The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৩, ৭ চৈত্র ১৪১৯, ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ ফুটবল: এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে মূল পর্বে বাংলাদেশ | রাজধানী হাতিরঝিলে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত নিহত | রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের মরদেহ সিএমএইচ হাসপাতালের হিমঘরে | প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জের ভৈরবে; দাফন রাজধানীর বনানী কবরস্থানে | বঙ্গভবনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন

[ রা জ নী তি ]

সন্ত্রাস প্রতিরোধ বনাম জননিরাপত্তা কমিটি

মুহাম্মদ যাকারিয়া

সাঈদীর মামলার রায়ে ফাঁসির ঘোষণায় সারা দেশে ব্যাপক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে 'সন্ত্রাস প্রতিরোধ' কমিটি গঠন করতে গত ৬ মার্চ জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানের খবরটি পড়েই একটু খটকা লেগেছিল। সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটি কি আসলেই নৈরাজ্য-হানাহানি রোধ করতে পারবে, না-কি সংঘাতের বিস্তৃতি ঘটাবে? সন্ত্রাস দমন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ, বিজিবি ও র্যাব কি যথেষ্ট নয়? আমার উত্কণ্ঠার যৌক্তিকতা খুঁজে পেলাম ৯ মার্চ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের কমিটি গঠনের দায়িত্ব বণ্টনের মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে সরকারের পাল্টা জবাব হিসেবে বিএনপির 'জননিরাপত্তা' কমিটি ঘোষণার মধ্যে। এসব কমিটিতে বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোট থাকবে। এর মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে কিছুদিন দোটানার মধ্যে থাকা বিএনপি মূলত মানবতা-বিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক পাকাপোক্ত করার কথা পুনরায় ঘোষণা করলো। একইসঙ্গে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে জামায়াত-শিবিরের পাশাপাশি নিজেদের যোগদানের ইঙ্গিতও দিল তারা। এমতাবস্থায় এ আশঙ্কা করা কি একেবারে অমূলক হবে যে, সরকারি দলের উদ্যোগে সন্ত্রাস ও নাশকতাবিরোধী কমিটি এবং বিরোধী দলের উদ্যোগে জননিরাপত্তা কমিটি গঠনের উদ্যোগে চলমান পরিস্থিতিকে আরো উত্তপ্ত করে তুলবে। অবশ্য সরকার ঘোষিত 'সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটি' গঠনের সুফল যে একেবারে পাওয়া যাবে না, তা নয়। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব আছে এমন এলাকায় এর কার্যকারিতা পাওয়া যাবে। অনেক এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীরা পুনরায় সহিংসতায় মেতে উঠতে দ্বিতীয়বার চিন্তা করবে। সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটি গঠনের খবর শুনে, কমিটির সভা ও তত্পরতায় সতর্ক হয়ে যাবে, এলাকাছাড়া হবে অনেকে। তদন্ত কিংবা খোঁজ-খবর নিয়ে মামলা দায়ের করা হবে জড়িতদের নামে, আটক-গ্রেফতার করা হবে, বিচারের আওতায় আনা হবে। তবে এ কমিটির দীর্ঘমেয়াদী সুফল ও কার্যকারিতা কতটুকু হবে, তা অবশ্যই প্রশ্নসাপেক্ষ ব্যাপার।

অভিধানে 'প্রতিরোধ' অর্থ হচ্ছে: নিরোধ, নিবারণ, বাধাদান, প্রতিবন্ধ, আটক, ব্যাঘাত। এখন জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসকে কীভাবে প্রতিরোধ করা হবে, তা-ই বিবেচ্য বিষয়। এর আগে সরকার থেকে নিজে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীদের বলেছিলেন, হরতাল 'প্রতিরোধ' করতে। তারা হরতাল প্রতিরোধ করতে গিয়ে বিশ্বজিত্ নামে একজন নিরীহ তরুণকে নিষ্ঠুরভাবে কুপিয়ে, রড দিয়ে পিটিয়ে বীভত্স কায়দায় হত্যা করেছে, তা টেলিভিশনে গোটা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। তাই এ কমিটির নাম যদি 'সন্ত্রাস ও নাশকতার বিরুদ্ধে সচেতনতা' কমিটি রাখা হতো, তাহলে তা সরকারের দায়িত্বশীল মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতো। বরং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিটি এলাকায় সর্বদলীয় শান্তি কমিটি গঠন করা যেত, যার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে কানসাট, শিবগঞ্জ, বগুড়া ও সিলেটের মানুষ। প্রশ্নবিদ্ধ হলেও জামায়াত-শিবিরের মারমুখো মিছিলে পুলিশের গুলির ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যায় এভাবে— পুলিশ আত্মরক্ষার্থে কিংবা জনগণের জানমাল রক্ষা করতে গুলি করেছে। কিন্তু এসব কমিটিতে প্রশাসনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও থাকবেন রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা। এমতাবস্থায় সন্ত্রাস প্রতিরোধ করার সময় কেউ নিহত হলে তা কতটুকু আইনি বৈধতা পাবে বা যুক্তিসঙ্গত হবে, তা ভাবনার বিষয়। তারা যখন জামায়াতের সহিংসতা প্রতিরোধ করতে উদ্যোগী হবেন, তখন তা শুধু সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; দাঙ্গা-হাঙ্গামায় যোগ হবে স্থানীয় রাজনীতি ও অতীতের বিরোধপূর্ণ হিসাব-নিকাশ। কমিটিতে থাকা রাজনৈতিক নেতারা নাশকতা ঠেকাতে কর্তৃত্ব পেয়ে যাবে। উদ্ভূত কোনো পরিস্থিতিতে বেসামাল ও নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে তারা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে বেআইনি কাজ করতেও দ্বিধা করবে না; কারণ তারা তো রাষ্ট্র কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত! অধিকন্তু, বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ জোটের নেতাকর্মীরাও এসব সহিংসতায় জড়িয়ে পড়বে, বিস্তৃতি ঘটবে সন্ত্রাস-হানাহানির। জোটের মধ্যে থাকা জামায়াত তখন সহজেই সংঘাতে উস্কানি দিয়ে বিএনপির মতো বড় শক্তিকে নৈরাজ্যে সম্পৃক্ত করার সুযোগ পাবে। যেখানে যারা শক্তিশালী, সেখানে তারা জননিরাপত্তার নামে প্রতিপক্ষকে নিধনের খেলায় মেতে উঠবে। গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে সারাদেশে।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, এসব পাল্টাপাল্টি কমিটিকে কেন্দ্র করে একবার দ্বন্দ্ব-সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে, তা শেষ পর্যন্ত দু'টি পক্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। সাঈদীর রায়ের পর সহিংসতায় নিহতদের মধ্যে শিশু, বৃদ্ধ, নারী, কিশোর, ইমাম ও পুলিশসহ সাধারণ, নিরীহ মানুষও ছিলো। আবার একটি অঞ্চলে কিংবা দলে সবাই অপরাধপ্রবণ কিংবা অপরাধী নয়, সবাই সন্ত্রাস-নাশকতা সমর্থন করে না। কিন্তু, 'সন্ত্রাস প্রতিরোধ' কমিটি ও 'জননিরাপত্তা' কমিটির তত্পরতায় কেবল একটি দল বা মতকে সমর্থন করার কারণে কেউ কেউ লঘুপাপে গুরুদণ্ড পেয়ে যেতে পারে। গ্রামে-গঞ্জে, ইউনিয়ন-উপজেলায় পাল্টাপাল্টি তালিকা করা হবে, ঘর-বাড়িতে হানা দেয়া হবে, পুরুষ এলাকাছাড়া হবে; এবং একসময় ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হবে। অধিকন্তু, ২২ ফেব্রুয়ারি জুমার নামাজের পর অনেক এলাকায় ইসলামী দল ও কওমী মাদ্রাসার ছাত্ররা ভাংচুর ও হানাহানিতে লিপ্ত হয়েছে। জামায়াতের মতো কঠোর অবস্থানে না থাকলেও ব্লগারদের বিরুদ্ধে এরা এখনো সোচ্চার। 'সন্ত্রাস প্রতিরোধ' করতে এদের নামে তালিকা তৈরি কিংবা কোনো হয়রানি করা হলে ধর্মীয় স্পর্শকাতর ইস্যুতে বিক্ষুব্ধরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে, যা একসময় দেশকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিতে পারে। আর এভাবে সহিংসতার বিস্তৃতি ঘটলে তার দায়ভার কে নিবেন? যারা সন্ত্রাস, মসজিদ ও শহীদ মিনারের অবমাননা, সংখ্যালঘু ও মন্দিরে হামলা, লুটপাট, ২০০ কোটি টাকার বিদ্যুত্ প্রকল্প ভস্মীভূত ও মানুষ খুনের মতো নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে, অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করে বিচারে সোপর্দ করা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব। কিন্তু যেকোনো ঘটনার জন্য হাজার হাজার ব্যক্তির নামে মামলা করলে প্রকৃত অপরাধীদের ধরা যেমন দুঃসাধ্য হয়ে পড়বে, তেমনি তালিকায় নাম ঢুকানোর ভয় দেখিয়ে কিংবা নাম বাদ দেয়ার কথা বলে পুলিশ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের উেকাচ-বাণিজ্য করার মওকাও বাড়বে। সব মিলিয়ে সরকারকে 'সন্ত্রাস ও নাশকতাবিরোধী' কমিটির তত্পরতাকে সুনিয়ন্ত্রিত রাখতে হবে; এবং কমিটির কার্যকলাপের ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

বর্তমানে এটা স্পষ্ট যে, সরকারি ও বিরোধী দল— কোনো পক্ষেরই নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছার আগ্রহ নেই। তারা বল প্রয়োগের মাধ্যমেই সমাধান চায়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সমাজের মধ্যে শুধু অপ্রকৃতিস্থ ও নির্বোধরাই বলপ্রয়োগ করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়। বল বা শক্তি বুদ্ধির নগণ্যতম ভৃত্য। শক্তি শুধু যে পার্থিব কল্যাণকে ধ্বংস করে তা নয়; সাথে সাথে চিন্তার উদারতাও তাতে বিধ্বস্ত হয়। আইন শাস্তির বিধান দিয়ে ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, হত্যাকাণ্ড প্রতিরোধ করে। কিন্তু শাস্তির ভয়েই যে আমরা অধিকাংশ অপরাধ করি না বা বিনাশে কিংবা হত্যাকাণ্ডে লিপ্ত হই না, তা নয়। আমাদের অতীত ঐতিহ্য, শিক্ষা, সচেতনতা, সামাজিকীকরণ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের মাধ্যমে আমরা সমাজের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সচেষ্ট হই। যেখানে বলপ্রয়োগের প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে অনুভব করা হয়, সেখানে বুঝতে হবে—অসুস্থতার লক্ষণ বর্তমান। বিরাজমান পরিস্থিতিতে জামায়াত-শিবিরের সহিংসতা আইনি পন্থায় কঠোরভাবে দমন করার পক্ষে যুক্তি অবশ্যই আছে। তবে এর মধ্যে যতটুকু রাজনৈতিক, তা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করতে হবে। চলমান সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো কোনো পক্ষ থেকে বল প্রয়োগ করে সমাধানের যে ঘোষণা দিচ্ছে, তা দূরদর্শিতা ও বিজ্ঞতার পরিচয় বহন করে না— দেশের জন্য মঙ্গলজনক তো নয়ই। ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের আচরণ এক হবে না— এটাই স্বাভাবিক। এরকম পরিস্থিতিতে সহিংসতা রোধ করতে হলে সরকারকে সুনির্দিষ্ট কর্মকৌশল নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে এ ব্যাপারে কারো দ্বিমত নেই যে, দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে সরকারকে আলোচনার অর্থবহ উদ্যোগ নিতে হবে। অন্তত প্রধান বিরোধী দল বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সরকারকে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিংবা তত্ত্বাবধায়ক সরকার তথা আগামী নির্বাচন ইস্যুতে একটি রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করা, যাতে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা টিকে থাকে। সব পক্ষকে ক্ষেপিয়ে তুলে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা যে কঠিন ব্যাপার, তা সকলের কাছে এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে। এজন্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নিজেও কয়েকদিন আগে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আকস্মিক 'হার্ডলাইনে' গিয়ে 'সন্ত্রাস প্রতিরোধ' কমিটি গঠনের ঘোষণায় সংঘাতময় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগের মতো জনসম্পৃক্ত দলের সর্বোচ্চ নেতা ও রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী হয়ে শেখ হাসিনা কীভাবে এরকম একটি ঘোষণা দিলেন, তা নিয়েও বিস্মিত অনেকে। তারপরও দেশের জনসমাজের একটি অংশ ও কোনো কোনো গণমাধ্যম এখন আলোচনা-সংলাপের দিকে ঝুঁকছেন— এটা আশার বিষয়। সরকার ও বিরোধী দল আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে চলমান সংকট দূর করে গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখবে; দেশে বিরাজমান সমস্যার সমাধান করবে— এমন আকাঙ্ক্ষা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ও সচেতন জনগণের। আর আন্তর্জাতিক মহল থেকে আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক বিরোধ মিটানোর কথা বলা হচ্ছে বহু আগে থেকেই। ঢাকায় কর্মরত বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অবহিতকরণের পর তারা পরামর্শ দিয়েছেন সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজার। এ পরামর্শের নিগূঢ় তাত্পর্য কী তা সরকারকে বুঝতে হবে। আর বর্তমান সহিংসতা দ্রুত সামাল দেওয়া না গেলে পর্যায়ক্রমে তা নির্বাচন-সংক্রান্ত সংঘাতের দিকে গড়াতে পারে, যা দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের জন্য কল্যাণকর কোনো কিছু বয়ে আনবে না।

লেখক :সহকারী অধ্যাপক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ,

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
মির্জা ফখরুল বলেছেন নির্যাতন নিপীড়ন আওয়ামী লীগের চিরন্তন বৈশিষ্ট্য, তারা বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?
6 + 2 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ২৫
ফজর৪:৪৪
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৭
মাগরিব৫:২৮
এশা৬:৪১
সূর্যোদয় - ৬:০০সূর্যাস্ত - ০৫:২৩
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :