The Daily Ittefaq
ঢাকা, সোমবার, ০৩ মার্চ ২০১৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪২০, ০১ জমা. আউয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ প্রাণনাশের হুমকিতেও লাভ হবে না: রিজভী | এশিয়া কাপ: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ১২৯ রানের জয় পেল শ্রীলঙ্কা | পাকিস্তানে আদালতে হামলা, বিচারকসহ নিহত ১১

ফ্রেমে বাঁধা সাফল্য

ছেলেবেলা থেকেই তার লক্ষ্য ছিল ভিন্ন কিছু করা। তাই চেয়েছিলেন উচ্চতর পড়াশোনা করবেন পরিবেশ বিদ্যায়। কিন্তু বাবার সাথে ফটোগ্রাফিতে জড়িয়ে গিয়ে অনুধাবন করেন, এই পেশাটিই তাকে টানে বেশি। এই ভালোবাসায় স্বীকার করে নিয়ে তিনি আজ পেয়েছেন সাফল্যের দেখা। তাকে নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম

হাতে ক্যামেরা তোলার পর অন্যসব চিন্তা বাদ দিয়ে তিনি ওয়েডিং ফটোগ্রাফিকেই তার ক্যারিয়ারের ব্রেক হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। অফিসে বসে নিয়মমাফিক রুটিনে কাজ করার ব্যাপারটা অপছন্দ ছিল তার ছোটবেলা থেকেই। তখনই ঠিক করেছিলেন, কখনও কোনো অফিসে কেরানির মতো কাজ করবেন না। বরং ব্যবসা করাটা তার কাছে অনেক সহজ মনে হতো। আর স্বাধীনভাবে কাজ করার এই মানসিকতাই তাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। বর্তমানে তিনি একটি ওয়েডিং ফার্মের মালিক।

আজকাল অনেকের হাতেই দেখা যায় এসএলআর ক্যামেরা। কিশোর বয়স থেকেই ফটোগ্রাফির চর্চা শুরু করেন অনেকেই। কিন্তু জোনাথন যখন মাত্র ১৭ বছর বয়সে ক্যামেরা নিয়ে ঘুরতেন তখন সবাই চোখ বড় করে তাকাতেন। এরপর তারা যখন জানতেন তিনি সৌখিন নন, পেশাদার ফটোগ্রাফার তখন একেবারে অবাক হয়ে যেতেন সবাই। এই বয়সেই তিনি ওয়েডিং ফটোগ্রাফার হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছিলেন। প্রথমে তিনি কাজটা করতেন বিনামূল্যেই। এরপর ধীরে ধীরে তিনি এই কাজকে টাকা উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ক্যানোনের এসএলআর ব্যবহার করতেন তিনি। ইউনিভার্সিটিতে থাকাকালীন তিনি বেশ কিছু ফটোগ্রাফি অ্যাসাইনমেন্ট ও ডকুমেন্টরির কাজ করেন। পড়াশোনা শেষ করে, ক্যালিফোর্নিয়াতে ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার হিসেবে একটি কোম্পানির সাথে কাজ করেছিলেন বেশ কিছুদিন। কিন্তু একসময় তিনি বুঝতে পারেন ওয়েডিং ফটোগ্রাফিই তার উপযুক্ত স্থান। জোনাথন ইয়ং ডট কম নামের সাইটে গেলে তার সম্পর্কে সব তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি তিনি ফুড ফটোগ্রাফির সাথেও জড়িত। তার বাবা ছিলেন পেশাগত ওয়েডিং ফটোগ্রাফার। প্রথমে তিনি তার বাবাকে সাহায্য করার জন্য কাজটা করতেন। এভাবে চলতে চলতে প্রায় ২ বছরের মধ্যে তিনি এই পেশার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে বিয়ে সাজানো থেকে শুরু করে ছবি তোলার কাজ তিনি একাই করতেন। আসলে তিনি এই পেশাটার প্রতি খুব বেশি ভালোলাগা ছিল তার। নিজের কাজ সম্পর্কে তিনি বলেন, 'আমি ফটোগ্রাফি শুরু করি আমার বাবার কারণে। তিনি পেশাগত ওয়েডিং ফটোগ্রাফার ছিলেন। তার হাত ধরেই আমারও এর মধ্যে জড়িয়ে যাওয়া।' ২০০৮ সালের ভেতর তিনি এ পেশার প্রাথমিক অংশটুকু পার করেন। এর ঠিক এক বছরের মধ্যে, ২০০৯ সালে, তার কাজের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৫-এ। অর্থাত্, প্রায় ২৫টির মতো ওয়েডিংয়ে তিনি পেশাদার ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন। এ ছাড়াও স্টুডিওর সাথে মিলে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৪০টির ওয়েডিং আয়োজনের কাজ করেন। এরইমধ্যে ফটোগ্রাফি ব্যবসাতে তার আলাদা পরিচিতি দাঁড়িয়ে যায়। তিনি এ সময় এসে তার ব্যবসায়িক পরিধি বাড়ানোর কথা চিন্তা করেন। এই ভাবনা থেকেই সে সময় খুলে ফেলেন একটি ওয়েব সাইট। নাম দেন—মাই ম্যারেজ মার্কেট। অনলাইন প্লাটফর্মে এমন সাইটের সংখ্যা তখন খুব একটা ছিল না। তবে তার সাইটটি বেশ দ্রুতই নাম করে ফেলে। ততোদিনে তার বয়স প্রায় ২০-এর কোঠায় পৌঁছে গেছে।

জোনাথন ইংল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি থেকে পড়াশোনা করেছেন। তবে তিনি বলেন, 'ফটোগ্রাফিতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়ে অপ্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারিক জ্ঞানটা বেশি জরুরি।'

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেছেন, 'এখন আমরা অনেক সুসংগঠিত। আমাদের পতন ঘটবে না।' আপনি কি তার সাথে একমত?
4 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
আগষ্ট - ১১
ফজর৪:১১
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৩৮
এশা৭:৫৬
সূর্যোদয় - ৫:৩২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৩
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :