The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০১৪, ২৯ ফাল্গুন ১৪২০, ১১ জমা. আউয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে কাল বিএনপির বিক্ষোভ | টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বধোন করলেন প্রধানমন্ত্রী | ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ | বিদ্যুতের দাম বাড়ল ৬.৬৯ শতাংশ, ১ মার্চ থেকে কার্যকর | রাজধানীতে ছয় তলা ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে | আদালত অবমাননা : প্রথম আলোর সম্পাদক-প্রকাশক খালাস | খন্দকার মোশাররফ সরকারের চক্রান্তের শিকার : রিজভী

বিমান নিখোঁজের রহস্য শেষ না হওয়াটাই বড় রহস্য

অদ্বয় দত্ত

কথাটা সরাসরি বলা যাক। মালয়েশিয়ার যে বিমানটি ছয়দিন আগে হারিয়ে গেল—তার পেছনে কি এমন কোনো কারণ আছে, যা পার্থিব নয়? পার্থিব নয়, অর্থ—এমন কোনো রহস্যে বিমানটি কি? হারিয়ে গেল যার প্রত্যক্ষ প্রমাণ এযাবত্কালে আমরা পাইনি। মাত্র 'ছয় দিন' হয়েছে বিমানটির অন্তর্ধান, এখনই এমন ভাবনা মাথায় আসা কি ঠিক? কয়েক যুগ আগে কোনো বিমান এমন হাওয়ায় মিলিয়ে গেলে 'ছয় দিন' কেন ছয় মাস বা ছয় বছর পরও সেই রহস্য উদ্ঘাটন হলে খুব বেশি দেরি হয়েছে বলে মনে করা হতো না। কিন্তু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এখন এমন এক জায়গায় পৌঁছে গেছে যে, দুর্ঘটনার পর তার ধ্বংসাবশেষ কিংবা অন্য আলামত খুঁজে পাওয়াটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। সেই 'সময়ের ব্যাপার মাত্র' কাজটি করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২টি বিমান ও ৪০টি বিভিন্ন ধরনের নৌযান তন্ন তন্ন করে খুঁজছে উড়োজাহাজটিকে। শুধু চীনেরই ১০টি কৃত্রিম উপগ্রহের শক্তিশালী যান্ত্রিক চোখ খুঁজে ফিরছে বিমানটির সামান্য চিহ্নও। তারপরও কি করে সম্ভব এমন ভোজবাজির মতো ঘটনা? তাহলে কি বিমানটি এমন কোনো 'রহস্যে' আটকে পড়েছে, যার কূলকিনারা পাওয়ার মতো টেকনোলোজি আমাদের এখনও নেই?

'রহস্য' কথাটা উচ্চারণ করলেই আমাদের মস্তিষ্কের নিউরণ মনে হয় নড়েচড়ে বসে, একটা জমাট গল্প শোনার জন্য গভীরভাবে মনোযোগী হয়। তারপর যুক্তির আগামাথা চেঁছে ফেলে গল্পের গরুটাকে গাছেও চড়ানো হয় অনেক সময়। কিন্তু তারপরও এসব গল্পের দারুণ কদর। ধরা যাক, আমরা যদি কল্পনা করি, আসলে ওই হারিয়ে যাওয়া বিপুলাকৃতির বোয়িং বিমানটি আসলে সাধারণ কোনো দুর্ঘটনায় পড়েনি, ধ্বংসও হয়নি। যাত্রীরাও মারা যায়নি। কিন্তু কেন এমনটি ধরব? কারণ ওই বিমানের কয়েকজন যাত্রীর মোবাইল ফোন নাকি বেজেছে বলে দাবি করেছেন কোনো কোনো আত্মীয়। কিন্তু নিখোঁজের চারদিন পরে এমন অদ্ভুতভাবে মোবাইল বাজতে শোনা গেল কী করে? শুধু ফোন নয়, এদিন চীনের একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সার্ভিসেও যাত্রীদের কাউকে কাউকে অনলাইনে পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেছেন আত্মীয়রা। আত্মীয়দের দাবি যদি সত্য হয়, তাহলে বিমানটি ধ্বংস হয়নি বলে আশা থাকে। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, যাত্রীরা কি তবে বেঁচে আছেন, সুস্থ আছেন? যদি ফোন চালু করে থাকেন, তবে উত্তর দিচ্ছেন না কেন? তারা কি বন্দী? তাদের মোবাইল অন্য কারও হাতে রয়েছে? তারা কারা? কোথায়? কী তাদের উদ্দেশ্য? আচ্ছা তারা কি ভিনগ্রহের কেউ? এবার কি আমরা মনে করব গল্পের গরু গাছে উঠতে চাইছে, নাকি বিশ্বাস করব—এ জগতের কতটুকু 'বিস্ময়'ই বা আমরা জানি? ঘটতেই তো পারে এমনটি।

মালয়েশিয়ান এই বোয়িং বিমানটি (এমএইচ-৩৭০) গত শুক্রবার মধ্যরাতে মোট ১৪টি দেশের ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিং যাবার পথে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ হওয়ার পর যতগুলো সম্ভাব্য আলামত খুঁজে পাওয়া গেছে, গত ছয়দিনে তার সবক'টি বাতিল হয়েছে একে একে। রহস্য তাতে আরও বেশি জমাট বেঁধেছে। অনেকের মুখে মুখে ফিরেছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্যের কথা। নতুন কোনো 'বারমুডা'য় কি হারিয়ে গেছে এমএইচ-৩৭০? বিশ্বের পত্রপত্রিকায় যেন এ নিয়ে বিচিত্র আয়োজন দেখা যাচ্ছে। মালয়েশিয়ান এই বিমানটির উত্তর না মেলা দশটি প্রশ্ন, শীর্ষ দশ দুর্ঘটনা, শীর্ষ দশ রহস্য—কত বিচিত্র উপায়ে পাঠককে রহস্যের খোরাক দেয়া হচ্ছে। সেখানে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক আগে ১৯৩৭ সালে প্রশান্ত মহাসাগরে বিমান নিয়ে হারিয়ে যাওয়া অ্যামেলিয়ার কথা। তিনিই ছিলেন প্রথম নারী, যিনি একাকী বিমান নিয়ে আটলান্টিকের ওপর দিয়ে উড়ে গিয়েছিলেন। পর পর জানা যায় ১৯৪৫ সালের ৫ ডিসেম্বর বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে একইসঙ্গে পাঁচটি প্রশিক্ষণ বিমান হারিয়ে যাওয়ার কাহিনী। এমনকি ওই পাঁচটি বিমানের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা সরেজমিনে দেখতে যাওয়া আরেকটি বিমানও আর ফিরে আসেনি। ১৯৪৭ সালে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্স থেকে একটি বিমান আন্দিজ পর্বতের ওপর দিয়ে উড়ে যাবার সময় নিখোঁজ হয়েছিল। তবে সেটি চিরতরে রহস্যাবৃত থাকেনি। দুর্ঘটনার দীর্ঘ ৫০ বছর পর দুই পর্বতারোহী আন্দিজ পর্বত জয় করতে গিয়ে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ ও যাত্রীদের ছিন্ন-ভিন্ন কাপড় দেখতে পান। ধারণা করা হয়, বিমানটিতে কূটনৈতিক কাগজপত্র বহন করছিল এক যাত্রী। এগুলো ধ্বংস করার জন্যই বিমানটিকে ধ্বংস করা হয়। আরও একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটে আন্দিজ পর্বতে। উরুগুয়ের একটি প্লেন খারাপ আবহাওয়ায় পরে আন্দিজ পর্বতে আছড়ে পড়ে। ৪৫ জন যাত্রীর মধ্যে বেঁচেছিল মাত্র ১৬ জন। ভয়াবহ বিষয়টি হলো, ওই ১৬ জন জীবন বাঁচিয়েছিলেন ঘটনাস্থলে বাকিদের মৃতদেহ খেয়ে। ১৯৯৩ সালে এই অবিশ্বাস্য ঘটনা নিয়ে একটি সিনেমাও তৈরি হয়। সর্বশেষ ২০০৯ সালে আটলান্টিক মহাসাগরের উপর হারিয়ে যায় ফ্রান্স ফ্লাইট ৪৪৭ নামের বিমানটি। চারদিন পর বিমান দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়। এমনকি ২০১১ সালে বিমানটির কিছু অংশ উদ্ধারও করা সম্ভব হয়।

শেক্সপিয়রের হ্যামলেট হোরেশিওকে বলেছিল —স্বর্গ-মর্ত্যে অনেককিছু ঘটে যা অতি বুদ্ধিমানের দর্শন স্বপ্নেও ব্যাখ্যা করতে পারে না ('দেয়ার আর মোর থিংস ইন হেভেন অ্যান্ড আর্থ হোরেশিও, দ্যান আর ড্রেম্ট অফ ইন ইওর ফিলোজফি')। মহাকাশের এক অতল শূন্যে ভাসছে আমাদের পৃথিবী। হাছন রাজার সেই গানের লাইনের মতো—'কি ঘর বানাইমু আমি শূন্যের মাঝার...।' বাস্তবিক অর্থে, আমরা অসীম অসহায় ও অনিরাপদ এক ভূলোকে বসবাস করছি। মহাকালের কাছে আমাদের আয়ুষ্কাল অতি সামান্য বলে এইটুকু সময়ে, এমনকী কয়েক হাজার বা লাখ বছরেও রহস্যময় কিছু না ঘটা খুব স্বাভাবিক। আবার তা যে কোন সময়ই ঘটতে পারে। যতই আমরা নিজের চারপাশে আধুনিক প্রযুক্তি বেড়া দিয়ে রাখি না কেন—আমরা আসলে সীমাহীনভাবে 'ওপেন'। তথ্যভিত্তিক যেটুকু অনুধাবন করা যায় পৃথিবীর ইতিহাস নিয়ে, পৃথিবীতে মহাকাশ থেকে সাক্ষাত্ মহাপ্রলয় বা বীভত্স উল্কাপাত হয়েছে অসংখ্যবার। তেমনই একটি ঘটনায় নাকি চিরতরে হারিয়ে গেছে কয়েক কোটি বছর ধরে রাজত্ব করা ডাইনোসররা। এগুলো তো প্রাকৃতিক ঘটনা।

কিন্তু যদি বুদ্ধিমান প্রাণী ভিনগ্রহ থেকে আমাদের জগতে আসে! সম্ভাবনার সূত্রে এটা অতি সামান্য হলেও পুরোপুরি শূন্য নয়। 'ভিনগ্রহ থেকে কেউ কেউ এখনও প্রায়শই পৃথিবীতে এসে ঘুরে যায়, তাদের রয়েছে নানা গোপন মিশন। এমনকি এই পৃথিবী তাদের একটি ল্যাবরেটরিও হতে পারে, যেখানে আমরা গিনিপিগ মাত্র। অথচ আমরা কিছুই জানি না। বুঝি না।'—এমন কতশত রকমের কল্পকাহিনী কত বিচিত্র সম্ভাব্যে লেখা হয়েছে। আমেরিকায় ইউএফও (আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট) দেখা যায় হরহামেশাই। মহাকাশের ভিনগ্রহের প্রাণীরা যেন ভূতের মতো ভর করেছে উন্নত দেশের কল্পবিলাসী মানুষের ওপর। কেউ কেউ এমনও দেখেছে যে, অলৌকিক কোনো নভোযান এসে ল্যান্ড করেছে তার বাড়ির ছাদে। তারপর ঘুমের ভেতরে তাকে তুলে নিয়ে গেছে তাদের মহাকাশযানে। সেখানে তার ওপর কী সব পরীক্ষা করে আবার রেখে গেছে বিছানায়। মানুষ গুজব শুনতে পছন্দ করে, ছড়াতে পছন্দ করে। গুজবকে বিশ্বাসও করতে পছন্দ করে। কেননা তার ভেতরে এক ধরনের 'থ্রিল' আছে। এমনকি নিজের অজ্ঞাতে কত বিচিত্র বিভ্রম বা হ্যালুসিনেশনকেও মানুষ কায়মনোবাক্যে 'সত্য' বলেও মনে করে। আর কিছু কিছু রহস্য তো কিংবদন্তী হয়ে গেছে। পরবর্তীতে সেই রহস্য উবে গেলেই বরং বেশিরভাগ মানুষ কষ্ট পায়। যেমন বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল রহস্য। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা, বাহামা দ্বীপ ও ক্যারিবীয়ান দ্বীপ মিলিয়ে ত্রিভুজাকৃতি এলাকা, যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নামে পরিচিত—এর রহস্য সবচেয়ে বেশি খ্যাতি ছড়িয়েছে। সেখানে নাকি নৌযান দুর্ঘটনা খুব স্বাভাবিক ঘটনা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চিরতরে হারিয়েও যায়। এর ওপর দিয়ে বিমান উড়ে গেলে রক্ষে নেই। ভোজবাজির মতো মিলিয়ে যাওয়াই নাকি স্বাভাবিক ব্যাপার! কম্পাসের কাঁটা নাকি এলোমেলো দিক নির্দেশ করতে শুরু করে এই এলাকায় প্রবেশ করলেই। মাঝে মাঝে সময় এবং অবস্থান উল্টা-পাল্টা হয়ে যায় এখানে, একজন পাইলট নাকি আকস্মিকভাবে দুই ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে ফেলেছিলেন কয়েক মিনিটে মাত্র। এসবের কারণ খোঁজা হয় কল্পনা আর বিজ্ঞানের ভেজাল দিয়ে। কখনও ভিলেন হিসেবে আবির্ভূত করা হয় ভিনগ্রহবাসীদের। কেউ কেউ বলেন, যেহেতু কম্পাস ঠিকমত কাজ করে না, তার মানে বারমুডার কোথাও শক্তিশালী চুম্বক আছে, যার প্রবল আকর্ষণে দুর্ঘটনা ঘটে। কেউ কেউ আবার এর মধ্যে ওয়ার্ম হোলের অস্তিত্বও আবিষ্কার করেন, যা সময় ও স্থানকে একাকার করে ফেলে। পরে জানা যায়, বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের নামে যত রহস্যময়তা এবং তত্ত্ব বর্ণনা করা হয়েছে তার বেশিরভাগই অতিরঞ্জিত, সন্দেহমূলক এবং অপ্রমাণিত। এলাকাটিতে মৌসুমী ঝড়ঝঞ্ঝা লেগেই থাকে। সেইসব ঝড়ের প্রকটের সঙ্গে দুর্ঘটনার সংখ্যা তুলনা করলে সেটা অবাস্তব নয়। এমনও শোনা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ওই এলাকায় প্রচুর সাবমেরিন মোতায়েন ছিল। এদের আক্রমণে যেসব জাহাজ ও প্লেনডুবি হত সেগুলো সামরিক কর্তৃপক্ষ গোপন রাখত। তাছাড়া সেখানে কম্পাসের অদ্ভুত আচরণও খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। কেননা, পৃথিবীর ভৌগোলিক মেরু এবং চৌম্বকীয় মেরু এক হয় বিধায় এমনিতেই স্থানভেদে কম্পাসের বিক্ষেপের ভিন্নতা দেখা যায়। রহস্য অন্যভাবেও আছে। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের এই রহস্যময়তার সুযোগে কিছু কিছু কোম্পানী তাদের অপেক্ষাকৃত পুরনো জাহাজ বা বিমানগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে ডুবিয়ে দিয়ে বীমাকৃত টাকা আদায় করত বলেও শোনা যায়। সুতরাং সব রহস্যই 'রহস্য' নয়।

মালয়েশিয়ার এই বিমানটি (এমএইচ-৩৭০) নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল—বিমানটির পাইলট বা সহকারী পাইলট বিপদ সংকেত পাঠায়নি কেন? বিমানটি ৩৫ হাজার ফুট উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল। কোন সমস্যা হয়ে থাকলেও তা ভূপাতিত হওয়ার আগে বিপদ সংকেত পাঠানোর মতো যথেষ্ট সময় ছিল পাইলটদের। বিমানটির ২২৭ জন যাত্রীর মধ্যে অন্তত ২ জন যাত্রী ছিলেন যারা চুরি করা পাসপোর্ট বহন করছিলেন। বিমান নিখোঁজের সাথে সন্ত্রাসবাদের কোন সম্পর্ক আছে কি? কেননা, বিমানটিতে ১৪টি দেশের নাগরিক ছিলেন। আকাশেই ধ্বংস হয়ে থাকলে তার নিদর্শন ধরা পড়ত যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি কৃত্রিম উপগ্রহে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এমন কোনো বিস্ফোরণ চোখে পড়েনি। বিমানটি যদি অন্য কোনোভাবে ধ্বংসই হয়ে থাকবে তাহলে তার ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যাচ্ছে না কেন? একটা গুজব আছে যে, হারিয়ে যাওয়া বিমানটির পাইলটদের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন একই কোম্পানির আরেকটি বিমানের পাইলট। ওই এমএইচ-৩৭০ বিমানটি কুয়ালালামপুর থেকে জাপানে উড়ে যাচ্ছিল। এটি হারিয়ে যাওয়া এমএইচ-৩৭০ বিমানটির কাছাকাছি আকাশেই ছিল। জাপানগামী বিমানটির পাইলট নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, তিনি নিখোঁজ হওয়া বিমানটির পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ইমার্জেন্সি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে তিনি যোগাযোগ করেন। কিন্তু বিমানটির পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোন তথ্য পাননি তিনি। তবে ওপাশ থেকে তিনি ফিসফিসানির মতো আওয়াজ পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

গত ছয়দিনেও মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমান নিয়ে রহস্যের শেষ না হওয়াটাই বড় রহস্য। এই রহস্যের নেপথ্য খলনায়ক কি জটিল-কুটিল বুদ্ধির মানুষেরা? নাকি প্রকৃতি? সময় তার উত্তর দেবে।

লেখক : সাংবাদিক, কথাসাহিত্যিক

[email protected]

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, 'ইঁদুর স্বভাবের কিছু নেতার কারণে সংসদ নির্বাচন প্রতিহতের আন্দোলন ঢাকায় সফল হয়নি।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
5 + 9 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ১৮
ফজর৩:৫৬
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৩
সূর্যোদয় - ৫:২১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :