The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৩, ৮ চৈত্র ১৪১৯, ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ মিয়ানমারে আটক ৪ বাংলাদেশির মুক্তি অনিশ্চিত | পরশুরাম থেকে ৬ শিশু ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় বাহিনী | ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্নেডোতে নিহত ৯, আহত ৩০০ | রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় রাষ্ট্রপতির দাফন সম্পন্ন

শ্রদ্ধায় অবনত শোকাতুর জাতি

ফারাজী আজমল হোসেন

শোকাতুর জাতির শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন সদ্যপ্রয়াত রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান। গোটা দেশকে শোকসাগরে ভাসিয়ে দিয়ে অনন্তলোকের পথযাত্রী রাষ্ট্রপতির প্রতি গতকাল বুধবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এবং বিকালে বঙ্গভবনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয়ভাবে শেষ শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানান ধর্ম-বর্ণ-বয়স নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ। জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনটি বঙ্গভবনের দরবার হলে রাখা হলে ফুলে ফুলে ভরে যায়। এর আগে সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।

বেলা ২টা ১০ মিনিটে বঙ্গভবনে আসেন বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ও তাঁর দলের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা রাষ্ট্রপতির কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

গতকাল বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ বঙ্গভবনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। মরদেহ পৌঁছানোর অনেক আগে থেকেই বঙ্গভবনের বাইরে শোকাহত মানুষের ঢল নামে। জিপিও থেকে বঙ্গভবন পর্যন্ত সড়কের পাশে বিভিন্ন ব্যানার নিয়ে অপেক্ষমাণ ছিল শ্রদ্ধা জানাতে আসা আবালবৃদ্ধবনিতা। বিকাল সাড়ে ৫টায় রাষ্ট্রপতির মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতে তাকে সেখানেই রাখা হয়। আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় প্রিয় জন্মভিটা কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিয়ে যাওয়া হবে রাষ্ট্রপতির মরদেহ। সেখানে হাজী আসমত আলী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে জিল্লুর রহমানের প্রথম নামাজে জানাজা। এরপর বাদ জুমা রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে কফিন বঙ্গভবনে এক ঘণ্টা রাখা হবে। সেখানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের প্রেরিত প্রতিনিধিরা প্রয়াত এই রাষ্ট্রপতির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। বিকাল ৪টায় বনানী কবরস্থানে তাঁর প্রয়াত স্ত্রীর কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জিল্লুর রহমানের দাফন সম্পন্ন করা হবে।

বিমান বন্দর থেকে বঙ্গভবন:বেদনাবিধুর পরিবেশ

ঘড়ির কাঁটায় গতকাল বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট। রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমানের মরদেহ বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে স্পর্শ করে। রানওয়ে থেকে টারমাক হয়ে বিমানটি ভিভিআইপি টার্মিনালের সামনে এসে দাঁড়ায়। এ সময় ওই এলাকা জুড়ে এক বেদনাবিধুর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রাষ্ট্রপতির কফিন গ্রহণ করতে আসা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রিসভার সদস্যবর্গ, সংসদ সদস্যবৃন্দসহ বিমানবন্দর এলাকায় উপস্থিত মানুষ শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন। ১২টা ২ মিনিটে বিমান থেকে রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্যরা নামেন। বিমান থেকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার পর রাষ্ট্রপতির ছেলে নাজমুল হাসান পাপন এমপি, দুই মেয়ে তানিয়া রহমান ও তনিমা রহমান কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, আমির হোসেন আমুসহ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা তাঁদের সান্ত্বনা দেন। ১২টা ১১ মিনিটে বিমান থেকে নামানো হয় জাতীয় পতাকায় মোড়ানো রাষ্ট্রপতির কফিন। মেজর জেনারেল ও সমপদমর্যাদার ১০ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা কাঁধে তুলে নেন কফিন। লাল গালিচা বিছানো পথ দিয়ে কিছুদূর এগিয়ে নিয়ে বিমানবন্দরের অস্থায়ী শোক বেদীতে কফিন রাখা হয়। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল প্রয়াত রাষ্ট্রপতির প্রতি সামরিক সালাম জানায়। সেখানে ১২টা ১৬ মিনিটে মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। পায়জামা-পাঞ্জাবি ও কালো মুজিব কোট পরিহিত আব্দুল হামিদের চোখ ছিল অশ্রুসিক্ত। হাত দিয়ে তাকে বারবার চোখ মুছতে দেখা যায়। ১২টা ১৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুল দিয়ে প্রয়াত রাষ্ট্রপতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় অশ্রুসিক্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা কফিনের পাশে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা দলের নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে জিল্লুর রহমানের প্রতি পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে প্রয়াত রাষ্ট্রপতির ছেলে নাজমুল হাসান পাপনকে দেখে শেখ হাসিনা কান্না আর ধরে রাখতে পারেননি। পরে জিল্লুর রহমানের বড় মেয়েকে জড়িয়ে ধরে প্রধানমন্ত্রী কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এ সময় পুরো এলাকায় বেদনাবিধুর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানাও উপস্থিত ছিলেন। তাকে হতবিহ্বল দেখাচ্ছিল।

দুপুর ১২টা ২৩ মিনিটে শোক শোভাযাত্রা সহকারে লাল-সাদা ফুলে সাজানো রাষ্ট্রপতির কফিন বহনকারী সেনাবাহিনীর একটি পিকআপ বঙ্গভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বিমানবন্দর সড়ক, বনানী, মহাখালী ফ্লাইওভার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ফার্মগেইট, বাংলামোটর, রূপসী বাংলা, মত্স্যভবন, আবদুল গনি রোড, জিপিও ও স্টেডিয়াম হয়ে বেলা ১টা ৪ মিনিটে কফিনবাহী মোটর শোভাযাত্রাটি বঙ্গভবনে পৌঁছায়। শোভাযাত্রাকালে পুরো সড়কের দুই পাশে নানা বয়সের হাজারো মানুষকে শোক আর শ্রদ্ধাভরে কালো পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কারো কারো হাতে শোকবাণী লেখা প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

রাষ্ট্রপতির মরদেহ বঙ্গভবনে পৌঁছানোর পর মেজর জেনারেল ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার দশজন সেনা কমকর্তা লাল গালিচার ওপর দিয়ে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনটি নিয়ে যান বঙ্গভবনের উত্তর অংশের শোক বেদীতে। সেখানে তার প্রতি সশস্ত্র সালাম জানানো হয়। এ সময় বেদীর বাম পাশে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বেদীর ডান দিকে মন্ত্রিসভার সদস্য, রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য, আওয়ামী লীগ নেতা ও শীর্ষ রাজনীতিকরা অবস্থান করছিলেন।

জাতীয় পাতাকা, রাষ্ট্রপতির পতাকা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পতাকা এবং তিন বাহিনীর পতাকা হাতে মাঝে দাঁড়ানো ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল। গার্ড অব অনারের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ফুল দিয়ে রাষ্ট্রপতির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। তারপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে ডেপুটি স্পিকার শওকত আলীর পক্ষে চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালেয়ের প্রতিমন্ত্রী এ বি তাজুল ইসলাম এবং তিন বাহিনীর প্রধান এবং কূটনৈতিক কোরের ডিন রাষ্ট্রপতির কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর উত্তর লন থেকে রাষ্ট্রপতির কফিন নিয়ে যাওয়া হয় বঙ্গভবনের দরবার হলে। এরপর প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ, অ্যাটর্নি জেনারেল, বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি নেতৃবৃন্দ, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং বিশিষ্টজনরা একে একে রাষ্ট্রপতির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে থাকেন। বেলা আড়াইটার পর বঙ্গভবনের ফটক খুলে দেয়া হয় সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য।

বিমানবন্দরে আপ্লুত রাজনীতিকদের প্রতিক্রিয়া

বিমানবন্দরে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, নূহ-উল-আলম লেনিন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, তথ্যমন্ত্রী ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, শিল্পমন্ত্রী ও সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন প্রমুখ। বিমানবন্দরে তিন বাহিনীর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে শ্রদ্ধা জানাতে এসে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি শুধু দলের জন্য নয়, দেশের সংকট দূর করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারতেন। তিনি ছিলেন নম্র, ভদ্র এবং চিন্তাশীল মানুষ। গভীরভাবে কোন বিষয়ে ভেবে যথার্থ সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন তিনি। সৈয়দ আশরাফ বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের সময় যখন তাঁর স্ত্রী আইভি রহমান মারা গেলেন তিনি তখন মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। তবে দেশের স্বার্থে দলের স্বার্থে তিনি বসে থাকেননি। সবসময় কাজ করে গেছেন। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে করতেন।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেন, জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে দেশের অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। তাঁর অবদান ভুলবার নয়। দেশ-জাতিকে তিনি অনেক কিছু দিয়েছেন। তাঁর থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। অত্যন্ত নম্র ও ভদ্র এই ব্যক্তিটির কোন শত্রু ছিল না। সবার সঙ্গেই তিনি সমানভাবে মিশতেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, জিল্লুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত রয়েছে। ভাষা আন্দোলনে তাঁর অনেক অবদান ছিল। মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পর তাঁকে দুইবার দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত হওয়ার পর দলকে সুসংগঠিত করার জন্য তাঁর যে অবদান তা অনেককে বিস্মিত করেছে। তিনি বলেন, জিল্লুর ভাই মুখ ফসকে কখনো দলের বাইরে ভিন্ন কথা বলেননি। জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সাথে ছিলেন। নেত্রীও তাঁকে যথার্থ মূল্যায়ন করেছেন। সবাইকে তিনি সমান দৃষ্টিতে দেখতেন।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে দেশ একজন যোগ্য নেতা হারিয়েছে। তাঁর স্মৃতি ভুলবার নয়। বাংলাদেশের জন্য এটা অত্যন্ত বেদনার দিন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, আমরা একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক হারিয়েছি।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
নির্বাচনে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। আপনি এটা সমর্থন করেন?
2 + 9 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ২৩
ফজর৪:৫৯
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৮সূর্যাস্ত - ০৫:১০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :