The Daily Ittefaq
ঢাকা, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ৫ ফাল্গুন ১৪২০, ১৬ রবিউস সানী ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ ১৩ রানে হারল বাংলাদেশ | নাইজেরিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ১০৬ জন | আল-কায়েদার ভিডিও বার্তার সঙ্গে বিএনপির যোগসূত্র নেই: মির্জা ফখরুল | চট্টগ্রামের অপহৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ী উদ্ধার

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

অর্থনৈতিক উন্নতির

ধারা বজায়

রাখতে হবে

২০১৩-এর শেষদিকে এবং ২০১৪-এর প্রথমদিকে হরতাল, অবরোধের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধস নেমে এসেছিল। হরতাল, অবরোধ না থাকায় বাংলাদেশ কিছুটা হলেও সেই ধস কাটিয়ে উঠেছে। হরতাল, অবরোধ হলে সব ধরনের মানুষের সমস্যা হয়। অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। গাড়ি চলাচল করতে পারে না। এর ফলে মানুষের যাতায়াত ব্যাহত হয়। পরিবহন শ্রমিক ও মালিকদের অনেক ক্ষতি হয়। দেশের বিভিন্ন এলাকার জন্য বিদেশে সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলো দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছে না। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ থাকে। হরতাল ও অবরোধে অনেক মানুষ পুড়ে মরে। এর ফলে হরতাল ও অবরোধে যেমন অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়, তেমন মানুষের ব্যক্তিগত ক্ষতি হয়। এজন্য সকলেরই কাম্য হরতাল, অবরোধ না দিয়ে সকল দলই দেশের উন্নতির জন্য কাজ করবে।

সঞ্জিত মন্ডল

থিয়েটার এ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ,

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আমাদের দেশ

আমাদেরকেই

গড়তে হবে

দশম শ্রেণিতে যখন পড়ি, তখন আমাদের বাংলা ২য় পত্র ক্লাস নিতেন স্যার মোঃ কামরুল হাছান। তিনি দ্বিরুক্ত শব্দ পড়ানোর সময় একটা উদাহরণ বার বার টানতেন " রাজায় রাজায় লড়াই , উলুখোগাদের প্রাণান্তর"। তিনি কেন বার বার এই উদাহরণ টানতেন তা আমি জানি না। তবে আমার বুঝ হওয়ার পর থেকে যখন দেখলাম, ১৯৯৬ সালের সরকার বিরোধী দলে এবং তিনি সে সময় একটা জনসভায় এরকম ভাষণ দিয়েছিলেন " আমাদের দল বিরোধী দল হলেও, কখনও হরতাল করবে না, হরতাল করতে পারে না এবং সেই স্লোগান ভালভাবেই প্রচার করেছেন ২০০১ সালের ক্ষমতাসীন সরকার। ভেবে নেয়া হয়েছিল সে যেহেতু বারংবার এটা প্রচার করেছিলেন, তিনি বোধহয় এ রকম সন্ত্রাসী রাজনীতি পরিহার করে, অন্য কোন নতুন পথ আমাদের দেখাবেন। কিন্তু তিনি যখন আবার বিরোধী দলে তখন তিনিই, সেই আগের পথ অবলম্বন করলেন। একটি দেশের অর্থনীতির সিংহভাগই নির্ভরশীল ঐ দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর। কিন্তু আমাদের দেশে যে দলই বিরোধী দল থাকুক না কেন, তারা কখনো স্থিতিশীলতা শব্দটার সাথে বিশেষভাবে পরিচয় মিলাতে পারেনি। সন্ত্রাসের রাজনীতি দেশের জন্মলগ্ন থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিদ্যমান আছে। যার দরুন আমাদের যুব সমাজের উপর বিশেষভাবে বিদ্যমান। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের যুব সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দেশ আমাদেরকেই গড়তে হবে। কোনও বিদেশি শক্তি আমাদেরকে ভালভাবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে না।

রাফসান আবির সজল

১মবর্ষ ২য় সেমিস্টার, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ,

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।

অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার

বিকল্প নাই

একটি দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য সুষম অর্থনীতি অপরিহার্য। আর এ অর্থনীতির অগ্রগতির জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। বাংলাদেশ তার ৪২ বছরের ইতিহাসে বিগত ২০১৩ সালে যে ভয়ানক রাজনৈতিক সহিংসতা দেখেছে তা অর্থনীতির জন্য মোটেও সুখকর ছিল না। হরতাল-অবরোধে এর অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিতভাবে এগুতে পারছিল না। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে ও হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহারের পর বাংলাদেশ আবার অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে যাচ্ছে। বিরোধী দলের সহিংস কর্মকাণ্ডের অবসানের পর জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছে, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ জনজীবনে গতি ফিরে এসেছে। নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক উন্নয়নের নানা সূচকেও বাংলাদেশ এগিয়েছে। আবার যদি হরতাল-অবরোধ ফিরে আসে, তবে অর্থনীতি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। তাই সব রাজনৈতিক দলের প্রতি অনুরোধ সহিংসতা পরিত্যাগ করে সুষ্ঠু রাজনীতির পথে আসুন।

মো. নূর নবী মিঞা,

ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ,

১ম বর্ষ ২য় সেমিস্টার,

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই পারবে

উন্নয়নশীল দেশকে উন্নতশীল

দেশের দিকে এগিয়ে নিতে

বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে অন্যতম একটি দেশ। দেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময়ী শিল্প অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু সেটা থমকে যায় তখনি, যখন দেশে গণতান্ত্রিক ধারা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় না থাকে। আর বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা সেরকমই বিরাজমান। একদিকে সরকারের ক্ষমতায় থাকার অনড় অবস্থান অন্যদিকে বিরোধী দলের টানা হরতাল-অবরোধ। আর এই অবস্থার ভুক্তভোগী হচ্ছে সাধারণ জনগণ। রাজনীতিবিদদের মনে রাখতে হবে যে, আপনারা জনগণের কল্যাণ এবং দেশের উন্নতির জন্য রাজনীতি করেন। তাই দয়া করে জনগণের কথা একবার ভাবুন। স্বার্থ হাসিলের রাজনীতি পরিত্যাগ করুন। সংবিধানকে জনগণের অধিকার সম্বলিত সংবিধানে পরিণত করুন। এতে যেমনভাবে জনগণ স্বস্তি পাবে তেমনই দেশ উন্নয়নশীল থেকে উন্নতিশীল দেশের দিকে এগিয়ে যাবে।

মোঃ রুকুনুজ্জামান (তাহমিদ)

৩য় বর্ষ, ইসলামিক ষ্টাডিজ বিভাগ,

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান বলেছেন, 'আল-কায়েদার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কোন সম্পর্ক নেই'। আপনিও কি তাই মনে করেন?
8 + 1 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ১৯
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫২
মাগরিব৫:৩৩
এশা৬:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৮
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :