The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ৯ ফাল্গুন ১৪১৯, ১০ রবিউস সানি ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ নূহাশ পল্লীতে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে ৯ জন আহত | ২৬ মার্চের মধ্যে জামায়াত নিষিদ্ধের প্রক্রিয়া শুরুর আলটিমেটাম: শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ | মহাসমাবেশে কর্মসূচির ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হলো শাহবাগের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি | সৈয়দ আশরাফুল রাজনৈতিক শিষ্ঠাচারবিবর্জিত কথা বলেছেন: মির্জা ফখরুল | বরিশাল-ভোলা মহাসড়কে বাস খাদে পড়ে ৫ জন নিহত | আজ মহান অমর একুশে | বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস | কিশোরগঞ্জে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষ | ঝিনাইদহের মহেশপুরে জামায়াত-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষে ১৫ জন আহত

আমাদের বাংলা ভাষা

ড. এম এ সবুর

ভাষা বহতা নদীর মতো চঞ্চল। স্থিরতা এর স্বভাব বিরুদ্ধ। পরিবর্তন পরিবর্ধন ভাষার বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এ বৈশিষ্ট্যের কারণে কালের গর্ভে কত ভাষা হারিয়ে গেছে তার কোনো ইয়ত্তা নাই, আবার নতুন কত ভাষার জন্ম হয়েছে তারও কোনো হদিস নেই। এ বির্বতনের মধ্য দিয়ে বর্তমান বিশ্বে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ভাষার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তবে সব ভাষাই সমান নয়। কোনো ভাষায় বেশি লোকে কথা বলে। আবার কোনো ভাষায় কথা বলে কম লোক। কোনো ভাষা আন্তর্জাতিকতা লাভ করেছে আবার কোনো ভাষা আছে আঞ্চলিকতা পর্যায়ে। আমাদের মাতৃভাষা বাংলা বিশ্বের অন্যতম প্রধান ভাষা। একাধিক দেশের কমবেশি ত্রিশকোটি মানুষ এ ভাষায় কথা বলে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রধান ভাষা বাংলা। এ ছাড়া ভারতের বিহার, আসাম, মনিপুর ও ত্রিপুরা রাজ্যের অনেক লোক বাংলা ভাষাতেই কথা বলে। বাংলা ভাষা কবে থেকে শুরু হয়েছে তার নির্ধারিত সন-তারিখ নেই। ভাষা উত্পত্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো দিন তারিখ থাকেও না। দিন-ক্ষণ ঠিক করে কোনো ভাষার জন্মও হয় না। দীর্ঘকালব্যাপী গ্রহণ-বর্জন ও সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে ভাষার জন্ম হয়। হঠাত্ করেই যেমন কোনো ভাষার উদ্ভব হয়নি। বাংলা ভাষার ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম ঘটেনি। ভাষা গবেষকদের মতে স্থানীয় ভাষার সাথে বহিরাগত আর্যদের ভাষার সংমিশ্রণে প্রাকৃত-অপভ্রংশ রূপ ধারণ করে দীর্ঘদিন যাবত্ অনেক পরিবর্তন-পরিবর্ধনের মাধ্যমে বাংলা ভাষার উত্পত্তি হয়েছে। বাংলা ভাষা উত্পত্তির সঠিক কোনো ইতিহাস না থাকলেও 'চর্যাপদ'কে বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন বলা হয়। তবে চর্যাপদের ভাষার সাথে বাংলা ভাষার হুবহু মিল পাওয়া যায় না। এর ভাষা অস্পষ্ট। এ জন্য সাহিত্যিকরা এর নাম দিয়েছে 'আলো-আঁধারি' বা 'সান্ধ্যভাষা'। চর্যাপদকে 'মৈথিলী', 'হিন্দি', 'উরিয়া' ও 'অহমি' ভাষার আদি ভাষা হিসেবেও দাবি করা হয়। 'হিন্দি' ও 'মৈথিলী'দের দাবি ধোপে না টিকলেও 'উরিয়া' ও 'অহমি'দের দাবি একেবারে অযৌক্তিক নয়। কারণ চর্যাপদের সাথে উরিয়া ও অহমি ভাষার অনেক মিল আছে। যেমন মিল আছে বাংলাভাষার সাথে। এ জন্য ভাষা গবেষকদের মতে বর্তমান ভিন্নতার আগে বাংলা, উরিয়া ও অহমি ভাষার অভিন্ন রূপ থাকতে পারে। হতে পারে সে অভিন্ন রূপেই চর্যাপদের সৃষ্টি হয়েছে। চর্যাপদের সময়কাল নিয়েও ভাষা গবেষকদের মধ্যে মতভেদ আছে। কারও মতে খ্রিস্টীয় সপ্তম শতক থেকে দশম শতক। আবার কারও মতে খ্রিস্টীয় অস্টম থেকে দ্বাদশ শতক। তবে তারা ঐকমত্য পাল শাসনামলের ক্ষেত্রে। অর্থাত্ চর্যাপদ পাল আমলে রচিত হয়েছে এ বিষয়ে সবাই ঐকমত্য হয়েছেন। তত্কালীন বৌদ্ধ ধর্মের বিধি-বিধান, সাধারণ মানুষের সুখ-দঃখ, জীবন-জীবিকা, সামাজিক অবস্থা ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে এসব চর্যাপদে। চর্যাপদের ব্যাকরণ, ছন্দ-অলঙ্কারের কিছু কিছু ব্যতিক্রম দৃষ্টিগোচর হলেও সেগুলোতে বাংলার আদিরূপই বিধৃত হয়েছে। অধিকাংশ চর্যাপদ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশে রচিত এবং এগুলো বাংলাভাষার নিজস্ব সম্পদ। তাই বলা যায় চর্যাপদই বাংলা ভাষার শৈশবকাল। কিন্তু চর্যাপদের ভাষা স্থায়িত্ব লাভের আগেই ভারতের দক্ষিণ কর্ণাটক থেকে আগত সংস্কৃতভাষী সেন শাসকেরা বাংলা ভাষা চর্চাকে নিষিদ্ধ করেন। আর সংস্কৃত ভাষাকে করেন রাজভাষা । অধিকন্তু 'রৈরব' নামক নরকের ভয় দেখিয়ে বাংলা ভাষাকে সাধারণ মানুষ থেকে দূরে রাখার কৌশল করেন তারা। এ ভয়ে সরকারি কর্মচারী ও উচুঁ বর্ণের মানুষেরা বাংলাভাষা চর্চা বাদ দিলেও সাধারণ মানুষেরা তাতে কর্ণপাত করেননি। তারা 'পক্ষির বুলি' তথা বাংলা ভাষাকে ছাড়েননি এবং বিদেশি ভাষা সংস্কৃতকে মন থেকে গ্রহণ করেননি। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির মাধ্যমে ১২০৩ সনে সেন শাসনের অবসান হলে এ দেশীয়রা আবার নতুন করে বাংলাভাষা চর্চা করার সুযোগ পান। তুর্কিরা বিদেশি হলেও তারা স্থানীয় বাংলা ভাষাকে অবমূল্যায়ন করেননি। ফার্সিকে রাজভাষা করলেও বাংলা ভাষা চর্চায় উত্সাহ দিয়েছেন তারা। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা, দ্বন্দ্ব-সংঘাত-সংঘর্ষ এবং সাংস্কৃতিক বিবর্তনের কারণে এ সময়ের উল্লেখযোগ্য কোনো সাহিত্য নেই। তখন বাংলাদেশ কিংবা বাংলা ভাষা ভিত্তিক কোনো অঞ্চল ছিল না। সুলতানী শাসনামলের প্রথম দিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলে বিভক্ত ছিল বাংলাভাষী জনগোষ্ঠী। হাজি শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ সনে বঙ্গ, রাঢ়, গৌড়, পুন্ড্রবর্ধন, লক্ষ্মণাবতী, হরিকেল, সমতট ইত্যাদি বাংলাভাষী অঞ্চলকে একত্রিত করে 'সুবহি বাঙ্গালা' নাম দেন। আর এর অধিবাসীদের নাম দেন 'বাঙালি'। এতে বাংলাভাষী জনগোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ পায় এবং বাংলা ভাষার পুর্নজন্ম হয়। এ সময় বড়ু চণ্ডীদাস 'শ্রী কৃষ্ণকীর্তন' (১৩৫০) কাব্য রচনা করে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বন্ধ্যাত্ব ঘুচান। শাহ্ মুহাম্মদ সগীর 'ইউসুফ জুলেখা' (১৩৮৯-১৪১০) রচনা করে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে রোমান্টিকতার আবির্ভাব ঘটান। পরবর্তীতে গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ, জালালুদ্দীন মুহাম্মদ শাহ্, রুকনুদ্দীন বারবাক শাহ্, আলাউদ্দীন হুসেন শাহ প্রমুখ মুসলিম নৃপতিদের উত্সাহ ও পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধর বসু, জৈনুদ্দীন, বিজয় গুপ্ত, কৃত্তিবাস, মুজাম্মিল, বিপ্রদাস পিপিলাই প্রমুখ কবি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। মূলত পাঠান বংশের স্বাধীন সুলতানদের শাসনামলে (১৩৩৮-১৫৭৫) বাংলা ভাষার পুনর্জাগরণ হয়। এরপর মোঘল আমলে সৈয়দ সুলতান, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, আব্দুল হাকিম, দৌলত উজীর বাহারাম খান, কোরেশী মাগন ঠাকুর, সৈয়দ আলাওল, ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর প্রমুখের সাহিত্য সাধনায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রভুত উন্নতি লক্ষ করা যায়। কিন্তু ১৭৫৭ সনে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলার শাসকের পরিবর্তনের সাথে ভাষা-সংস্কৃতিরও পরিবর্তন হয়। এতে মুসলিম শাসনামলের বাংলাভাষার পুনর্জাগরণ স্তিমিত হয়ে পড়ে এবং নিম্ন মানের মিশ্রভাষার 'পুঁথি সাহিত্য' ও 'কবিয়াল গানে'র আর্বিভার ঘটে। এ সময় ফার্সির পরিবর্তে ইংরেজিকে করা হয় রাজভাষা। উল্লেখ্য মুসলিম শাসনামলে বাংলাভাষায় আরবি, ফার্সি, উর্দু, পর্তুগিজ, হিন্দিসহ অনেক বিদেশি শব্দের সমাবেশ ঘটে। আর ইংরেজ শাসনামলে বাংলা ভাষায় যোগ হয় ইংরেজি, সংস্কৃত, ফরাসি, স্পেনিশসহ বিভিন্ন ভাষার অনেক শব্দ। এতে বাংলা ভাষার শব্দ ভাণ্ডার, সৌন্দর্য্য ও বৈচিত্র্য বেড়ে যায়।

ইংরেজ শাসনামলের প্রথম দিকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ব্যাঘাত ঘটলেও পরে উন্নতি সাধিত হয়। ইংরেজ শাসনামলেই আধুনিক বাংলা সাহিত্যের উদ্ভব হয়। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে শুধু কাব্য সাহিত্য পাওয়া যায়, এ সময় বাংলা ভাষায় কোনো গদ্য সাহিত্য রচিত হয়নি। অন্যদিকে ইংরেজ শাসনামলে বাংলা ভাষায় গল্প, উপন্যাস, নাটক ইত্যাদি গদ্য সাহিত্যের সূচনা হয়। এ সময় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, মীর মশাররফ হোসেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, জীবনান্দ দাশ, জসীম উদ্দীন, ফররুখ আহমদ প্রমুখ কবি-সাহিত্যেকেরা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। ১৯১৩ সনে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যে নোবেল বিজয় বিশ্ব দরবারে বাংলা সাহিত্যের মর্যাদা অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে মুসলিম ও ইংরেজ শাসনামলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নতি ও ব্যাপ্তি বাড়লেও কখনও রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায়নি। অথচ ভাষা রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না পেলে জাতীয় ভাষার উন্নতি ও মর্যাদা যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় না। তাই ১৯৪৭ সনে ইংরেজ শাসন অবসানের পর বাংলাদেশের (তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান) অধিবাসীরা বাংলা ভাষা নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখলেন। তারা বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তোলেন। কিন্তু উর্দুভাষী শাসকেরা বাঙালিদের দাবি উপেক্ষা করে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন। এতে দারুণভাবে ক্ষুব্ধ হন এ দেশের সর্বস্তরের মানুষ। জেল-জুলুম, নির্যাতন-নিপীড়ন উপেক্ষা করে আন্দোলন করেন তারা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সনের ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ই ফাল্গুন, ১৩৫৮ বাংলা) তারিখে ঢাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সালাম, বরকত, জব্বার, শফিক, রফিক, শফিউদ্দীনসহ অনেকে। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৫৬ সনে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয় তত্কালীন সরকার। এই প্রথম বাংলা ভাষা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় 'শহীদ দিবস'। আর তাদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে নির্মিত হয়েছে আমাদের 'শহীদ মিনার'। ১৯৯৯ সনে ইউনেস্কোর মাধ্যমে জাতিসংঘ ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' ঘোষণা করেছে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় দুই শতাধিক রাষ্ট্র এ দিবসটি পালন করছে। প্রকৃতপক্ষে অনেক বাধা-বিপত্তির মধ্য দিয়েও বিশ্ব দরবারে বাংলাভাষার অবস্থান আজ সুসংহত হয়েছে। আর এ ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা অর্জনের জন্য আত্মত্যাগ করে বিশ্ববরণীয় হয়ে আছেন বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তান ভাষা শহীদেরা।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের চেয়ে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা শ্রেয়—ব্রিটিশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
5 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ১৫
ফজর৪:৪০
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৫৫
মাগরিব৫:৩৬
এশা৬:৪৮
সূর্যোদয় - ৫:৫৬সূর্যাস্ত - ০৫:৩১
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :