The Daily Ittefaq
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৩, ১২ চৈত্র ১৪১৯, ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ টাইগারদের টার্গেট ৩০৩ : প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে আব্দুর রাজ্জাকের ২০০ উইকেট | আপিল করেছেন সাঈদী | আপিল করবেন না সঞ্জয় | মুন্সীগঞ্জে ১৪৫ মণ জাটকা আটক | সাতক্ষীরায় পুলিশের ওপর শিবিরকর্মীদের সশস্ত্র হামলা, গুলিবিদ্ধ ৪

বাংলাদেশে উদার গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভবিষ্যত্

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

০০০০০০০০০০০০০

দুই দলকেই সমঝোতায়

পৌঁছতে হবে

নির্বাচন নিয়ে রাজনীতির মাঠ এখন বেশ উত্তপ্ত। কারণে অকারণে ইস্যুপূর্ণ ইস্যুবিহীন লাগাতার হরতাল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বাস্তবে দেশের এমন পরিস্থিতিতে আমজনতাই সবচেয়ে বেশি শংকিত ও আতঙ্কগ্রস্ত। কারণ এখন স্বভাবিকভাবে বেঁচে থাকাটাই তো রীতিমতো চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। দেশের সব রাজনৈতিক দলই সবসময় গণতন্ত্র ও জনগণের কল্যাণের কথা বলেন। কিন্তু বাস্তবে মনে হয় কেউই সাধারণ জনগণের কল্যাণ চান না। সময় যতই যাচ্ছে ততই রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে হচ্ছে। ক্ষমতা নামক সোনার হরিণটি পাওয়ার জন্য একদল মরিয়া হয়ে পড়েছে। অপর দল আবার ক্ষমতা ধরে রাখতে বিভিন্ন কিছুর আশ্রয় নিচ্ছে। দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল প্রকৃতপক্ষেই জনগণের কল্যাণ চায় কিনা তাই এখন ভাববার বিষয়। তাদের কাছে ক্ষমতাই হল সবকিছু। দেশ বা জনগণের উন্নয়ন তুচ্ছ। তাই বলতে গেলে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে প্রধান দুই দলই এখন প্রায় জনবিচ্ছিন্ন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনীতির মাঠ গরম হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন দরকার হলে আরও প্রাণহানি হবে, আরও কিছু রক্তপাত হতে পারে। কেউ আবার তা পাল্টা প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। যে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তারা ক্ষমতার বড়াই করেন, এখন আবার সেই জনগণকে বানাতে চান বলির পাঁঠা। কি হিংস্র আমাদের রাজনীতি। জনগণের রক্তে লাল করা গালিচায় করে ক্ষমতায় যাওয়া বা ক্ষমতা ধরে রাখা কল্যাণমূলক রাজনীতি হতে পারে না। সরকার ও বিরোধী দলের দায়িত্বহীনতার কারণে আগামী নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট সংকট, সংশয়, অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। নিশ্চিত সংঘাত জেনেও বিষয়টি নিয়ে দেশের প্রধান দুুটি রাজনৈতিক দল দুই মেরুতে অবস্থান করছে। কেউ কারো নাহি ছাড়ে দুজনে সমানে সমান। বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ তারা। তাই আবারও ১/১১ এর মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আভাস দিয়েছেন অনেক বিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষক। জনগণের শতভাগ ক্ষমতায়নে অর্থাত্ গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। দেশের এমন সংকটপূর্ণ মুহূর্তে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলকে কিছু কিছু ক্ষেত্রে একে অপরকে ছাড় দিয়ে একটি সমঝোতায় আসতে হবে। তাহলেই দেশ গণতন্ত্রের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

মো. মাসফিকুর রহমান বায়েজীদ

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ (৪র্থ বর্ষ)

সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া

০০০০০০০০০০০০০

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পূর্বশর্ত

তত্ত্বাবধায়ক ও সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ

স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রে জাতীয় নির্বাচন খুবই গুরুত্ব বহন করে। নির্বাচনের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল সরকার গঠন করে। আধুনিক যুগে সরকারের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে। তাই বর্তমান বিশ্বে রাষ্ট্র ও সরকার এমনভাবে সম্পর্কযুক্ত যে, এদের একটির অবর্তমানে অন্যটি অচল। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতারা তা বুঝেও বুঝে না। আর এ কারণেই দেশ আজ আগাম সুনামির ধ্বংসাত্মক আভাস পেতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু কোন পন্থায় নির্বাচন হবে তা এখনো সঠিক হয়নি। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার বলছে তাদের অধীনেই নির্বাচন হবে। আর অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। এভাবে যদি প্রধান দুই দল ভিন্ন ভিন্ন কথা বলে তাহলে দেশের ও জনগণের অবস্থা কি হবে তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানেন। মূল কথা হলো, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া তারা নিজেরা নিজেদের বিশ্বাস করেন না। মনে রাখতে হবে, সকল কিছুর ঊর্ধ্বে দেশ। শুধু পিতার বা স্বামীর দোহাই দিয়ে বারবার ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। মনে রাখবেন, এখন প্রতিটি সাধারণ জনগণ খুবই সচেতন। যেহেতু রাজনৈতিক নেতারা একে অন্যকে বিশ্বাস করে না, তাই তত্ত্বাবধাযক সরকার ছাড়া আগামী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্ভব নয়। বাংলাদেশ তো আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয় যে, এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে নেতাদের জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। নির্বাচনে জয়লাভের পর কেউ কাউকে স্বাগত জানায় না। উল্টোভাবে বলে থাকে যে, ভোট কারচুপি করে ক্ষমতায় গেছে। আর এসব নিয়েই রাজনৈতিক নেতারা দেশকে ঠেলে দেয় মহাবিপদের দিকে। দেশ যেহেতু বিপদের দিকে এগুচ্ছে, তাই রাজনৈতিক নেতাদের উচিত সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের ব্যবস্থা করে নির্বাচন দেয়া। আর যদি তা না হয় তাহলে দেশের অভ্যন্তরে কোন প্রকার হত্যাযজ্ঞ বা বিপর্যয় ঘটে, তাহলে এর দায়ভার প্রধান দুই দলকেই নিতে হবে। তাই আসুন সবাই মিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে সুন্দর ও একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিয়ে জাতিকে নিশ্চিত বিপদ থেকে মুক্ত রাখি।

এসএম স্বপন

বিএসএস (১ম বর্ষ), সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা, মহাখালী

০০০০০০০০০০

যে গণতন্ত্রের দ্বারা শান্তি আসবে না, সে গণতন্ত্রের দরকার নাই

প্রত্যেক দেশের চালিকাশক্তি যুবক, যারা দেশকে পরিচালনা করবে। আর যদি তারা ভুল পথে চলে তখন তাদের ঐ পথ থেকে ফিরিয়ে আনা প্রথমে পিতা-মাতার কর্তব্য। আর যদি তাদের গণ্ডিতে না থাকে তবে ঐ দেশের সরকার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য কৌশল প্রয়োগ করবে। প্রধান যে কথাটি আজ বলতে হয়, এই দেশে অনেক অপরাধী আছে যারা ক্ষমতায় গিয়ে বেঁচে আছে, তাদের কোন বিচার হচ্ছে না। তবে কেন মুষ্টিমেয় লোকের বিচার হবে? দেশের অর্থনীতির দিক থেকে শুরু করে ভবিষ্যত্ প্রজন্ম অন্ধকারের দিকে চলে যাবে। আমাদের এই গণতান্ত্রিক দেশে কি শান্তি আসবে না যে স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাহলে যেই গণতন্ত্র দ্বারা শান্তি পাওয়া যাবে না, সেই গণতন্ত্রের প্রয়োজন নাই।

মো. আতিকুর রহমান সোহাগ

বামনা সারওয়ারজান মডেল স্কুল এন্ড কলেজ

একাদশ, বাণিজ্য, বামনা, বরগুনা

০০০০০০০০০০০০০

সংঘাত নয় সমঝোতাই নির্বাচনের জন্য সমাধান

নির্বাচন নিয়ে দেশে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে তা সহজে সমাধান হওয়ার নয়। আমার কাছে মনে হয়, দেশে রাজনীতিবিদদের অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার অনেক অভাব। তার কারণ, আমরা সহজে বুঝতে পারি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে আন্দোলন করেছিলেন এখন সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিপক্ষে, অপরদিকে বর্তমান বিরোধী দলীয় নেত্রী তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে তখন বিরোধিতা করেছিলেন এখন তার পক্ষে আন্দোলন করছেন। তখন কি তাদের মাথায় এই চিন্তা ছিল না! ১৮ বছর পর ২০১৩ সালে আমি আমার নিজের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চলে যাব। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আমরা সম্পূর্ণ বিপরীত ফলাফল দেখতে পেলাম। শুধু তারা নয় বর্তমানে যারা রাজনীতি করছে তারা একই ভুল করে আসছে। তারা নিজেরা যখন একে অন্যের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন তখন সেই বক্তব্য উল্টা তাদের ওপর পড়ে। ভুল হতে পারে তবে সাধারণ ভুল এ দেশের জনগণ দেখতে চায় না। এ থেকে প্রমাণিত হয় তাদের বিচক্ষণতা আর দূরদর্শিতার অনেক অভাব রয়েছে। উভয় দল উভয়ের সিদ্ধান্তে অটল, কারণ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এরকম আশঙ্কার কারণে তারা সংঘাতের দিকে যেতে কোন পরোয়া করে না।

মো. এরশাদ আলী

২য় বর্ষ, কম্পিউটার সায়েন্স,

নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দেশে যৌথ উদ্যোগে তরুণ এসএমই উদ্যোক্তা তৈরির ভারতীয় প্রস্তাব সরকার গ্রহণ করবে বলে মনে করেন?
6 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ১৮
ফজর৪:৪১
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫২
মাগরিব৫:৩৪
এশা৬:৪৫
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :