The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০১৪, ১ চৈত্র ১৪২০, ১৩ জমা. আউয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ শরীয়তপুরে ব্যালট ছিনতাইকালে গুলিতে যুবক নিহত | ভোট গ্রহণ সম্পন্ন, চলছে গণনা | ২৬ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত: ইসি | জাল ভোট ও কেন্দ্র দখলের মহোৎসব চলছে: বিএনপি | ময়মনসিংহে বাস খাদে, নিহত ৫ আহত ৪০

[ নি র্বা চ ন ]

সুষ্ঠু নির্বাচন ও সুরক্ষিত গণতন্ত্র

ড. শহীদ ইকবাল

চলতি মার্চ মাসে কয়েক ধাপে উপজেলা নির্বাচন সম্পন্ন হচ্ছে। এ নির্বাচনে উত্সব ও উদ্দীপনা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এতে একদিকে যেমন আনন্দ ও স্বস্তির আভাস মেলে অন্যদিকে তেমনি কিছুটা আতঙ্ক ও ভীতির ব্যাপারটিও চোখে পড়ে। দুটো বিষয় বিপরীতমুখী। আমরা সাধারণত জানি, নির্বাচন এলে সচরাচর এমন ঘটনা ঘটে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আনলে একে মোটা দাগে বা সহজ চিন্তা করে দেখার উপায় নেই। এটি নানা কারণেই গুরুত্বপূর্ণ। যে অবস্থায় উপজেলা নির্বাচন হচ্ছে তাতে বেশকিছু বিষয় জনমনে তোলপাড় তুলেছে। গত সংসদ নির্বাচনের পর থেকে সরকার ও বিরোধীরা তুমুলরকম স্নায়ুতাপে আছেন বলেই মনে হয়। সরকার যথারীতি চাইছে, প্রকৃত জনমত যাচাই করে নিজের অবস্থান পরখ করতে। একইসঙ্গে তাদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই নির্বাচনটি যাতে গণতন্ত্র বা সুশাসন প্রতিষ্ঠার একটি স্তম্ভস্বরূপ হয়, তার সাক্ষ্য রাখতে। যাতে করে বহির্বিশ্বে এ সম্পর্কে ইতিবাচক দৃষ্টি গড়ে ওঠে। এছাড়া নিজেদেরও একধরনের আত্মবিশ্বাস থাকে—যাতে করে সরকার পরিচালনায় সুবিধা হয়। আর এতে করে জনমনেও কিছুটা চাপ কমবে বলে সরকার পক্ষের ধারণা। যা হোক, বিপরীতে বিরোধীরাও মাঠ পর্যায়ে দল গোছানোর সুযোগই শুধু নয়, এই ফলাফলের ভিত্তিতেই তাদের সামনের দিনের সমস্ত কর্মপন্থা নির্ধারিত হবে বলে মনে হয়। ইতিমধ্যেই ভালো ফলাফলের ভেতর দিয়ে তারা বেশ প্রকাশ্য হয়ে উঠেছেন এবং আরও সুগঠিত হয়ে উঠে তারা প্রমাণ করতে চান যে, সরকারের কোনো জনসমর্থন ছিল না। এ বিষয়গুলো এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনার বিষয়। ফলে তা রাজনীতির মাঠেও বেশ উত্তাপ ছড়াচ্ছে। তাই উপজেলা নির্বাচনও হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় পর্যায়ে এ নিয়ে দ্বন্দ্ব, মারামারি বা হত্যার মতো ঘটনাও ঘটেছে। কোন্দল দুই দলেই প্রকট। যদিও বিএনপি জোট তা দমনে নির্মমভাবে সচেষ্ট রয়েছে। কারণ, এতে করে তারা বিজয় ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর বলে মনে হয়। শ্রীপুরে দলীয় কোন্দলে একজনের মৃত্যুও ঘটেছে। সেখানে আপাতত নির্বাচন বন্ধ হয়ে গেছে। এখন এ প্রেক্ষাপটে প্রশাসন কী করতে পারে? নির্বাচন কমিশন কীভাবে এ নির্বাচনী বৈতরণী পাড়ি দেবে!

আমাদের দেশে যে কোনোভাবেই হোক মানুষ যেমন ধর্মভীরু তেমনি চিরাচরিতভাবে সামাজিক। বর্তমানে জনসংখ্যা ও প্রযুক্তির প্রসারে নানাভাবে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। মানুষ যেমন অধিকারটুকু চায় তেমনি শান্তিপূর্ণভাবে বাঁচতেও চায়। কিন্তু এর জন্য রাষ্ট্র কী করছে! রাষ্ট্র এখন ব্যাপকভাবে মানুষের অভাব অভিযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কিছু হলেই তারা সরকারকে দায়ী করে বা পলিটিক্যাল পার্টির নেতা-নেত্রীদের দায়ী করে। এর কারণ কী! নিশ্চয়ই নিশ্চিন্ত ও নিরাপদ জীবনের প্রত্যাশা। সেটি না হওয়ায় ভেতরে ক্ষোভ ও অশান্তি দানা বেঁধে ওঠে। বলে রাখি, বাংলাদেশের বিশ বছর আগের বাস্তবতা আর আজকের বাস্তবতা এক নয়। আমরা দেখতে পারি দলাদলির নানান রকম রূপ। পারস্পরিক কোন্দল ও বিদ্বেষও আছে। কিন্তু নির্বাচন ঘিরে এসব থাকবেই। এর মধ্যে প্রধান ব্যাপার হলো সামনে এগুনোর উপায়। মানুষের ভোগ ও চাহিদা এখন অনেকগুণ বেশি। এ অবস্থায় রাজনীতিও কী কম গুরুত্বপূর্ণ! কম বলছি কেন—প্রতিটি পদক্ষেপেই তা হয়ে উঠেছে কার্যকরী। আজকে তৃণমূল পর্যায়ে যে নির্বাচন হচ্ছে তার চিত্র কী! এ উত্তেজনা ও কোন্দলের উত্সইবা কী? বিষয়টি ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কী সম্পৃক্ত নয়। রাজনীতিই তো সবকিছুর মূল হয়ে উঠেছে। সবরকম চাওয়া-পাওয়ার হিসেবও তো তার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ কারণে, স্থানীয় প্রশাসন কেমন হওয়া উচিত? নিশ্চয়ই চৌকস ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন। এজন্য নির্বাচনে নিরপেক্ষতাই শুধু নয়, জনরায়টি যেন সমাজে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে এবং সেটি যাতে সকলেই আস্থায় আনে—তা কার্যকর করতে হবে। এ আস্থাটুকু প্রশাসনে খুব বেশি দরকার। আর এর সঙ্গেই রয়েছে জনগণের সম্পর্ক। ন্যূনতম এ সম্পর্কটুকু উত্সবমুখর ভোটপরিবেশ যেন হয় তা নিয়েও ভাবতে হবে।

নির্বাচনটি দলীয় নয়, কিন্তু দলীয় হয়ে গেছে। দলীয় হওয়ায় প্রার্থীর 'বিদ্রোহী' হওয়ার কথাটি আসছে। ফলে কোন্দল সৃষ্টি হচ্ছে। দলীয় ব্যাপারটি না থাকলে নিশ্চয়ই বিদ্রোহী কথাটি আসত না। দলীয় প্রভাব, বহিষ্কার, পেশীশক্তি, জিতিয়ে আনার জেদ—এসবও এতো প্রখর হতো না। তাহলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটির অস্তিত্ব কোথায়? তার প্রশাসনিক ভিত্তি বা জনসম্পৃক্তি কোন্ পর্যায়ে? গণতন্ত্রের ভিত্তির মূল জায়গাটুকুও কী এতে প্রকাশ পায়! তাহলে নির্বাচনটি গণতন্ত্রের জন্য কী কোনো ফল বয়ে আনল। আর এ কর্মকাণ্ডগুলো প্রতিরোধে প্রশাসন কী করলো বা নির্বাচন কমিশন এ সম্পর্কে কী বলবে। এরূপ অবস্থায় অর্থ কী! অনেককিছুর প্রত্যাশা আমরা করছি না। কিন্তু কাজটুকু তো শুরু করতে হবে। উপজেলা ব্যবস্থা উঠে যাওয়ার পর ছিয়ানব্বুইয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য অনেক হোমওয়ার্ক করেছে। স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণে কিছু অগ্রণী পদক্ষেপও গ্রহণ করেছে। কিন্তু গত মেয়াদে উপজেলা নির্বাচনের পর এমপি-ইউএনও-উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতার রশি টানাটানিতে তা খুব ফলপ্রসূ হয়নি। সে বিষয়টির সুরাহা বা নিষ্পত্তিও মেলেনি। ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের এই প্রথম ধাপে বিষয়গুলো নিয়ে যদি সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকে, তাহলে এর যাত্রা উল্টোরথেই পর্যবসিত হবে। বিকেন্দ্রীকরণের (de-centralization) বদলে হবে কেন্দ্রীকরণ (centralization)। এতে সমস্ত কর্মকাণ্ডই একপ্রকার ধাপ্পাবাজিতে পরিণত হবে। কার্যত, আমরা কি ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণেই অভ্যস্ত হয়ে গেছি, তাহলে এতো পরিবর্তনের ভেতর আমরা কেন এমন রক্ষণশীল মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসছি না, কেন আসছে না কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন?

এদিকে নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিকভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে পথ দেখাতে পারে। এর জন্য নতুন আইন যেমন দরকার নেই তেমনি কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়নেরও প্রয়োজন নেই। এ সংস্থাটি জনগণকে আস্থায় নিয়ে তেমন কাজ করতে পারছে কী? পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে প্রশাসনিক পদক্ষেপগুলো কাজে লাগাতে হবে। মানুষের আস্থা বাড়ান দরকার। জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে জনগণকে স্বাধীনতা যেমন দিতে হবে তেমনি তার আস্থার জায়গাটুকু নিশ্চিত করতে হবে। অতীতের মতো সামনের নির্বাচনেও তা করতে হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার কারণেই বিরোধীদের তত্পরতা এতো বৃদ্ধি পেয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য এই আস্থাটুকু ইতিবাচক। অব্যবস্থাপনা হয়তো আছে কিন্তু কিছু প্রয়োজনীয় কাজও তো তারা করছে। নির্বাচন কমিশনকেও ব্যর্থ বলা যায় না। গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে কাজটুকু তারা সুচারুভাবেই সম্পন্ন করেছে। বৃহত্ জোট নির্বাচনে না আসায়, ভোটের পরিবেশ নিয়ে যে কথা উঠেছে—তার দায় একা নির্বাচন কমিশন নেবে কেন! এখন যে নির্বাচন হচ্ছে সেখানে যে ফল প্রকাশিত হচ্ছে তাতে জনগণের অনাস্থা আছে তাও মনে হয় না। যেটি এখানে আগেই বলেছি, প্রশাসনের কর্মতত্পরতা, সুরক্ষিত নিরাপত্তা, শান্তিময় পরিবেশ বজায় রাখা ছাড়া জনগণের আস্থা যেমন আসে না তেমনি মুখ থুবড়ে পড়ে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো। তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রশাসনের সুফল পৌঁছানোর বিকল্প তো কিছু নেই। গণতান্ত্রিক ভিত্তি মজবুত করতে নিরপেক্ষতাই সুশাসন ফিরিয়ে আনতে পারে। বন্ধ করতে পারে সহিংসতা, ফিরিয়ে দিতে পারে স্বস্তি। এজন্য প্রশাসনিক তত্পরতা আরও বাড়াতে হবে। তাতে করে ক্ষমতাসীনদেরই দক্ষতা প্রকাশ পাবে। সরকারের শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

সরকারের জন্য সুশাসনের প্রয়োজনটি এখন প্রধান। অবাধ নির্বাচনের ভেতর দিয়েই তা কায়েম হবে। চলমান নির্বাচনে আমরা অতীতের ধারাবাহিকতা দেখতে চাই। কারণ, বর্তমান সরকারের নিকট এটি একটি চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জটুকু মোকাবিলায় অনেক ক্ষেত্রেই হতে হবে নির্মম এবং কঠোর। বিরোধী জোটের আন্দোলনের নিষ্ক্রিয়তা বা চলমান নির্বাচনী সাফল্যের উত্তেজনা থেকে শিক্ষা নেয়া যেতে পারে। যে উদ্দেশ্যেই বিরোধী জোট তত্পর হোক, এর পাল্টা স্থির জবাব হতে পারে, সুশাসন প্রতিষ্ঠা। তাই কোন ব্যাপারে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা দরকার। যে দলেই সহিংস হোক, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তার সমুচিত জবাব দেবে। তাতে নির্বাচনের পরিবেশ ফিরে আসবে। স্বস্তিও তৈরি হবে। এক্ষেত্রে দল-মত নির্বিশেষে ঐকমত্য প্রয়োজন। আমাদের রাজনীতিতে তা দৃশ্যমান না হলেও, এক সময় তার প্রবাহ সঠিক পথেই চলতে থাকবে। প্রশাসন যেমন পরিবেশ সুরক্ষা করতে বদ্ধপরিকর, তেমনি জনগণকেও সেক্ষেত্রে সহায়তা করা নৈতিক কর্তব্য। এটি দল বিবেচনায় বয়কট করলে সরকার এককভাবে কিছুই করতে পারবে না। তাই জঙ্গিবাদবিরোধী ঐক্যসহ—তাবত্ সামাজিক-রাজনৈতিক স্বার্থে ঐক্য প্রয়োজন। জাতীয় ঐক্যের পথে চলতে না পারলে রাজনীতি সুপথে চলবে না। গণতন্ত্রও দৃঢ় হবে না। তাতে ঘাত-প্রতিঘাত দূর হবে না। এ পর্যায়ে দুই বৃহত্ দলেরই সাংবিধানিক রক্ষাকবচটি মনে রাখা জরুরি। স্থানীয় সরকারের নির্বাচন ক্ষমতার সিঁড়ি যেমন নয়, ক্ষমতায় টিকে থাকারও ব্যাপার নয়। কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য তা অবশ্যই প্রয়োজনীয় এবং এই ভিত্তিই রাষ্ট্রের উপর কাঠামোকে শক্তিশালী করতে পারে। রাষ্ট্রের শাসনগত চর্চা বা স্থানীয় ক্ষমতার পরিবেশ রাজনীতিকেও বদলাতে সক্ষম হবে। তাই প্রশাসনের নিরপেক্ষ পদক্ষেপ ও সামষ্টিক স্বার্থের ঐক্য প্রয়োজন। এক্ষেত্রে মানসিক উদারনীতির পরিবেশটুকু কায়েম হতে পারে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে। কারণ, সম্মুখে এগুনোর পথগুলোতে সহিংসতার বদলে সহিষ্ণুতা যেমন দরকার তেমনি দরকার টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার শক্তি এবং এটি এককভাবে নয়, সামষ্টিকভাবে। সেক্ষেত্রে নিশ্চয়ই তৃণমূল থেকেই গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো সে সহায়তাটুকু সঠিক পথে দিতে পারে। মনে রাখতে হবে, সুষ্ঠু নির্বাচনই দিতে পারে সুরক্ষিত গণতন্ত্রের নিশ্চয়তা।

লেখক: অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
4 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ১৯
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫২
মাগরিব৫:৩৩
এশা৬:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৮
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :