২০০১ মেয়াদে সরকারে থাকাকালে মোবাইল ফোনকে সাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করতে সুলভ মূল্যে গ্রাহক সেবা দানের ব্যবস্থা করি। কম্পিউটারের শুল্ক হার হরাস করে এর মূল্য তিন ভাগের এক ভাগে নামিয়ে আনি। ফলে কম্পিউটার প্রযুক্তিকে সর্বজনীন করা সম্ভব হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটারের তত্ত্বীয় শিক্ষার পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা দিতে কম্পিউটার প্রদান করি।'

'শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি পাঠদান পদ্ধতি সহজ ও আনন্দদায়ক করতে দেশব্যাপী ২০ হাজার ৫০০ মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে' উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধির পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যন্ত ইন্টারনেট-ভিত্তিক সেবা সম্প্রসারিত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ল্যান্ড টেলিফোনের চার্জ হরাস, দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড এবং অর্থ স্থানান্তরের ব্যবস্থা অনলাইনে করে দেয়ায় মানুষের জীবনযাত্রা যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি সেবা গ্রহণকারীরাও প্রযুক্তির সংস্পর্শে এসে পুরাতন ধ্যান-ধারণা থেকে বেরিয়ে ক্রমেই বিজ্ঞানমনষ্ক হতে পারছেন।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন—তার সরকার বরাবরই বিজ্ঞান গবেষণা ও উদ্ভাবনে পৃষ্ঠপোষকতা এবং বিজ্ঞানচর্চাবান্ধব নীতি প্রণয়নে সর্বোচ্চ আন্তরিক।

অনুষ্ঠানে লন্ডনের কিংস কলেজে অর্থোপেডিক টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণায় থাকা চিকিত্সক মোহাম্মদ সালেহ উদ্দিন মাহমুদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কাজী কামরুন্নাহার এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানিমা মোস্তফার হাতে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। আর এনএসটি ফেলোশিপের চেক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তি বিভাগের এনএসটি ফেলো ইসরাত শারমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের এনএসটি ফেলো নাসিব সাইয়িদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের এনএসটি ফেলো মাহবুবা রহমান এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের এনএসটি ফেলো সজীব কুমার সাহা।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিয়াক সার্জন অসীতবরণ অধিকারী এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালর্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সহকারী অধ্যাপক হামিদা গুলশান প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে গবেষণার জন্য বিশেষ অনুদানের চেক নেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়—বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মরণে ৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ অন সায়েন্স অ্যান্ড আইসিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ ও বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ ও গবেষক তৈরিই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ ছাড়াও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে এমফিল, পিএইচডি ও পিএইচডি পরবর্তী পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মধ্যে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ দেয়া হয়। এর আওতায় ২০০৯-১০ অর্থ-বছর থেকে ২০১২-১৩ অর্থ-বছর পর্যন্ত ২ হাজার ৪৩৩ জন শিক্ষার্থী ১৭ কোটি ২ লাখ টাকা পেয়েছেন। ২০১৩-১৪ অর্থ-বছরে ১ হাজার ১ জন শিক্ষার্থী ও গবেষককে ৬ কোটি ২৮ লাখ ২৬ হাজার টাকা দেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় অনুদান এবং বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত ফেলো ও বিজ্ঞানীগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, 'অগ্রসরমান অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকতে পারে না। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আগামী দিনে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করবে বলে আশা করি।'

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব এ কে এম আমির হোসেন।

সর্বশেষ আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, ৫ বছর পর একাদশ সংসদ নির্বাচন হবে এবং তা হবে বর্তমান সংবিধান আলোকেই। আপনি কি তার সাথে একমত?
2 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
মে - ২০
ফজর৩:৪৯
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৪
মাগরিব৬:৩৯
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:১৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :