The Daily Ittefaq
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৩, ৫ চৈত্র ১৪১৯, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ কলম্বো টেস্টের পরাজয়ে সিরিজ হারল বাংলাদেশ | বাগাদাদজুড়ে বোমা হামলায় নিহত ৫৬ | ১২ ঘণ্টা পর ঢাকা-সিলেট রুটে ট্রেন চলাচল শুরু | ঠাকুরগাঁওয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে দুই তরুণীর মৃত্যু | টাঙ্গাইলে হরতাল বিরোধী মিছিলে হামলা, ছাত্রলীগ নেতা নিহত | খালেদা জিয়াকে পকৃত যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা প্রকাশের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর | রাজশাহীতে হরতালে পুলিশসহ আহত ২০, আটক ৬২ | ১৮ দলের ৩৬ ঘণ্টার হরতাল পালন

বিরোধী নেত্রীর রক্ত পিপাসা মেটে নাই, ধ্বংস করতে চান দেশ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী

মেহেদী হাসান

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া মানুষের জীবন ও রক্ত নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করে ক্ষমতার মসনদে বসতে চান। তার রক্ত পিপাসা এখনো মেটে নাই। যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করার জন্য দেশকে ধ্বংস করতে তিনি আরো রক্ত চান। তিনি বলেন, অবশ্য মানুষের লাশ ও রক্ত নিয়ে রাজনীতি করা বিএনপির পুরনো চরিত্র। তবে দেশের জনগণ রক্তপিপাসু খালেদা জিয়াকে আর কোনদিন ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাবে না। এ সময় তিনি বিরোধী দলের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দেশের জনগণের জানমালের ওপর আর যদি হামলা করা হয়, কাউকে হত্যা করা হয় তাহলে জড়িতদের বিরুদ্ধে যেকোনো ব্যবস্থা নিতে সরকার বদ্ধপরিকর। যারা একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে চেষ্টা করছেন, ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, সেই স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়ানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

গতকাল সোমবার বিকালে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধুর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ এই জনসভার আয়োজন করে। বিএনপি-জামায়াত জোটের ডাকা টানা ৩৬ ঘণ্টার হরতালের প্রথম দিন গতকাল এই জনসভার আয়োজন করে আওয়ামী লীগ।

সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, রক্তপিপাসুদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাবেন? এ সময় দু'হাত তুলে জনগণ 'না-না' বলে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলার মাটিতে আর কোন রক্তপাত ঘটুক, আর একটি মানুষের প্রাণ যাক, আর কোনো মায়ের কোল খালি হোক আমরা তা চাই না। মানুষ হত্যার চেষ্টা বন্ধ করতে সরকার যেকোন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যাতে কেউ বন্ধ করতে না পারে সেজন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কুচক্রীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সহিংস কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ওলামা-মাশায়েখ, ইমামসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে আমরা প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে দিয়েছি। সবাই এই কমিটিকে সহযোগিতা করুন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জনগণের শান্তি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে এগিয়ে আসার জন্য দেশবাসীর প্রতিও আহ্বান জানান।

যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য খালেদা জিয়া অস্থির হয়ে পড়েছেন উল্লেখ করে একত্রিশ মিনিটের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি মানিকগঞ্জের জনসভায় খালেদা জিয়া আরো জীবনহানি ও ধ্বংসের কথা বলেছেন। দু'বারের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রী হয়ে তিনি কীভাবে মানুষের রক্ত চান? কীভাবে তিনি রক্তপাত ঘটানোর কথা বলেন? যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য তিনি আরও মানুষের জীবন নিতে চান! উনি (খালেদা জিয়া) ও উনার স্বামী জিয়াউর রহমান মানুষের অনেক রক্ত নিয়েছেন। এখনও খালেদা জিয়ার রক্তপিপাসা কমেনি। রক্তের পিপাসায় তিনি দেশকে ধ্বংস করে দিতে চান।

প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের দেশব্যাপী তাণ্ডব, মানিকগঞ্জের জনসভায় গণজাগরণ মঞ্চসহ সরকারের উদ্দেশে দেয়া আক্রমণাত্মক বক্তব্যের জবাব দেন। একইসঙ্গে রাজপথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের স্রোত নামিয়ে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতালের পাল্টা জবাবও দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিঙ্গাপুর থেকে এসে খালেদা জিয়া সরাসরি জামায়াতের পক্ষে দাঁড়ালেন। আর শাহবাগের আন্দোলনকে নাস্তিকদের আন্দোলন বলে অভিহিত করলেন। একজন মুসলমান আরেক মুসলমানকে কিভাবে নাস্তিক বলেন। কে নাস্তিক আর কে আস্তিক সেটাতো আল্লাহ জানেন। খালেদা জিয়া কিভাবে জানলেন? আল্লাহ তো সেটা বলেই দিয়েছেন, আল্লাহর হুকুম ছাড়া তো গাছের পাতাও নড়ে না। উনি আল্লাহর উপর বিশ্বাস হারিয়েছেন বলেই একথা বলতে পেরেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তরুণ প্রজন্ম আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাগ্রত হয়ে তারা সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাচ্ছে-এটা খালেদা জিয়ার পছন্দ নয়। জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জামায়াত নামে ইসলাম কাজে কি আপনারা জানেন। জামায়াতে ইসলামী যদি কাবা শরীফ নিয়ে ধাপ্পাবাজি করতে পারে তারা কেমন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবে। তিনি বলেন, জামায়াত মসজিদে হামলা করেছে। মুসল্লিদের নামাজ পড়তে দেয়নি। মসজিদে আগুন দিয়েছে। আবার নামাজ শেষ হওয়ার আগেই তারা মসজিদ থেকে বের হয়ে পুলিশের উপর হামলা শুরু করেছে। এটাই হলো তাদের ধর্মকর্ম।

জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও মোহাম্মদ নাসিম, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-চৌধুরী, শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশাররফ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাউছার, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আখতার, ছাত্রলীগের এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল হক। জনসভা পরিচালনা করেন প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ও উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া তরুণ প্রজন্মের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করলেন। দেশবাসীর প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, উনি (খালেদা জিয়া) নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী বলে দাবি করেন। মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হলে তিনি কীভাবে স্বাধীনতাবিরোধী দল জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় মাঠে নামেন? দেশের তরুণ প্রজন্মকে নষ্ট চরিত্রের ও নাস্তিক বলতে পারেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে এই জামায়াত মক্কার পবিত্র কাবা শরিফের গিলাপ বদলানোর ছবিকে সাঈদীর মুক্তির আন্দোলন বলে জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি পর্যন্ত করেছে। যারা পবিত্র কাবা শরিফকে নিয়ে ভাঁওতাবাজি ও ধোঁকাবাজি করতে পারে সেই জামায়াত কোনদিন ইসলামিক দল হতে পারে? এরা বায়তুল মোকাররম মসজিদের কার্পেটে আগুন দিয়েছে, সাঈদীকে চাঁদের কালো ছায়া বলে ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে সারাদেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি কায়দায় ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বিএনপি-জামায়াত হামলা করছে। আমি এ ঘটনার নিন্দা জানাই। জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও উপাসনালয়ে আঘাত হেনে খালেদা জিয়া আবার উল্টো তাদের সান্ত্বনা দিতে যান। আসলে তিনি (খালেদা জিয়া) সর্প হয়ে দংশন করে, ওঝা হয়ে ঝাড়েন। এটা তার পুরনো অভ্যাস।

বাদ্য-বাজনার তালে তালে অসংখ্য ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন নিয়ে হাজার হাজার নেতাকর্মী-সমর্থক হাজির হন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মিত সুসজ্জিত মঞ্চে আসেন তখন জনসভাটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাপিয়ে, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, শাহবাগ, টিএসসি, তিন নেতার মাজার রোড পর্যন্ত পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। মাঠে স্থান সংকুলান না হওয়ায় মাঠের বাইরে রাস্তায় টানানো মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার মানুষকে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে দেখা যায়। বিশেষ করে ঢাকা মহানগরী এবং আশেপাশের জেলা থেকে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বিশাল শোডাউন সবার নজর কাড়ে। এছাড়া যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ ও যুব মহিলা লীগেরও শোডাউন ছিল।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়া সংলাপ চান না, তাঁর এক দফা হচ্ছে যেকোনো মূল্যে প্রধানমন্ত্রী হওয়া। এজন্য তাঁর লাশ চাই, রক্ত চাই।

আমির হোসেন আমু বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আজ দেশের ১৬ কোটি মানুষের দাবি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিচার সম্পন্ন করা হবে। খালেদা জিয়ার আন্দোলন কোনো দলের বিরুদ্ধে নয়, পুরো দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন থামানোর ক্ষমতা কারোর নেই। এ দেশের তরুণ প্রজন্মের সন্তানরা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পেরেছে, জীবন দিতে শিখেছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া পরাজিত হবেনই। কারণ তিনি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, পূর্ব-ঘোষিত আজকের জনসভাকে ভণ্ডুল করতে খালেদা জিয়া হরতাল দিয়েছেন। খালেদা জিয়া নিজে ও তাঁর দুই পুত্র নষ্ট বলেই দেশের তরুণ প্রজন্মকে নষ্ট বলেন। জামায়াতকে রক্ষা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতেই উনি গণজাগরণ মঞ্চের তরুণ প্রজন্মকে নাস্তিক বলেন।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, সিঙ্গাপুর থেকে এসে খালেদা জিয়া আজ রণরঙ্গিণী মূর্তি ধার ণ করে আবোলতাবোল বকছেন। নতুন প্রজন্মের প্রতি তাঁর গোস্বার মূল কারণই হচ্ছে তারা জয় বাংলা বলে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার মাথা থেকে কখনো কাপড় পড়ে না। প্রতিদিন কুরআন পাঠ করে ফজরের নামাজ পড়েন। অথচ খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগকে ইসলামবিরোধী বলেন। খালেদা জিয়া যে কেমন ধর্ম পালন করেন তা সবাই জানে। তিনি বলেন, তারেক-কোকোর মায়ের মুখে দেশের তরুণ প্রজন্ম সম্পর্কে কটূক্তি মানায় না।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধ্বংস করে দেশে সাম্প্রদায়িকতার বীজ রোপণ করেছেন খালেদা জিয়া। তাঁর সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবেই।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দেশের ৯০ ভাগ মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এই মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
7 + 7 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
মে - ২৪
ফজর৩:৪৭
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৫
মাগরিব৬:৪১
এশা৮:০৩
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :