The Daily Ittefaq
ঢাকা, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ৫ ফাল্গুন ১৪২০, ১৬ রবিউস সানী ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ ১৩ রানে হারল বাংলাদেশ | নাইজেরিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ১০৬ জন | আল-কায়েদার ভিডিও বার্তার সঙ্গে বিএনপির যোগসূত্র নেই: মির্জা ফখরুল | চট্টগ্রামের অপহৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ী উদ্ধার

মন্ত্রীদের সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মেহেদী হাসান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত থাকার জন্য মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন। আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন বলে বৈঠক সূত্র জানিয়েছে। বৈঠকে সরকারের রিজার্ভে থাকা ১৮ বিলিয়ন ডলার থেকে ২ বিলিয়ন ডলার অর্থ নিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করলে কোন অসুবিধা হবে না বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে মন্ত্রীপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বাড়ানোর বিধান রেখে 'আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন- ২০১৪'র খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রীসভা। বর্তমানের আইনটির মেয়াদ ছিল ২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত। মেয়াদ বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ২০১৯ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত।

বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে ২০০২ সালে দ্রুত বিচার আইন জারি করে দুই বছরের জন্য তা কার্যকর করা হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে এ আইনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ২০১২ সালে আরো দুই বছর আইনটি বলবত্ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চার বছরের জন্য আইনটির কার্যকাল বাড়ানোর প্রস্তাব করলেও মন্ত্রীসভা গুরুত্ব বিবেচনা করে পাঁচ বছরের জন্য মেয়াদ বাড়িয়েছে। যাচাই বাছাই শেষে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আইনটি সংসদে তোলা হবে বলে জানান তিনি।

এ আইন অনুযায়ী, যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা বা বিঘ্ন সৃষ্টি, ক্ষতি সাধন, সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির সম্পত্তি নষ্ট বা ভাঙচুর করা, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ভয়-ভীতি দেখানো বা দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়ার মতো অপরাধ প্রমাণিত হলে দুই থেকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

প্রতি জেলায় গঠিত এক বা একাধিক দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ আইনের মামলার বিচার চলে। এ আইনে ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ নিষ্পত্তি করার বিধান আছে। এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা না গেলে আরো ৬০ দিন সময় পাওয়া যাবে। অবশ্য সময়সীমা বেঁধে দেয়া থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ওই সময়ে বিচার শেষ করা সম্ভব হয় না বলে বিচারপ্রার্থীদের অভিযোগ রয়েছে। আবার সরকার বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার কাজে এ আইন ব্যবহার করেছে বলে এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান বলেছেন, 'আল-কায়েদার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কোন সম্পর্ক নেই'। আপনিও কি তাই মনে করেন?
5 + 7 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ১৮
ফজর৩:৫৬
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৩
সূর্যোদয় - ৫:২১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :