The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ৯ ফাল্গুন ১৪১৯, ১০ রবিউস সানি ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ নূহাশ পল্লীতে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে ৯ জন আহত | ২৬ মার্চের মধ্যে জামায়াত নিষিদ্ধের প্রক্রিয়া শুরুর আলটিমেটাম: শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ | মহাসমাবেশে কর্মসূচির ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হলো শাহবাগের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি | সৈয়দ আশরাফুল রাজনৈতিক শিষ্ঠাচারবিবর্জিত কথা বলেছেন: মির্জা ফখরুল | বরিশাল-ভোলা মহাসড়কে বাস খাদে পড়ে ৫ জন নিহত | আজ মহান অমর একুশে | বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস | কিশোরগঞ্জে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষ | ঝিনাইদহের মহেশপুরে জামায়াত-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষে ১৫ জন আহত

আকাশ ছুঁলো তারুণ্যের প্রত্যাশা

আজ বিকাল ৩টায় শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে মহাসমাবেশ

আসিফুর রহমান সাগর, মুন্না রায়হান ও মাহবুব রনি

মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের ক্ষণে সারাদেশের লক্ষ-কোটি মানুষের প্রত্যাশা পাখা মেলেছিল আকাশে। তার সঙ্গে মিল রেখে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে বেলুন উড়িয়ে গতকাল বুধবার নীল আকাশের সীমানা স্পর্শ করলো সারাদেশের মানুষ। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল ৪টা ১৩ মিনিটে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। মহান সেই অর্জনের ক্ষণটিকেই অভিনব এই কর্মসূচি পালনের জন্য গতকাল বেছে নিয়েছিল শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরের তরুণযোদ্ধা তথা সারাদেশের মানুষ। 'আমাদের ধমনীতে শহীদের রক্ত, এই রক্ত কোনদিন বৃথা যেতে পারে না', 'তোমাদের মুক্ত করা স্বদেশ রাজাকারমুক্ত করবোই', 'একাত্তরে তোমরা ছিলে, ২০১৩-তে আমরা আছি', 'একাত্তরের শহীদেরা, লও লও লও সালাম', 'শহীদদের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই'—এমন নানা শিরোনামের চিঠি নিয়ে শাহবাগের আকাশে উড়ে গেল শত সহস্র বেলুন। ভাষা আন্দোলনের বছর ১৯৫২ সাল থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের সাল ১৯৭১ এবং পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান পর্যন্ত জামায়াত-শিবিরের হাতে নিহত ছাত্র-যুবক ও সাধারণ মানুষের স্মরণে গণজাগরণ চত্বরসহ সারাদেশে লাখো চিঠি উড়ানো হলো। জামায়াত-শিবিরের হাতে নিহত ব্লগার ও শাহবাগ আন্দোলনের অন্যতম উদ্যোক্তা রাজীব হায়দার এবং অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখার কর্মচারী জাফর এবং আন্দোলন চলাকালে হূদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যাওয়া কার্টুনিস্ট শান্তর স্মরণেও বেলুনের সঙ্গে চিঠি উড়ানো হয়।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে এবং মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীকালে জামায়াত-শিবিরের হাতে নিহত সকল ছাত্র-জনতাকে স্মরণ করা হয় এ কর্মসূচি থেকে। মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির বীরত্বপূর্ণ লড়াই আর জামায়াতে ইসলামীর ছত্রচ্ছায়ায় রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীর পৈশাচিক গণহত্যা, হত্যা, লুট ও ধর্ষণের কথা জাতিকে মনে করিয়ে দিচ্ছে শাহবাগ আন্দোলন। মনে করিয়ে দিচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করবার দায়িত্বের কথা। শাহবাগ আন্দোলনের সেই ডাকে আজ মিলিত হয়েছে সারাদেশের একাত্তর পরবর্তী প্রজন্মের তরুণ প্রাণ। তাদের সঙ্গে এসে একাত্মতা প্রকাশ করছেন আবালবৃদ্ধ-বনিতা।

গণজাগরণ মঞ্চে পেছনেই প্রেরণা হয়ে রয়েছেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। তার বিশাল প্রতিকৃতির ওপরে লেখা 'এই আন্দোলনকে দুস্তর পথ পাড়ি দিতে হবে, আমি জানি জনগণের মত বিশ্বস্ত কেউ নয়—জয় আমাদের হবেই।'

শাহবাগ আন্দোলনের ১৬তম দিনে গতকাল সারাদিনই শ্লোগানে শ্লোগানে উত্তপ্ত ছিল গণজাগরণ মঞ্চ। বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে এসে যোগ দিয়েছেন গণজাগরণ মঞ্চে। বিকাল ৩টার পর থেকেই মানুষের অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে প্রজন্ম চত্বরে। বেলুনে নিজের মনের অনুভূতিকে জুড়ে দিয়েছিলেন সবাই। ৪টার পর গণজাগরণ মঞ্চে এসে সমবেত হন আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসির উদ্দিন ইউসুফ, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত কার্যনির্বাহী সভাপতি শাহরিয়ার কবির, এ আন্দোলনের নেতা ইমরান এইচ সরকার, খান আসাদুজ্জামান মাসুম, মাহমুদুল হক মুন্সী, হোসাইন আহমেদ তফছির প্রমুখ।

৩০ লাখ শহীদের কাছে চিঠি

'হে চেতনার পূর্বসূরিগণ, তোমরা কেমন আছ? তোমাদের মহান আত্মত্যাগ, দেশ-মাটি ও মানুষের প্রতি তোমাদের আবেগ আর উম্মাদনার কথা আমরা ভুলিনি। আমরা ভুলিনি, আমরা ঘুমিয়ে পড়িনি—তোমাদের স্মৃতিকে, স্বপ্নকে বিস্তৃতির অতলে ঢেলে। আমরা জেগে আছি, থাকবো। তোমাদের হত্যার বিচার হবেই হবে।' গতকাল প্রজন্ম চত্বরে বেলুনে শহীদদের উদ্দেশে এই চিঠিটি লিখেছেন প্রজন্মযোদ্ধা সুমিত সাহা। সুমিত শহীদদের উদ্দেশে আরো লিখেছেন, 'তোমাদের রক্তদান বৃথা যাবে না। তোমাদের ঘামে-শ্রমে-রক্তে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল, তাকে রক্ষা করতে আজো টগবগে রক্তের লাখো তরুণ প্রস্তুত।'

শিক্ষার্থী তমা লিখেছেন, 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আমরা যে আন্দোলন করছি তা নিশ্চয়ই তোমরা দেখছো। তোমরা যেমন জীবন দিয়ে দেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছো। ঠিক তেমনিভাবে আমরা তোমাদের হত্যার বিচারের দাবিতে জীবন দিতে প্রস্তুত।'

বেলুনে ওড়ানো চিঠিতে তমা আরো লিখেছেন, 'আমাদের বন্ধু রাজীব ইতিমধ্যে প্রাণ দিয়েছে। প্রাণ দিতে প্রস্তুত লক্ষ লক্ষ রাজীব।'

প্রজন্মযোদ্ধা কবির লিখেছেন, 'বেলুনে ওড়ানো এই চিঠি তোমাদের জন্য লেখা। তোমরা একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছ আমাদের। কিন্তু গত ৪২ বছরেও তোমাদের হত্যার বিচার করতে পারিনি। কিন্তু আজ আমরা আবার জেগেছি। তোমাদের হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরব না।'

অনেকটা অভিযোগের সুরে আরেক প্রজন্মযোদ্ধা বিদ্যুত্ তার চিঠিতে লিখেছেন, 'এ কেমন দেশ তোমরা স্বাধীন করে গেলে? যে দেশে তোমরা নেই, আছে রাজাকার, যুদ্ধাপরাধীরা।' তারপরই তিনি লিখেছেন, 'এটা তোমাদের ব্যর্থতা না, ব্যর্থতা আমাদের। আমরা যারা এখনো বেঁচে আছি। তবে এ বেঁচে থাকা বড়ই কষ্টের।'

দেশজুড়ে জাগরণ মঞ্চের ঘোষণা আসতে পারে আজ

গণজাগরণ মঞ্চ ১৬ দিন পেরিয়ে এলো। শুরু থেকেই উজ্জীবিত তারুণ্য সকল যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে অনড় রয়েছে। জাগরণ মঞ্চের আহবানে আজ বৃহস্পতিবার শাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। গণজাগরণ মঞ্চের আদলে দেশব্যাপী মঞ্চ ছড়ানোর রূপরেখা এ সমাবেশ থেকে ঘোষিত হতে পারে বলে জানা গেছে। গত সোমবার রাতে এ সমাবেশ আয়োজনের ঘোষণা দেন আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহবায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকার। এর আগে মঞ্চের উদ্যোগে গত আট ফেব্রুয়ারি মহাসমাবেশ এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি 'জাগরণ সমাবেশ' অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

গতকাল বিকালে ডা. ইমরান এইচ সরকার বলেন, 'দেশের বিভাগীয় শহর, জেলা শহর এবং উপজেলাগুলোতে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের মত মঞ্চ তৈরি করে ধারাবাহিক আন্দোলন করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। আগামীকালের (বৃহস্পতিবারের) সমাবেশ থেকে এ বিষয়ে একটি রূপরেখা ঘোষণা করার চেষ্টা করছি। আন্দোলনের সাথে যুক্ত ও সহযোগী সকলে মিলে আলোচনা করে বিষয়টি চূড়ান্ত করবো।'

তিনি বলেন, আন্দোলনে এখন পর্যন্ত আমাদের কয়েকটি বিজয় এসেছে। এতে আমরা অনুপ্রেরণা ও উত্সাহিত হয়েছি। আমাদের কয়েকটি দাবি কয়েকদিনের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তাই আন্দোলনকে দীর্ঘ সময় ধরে রেখে দাবি আদায় করার লক্ষ্যে দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি করা হবে। তবে মঞ্চগুলোর কোনো সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক রূপ আমরা করে দেব না। সমন্বয় করার চেষ্টা করব। স্থানীয় জনগণই স্থানীয় মঞ্চের কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করবে।

জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফছির জানান, আজ বিকাল চারটায় শাহবাগে মহাসমাবেশ শুরু হবে। সমাবেশে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি এবং ব্লগারদের কয়েকজন বক্তব্য রাখবেন।

ওয়ার্সির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান

ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারনেস সাঈদা ওয়ার্সির 'বাংলাদেশে কোন দল নিষিদ্ধের পক্ষে নয় বরং রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা দরকার'—এমন বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে গণজাগরণ মঞ্চ। গতকাল বিকালে মঞ্চে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়। উদ্যোক্তারা বলেন, ব্রিটিশ এ মন্ত্রী পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত। তিনি ১৯৭১ সালের ভয়াবহতা দেখেননি। তাই তিনি আমাদের মর্মব্যথা বোঝেন না। তার বক্তব্য আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।

সতর্ক পুলিশ

শাহবাগে চলমান আন্দোলনে নিরাপত্তা দিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। জামায়াতের নাশকতার চেষ্টা ঠেকাতে এবং একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। র্যাবসহ আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আরো সতর্ক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশের রমনা জোনের এডিসি সৈয়দ নূরুল ইসলাম।

'ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার চক্রান্ত চলছে'

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসিরউদ্দিন ইউসুফ। গতকাল প্রজন্ম চত্বরে গণজাগরণ মঞ্চে তিনি এ অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত-শিবিরচক্র নানাভাবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার চক্রান্ত করছে। কিন্তু তাদের চক্রান্ত কোনভাবেই সফল হবে না। আমরা সকল ধর্মের সহাবস্থানে বিশ্বাস করি।

সংহতি প্রকাশ করলেন গীতিকার ও সঙ্গীত শিল্পীরা

একাত্তরের মানবতা বিরোধীদের সর্বোচ্চ বিচারের দাবিতে গতকালও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বিভিন্ন সংগঠন সংহতি প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কার্যনির্বাহী সভাপতি শাহরিয়ার কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অহিদুজ্জামান, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক শেখ সাদী খান, আলাউদ্দিন আলী, খুরশিদ আলম, শিল্পী সুবীর নন্দী, কনন চাঁপা, এন্ডু্র কিশোর, মইনুল ইসলাম খান, আলাউদ্দিন জালালী, গীতিকার কবীর বকুল, রবিউল ইসলাম জীবন, সাইফুল ইসলাম বাশার প্রমুখ। গতকাল দুপুরে সঙ্গীত শিল্পীরা এসে গণজাগরণ মঞ্চে সংহতি প্রকাশ করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন সুরকার আলাউদ্দিন আলী, শিল্পী সুবীর নন্দী, এন্ডু্র কিশোর, কনক চাঁপা প্রমুখ। এছাড়া শিল্পীরা গণজাগরণ মঞ্চে দেশাত্মবোধক সঙ্গীত পরিবেশন করে উপস্থিত সংগ্রামী জনতাকে উদ্দীপ্ত করেন।

এছাড়াও গতকাল সংহতি প্রকাশ করা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের মধ্যে রয়েছে ইডেন কলেজ, বিকেএসপি, ইম্পেরিয়াল কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স এসোসিয়েশন, সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল, গার্হস্থ অর্থনীতি কলেজ, সিদ্বেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রমুখ।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের চেয়ে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা শ্রেয়—ব্রিটিশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
1 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ২১
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩১
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :