The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ৯ ফাল্গুন ১৪১৯, ১০ রবিউস সানি ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ নূহাশ পল্লীতে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে ৯ জন আহত | ২৬ মার্চের মধ্যে জামায়াত নিষিদ্ধের প্রক্রিয়া শুরুর আলটিমেটাম: শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ | মহাসমাবেশে কর্মসূচির ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হলো শাহবাগের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি | সৈয়দ আশরাফুল রাজনৈতিক শিষ্ঠাচারবিবর্জিত কথা বলেছেন: মির্জা ফখরুল | বরিশাল-ভোলা মহাসড়কে বাস খাদে পড়ে ৫ জন নিহত | আজ মহান অমর একুশে | বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস | কিশোরগঞ্জে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষ | ঝিনাইদহের মহেশপুরে জামায়াত-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষে ১৫ জন আহত

এপিক থিয়েটারের মৌলরূপ

পথ দৃশ্য ও আমাদের পথ নাটক

অধ্যাপক ড. ইসরাফিল শাহীন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পূর্ববর্তী কাল থেকে প্রায় দেড় দশক ধরে জার্মান থিয়েটারে নতুন ধারার অভিনয়-উদ্ভাবনের একটি প্রচেষ্টা লক্ষ করা যায়। ঝরঝরে বর্ণনা ও প্রতিবেদনধর্মিতা—এই দুই বৈশিষ্ট্য কোরাসের উচ্চমাত্রিক স্বরাভিব্যক্তি/প্ল্যাকার্ড/প্রজেকশন-এর মধ্য দিয়ে প্রয়োগ হয় যা মূলত ভাষ্য/ব্যাখ্যা সৃষ্টির একটি উপায় বা পদ্ধতি হয়ে ওঠে, একে অভিহিত করা হয় 'এপিক'।

অভিনেতা এমন কিছু জটিল কৌশল অবলম্বন করে যাতে তার দ্বারা চিত্রিত চরিত্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সরে আসতে পারে। এর ফলে অভিনেতা দর্শককে এমন কিছু কোণ থেকে নাটকের ঘটনাকে দেখতে বাধ্য করে যাতে নাটকে উপস্থাপিত ঘটনাবলি অবধারিতভাবে দর্শকের সমালোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়। ন্যাচারাল বা স্বাভাবিক এপিক থিয়েটার যেমন যেকোনো রাস্তার দৃশ্য হিসেবে একটি ঘটনাকে গ্রহণ করা যেতে পারে। আর তা দিয়ে এপিক থিয়েটারের একটি মডেল উপস্থাপন করা যায়।

রাস্তার দৃশ্য :সমবেত হওয়া জনতার নিকট একজন প্রত্যক্ষদর্শীরবর্ণনায় চিত্রিত সড়ক দুর্ঘটনায় জড়ো হওয়া পথচারীরা হয়তো সত্যিই কী ঘটেছিল নাও পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। অথবা তারা (পথচারী) খুব সরলভাবেই প্রত্যক্ষদর্শী কথকের (Demonstrator) সাথে একমত না হয়ে ভিন্ন কিছু ভিন্ন উপায়ে ভেবে থাকতে পারে। মূল কথা হলো, প্রত্যক্ষদর্শী কথক দুর্ঘটনায় পতিত গাড়ির চালক অথবা দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি কিংবা উভয়ের আচরণ সম্পর্কেই এমন কিছু উপায়ে ক্রিয়া উপস্থাপন করে যাতে দর্শকের মধ্যে মতামত গড়ে ওঠে। ঘটনার অর্ন্তনিহিত বহুস্তরায়িত অজ্ঞাত দিকগুলোর উন্মোচন এবং দর্শকের মধ্যে সমালোচনামূলক চিন্তাকে উসকে দিতে সক্ষম হবে (রাস্তার দৃশ্য মডেল)।

প্রত্যক্ষদর্শী কথককে একজন 'শিল্পী' হওয়ার প্রয়োজন নেই। এই কথকের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ঘটনার উপস্থাপনাকে সার্বজনীন করে তোলা। কথককে নিখুঁত ও দক্ষ হতে হবে না। তার রূপান্তর-ক্ষমতা যেন দর্শকের মনোযোগকে সম্মোহিত না করে কেননা তাহলে কথকের মূল উদ্দেশ্যই পণ্ড হবে [catharsis, pity and fear-এর সঙ্গে তুলনা হবে]

'মায়া' (illusion) বা ভ্রম সৃষ্টি করে সাধারণ থিয়েটারের এমন বৈশিষ্ট্য অবশ্যই বহির্ভূত থাকবে—এপিক থিয়েটার থেকে। রাস্তার দুর্ঘটনার দৃশ্যের সূত্রে বিন্যস্ত এপিক থিয়েটার কখনও সত্যিকার ঘটনার উপস্থাপন হচ্ছে—এই রকম ভান করবে না। এটা শুধু ঘটনার demonstration বা কার্যপ্রদর্শন। এর জন্য প্রস্ততির প্রক্রিয়াটি কী? আর এতে অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?

[Paradoxically] অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে কথক তা পরিবেশন করেন কিন্তু পরিবেশনাটি অবশ্যই দর্শকের নিকট কোনো শিল্পাভিজ্ঞতা নয়। কথক চালক/দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিসংক্রান্ত আংশিক/পাক্ষিকভাবে অভিজ্ঞতালব্ধ হয়। যতই বাস্তবানুগ প্রদর্শন হোক না কেন কথক কখনোই তা দর্শকের বিনোদন/মনোরঞ্জনের জন্য নয়। কথক দর্শককে আবেগায়িত করবে না। কথকের কাজটা দর্শকের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে ক্রিয়াশীল হতে একটা বোঝাপড়া সৃষ্টি করে।

পথ-দৃশ্য ও নাট্যদৃশ্য কীভাবে পরস্পর-সম্পর্কিত? কথককে শুধুমাত্র দুর্ঘটনার পূর্ব মুহূর্তের কোনো চিত্কারকে অনুকরণ করলেই হবে না। এ ক্ষেত্রে কথককে সুনির্দিষ্ট ও পুঙ্খানুপুঙ্খ করতে হবে যে, এটা কার চিত্কার—বৃদ্ধের, নাকি মহিলার? চিত্কারটি কি উচ্চগ্রামের, না নিচু স্বরের? সে কি শিক্ষিত না অশিক্ষিত? আহত লোকটির উচ্চস্বর বা নিচুস্বরের চিত্কারের মাত্রাকে কথক বিবেচনা করবে কারণ এর দ্বারা চালকের শাস্তির মাত্রা নিরূপণের বিষয়টিও যুক্ত।

দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিটির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সবগুলোর একত্রিত প্রকাশের মধ্য দিয়ে কথক তা প্রদর্শন করবে। ব্যক্তিটি কি অন্যমনস্ক ছিল? তার মনোযোগে বিঘ্ন ঘটেছিল? যদি তাই হয়, তাহলে কী কারণে? আচরণ সংক্রান্ত প্রামাণ্য বৈশিষ্ট্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বোঝা যাবে যে, কোনো নির্বিকল্প পরিস্থিতির কারণে লোকটির মনোযোগে বিঘ্ন ঘটেছিল! তার এইরকম অনুপুঙ্খ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে এক সমৃদ্ধ ও বিচিত্র-স্বভাব মানুষের ধরন-ধারণ (Types) বিশ্লেষণের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়।

এই দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে চালকের হয়তো চাকরি হারানোর ঝুঁকি থাকে, তার লাইসেন্স বাতিল হতে পারে, জেলেও যেতে হতে পারে। অন্যদিকে দুর্ঘটনাগ্রস্ত লোকটিরও হাসপাতালের বিশাল খরচ বহনের ঝুঁকি থাকে, স্থায়ী অঙ্গহানি হতে পারে, এমনকি সে চিরস্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতাও হারাতে পারে। এইরকম বিপ্রতীপধর্মী বিবেচনাযোগ্য বিষয়বস্তুর সামগ্রিকতায় তৈরি হয় প্রত্যক্ষদর্শী কথকের চরিত্র নির্মাণের ক্ষেত্র। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ব্যক্তির ওই সময় হয়তো কোনো সঙ্গী ছিল। আবার, চালকের পাশেই হয়তো তার শিশু কন্যা বসা ছিল। এইভাবে সামাজিক উপাদান সৃষ্টি হয় যার মধ্য দিয়ে অন্যান্য চরিত্রের অন্তর্ভুক্তিও ঘটে।

কাজের আরেকটি অপরিহার্য উপাদান হলো সহজাত প্রবণতা। দুটো পরিস্থিতিকে চিত্রিত করার দ্বি-পাক্ষিক সহজাত প্রবণতাকে প্রয়োগের ক্ষমতা। সে একজন প্রত্যক্ষদর্শী কথক (Demonstrator) হিসেবে খুবই সহজাত আচরণ করতে সক্ষম; আবার প্রদর্শনের বিষয়বস্তুকেও তুলে ধরতে একই রকম সহজাত আচরণ প্রকাশ করতে সক্ষম। এটা কখনোই ভোলা যাবে না যে, সে একজন কথক মাত্র, কখনোই প্রদর্শন বা কথনের বিষয়বস্তু নয়।

দর্শকের কাছে কখনোই কথক ও প্রদর্শনের বিষয়বস্তুর Fusion বা মিশ্রিত সত্তা হিসেবে উপস্থাপিত হবে না। এরা কোনো তৃতীয় কিছুও নয়। এরা মূলত নির্দ্বন্দ্ব, স্বাধীন অস্তিত্ব যথা :

ক. কথক খ. কথকের বিষয়বস্তু/উপস্থাপিত চরিত্র সব সময়ই স্বতন্ত্র থাকবে।

কথক এবং কথিত ব্যক্তির অনুভূতি ও মতামত সর্বদাই স্বতন্ত্র থাকে। এবার আমরা আসছি এপিক থিয়েটারের অনন্য উপাদান A-effect বা Alienation effect. এটি মূলত মানবসমাজের ঘটনাবলিকে চিত্রিত করা ও চিহ্নিত করার এমন কৌশল যা দাগ কাটে, যা ব্যাখ্যার চাহিদা সৃষ্টি করে যা সহজেই মেনে নেওয়ার মতো নয় কিংবা যা ঘটনাকে স্বাভাবিক হিসেবে প্রতিপন্ন করে না। এই 'ইয়েক্ট বা অভিঘাত'-এর লক্ষ্য হচ্ছে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গঠনমূলকভাবে দর্শককে সমালোচনাত্মক বা বিশ্লেষণাত্মক করে তোলা।

A-effect প্রয়োগ করতে যদি প্রত্যক্ষদর্শী কথক ব্যর্থ হয় তাহলে কী হবে এর চিত্রটা আমরা প্রকাশ করতে পারি। যদি কথক তা প্রয়োগ না-ই করতে পারে তাহলে যা ঘটতে পারে—দর্শকদের ভেতরে একজন বলে উঠতে পারে যে, '(কথককে উদ্দেশ্য করে) আপনি যেমন করে দেখালেন সে (দুর্ঘটনাগ্রস্ত ব্যক্তি) ডান পা ফেলেছিল।' কিন্তু কথক বাধা দিয়ে বলল যে, 'না, সে বাম পা ফেলেছিল, আমি তো সেটাই দেখালাম।' কোন পা ফেলার মধ্য দিয়ে সে দুর্ঘটনার শিকার হয়—এই বিষয়টি নিয়ে তর্ক-বির্তক ঘটতে পারে, প্রদর্শনে যাতে A-effect সংঘটিত হয়। কথক A-effect বা 'বিযুক্তিকরণ'কে অর্জন করতে পারে চলনের (movement) প্রতি যথাযথ মনোযোগ প্রদানের মাধ্যমে এবং চলনকে অত্যন্ত সর্তকতার সাথে প্রয়োগের মাধ্যমে, সম্ভবত ধীরগতির হতে পারে—এই উপায়ে কথক ঘটনার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ঘটনাংশগুলোকে বিযুক্তকরণে গুরুত্বারোপের মাধ্যম দর্শকের নিবিড় মনোযোগের চাহিদা ও বিষয়বস্তুতে পরিণত করতে পারে।

প্রতিরূপায়ণ effect থেকে ভাষ্য প্রদানের মধ্যে প্রত্যক্ষ রূপান্তরই হচ্ছে এপিক থিয়েটারের একটি মৌল বৈশিষ্ট্য, যা যেকোনো পথদৃশ্যের প্রদর্শনেরই একটি উপাদান হিসেবে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। একজন কথক তার প্রদর্শনের যেকোনো পর্যায়েই ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজনে অনুকরণ অভিনয় প্রবাহকে বন্ধ করতে পারে। কোরাস, প্রামাণিক প্রজেকশন ও দর্শকের সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ।

এপিক থিয়েটার পথদৃশ্যের মাধ্যমে এমন একটি মৌল মডেল প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যা মূলত খুবই 'স্বাভাবিক' নাট্যকলাকে ফিরিয়ে আনে, সমাজ-সংস্থার মধ্যেই এর শিকড় প্রোথিত, এর অর্থ ও উদ্দেশ্য খুবই প্রায়োগিক ও পার্থিব। এই মডেলটি প্রোগ্রামভিত্তিক নাট্যশিল্পের বিভিন্ন পর্যায়গুলো, যেমন—'আত্তীকরণ', 'আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা', 'নাটকের সারবস্তু', 'গল্পকথকের শিল্প-কৌশল' ব্যতীতই কাজ করতে সক্ষম।

রূপসজ্জা, মুখোশ, পোশাক এবং চরিত্রায়ণের মূল দিক হচ্ছে কথক কখনোই মায়া/ভ্রম সৃষ্টি করবে না, যাতে মনে হয় যে, প্রদর্শিত চরিত্রটি আসলে/হুবহু তাই। এপিক থিয়েটার সব সময়ই এই 'মায়া'র বিরুদ্ধে মোকাবেলারত থাকে।

স্বাভাবিক ও কৃত্রিম এপিক থিয়েটারের উপাদানগুলো মূলত একই রকমের। আমাদের পথদৃশ্যের থিয়েটার হলো আদিম, এর পরিবেশনার উদ্ভব, লক্ষ্য ও পদ্ধতি গৃহের মতোই নিকটবর্তী ও কাছের বা আপন। তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এর রয়েছে একটি তাত্পর্যপূণ সামাজিক কার্যাবলি যা এর উপাদানগুলোর মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। এই পরিবেশনার শিকড় এমন একটি ঘটনার গভীরে প্রোথিত যে, ঘটনাটিকে শুধু একভাবে নয়, বহুভাবেই বিচার-বিবেচনা করার সুযোগ থাকে—আর এর লক্ষ্যই হলো পরিবেশনাকে সহজতর করার মধ্য দিয়ে দর্শকের মধ্যে ঘটনা সম্পর্কে মতামত সৃষ্টি করা। এপিক থিয়েটার প্রকৃতপক্ষে অত্যন্ত দক্ষ এক থিয়েটার, যার বিষয়বস্তু বহুস্তরায়িত ও জটিলতাপূর্ণ এবং এর রয়েছে সুদূরপ্রসারী সামাজিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলি।

এ দেশের সাংস্কৃতিক জাগরণে পথ নাটকের বিস্তর ভূমিকা রয়েছে এ কথা অস্বীকার করা যায় না। মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী সময় থেকে এখন অবধি পথ নাটক সাধারণ মানুষে সাংস্কৃতিক চেতনা বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আমাদের পথ নাটকে এপিক থিয়েটারের মৌলরূপ-এর প্রভাব রয়েছে। এখনও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বছরের যেকোনো সময় যে পথ নাটকগুলো হয় সেখানে বিষয়বস্তু হিসেবে উঠে আসে সাধারণ মানুষের অর্ন্তনিহিত কথা। তাই পথ নাটকই সাধারণ মানুষের খুব কাছে সহজেই পৌঁছাতে পারে। ওপরে উল্লিখিত পথ দৃশ্যের ন্যায় এ দেশের পথ নাটকের বিষয়বস্তু হয়ে বারবার উঠে এসেছে একুশের চেতনাসহ মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচার, মৌলবাদ, যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার আহ্বান। আর একটি বিষয় হলো এখন জনগণমুখী থিয়েটার হওয়া উচিত। নাগরিক সংস্কৃতির খোলস থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশের সামগ্রিক সংস্কৃতির কথা চিন্তা করা উচিত। আর এই বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক নাট্যচর্চায় সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হলে শিক্ষার্থীরা পার্থিব চিন্তাকে দূরে ঠেলে দিয়ে নাট্যচর্চায় আরও মনোযোগী হবে। কারণ একাডেমিক নাট্যচর্চায়ই আগামীর মঞ্চনাটকে নব তরঙ্গ সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে যারা ঢাকার নাগরিক থিয়েটার চর্চাকে 'মেইনস্ট্রিম' বলছেন এবং একাডেমিক নাট্যচর্চা, মফস্বলভিত্তিক নাট্যচর্চা, পথ নাটক, উন্নয়ন নাটক, লোক নাটক তথা 'ট্রেডিশনাল থিয়েটার'কে 'বিলোস্ট্রিম' বলে থাকেন তাদের জ্ঞানের দৈন্যতা আছে এ কথা অস্বীকার করা যায় না। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ভাবনায় যারা আসক্ত তাদের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের চেয়ে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা শ্রেয়—ব্রিটিশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
8 + 9 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুন - ২০
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :